
লালমনিরহাট প্রতিনিধি

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান আগামী ১৩ জানুয়ারি লালমনিরহাট সফরে যাচ্ছেন। সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে জেলা বিএনপির আয়োজিত দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠানে যোগ দিতেই তিনি লালমনিরহাট যাচ্ছেন বলে জানিয়েছে দলীয় সূত্র।
খালেদা জিয়া গত ৩০ ডিসেম্বর মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুতে লালমনিরহাট জেলা বিএনপি দোয়া মাহফিলের আয়োজন করেছে। ওই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন তারেক রহমান।
তার এই সফর ঘিরে লালমনিরহাটসহ উত্তরাঞ্চলে ব্যাপক প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। বিএনপি সূত্র জানায়, আগামী ১২ ও ১৩ জানুয়ারি দুই দিনব্যাপী উত্তরাঞ্চলের বগুড়া, গাইবান্ধা, রংপুর ও লালমনিরহাটসহ একাধিক জেলায় আয়োজিত দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন তিনি।
জানা গেছে, সবশেষ ২০০৫ সালে বিএনপির ইউনিয়ন প্রতিনিধি সম্মেলনে যোগ দিতে লালমনিরহাট গিয়েছিলেন তারেক রহমান। দীর্ঘ প্রায় দুই দশক পর পরিবর্তিত রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে তিনি আবার লালমনিরহাট সফরে যাচ্ছেন।
উল্লেখ্য, তারেক রহমান প্রায় ১৭ বছর প্রবাসে নির্বাসিত জীবন যাপন করেছেন। ২০০৮ সালে সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় তিনি নির্যাতনের শিকার হন বলে দলীয়ভাবে অভিযোগ রয়েছে। নির্বাসিত অবস্থায় তিনি একাধিকবার ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেছেন।
লালমনিরহাট জেলা বিএনপির সভাপতি এবং বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক (উত্তরাঞ্চল) সাবেক উপমন্ত্রী অধ্যক্ষ আসাদুল হাবিব দুলু জানান, তারেক রহমান কোনো রাজনৈতিক কর্মসূচিতে নয়, কেবল খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে আয়োজিত দোয়া মাহফিলে যোগ দিতে লালমনিরহাট আসছেন। দোয়া মাহফিলটি জেলা শহরে নাকি বড়বাড়ি কলেজ মাঠে অনুষ্ঠিত হবে— এ বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি বলে জানান তিনি।

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান আগামী ১৩ জানুয়ারি লালমনিরহাট সফরে যাচ্ছেন। সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে জেলা বিএনপির আয়োজিত দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠানে যোগ দিতেই তিনি লালমনিরহাট যাচ্ছেন বলে জানিয়েছে দলীয় সূত্র।
খালেদা জিয়া গত ৩০ ডিসেম্বর মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুতে লালমনিরহাট জেলা বিএনপি দোয়া মাহফিলের আয়োজন করেছে। ওই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন তারেক রহমান।
তার এই সফর ঘিরে লালমনিরহাটসহ উত্তরাঞ্চলে ব্যাপক প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। বিএনপি সূত্র জানায়, আগামী ১২ ও ১৩ জানুয়ারি দুই দিনব্যাপী উত্তরাঞ্চলের বগুড়া, গাইবান্ধা, রংপুর ও লালমনিরহাটসহ একাধিক জেলায় আয়োজিত দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন তিনি।
জানা গেছে, সবশেষ ২০০৫ সালে বিএনপির ইউনিয়ন প্রতিনিধি সম্মেলনে যোগ দিতে লালমনিরহাট গিয়েছিলেন তারেক রহমান। দীর্ঘ প্রায় দুই দশক পর পরিবর্তিত রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে তিনি আবার লালমনিরহাট সফরে যাচ্ছেন।
উল্লেখ্য, তারেক রহমান প্রায় ১৭ বছর প্রবাসে নির্বাসিত জীবন যাপন করেছেন। ২০০৮ সালে সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় তিনি নির্যাতনের শিকার হন বলে দলীয়ভাবে অভিযোগ রয়েছে। নির্বাসিত অবস্থায় তিনি একাধিকবার ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেছেন।
লালমনিরহাট জেলা বিএনপির সভাপতি এবং বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক (উত্তরাঞ্চল) সাবেক উপমন্ত্রী অধ্যক্ষ আসাদুল হাবিব দুলু জানান, তারেক রহমান কোনো রাজনৈতিক কর্মসূচিতে নয়, কেবল খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে আয়োজিত দোয়া মাহফিলে যোগ দিতে লালমনিরহাট আসছেন। দোয়া মাহফিলটি জেলা শহরে নাকি বড়বাড়ি কলেজ মাঠে অনুষ্ঠিত হবে— এ বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি বলে জানান তিনি।

নতুন করে মন্ত্রিসভায় যুক্ত হওয়া পাঁচজন হলেন— বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও নরসিংদী-২ আসনের সংসদ সদস্য ড. আবদুল মঈন খান, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) চেয়ারম্যান ও ভোলা-১ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ, বান্দরবানের সংসদ সদস্য সাচিং প্রু জেরী, গাইবান্ধা-৪ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ
১ দিন আগে
প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ করে ছারছীনার পির বলেন, “আপনি এ বিষয়ে সতর্ক থাকবেন। তাওহিদি জনতা আপনাদের ভোট দিয়েছে কেবল ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য নয়; তারা ভোট দিয়েছে তাদের ঈমান, আক্বিদা, দিন ও আদর্শ রক্ষার প্রত্যাশায়। অতএব জনগণের দেওয়া ভোটাধিকার যে উদ্দেশ্যে প্রয়োগ করা হয়েছে, রাষ্ট্র পরিচালনার প্রতিটি ক্ষেত্রে
১ দিন আগে
প্রথম বিজ্ঞপ্তির প্রায় এক ঘণ্টা পর, বেলা ৩টার দিকে ভারতের রাষ্ট্রপতি ভবন নতুন একটি বিবৃতি দেয়। এতে আগের বিজ্ঞপ্তিটি সম্পূর্ণ বাতিল করার কথা জানানো হয়। নতুন বিবৃতিতে বলা হয়, “আজ ২১ আগস্ট ২০২৬ তারিখে ‘শনিবার চেঞ্জ অব গার্ড অনুষ্ঠান হচ্ছে না’ শিরোনামে যে সংবাদ বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছিল, তা প্রত্যাহার ক
১ দিন আগে
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সফর নিয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি বলে রয়টার্সকে জানিয়েছেন তার প্রেস সচিব এ এ এম সালেহ। তিনি বলেন, শেখ হাসিনা ও ‘অন্যান্য পলাতক অপরাধীদের’ প্রত্যর্পণের বিষয়ে ভারতের জবাবের অপেক্ষায় রয়েছে ঢাকা।
১ দিন আগে