
ময়মনসিংহ প্রতিনিধি

ক্ষমতায় গেলে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করে দেশের বেকার সমস্যার সমাধান করা হবে জানিয়ে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, মানুষের জন্য রাজনীতি করে বিএনপি, আর দেশ পরিচালনার বাস্তব অভিজ্ঞতাও একমাত্র বিএনপিরই আছে।
মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) বিকেলে ময়মনসিংহ জেলা সার্কিট হাউজ মাঠে আয়োজিত নির্বাচনি জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তারেক রহমান বলেন, দেশের সমস্যার বাস্তব সমাধান চাইলে ধানের শীষে ভোট দেওয়ার কোনো বিকল্প নেই।
তিনি অভিযোগ করে বলেন, একটি দল পলাতক স্বৈরাচারের ভাষায় কথা বলছে এবং দুর্নীতি নিয়ে মিথ্যাচার করছে। অর্ধেক জনগোষ্ঠীকে পেছনে রেখে কোনো দেশ এগিয়ে যেতে পারে না। সেই চিন্তা থেকেই ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির কথা বলা হয়েছে।
তারেক রহমান মঞ্চে ওঠার আগে ময়মনসিংহ বিভাগের ২৪টি আসনের ধানের শীষের প্রার্থীরা বক্তব্য রাখেন। প্রার্থীদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ইকবাল হোসেন, সুলতানা আহমেদ বাবু, মোতায়ের হোসেন বাবু, মাহমুদুল হক, ফরিদুল কবির তালুকদার, সিরাজুল হক, মাহবুব রহমান লিটন, মোস্তাফিজুর রহমান বাবলু, লৎফুজ্জামান বাবর।
বক্তব্যে প্রার্থীরা নিজেদের মধ্যকার দ্বিধা-দ্বন্দ্ব ভুলে ঐক্যবদ্ধ হয়ে ধানের শীষের বিজয় নিশ্চিত করতে দলীয় নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানান। তারা স্লোগান দেন— ‘নৌকা গেছে ভারতে, ধানের শীষ গদিতে’।
লুৎফুজ্জামান বাবর বলেন, ‘আমরা ময়মনসিংহ বিভাগের ২৪টি আসন তারেক রহমানকে উপহার দিতে চাই এবং আগামী দিনে তাকেই প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দেখতে চাই।’
এর আগে সকাল ১১টা ৫ মিনিটে গুলশানের বাসা থেকে ময়মনসিংহের উদ্দেশে রওনা হন তারেক রহমান। বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
দীর্ঘ ২২ বছর পর ময়মনসিংহে তারেক রহমানের আগমনকে ঘিরে জেলা সার্কিট হাউজ মাঠে ৬৪ ফুট দৈর্ঘ্য ও ৪৪ ফুট প্রস্থের বিশাল সভামঞ্চ নির্মাণ করা হয়। মঞ্চের মাঝখানে এলইডি স্ক্রিন এবং দুই পাশে ব্যানার টানানো হয়। এক পাশে লেখা ছিল ‘আই হ্যাভ অ্যা প্ল্যান’, অন্য পাশে ‘সবার আগে বাংলাদেশ’।
জনসভাস্থলের নিরাপত্তায় সিএসএফ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের মোতায়েন করা হয়। পুরো এলাকা ২০টি সিসিটিভি ক্যামেরার আওতায় এনে নিরাপত্তা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হয়।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, সর্বশেষ ২০০৪ সালে ময়মনসিংহে প্রতিনিধি সভায় অংশ নিয়েছিলেন তারেক রহমান। দীর্ঘ বিরতির পর তার এই নির্বাচনি জনসভাকে কেন্দ্র করে নগরজুড়ে পোস্টার ও ব্যানারে তাকে স্বাগত জানানো হয়।
সফর শেষে ঢাকা ফেরার পথে আরও দুটি নির্বাচনি সমাবেশে অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে তারেক রহমানের। এর মধ্যে সন্ধ্যা ৬টায় গাজীপুর রাজবাড়ী মাঠে এবং সন্ধ্যা ৭টায় উত্তরা আজমপুর ঈদগাঁও মাঠে তিনি বক্তব্য দেবেন।

