
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে দলটিকে ফুল নিয়ে গিয়ে শুভেচ্ছা জানিয়েছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)।
সোমবার (১ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় এনসিপির একটি প্রতিনিধি দল শুভেচ্ছা জানাতে ফুল নিয়ে যান গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে।
সেখানে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাউদ্দিন আহমেদের হাতে ফুলের তোড়া তুলে দেন এনসিপি নেতারা।
এনসিপির প্রতিনিধি দলে ছিলেন মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) সারজিস আলম, জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক সামান্তা শারমিন ও আরিফুল ইসলাম আদীব, কেন্দ্রীয় সংগঠক মোস্তাক আহমেদ শিশির ও কেন্দ্রীয় সদস্য তৌহিদ হোসেন।
এ সময় এনসিপির প্রতিনিধি দলকে স্বাগত জানান বিএনপির নেতারা। দুই দলের নেতারা বেশ কিছু সময় ধরে দেশের সমসাময়িক পরস্থিতিসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলাপ করেন।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাউদ্দিন আহমেদ এনসিপির উদ্দেশে বলেন, আমাদের তরুণ বন্ধুরা প্রমাণ করলেন— মাঠে আমরা যে যেভাবে বক্তৃতা বিবৃতি দেই না কেন, আমরা পরস্পর তর্ক-বিতর্ক করব সৌহার্দ্যমূলক আলাপ-আলোচনার ভিত্তিতে।
রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে শ্রদ্ধা ও সৌহার্দ্যের এ সম্পর্কের রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে ইতিবাচক ধারার পথে এগিয়ে নিয়ে যাবে বলেও মন্তব্য করেন সালাহউদ্দিন আহমেদ। বলেন, এর মধ্য দিয়ে আমরা আগের অগণতান্ত্রিক অপসংস্কৃতি বিলোপ করতে পারব।
বিএনপি নেতাদের সঙ্গে সাক্ষাতের পর এনসিপি নেতা সামান্তা শারমিন বলেন, গণতন্ত্রের একটি নাম হচ্ছে বিএনপি। তাদের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে স্বাগত জানাতে এসেছি। সমসাময়িক রাজনৈতিক বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে তাদের সঙ্গে কথা হয়েছে। ফ্যাসিবাদী আমলে বিরোধী মতের ওপর অত্যাচার-নির্যাতনের ইস্যু নিয়ে কথা হয়েছে। রাজনৈতিক মামলা, অত্যাচার, নির্যাতন— এসব নিয়ে আমাদের সব রাজনৈতিক দলের উদ্বেগ রয়েছে।
বিএনপি তাদের এসব ত্যাগী নেতাদের আগামী নেতৃত্বে উঠিয়ে আনার বিষয়ে অঙ্গীকার করেছে— এ কথাও বলেন সামান্তা। বলেন, রাজনীতিতে অস্ত্র ও টাকার চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে দলগুলোর ইশতেহার ও মানুষের প্রতি অঙ্গীকার। এসব বিষয় আমাদের মধ্যে আলোচনা হয়েছে।

বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে দলটিকে ফুল নিয়ে গিয়ে শুভেচ্ছা জানিয়েছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)।
সোমবার (১ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় এনসিপির একটি প্রতিনিধি দল শুভেচ্ছা জানাতে ফুল নিয়ে যান গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে।
সেখানে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাউদ্দিন আহমেদের হাতে ফুলের তোড়া তুলে দেন এনসিপি নেতারা।
এনসিপির প্রতিনিধি দলে ছিলেন মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) সারজিস আলম, জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক সামান্তা শারমিন ও আরিফুল ইসলাম আদীব, কেন্দ্রীয় সংগঠক মোস্তাক আহমেদ শিশির ও কেন্দ্রীয় সদস্য তৌহিদ হোসেন।
