
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা ‘ভয়াবহ পর্যায়ে’ বলে মন্তব্য করেছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, একেবারে ভয়াবহ পর্যায়ে… খাদের কিনারায় গেছে…. পড়ে যাবে হয়ত।
মঙ্গলবার সন্ধ্যায় গণঅধিকার পরিষদের সঙ্গে বিএনপির লিয়াজোঁ কমিটির বৈঠকের পর দেশের অর্থনীতি কী পর্যায় আছে, জানতে চাইলে বিএনপি মহাসচিব এই মন্তব্য করেন।
ডোনাল্ড লু’র ঢাকা সফর সম্পর্কে জানতে চাইলে মির্জা ফখরুল বলেন, এই ব্যাপারে আমাদের কোনো বক্তব্য নাই। আমি আগেও বলেছি, এখনো বলি, বাংলাদেশে জনগণ কারো ওপর নির্ভর করে গণতান্ত্রিক অধিকার ফিরিয়ে আনবে… এটা আমরা মনে করি না। বাংলাদেশের জনগণ সবসময় নিজের শক্তিতে নিজের পায়ের ওপর ভর করে ৭০ সালের পূর্বেও আন্দোলন করেছে, ৭০ এ আন্দোলন করেছে, ৭১ এ মুক্তিযুদ্ধ করেছে এবং পরবর্তীকালেও আমরা যে আন্দোলন করছি তা সম্পূর্ণ জনগণের শক্তির ওপর নির্ভর করে আন্দোলন করছি গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের জন্য। সুতরাং এ বিষয়ে আমরা বেশি কিছু বলতে চাই না।
গুলশানে চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে বিকেলে গণঅধিকার পরিষদের সঙ্গে বিএনপির লিয়াজোঁ কমিটির বৈঠক হয়। এই বৈঠকে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ছিলেন।
বৈঠকে ছিলেন, গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর ও সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খাঁন, কেন্দ্রীয় নেতা আবু হানিফ, শাকিল উজ্জামান, নূরে এরশাদ সিদ্দিকী, হাসান আল মামুন,মাহফুজুর রহমান খান, রবিউল হাসান, তোফাজ্জল হোসেন, খালিদ হাসান। এ ছাড়া বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান বরকত উল্লাহ বুলু ছিলেন।
বিএনপি মহাসচিব সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে বলেন, জনগণের যে আকাঙ্ক্ষা সেই আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়ন করার লক্ষ্যে আমরা জনগণের সামনে যে দফাগুলো তুলে ধরেছিলাম ৩১ দফা… সেই সঙ্গে আন্দোলনের চূড়ান্ত পর্যায়ে এসে আমরা এক দফা আন্দোলনের কথা বলেছিলাম যার মধ্যে যেটা ছিল তার মূল কথাটাই ছিল যে, একটি নিরপেক্ষ অবাধ নির্বাচন করতে একটা নিরপেক্ষ নির্দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন করা।
সেই লক্ষ্যে আমরা বিগত কয়েক বছর ধরেই রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে যুগপৎ আন্দোলনের ধারায় আন্দোলন করছি। আজকে তারই ধারাবাহিকতায় আমরা গণঅধিকার পরিষদের সঙ্গে প্রাথমিকভাবে আমরা আলোচনা করেছি, কথা বলেছি। আমরা চলমান আন্দোলনের জন্য কী ধরনের কর্মসূচি গ্রহণ করা যায় এবং কীভাবে লক্ষ্যে পৌঁছানো যায়, বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং তার বিশ্লেষণ… সেই সঙ্গে আমাদের কর্মসূচি নির্ধারণের জন্য আমরা প্রাথমিক কিছু আলোচনা আজকে করেছি।
