
নান্দাইল (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি

বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স বলেছেন, তারেক রহমান স্লোগান দিয়েছেন, দল-মত-ধর্ম-বর্ণ যার যার, বাংলাদেশ সবার। এই স্লোগানের সঙ্গে আমি বলতে চাই, দল-মত ধর্ম-বর্ণ যার যার, হালুয়াঘাট-ধোবাউড়া সবার। গারো পাহাড়ের পাদদেশে অবস্থিত এই চির অবহেলিত জনপদের উন্নয়ন প্রশ্নে কোনো দল নেই, মত নেই, নেই বিভাজন। এখানে প্রয়োজন ঐক্য। আর সম্প্রীতি ও সমন্বিত উন্নয়নের অঙ্গীকার। আগামী নির্বাচনে ধানের শীষ হোক দল-মত-নির্বিশেষে সবার ঐক্যের প্রতীক।
মঙ্গলবার (২৫ নভেম্বর) বিকেলে ময়মনসিংহ জেলার হালুয়াঘাট পৌরসভার দক্ষিণ প্রাথমিক উচ্চ বিদ্যালয়ে মতবিনিময়সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে এমরান সালেহ প্রিন্স বলেন, ফ্যাসিবাদমুক্ত পরিবেশে রাষ্ট্র পুনর্গঠনের নতুন যে অধ্যায় শুরু হয়েছে, সেখানে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে যে জাতীয় সম্ভাবনার জন্ম হয়েছে, সেই সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে এই এলাকার উন্নয়নে যুগান্তকারী পরিবর্তন আনতে হবে। আমাদের লক্ষ্য ধোবাউড়াকে আলোকিত, আধুনিক ও টেকসই জনপদে পরিণত করা।
তিনি বলেন, বিগত বিএনপি সরকারের (২০০১-২০০৬) আমলে তার আবেদনের ভিত্তিতেই হালুয়াঘাটে পৌরসভা গঠনের উদ্যোগ নেয় তৎকালীন বিএনপি সরকার। পরবর্তীকালে আওয়ামী লীগ আমলে পৌরসভা গঠিত হলেও পৌর এলাকার দৃশ্যমান উন্নয়ন হয়নি, নাগরিকরা মৌলিক সেবা থেকে বঞ্চিতই রয়ে গেছেন। অপরিচ্ছন্ন পরিবেশ, ড্রেনেজ সংকট, রাস্তাঘাটের বেহাল দশা দেখে পৌরবাসী আজ ক্লান্ত ও বিরক্ত।
জনগণের ভোটে নির্বাচিত হলে আমি হালুয়াঘাট পৌরসভার নাগরিক সেবার মান উন্নয়ন করব এবং দ্রুত সমস্যা সমাধান করে একটি দৃষ্টিনন্দন ও বাসযোগ্য পৌর এলাকা উপহার দেব।
সভায় উপস্থিত ছিলেন হালুয়াঘাট পৌর বিএনপির আহ্বায়ক হানিফ মো. শাকিরুল্লাহ, জেলা মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক হোসনেয়ারা নিলু, পৌর বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আলমগীর আলম বিপ্লব, যুগ্ম আহ্বায়ক সুলতান মহিউদ্দিন হুমায়ুন, পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মেহেদী হাসান দুলাল, সদস্যসচিব আসাদুজ্জামান সুজন, পৌর ছাত্রদলের আহ্বায়ক নূরে আলম জনি, সদস্যসচিব তাজবির হোসেন প্রমুখ।

বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স বলেছেন, তারেক রহমান স্লোগান দিয়েছেন, দল-মত-ধর্ম-বর্ণ যার যার, বাংলাদেশ সবার। এই স্লোগানের সঙ্গে আমি বলতে চাই, দল-মত ধর্ম-বর্ণ যার যার, হালুয়াঘাট-ধোবাউড়া সবার। গারো পাহাড়ের পাদদেশে অবস্থিত এই চির অবহেলিত জনপদের উন্নয়ন প্রশ্নে কোনো দল নেই, মত নেই, নেই বিভাজন। এখানে প্রয়োজন ঐক্য। আর সম্প্রীতি ও সমন্বিত উন্নয়নের অঙ্গীকার। আগামী নির্বাচনে ধানের শীষ হোক দল-মত-নির্বিশেষে সবার ঐক্যের প্রতীক।
মঙ্গলবার (২৫ নভেম্বর) বিকেলে ময়মনসিংহ জেলার হালুয়াঘাট পৌরসভার দক্ষিণ প্রাথমিক উচ্চ বিদ্যালয়ে মতবিনিময়সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে এমরান সালেহ প্রিন্স বলেন, ফ্যাসিবাদমুক্ত পরিবেশে রাষ্ট্র পুনর্গঠনের নতুন যে অধ্যায় শুরু হয়েছে, সেখানে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে যে জাতীয় সম্ভাবনার জন্ম হয়েছে, সেই সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে এই এলাকার উন্নয়নে যুগান্তকারী পরিবর্তন আনতে হবে। আমাদের লক্ষ্য ধোবাউড়াকে আলোকিত, আধুনিক ও টেকসই জনপদে পরিণত করা।
তিনি বলেন, বিগত বিএনপি সরকারের (২০০১-২০০৬) আমলে তার আবেদনের ভিত্তিতেই হালুয়াঘাটে পৌরসভা গঠনের উদ্যোগ নেয় তৎকালীন বিএনপি সরকার। পরবর্তীকালে আওয়ামী লীগ আমলে পৌরসভা গঠিত হলেও পৌর এলাকার দৃশ্যমান উন্নয়ন হয়নি, নাগরিকরা মৌলিক সেবা থেকে বঞ্চিতই রয়ে গেছেন। অপরিচ্ছন্ন পরিবেশ, ড্রেনেজ সংকট, রাস্তাঘাটের বেহাল দশা দেখে পৌরবাসী আজ ক্লান্ত ও বিরক্ত।
জনগণের ভোটে নির্বাচিত হলে আমি হালুয়াঘাট পৌরসভার নাগরিক সেবার মান উন্নয়ন করব এবং দ্রুত সমস্যা সমাধান করে একটি দৃষ্টিনন্দন ও বাসযোগ্য পৌর এলাকা উপহার দেব।
সভায় উপস্থিত ছিলেন হালুয়াঘাট পৌর বিএনপির আহ্বায়ক হানিফ মো. শাকিরুল্লাহ, জেলা মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক হোসনেয়ারা নিলু, পৌর বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আলমগীর আলম বিপ্লব, যুগ্ম আহ্বায়ক সুলতান মহিউদ্দিন হুমায়ুন, পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মেহেদী হাসান দুলাল, সদস্যসচিব আসাদুজ্জামান সুজন, পৌর ছাত্রদলের আহ্বায়ক নূরে আলম জনি, সদস্যসচিব তাজবির হোসেন প্রমুখ।

হাসনাত আব্দুল্লাহ আরো বলেন, গত ১৭ বছর আমাদের টুটি চেপে ধরা হয়েছিল, যারা ভিন্নমত পোষণ করত তাদের সামনে থেকে মাইক কেড়ে নেওয়া হতো, বাংলাদেশ একটা উন্মুক্ত কারাগারে পরিণত হয়েছিল, গুম করা হতো, আয়না ঘরে নেওয়া হতো, ক্রসফায়ারে দেওয়া হতো, ভিন্ন মত ও চিন্তার মানুষগুলোকে বলা হতো পিন্ডি বা দিল্লি চলে যেতে। এ
৪ ঘণ্টা আগে
বিভিন্ন ধরনের ১০টি দল একসঙ্গে এলেও কীসের ভিত্তিতে ঐক্য হলো সেটা স্পষ্ট নয়। এই ঐক্যের উদ্দেশ্য কী, আদর্শিক ভিত্তি কী সেটা নিয়েও কোনো রূপরেখা নেই, বক্তব্য নেই।
৬ ঘণ্টা আগে
তিনি বলেন, ‘১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণের প্রকৃত বিজয় ছিনিয়ে আনা হবে। চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাস নির্মূলের প্রতিশ্রুতিও দেন তিনি।’
৮ ঘণ্টা আগে