এ সময় এনসিপির প্রতিনিধি দলকে স্বাগত জানান বিএনপির নেতারা। দুই দলের নেতারা বেশ কিছু সময় ধরে দেশের সমসাময়িক পরস্থিতিসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলাপ করেন।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাউদ্দিন আহমেদ এনসিপির উদ্দেশে বলেন, আমাদের তরুণ বন্ধুরা প্রমাণ করলেন— মাঠে আমরা যে যেভাবে বক্তৃতা বিবৃতি দেই না কেন, আমরা পরস্পর তর্ক-বিতর্ক করব সৌহার্দ্যমূলক আলাপ-আলোচনার ভিত্তিতে।
রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে শ্রদ্ধা ও সৌহার্দ্যের এ সম্পর্কের রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে ইতিবাচক ধারার পথে এগিয়ে নিয়ে যাবে বলেও মন্তব্য করেন সালাহউদ্দিন আহমেদ। বলেন, এর মধ্য দিয়ে আমরা আগের অগণতান্ত্রিক অপসংস্কৃতি বিলোপ করতে পারব।
বিএনপি নেতাদের সঙ্গে সাক্ষাতের পর এনসিপি নেতা সামান্তা শারমিন বলেন, গণতন্ত্রের একটি নাম হচ্ছে বিএনপি। তাদের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে স্বাগত জানাতে এসেছি। সমসাময়িক রাজনৈতিক বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে তাদের সঙ্গে কথা হয়েছে। ফ্যাসিবাদী আমলে বিরোধী মতের ওপর অত্যাচার-নির্যাতনের ইস্যু নিয়ে কথা হয়েছে। রাজনৈতিক মামলা, অত্যাচার, নির্যাতন— এসব নিয়ে আমাদের সব রাজনৈতিক দলের উদ্বেগ রয়েছে।
বিএনপি তাদের এসব ত্যাগী নেতাদের আগামী নেতৃত্বে উঠিয়ে আনার বিষয়ে অঙ্গীকার করেছে— এ কথাও বলেন সামান্তা। বলেন, রাজনীতিতে অস্ত্র ও টাকার চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে দলগুলোর ইশতেহার ও মানুষের প্রতি অঙ্গীকার। এসব বিষয় আমাদের মধ্যে আলোচনা হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৬ জুন) সংসদের এলডি হলে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে জামায়াত আমির বলেন, জনগণ তাদের প্রতিনিধি হিসেবে সংসদে পাঠিয়েছে। তাই তারা যুক্তি ও বাস্তবতার ভিত্তিতে বিরোধী দলের দায়িত্ব পালন করবেন।
৬ দিন আগে
বিভিন্ন গোষ্ঠী ‘আবার মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে’ উল্লেখ করে তাদের প্রতিহত করার আহ্বান জানিয়ছেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, ‘বাংলাদেশে আমরা সবসময় সবকিছু সোজা পথে পাই না। আজকে আবার বিভিন্নভাবে বিভিন্ন গোষ্ঠী মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে। তারা বিভিন্নভাবে সমস্যা তৈরি করছেন, আইনশৃঙ্খলা পর
৬ দিন আগে
সাংবাদিকদের সঙ্গে এ মতবিনিময় সভায় দেশের সমসাময়িক রাজনৈতিক পরিস্থিতি, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা এবং সরকারের ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনাসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। তবে অনুষ্ঠান শেষে বিশ্বকাপ ফুটবল নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সংক্ষিপ্ত মন্তব্য সাংবাদিকদের মধ্যে বেশ আগ্রহ ও হাস্যরসের জন্ম দেয়।
৬ দিন আগে
বিএনপির মহাসচিব বলেন, দুর্ভিক্ষপীড়িত একটি রাষ্ট্রকে টেনে তুলেছিলেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। দেশে স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং গণতন্ত্রকে নিজস্ব প্রক্রিয়ায় চলতে দেওয়ার লক্ষ্য ছিল তার। তিনি আরও ১০ বছর বেঁচে থাকলে আজকে বাংলাদেশ একটি অনন্য দেশ হিসেবে গড়ে উঠতো এবং সমাজে এতো নেতিবাচকতা তৈরি হতো না
৮ দিন আগে