তিনি বলেন, একটি কথায় আমরা একমত হয়েছি যে কথাটা আমি সবসময় বলে আসছি এবং এখনো বলছি যেকোনো পবির্তনের জন্য সবচেয়ে বড় ভূমিকা পালন করে তরুণ এবং যুব সমাজ, ছাত্র সমাজ। সেক্ষেত্রে গণঅধিকার পরিষদের যারা আছেন, তারা কিন্তু সবাই একেবারে তরুণ এবং ছাত্র নেতা থেকে উঠে এসেছেন… এজন্য আমি আশাবাদী।
গণঅধিকার পরিষদের এই আন্দোলনে জোরালো ভূমিকা ছিল। আমি আশা করব, আগামী দিনে গণতান্ত্রিক আন্দোলনে তারা তাদের ভূমিকা অক্ষুণ্ণ রাখবেন এবং জনগণকে সংগঠিত করার ক্ষেত্রে তারা ইতিবাচক ভূমিকা পালন করবেন।
এর আগে গণতান্ত্রিক বাম ঐক্যের সঙ্গেও বৈঠক হয় বিএনপি। বাম ঐক্যের সমন্বয়ক হারুন চৌধুরীর নেতৃত্ব দেন।
ইতিমধ্যে বিএনপি ১২ দলীয় জোট, সমমনা জোট, এলডিপি, লেবার পার্টি সঙ্গে বৈঠকে শেষ করেছে। আগামীকাল বুধবার গণতন্ত্র মঞ্চ ও গণফোরামের সঙ্গে বিএনপির লিয়াজোঁ কমিটির বৈঠক রয়েছে।

দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা ‘ভয়াবহ পর্যায়ে’ বলে মন্তব্য করেছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, একেবারে ভয়াবহ পর্যায়ে… খাদের কিনারায় গেছে…. পড়ে যাবে হয়ত।
মঙ্গলবার সন্ধ্যায় গণঅধিকার পরিষদের সঙ্গে বিএনপির লিয়াজোঁ কমিটির বৈঠকের পর দেশের অর্থনীতি কী পর্যায় আছে, জানতে চাইলে বিএনপি মহাসচিব এই মন্তব্য করেন।
ডোনাল্ড লু’র ঢাকা সফর সম্পর্কে জানতে চাইলে মির্জা ফখরুল বলেন, এই ব্যাপারে আমাদের কোনো বক্তব্য নাই। আমি আগেও বলেছি, এখনো বলি, বাংলাদেশে জনগণ কারো ওপর নির্ভর করে গণতান্ত্রিক অধিকার ফিরিয়ে আনবে… এটা আমরা মনে করি না। বাংলাদেশের জনগণ সবসময় নিজের শক্তিতে নিজের পায়ের ওপর ভর করে ৭০ সালের পূর্বেও আন্দোলন করেছে, ৭০ এ আন্দোলন করেছে, ৭১ এ মুক্তিযুদ্ধ করেছে এবং পরবর্তীকালেও আমরা যে আন্দোলন করছি তা সম্পূর্ণ জনগণের শক্তির ওপর নির্ভর করে আন্দোলন করছি গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের জন্য। সুতরাং এ বিষয়ে আমরা বেশি কিছু বলতে চাই না।
গুলশানে চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে বিকেলে গণঅধিকার পরিষদের সঙ্গে বিএনপির লিয়াজোঁ কমিটির বৈঠক হয়। এই বৈঠকে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ছিলেন।
বৈঠকে ছিলেন, গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর ও সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খাঁন, কেন্দ্রীয় নেতা আবু হানিফ, শাকিল উজ্জামান, নূরে এরশাদ সিদ্দিকী, হাসান আল মামুন,মাহফুজুর রহমান খান, রবিউল হাসান, তোফাজ্জল হোসেন, খালিদ হাসান। এ ছাড়া বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান বরকত উল্লাহ বুলু ছিলেন।
বিএনপি মহাসচিব সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে বলেন, জনগণের যে আকাঙ্ক্ষা সেই আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়ন করার লক্ষ্যে আমরা জনগণের সামনে যে দফাগুলো তুলে ধরেছিলাম ৩১ দফা… সেই সঙ্গে আন্দোলনের চূড়ান্ত পর্যায়ে এসে আমরা এক দফা আন্দোলনের কথা বলেছিলাম যার মধ্যে যেটা ছিল তার মূল কথাটাই ছিল যে, একটি নিরপেক্ষ অবাধ নির্বাচন করতে একটা নিরপেক্ষ নির্দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন করা।
