আ.লীগ নেতাদের জামাই আদরে আদালতে হাজির করা হচ্ছে: রিজভী

প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম
আপডেট : ২৪ এপ্রিল ২০২৫, ১৬: ৪৮

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, আওয়ামী নেতাদের জামাই আদরে আদালতে হাজির করা হচ্ছে। বৃহস্পতিবার (২৪ এপ্রিল) নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ মন্তব্য করেন তিনি।

রিজভী বলেন, ‘পতিত হাসিনার নেতারা দীর্ঘ সাড়ে ১৫ বছরের ভয়াবহ অপশাসনের জন্য ক্ষমা চাওয়া তো দূরে থাক, উল্টো আদালতে হুমকি-ধমকি দিচ্ছে। হাজারও শহীদের রক্তের ওপর দাঁড়িয়ে আরও বড় ফ্যাসিস্ট হয়ে ফিরে আসার হুমকি দিচ্ছে।’

তিনি বলেন, ‘দীর্ঘ রক্তঝরা আন্দোলনের পর থেকে গঠিত অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের কাছে দেশের গণতান্ত্রিক শক্তির প্রত্যাশার প্রতিফলন খুব একটা দেখা যাচ্ছে না। হয়তো কিছু কিছু ক্ষেত্রে অগ্রগতি থাকলেও গণতন্ত্রকে মজবুত কাঠামো তৈরির প্রস্তুতির অভাব পরিলক্ষিত হচ্ছে। পতিত স্বৈরাচারের খুনের আসামিরা প্রকাশ্যে আদালতে স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ জিয়া, খালেদা জিয়ার বিচার চেয়ে বক্তব্য রাখে।’

বিএনপির এই নেতা বলেন, ‘হাসিনার দোসররা আদালতকে ভেংচি কাটছে, পুলিশকে থোড়াই কেয়ার করছে। আসামি হয়েও আদালতে যে ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণ করছে তা মূলত অন্তর্বর্তী সরকারকে ‘অকার্যকর’ প্রমাণের এক গভীর চক্রান্ত।’

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও পুলিশ প্রশাসন নীরবতায় তারা এমন আচরণ করছে বলে মনে করেন বিএনপির এই নেতা। তিনি বলেন, ‘পুলিশ প্রশাসন ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে হাসিনার অলিগার্করা ‘সর্ষের ভেতর ভূত’ হয়ে থাকায় এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।’

আওয়ামী দুঃশাসনের ২৮ লাখ কোটি টাকা পাচারের সঙ্গে যুক্তরা আজও ধরা-ছোঁয়ার বাইরে বলেও উল্লেখ করেন রিজভী। তিনি বলেন, ‘সুতরাং হাট-বাজার, আর্থিক প্রতিষ্ঠান, বিভিন্ন সেক্টরে ফ্যাসিস্টদের সিন্ডিকেট তৎপরতা বহাল তবিয়তে কাজ করে যাচ্ছে।’

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব হাবিব উন নবী খান সোহেল, বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য আব্দুস সালাম প্রমুখ।

ad
ad

রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন

নিরঙ্কুশ জয়ের পথে বিএনপি

বিধি অনুযায়ী কোনো দল সংসদের মোট আসনের অর্ধেকের বেশি তথা ন্যূনতম ১৫১টি আসন পেলেই সরকার গঠন করতে পারে। ভোটের ফলাফলের তথ্য বলছে, বিএনপি ন্যূনতম এই সংখ্যার গণ্ডি পেরিয়ে দুই শতাধিক আসন পর্যন্ত পেয়ে যেতে পারে। সে হিসাবে বিএনপির সরকার গঠন এখন কেবল সময়ের ব্যাপার।

৫ ঘণ্টা আগে

ঢাকা উত্তরের মেয়র নির্বাচনে পরাজিত সাকি গেলেন সংসদে

ছাত্রজীবন থেকেই রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত জোনায়েদ সাকি তার দল গণসংহতি আন্দোলনের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা। ২০১৫ সালে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র নির্বাচনে অংশ নিয়েছিলেন তিনি। জনসম্পৃক্ত কর্মসূচি আর ব্যতিক্রমধর্মী প্রচারের মাধ্যমে ভোটারদের দৃষ্টি আকর্ষণ করলেও সে নির্বাচনে জিততে পারেননি তিনি।

৬ ঘণ্টা আগে

জিতলেন ‘খালেদা জিয়ার কামান’ আমানউল্লাহ আমান

ছাত্রজীবনে ছাত্রদলে যোগ দিয়ে রাজনীতি শুরু করা আমানউল্লাহ আমান আশির দশকের শেষ ভাগে স্বৈরাচার এরশাদবিরোধী আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। ১৯৯০-৯১ সালে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সহসভাপতি (ভিপি) ছিলেন।

৮ ঘণ্টা আগে

তীরে তরী ডুবল পাটওয়ারীর, জিতলেন মির্জা আব্বাসই

শেষ রক্ষা অবশ্য পাটওয়ারীর হয়নি। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর মধ্যরাত পেরিয়ে পাওয়া গেছে এ আসনের ফলাফল। তাতে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন অভিজ্ঞতায় সমৃদ্ধ মির্জা আব্বাসই। পাঁচ হাজার ৬৯৬ ভোটের ব্যবধানে শেষ পর্যন্ত হেরে গেছেন পাটওয়ারী।

১০ ঘণ্টা আগে