
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

উপজেলা নির্বাচন নিয়ে মন্তব্য করে বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আহ্বায়ক আব্দুস সালাম বলেন, ‘উপজেলা নির্বাচন আ.লীগের উপজ্বালায় পরিণত হয়েছে’ তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী এই নির্বাচনকে জ্বালায় পরিণত করেছেন।
সোমবার (২৯ এপ্রিল) দুপুরে রাজধানীর ফকিরাপুল পানির ট্যাংক রোডের সামনে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ মতিঝিল থানার ৯নং ওয়ার্ড বিএনপির উদ্যোগে তীব্র দাবদাহে অতিষ্ঠ পথচারীদের মধ্যে বোতলজাত পানি ও খাবার স্যালাইন বিতরণের সময় এসব কথা বলেন তিনি।
৭ জানুয়ারির সংসদ নির্বাচনের মতো সব বিরোধী দল উপজেলা নির্বাচনও প্রত্যাখান করেছে জানিয়ে বিএনপি চেয়ারপারসনের এই উপদেষ্টা বলেন, সংসদ নির্বাচনে প্রহসন করেছে। নির্বাচনে দলীয় বিদ্রোহ প্রার্থীদের উন্মুক্ত করেও ভোটার উপস্থিত করতে না পেরে এবার উপজেলা নির্বাচনে দলীয় প্রতীক উঠিয়ে দিয়ে মাঠে বেশি প্রার্থী দিয়ে ভোটার আনার পরিকল্পনা করেছিল সরকার। কিন্তু সরকারের এ ফরমুলা কাজে আসছে না।
সরকারের ব্যর্থতায় দেশে তীব্র দাবদাহ হচ্ছে দাবি করে আব্দুস সালাম বলেন, সরকার অপ্রয়োজনীয় বৃক্ষনিধন করছে। তাপবিদ্যুতের নামে কয়লা পুড়ছে, পাশের দেশকে খুশি করার জন্য শিল্পকারখানার পরিবেশ ধ্বংস করছে। সরকার সুন্দরবনকে ধ্বংস করছে। এরা কৌশলে বাংলাদেশকে অকার্যকর রাষ্ট্রে পরিণত করছে।
সরকারের লোকজন লুটপাট করে সবকিছু শেষ করে দিয়েছে অভিযোগ করে বিএনপির এই নেতা বলেন, তারা ব্যাংকগুলো গিলে খেয়ে ফেলছে। আজ বাংলাদেশ ব্যাংকে সাংবাদিক প্রবেশ নিষেধ করেছে, কেন? কারা ব্যাংক লুট করেছে? কারা ব্যাংকগুলো গিলে ফেলছে তা যেন প্রকাশ না পায় সেজন্য ব্যাংকে সাংবাদিক প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
৯নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি বাবর আলীর সভাপতিত্বে সাধারণ সম্পাদক আহমদ আলীর সঞ্চালনায় এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন- ঢাকা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুস সামাদ আজাদ, মহানগর দক্ষিণ বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ইউনুস মৃধা প্রমুখ।