সেই লক্ষ্যে আমরা বিগত কয়েক বছর ধরেই রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে যুগপৎ আন্দোলনের ধারায় আন্দোলন করছি। আজকে তারই ধারাবাহিকতায় আমরা গণঅধিকার পরিষদের সঙ্গে প্রাথমিকভাবে আমরা আলোচনা করেছি, কথা বলেছি। আমরা চলমান আন্দোলনের জন্য কী ধরনের কর্মসূচি গ্রহণ করা যায় এবং কীভাবে লক্ষ্যে পৌঁছানো যায়, বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং তার বিশ্লেষণ… সেই সঙ্গে আমাদের কর্মসূচি নির্ধারণের জন্য আমরা প্রাথমিক কিছু আলোচনা আজকে করেছি।
তিনি বলেন, একটি কথায় আমরা একমত হয়েছি যে কথাটা আমি সবসময় বলে আসছি এবং এখনো বলছি যেকোনো পবির্তনের জন্য সবচেয়ে বড় ভূমিকা পালন করে তরুণ এবং যুব সমাজ, ছাত্র সমাজ। সেক্ষেত্রে গণঅধিকার পরিষদের যারা আছেন, তারা কিন্তু সবাই একেবারে তরুণ এবং ছাত্র নেতা থেকে উঠে এসেছেন… এজন্য আমি আশাবাদী।
গণঅধিকার পরিষদের এই আন্দোলনে জোরালো ভূমিকা ছিল। আমি আশা করব, আগামী দিনে গণতান্ত্রিক আন্দোলনে তারা তাদের ভূমিকা অক্ষুণ্ণ রাখবেন এবং জনগণকে সংগঠিত করার ক্ষেত্রে তারা ইতিবাচক ভূমিকা পালন করবেন।
এর আগে গণতান্ত্রিক বাম ঐক্যের সঙ্গেও বৈঠক হয় বিএনপি। বাম ঐক্যের সমন্বয়ক হারুন চৌধুরীর নেতৃত্ব দেন।
ইতিমধ্যে বিএনপি ১২ দলীয় জোট, সমমনা জোট, এলডিপি, লেবার পার্টি সঙ্গে বৈঠকে শেষ করেছে। আগামীকাল বুধবার গণতন্ত্র মঞ্চ ও গণফোরামের সঙ্গে বিএনপির লিয়াজোঁ কমিটির বৈঠক রয়েছে।

বিরোধীদলের সমালোচনা করে রিজভী বলেন, তারা নতুন ফ্যাসিবাদের অভিযোগ তুলছে, অথচ তাদের নিজেদের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডেই ফ্যাসিবাদী মানসিকতার প্রতিফলন দেখা যায়।
৬ দিন আগে
‘‘উনাদের ওই বক্তব্যটা টোটালি পলিটিক্যাল স্ট্যান্টবাজি, রাজনৈতিকভাবে প্রভাবিত। তারা যদি সরকারের বিরুদ্ধে আচরণই করত, তারা যদি সরকারের সুযোগ-সুবিধাই না নিত, তাহলে সরকার গঠন হওয়ার পরদিনই তাদের পদত্যাগ করে চলে যাওয়ার কথা’’
৬ দিন আগে
শফিকুর রহমান বলেন, আওয়ামী লীগের দ্বারা যত গণহত্যা সংঘটিত হয়েছে, তার প্রতিটি হত্যাকাণ্ডের বিচার নিশ্চিত করতে হবে। কারও প্রতি কোনো প্রতিশোধ নয়, ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে হবে। ন্যায়বিচার নিশ্চিত না করা অন্যায়। আমরা পরিষ্কার বলে দিচ্ছি— আপনারা বিচার নিশ্চিত করুন, না হয় আপনারা যাওয়ার রাস্তা খুঁজে বের করুন।
৭ দিন আগে
ঢাকার ধানমন্ডিতে সাংবাদিকদের পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে নেতাকর্মীদের দ্বারা তাদের ওপর যে হামলা-হেনস্তার অভিযোগ উঠেছে, তা পর্যালোচনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। দলটি বলেছে, এ ঘটনায় তাদের কোনো কর্মীর ‘সম্পৃক্ততা’ পেলে তার বিরুদ্ধে ‘সাংগঠনিক ব্যবস্থা’ নেওয়া হবে।
৭ দিন আগে