
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

সম্প্রতি গণমাধ্যম নিয়ে করা মন্তব্যের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করেছেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার উপদেষ্টার পদ থেকে সদ্য পদাবনতি পাওয়া দলটির নেতা রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু।
বুধবার (২১ আগস্ট) দুপুরে শহরের আলাইপুরে জেলা বিএনপি কার্যালয়ের সামনে স্বেচ্ছাসেবক দলের ৪৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত জনসভায় গণমাধ্যমকর্মীদের কাছে ক্ষমাপ্রার্থনা করেন তিনি।
এ সময় রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু বলেন, “গত ১৬ আগস্ট যারা এই সরকারের (শেখ হাসিনা সরকারের) পক্ষ নিয়ে টিকিয়ে রেখেছিল তাদের কথা বলতে গিয়ে মুখ ফসকে সব পত্রিকার কথা বলে ফেলেছি। এজন্য আজকের সবার সামনে দাঁড়িয়ে গণমাধ্যমকর্মীদের কাছে দুঃখ প্রকাশ করছি। ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি।”
তিনি আরও বলেন, “অনেককেই এখন দেখা যাচ্ছে কিন্তু গত ১৫ বছর তাদের চেহারা দেখা যায়নি। অথচ আমার নির্যাতিত নেতাকর্মীরা আমার পাশে ছিল। বিএনপির নাম ভাঙিয়ে যারা অপকর্ম করতে যাবে সঙ্গে সঙ্গে আমাকে জানাবেন, ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
গত ১৬ আগস্ট টিভি-পত্রিকায় শেখ হাসিনার ছবি ও বক্তব্য প্রচার করলে জ্বালিয়ে দেওয়া হবে মর্মে রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলুর একটি বক্তব্য বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়। এরই পরিপ্রেক্ষিতে তাকে কারণ দর্শানো বা শো কজ নোটিশ দেয় বিএনপির হাই কমান্ড। জবাব সন্তোষজনক না হওয়ায় এবং দলের নীতি ও আদর্শের পরিপন্থী বক্তব্যের কারণে দুলুকে বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য থেকে পদাবনতি দিয়ে নির্বাহী কমিটির সদস্য করা হয়েছে বলে বিএনপির পক্ষ থেকে জানানো হয়।

সম্প্রতি গণমাধ্যম নিয়ে করা মন্তব্যের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করেছেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার উপদেষ্টার পদ থেকে সদ্য পদাবনতি পাওয়া দলটির নেতা রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু।
বুধবার (২১ আগস্ট) দুপুরে শহরের আলাইপুরে জেলা বিএনপি কার্যালয়ের সামনে স্বেচ্ছাসেবক দলের ৪৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত জনসভায় গণমাধ্যমকর্মীদের কাছে ক্ষমাপ্রার্থনা করেন তিনি।
এ সময় রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু বলেন, “গত ১৬ আগস্ট যারা এই সরকারের (শেখ হাসিনা সরকারের) পক্ষ নিয়ে টিকিয়ে রেখেছিল তাদের কথা বলতে গিয়ে মুখ ফসকে সব পত্রিকার কথা বলে ফেলেছি। এজন্য আজকের সবার সামনে দাঁড়িয়ে গণমাধ্যমকর্মীদের কাছে দুঃখ প্রকাশ করছি। ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি।”
তিনি আরও বলেন, “অনেককেই এখন দেখা যাচ্ছে কিন্তু গত ১৫ বছর তাদের চেহারা দেখা যায়নি। অথচ আমার নির্যাতিত নেতাকর্মীরা আমার পাশে ছিল। বিএনপির নাম ভাঙিয়ে যারা অপকর্ম করতে যাবে সঙ্গে সঙ্গে আমাকে জানাবেন, ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
গত ১৬ আগস্ট টিভি-পত্রিকায় শেখ হাসিনার ছবি ও বক্তব্য প্রচার করলে জ্বালিয়ে দেওয়া হবে মর্মে রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলুর একটি বক্তব্য বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়। এরই পরিপ্রেক্ষিতে তাকে কারণ দর্শানো বা শো কজ নোটিশ দেয় বিএনপির হাই কমান্ড। জবাব সন্তোষজনক না হওয়ায় এবং দলের নীতি ও আদর্শের পরিপন্থী বক্তব্যের কারণে দুলুকে বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য থেকে পদাবনতি দিয়ে নির্বাহী কমিটির সদস্য করা হয়েছে বলে বিএনপির পক্ষ থেকে জানানো হয়।

শফিকুর রহমান বলেন, আওয়ামী লীগের দ্বারা যত গণহত্যা সংঘটিত হয়েছে, তার প্রতিটি হত্যাকাণ্ডের বিচার নিশ্চিত করতে হবে। কারও প্রতি কোনো প্রতিশোধ নয়, ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে হবে। ন্যায়বিচার নিশ্চিত না করা অন্যায়। আমরা পরিষ্কার বলে দিচ্ছি— আপনারা বিচার নিশ্চিত করুন, না হয় আপনারা যাওয়ার রাস্তা খুঁজে বের করুন।
৬ দিন আগে
ঢাকার ধানমন্ডিতে সাংবাদিকদের পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে নেতাকর্মীদের দ্বারা তাদের ওপর যে হামলা-হেনস্তার অভিযোগ উঠেছে, তা পর্যালোচনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। দলটি বলেছে, এ ঘটনায় তাদের কোনো কর্মীর ‘সম্পৃক্ততা’ পেলে তার বিরুদ্ধে ‘সাংগঠনিক ব্যবস্থা’ নেওয়া হবে।
৭ দিন আগে
রাজধানীর ধানমন্ডি-৩২ এলাকায় পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে কয়েকজন সাংবাদিকের ওপর হামলা ও হেনস্তার অভিযোগে উঠেছে জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনাকে ‘জামায়াত নেতাকর্মীদের সন্ত্রাসী কায়দায় বর্বরোচিত হামলা এবং লাঞ্ছনা’ অভিহিত করে তীব্র ক্ষোভ, গভীর উদ্বেগ ও প্রতিবাদ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তা
৭ দিন আগে
রিজভী আরও বলেন, দেশকে অস্থিতিশীল করতে দেশবিরোধী, দেশের সার্বভৌমত্ব বিরোধী বক্তব্য দেয়া হচ্ছে। এত সাহস পেলেন কিভাবে? এই জাতিকে গোলাম বানাবেন? দিল্লির ক্রীতদাস বানাবেন? জনগণ তা হতে দেবে না।
৭ দিন আগে