ক্ষমতায় গেলে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করে দেশের বেকার সমস্যার সমাধান করা হবে জানিয়ে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, মানুষের জন্য রাজনীতি করে বিএনপি, আর দেশ পরিচালনার বাস্তব অভিজ্ঞতাও একমাত্র বিএনপিরই আছে।
মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) বিকেলে ময়মনসিংহ জেলা সার্কিট হাউজ মাঠে আয়োজিত নির্বাচনি জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তারেক রহমান বলেন, দেশের সমস্যার বাস্তব সমাধান চাইলে ধানের শীষে ভোট দেওয়ার কোনো বিকল্প নেই।
তিনি অভিযোগ করে বলেন, একটি দল পলাতক স্বৈরাচারের ভাষায় কথা বলছে এবং দুর্নীতি নিয়ে মিথ্যাচার করছে। অর্ধেক জনগোষ্ঠীকে পেছনে রেখে কোনো দেশ এগিয়ে যেতে পারে না। সেই চিন্তা থেকেই ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির কথা বলা হয়েছে।
তারেক রহমান মঞ্চে ওঠার আগে ময়মনসিংহ বিভাগের ২৪টি আসনের ধানের শীষের প্রার্থীরা বক্তব্য রাখেন। প্রার্থীদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ইকবাল হোসেন, সুলতানা আহমেদ বাবু, মোতায়ের হোসেন বাবু, মাহমুদুল হক, ফরিদুল কবির তালুকদার, সিরাজুল হক, মাহবুব রহমান লিটন, মোস্তাফিজুর রহমান বাবলু, লৎফুজ্জামান বাবর।
বক্তব্যে প্রার্থীরা নিজেদের মধ্যকার দ্বিধা-দ্বন্দ্ব ভুলে ঐক্যবদ্ধ হয়ে ধানের শীষের বিজয় নিশ্চিত করতে দলীয় নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানান। তারা স্লোগান দেন— ‘নৌকা গেছে ভারতে, ধানের শীষ গদিতে’।
লুৎফুজ্জামান বাবর বলেন, ‘আমরা ময়মনসিংহ বিভাগের ২৪টি আসন তারেক রহমানকে উপহার দিতে চাই এবং আগামী দিনে তাকেই প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দেখতে চাই।’
এর আগে সকাল ১১টা ৫ মিনিটে গুলশানের বাসা থেকে ময়মনসিংহের উদ্দেশে রওনা হন তারেক রহমান। বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
দীর্ঘ ২২ বছর পর ময়মনসিংহে তারেক রহমানের আগমনকে ঘিরে জেলা সার্কিট হাউজ মাঠে ৬৪ ফুট দৈর্ঘ্য ও ৪৪ ফুট প্রস্থের বিশাল সভামঞ্চ নির্মাণ করা হয়। মঞ্চের মাঝখানে এলইডি স্ক্রিন এবং দুই পাশে ব্যানার টানানো হয়। এক পাশে লেখা ছিল ‘আই হ্যাভ অ্যা প্ল্যান’, অন্য পাশে ‘সবার আগে বাংলাদেশ’।
জনসভাস্থলের নিরাপত্তায় সিএসএফ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের মোতায়েন করা হয়। পুরো এলাকা ২০টি সিসিটিভি ক্যামেরার আওতায় এনে নিরাপত্তা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হয়।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, সর্বশেষ ২০০৪ সালে ময়মনসিংহে প্রতিনিধি সভায় অংশ নিয়েছিলেন তারেক রহমান। দীর্ঘ বিরতির পর তার এই নির্বাচনি জনসভাকে কেন্দ্র করে নগরজুড়ে পোস্টার ও ব্যানারে তাকে স্বাগত জানানো হয়।
সফর শেষে ঢাকা ফেরার পথে আরও দুটি নির্বাচনি সমাবেশে অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে তারেক রহমানের। এর মধ্যে সন্ধ্যা ৬টায় গাজীপুর রাজবাড়ী মাঠে এবং সন্ধ্যা ৭টায় উত্তরা আজমপুর ঈদগাঁও মাঠে তিনি বক্তব্য দেবেন।

কুমিল্লা-৪ (দেবিদ্বার) আসনে ১১ দলীয় জোট মনোনীত প্রার্থী ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ বলেছেন, আসন্ন নির্বাচনে ভোট চুরি ও ভোটকেন্দ্র দখলের যেকোনো ষড়যন্ত্র প্রতিহত করা হবে। জুলাই আন্দোলনে যারা রাজপথে নেমেছিল, তারাই এবার ভোটকেন্দ্র পাহারা দেবে।
২ ঘণ্টা আগে
জামায়াত ক্ষমতায় এলে সংখ্যালঘু হিন্দু সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা ও মর্যাদা নিশ্চিত করা হবে জানিয়ে খুলনা-১ আসনে জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী কৃষ্ণ নন্দী বলেছেন, হিন্দুদের বলা হয়—জামায়াত ক্ষমতায় এলে তারা এ দেশে থাকতে পারবে না। আমি স্পষ্ট করে বলতে চাই, জামায়াত ক্ষমতায় এলে হিন্দুদের এ দেশে জামা
২ ঘণ্টা আগে
বক্তব্যে প্রার্থীরা নিজেদের মধ্যকার দ্বিধা-দ্বন্দ্ব ভুলে ঐক্যবদ্ধ হয়ে ধানের শীষের বিজয় নিশ্চিত করতে দলীয় নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানান। তারা স্লোগান দেন— ‘নৌকা গেছে ভারতে, ধানের শীষ গদিতে’।
২ ঘণ্টা আগে
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, বিএনপি রাষ্ট্র ক্ষমতায় এলে দেশের মানুষ দেশের পক্ষের শক্তিকে পাশে পাবে। বিএনপি দেশের মানুষের রাজনৈতিক দল। এই দলের পরিকল্পনার সবকিছুই দেশের মানুষকে নিয়ে।
৪ ঘণ্টা আগে