উপজেলা নির্বাচন নিয়ে মন্তব্য করে বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আহ্বায়ক আব্দুস সালাম বলেন, ‘উপজেলা নির্বাচন আ.লীগের উপজ্বালায় পরিণত হয়েছে’ তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী এই নির্বাচনকে জ্বালায় পরিণত করেছেন।
সোমবার (২৯ এপ্রিল) দুপুরে রাজধানীর ফকিরাপুল পানির ট্যাংক রোডের সামনে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ মতিঝিল থানার ৯নং ওয়ার্ড বিএনপির উদ্যোগে তীব্র দাবদাহে অতিষ্ঠ পথচারীদের মধ্যে বোতলজাত পানি ও খাবার স্যালাইন বিতরণের সময় এসব কথা বলেন তিনি।
৭ জানুয়ারির সংসদ নির্বাচনের মতো সব বিরোধী দল উপজেলা নির্বাচনও প্রত্যাখান করেছে জানিয়ে বিএনপি চেয়ারপারসনের এই উপদেষ্টা বলেন, সংসদ নির্বাচনে প্রহসন করেছে। নির্বাচনে দলীয় বিদ্রোহ প্রার্থীদের উন্মুক্ত করেও ভোটার উপস্থিত করতে না পেরে এবার উপজেলা নির্বাচনে দলীয় প্রতীক উঠিয়ে দিয়ে মাঠে বেশি প্রার্থী দিয়ে ভোটার আনার পরিকল্পনা করেছিল সরকার। কিন্তু সরকারের এ ফরমুলা কাজে আসছে না।
সরকারের ব্যর্থতায় দেশে তীব্র দাবদাহ হচ্ছে দাবি করে আব্দুস সালাম বলেন, সরকার অপ্রয়োজনীয় বৃক্ষনিধন করছে। তাপবিদ্যুতের নামে কয়লা পুড়ছে, পাশের দেশকে খুশি করার জন্য শিল্পকারখানার পরিবেশ ধ্বংস করছে। সরকার সুন্দরবনকে ধ্বংস করছে। এরা কৌশলে বাংলাদেশকে অকার্যকর রাষ্ট্রে পরিণত করছে।
সরকারের লোকজন লুটপাট করে সবকিছু শেষ করে দিয়েছে অভিযোগ করে বিএনপির এই নেতা বলেন, তারা ব্যাংকগুলো গিলে খেয়ে ফেলছে। আজ বাংলাদেশ ব্যাংকে সাংবাদিক প্রবেশ নিষেধ করেছে, কেন? কারা ব্যাংক লুট করেছে? কারা ব্যাংকগুলো গিলে ফেলছে তা যেন প্রকাশ না পায় সেজন্য ব্যাংকে সাংবাদিক প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
৯নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি বাবর আলীর সভাপতিত্বে সাধারণ সম্পাদক আহমদ আলীর সঞ্চালনায় এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন- ঢাকা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুস সামাদ আজাদ, মহানগর দক্ষিণ বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ইউনুস মৃধা প্রমুখ।

বিরোধীদলের সমালোচনা করে রিজভী বলেন, তারা নতুন ফ্যাসিবাদের অভিযোগ তুলছে, অথচ তাদের নিজেদের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডেই ফ্যাসিবাদী মানসিকতার প্রতিফলন দেখা যায়।
৬ দিন আগে
‘‘উনাদের ওই বক্তব্যটা টোটালি পলিটিক্যাল স্ট্যান্টবাজি, রাজনৈতিকভাবে প্রভাবিত। তারা যদি সরকারের বিরুদ্ধে আচরণই করত, তারা যদি সরকারের সুযোগ-সুবিধাই না নিত, তাহলে সরকার গঠন হওয়ার পরদিনই তাদের পদত্যাগ করে চলে যাওয়ার কথা’’
৬ দিন আগে
শফিকুর রহমান বলেন, আওয়ামী লীগের দ্বারা যত গণহত্যা সংঘটিত হয়েছে, তার প্রতিটি হত্যাকাণ্ডের বিচার নিশ্চিত করতে হবে। কারও প্রতি কোনো প্রতিশোধ নয়, ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে হবে। ন্যায়বিচার নিশ্চিত না করা অন্যায়। আমরা পরিষ্কার বলে দিচ্ছি— আপনারা বিচার নিশ্চিত করুন, না হয় আপনারা যাওয়ার রাস্তা খুঁজে বের করুন।
৭ দিন আগে
ঢাকার ধানমন্ডিতে সাংবাদিকদের পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে নেতাকর্মীদের দ্বারা তাদের ওপর যে হামলা-হেনস্তার অভিযোগ উঠেছে, তা পর্যালোচনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। দলটি বলেছে, এ ঘটনায় তাদের কোনো কর্মীর ‘সম্পৃক্ততা’ পেলে তার বিরুদ্ধে ‘সাংগঠনিক ব্যবস্থা’ নেওয়া হবে।
৭ দিন আগে