
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস বলেছেন, যারা বিএনপি নেই, বিএনপি থাকবে না, তাদের মুখে ছাই দিয়ে বিএনপি টিকে আছে এবং থাকবে বলে। বিএনপির হাতেই দেশ ও স্বাধীনতা নিরাপদ। বিএনপির প্রতিষ্ঠাতাই দেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেছেন। বিএনপিই এদেশে গণতন্ত্র পুণঃপ্রতিষ্ঠা করেছে। যারা দেশকে বিপদে ফেলে চলে যায় তাদের হাতে দেশ নিরাপদ নয়।
শুক্রবার (৩১ মে) বিএনপির নয়াপল্টন কার্যালয়ের সামনে প্রয়াত রাষ্ট্রপতি ও দলের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান জিয়াউর রহমানের ৪৩তম শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপি আয়োজিত গণ দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। দোয়া মাহফিল শেষে কয়েক সহস্রাধিক মানুষের মাঝে খাবার বিতরণ করা হয়।
মির্জা আব্বাস বলেন, ‘শহীদ জিয়াউর রহমান শুধু স্বাধীনতা ঘোষণা দিয়ে ক্ষান্ত হননি, সম্মুখযুদ্ধও করেছেন। যে কাজটি তাদের (আওয়ামী লীগ নেতাদের) করার কথা ছিল সেটি জিয়াউর রহমান করেছেন। কিন্তু সময় তারা দেশকে বিপদে ফেলে চলে গিয়েছিলেন। এর জন্যই জিয়াউর রহমানের প্রতি তাদের এত ক্ষোভ।’ বিএনপির এই শীর্ষ নেতা বলেন, ‘মাত্র সাড়ে তিন বছরের শাসনামলে জিয়া দেশকে জাগিয়ে তুলেছিলেন। তলাবিহীন ঝুড়িকে স্বাবলম্বী করেছিলেন। এই আওয়ামী লীগ সরকার আবার দেশকে তলাবিহীন ঝুড়িতে পরিণত করেছে।’
আব্বাস বলেন, ‘মানুষ এমনিতেই কষ্টে আছে। এরমধ্যে সরকার আবারও তেলের দাম বাড়িয়েছে। এই বৃদ্ধির কারণে আবারও সবকিছুর মূল্য বৃদ্ধি পাবে। কেন দেশের এই করুণ দশা? এরা লুট করে দেশের সম্পদ বিদেশে পাচার করছে। দুর্নীতির মাধ্যমে পুরো দেশকে অকার্যকর করে তুলছে।’ বিএনপির অপর স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, ‘তারেক রহমানের নেতৃত্বে আমরা হারানো গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার করব। এরজন্য সবাইকে প্রস্তুতি নিতে হবে। বিএনপি গণমানুষের দল। মানুষের দাবি আদায়ে বিএনপিকেই ভূমিকা রাখতে হবে।’
বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আহ্বায়ক আবদুস সালামের সভাপতিত্বে সদস্য সচিব রফিকুল আলম মজনুর সঞ্চালনায় এতে আরও বক্তব্য দেন দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। এসময় উপস্থিত ছিলেন বিএনপি চেয়ারপারসনের বিশেষ সহকারী শিমুল বিশ্বাস, ঢাকা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট আব্দুস সালাম আজাদ, স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক মীর সরাফত আলী সপু, ঢাকা মহানগর উত্তরের সদস্য সচিব আমিনুল হক, স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি এসএম জিলানী, যুবদলের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মোনায়েম মুন্না, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক নবী উল্লাহ নবী, যুগ্ম আহ্বায়ক ইউনুস মৃধা, মোহাম্মদ মোহন, মোশাররফ হোসেন খোকন, আব্দুস সাত্তার, আ ন ম সাইফুল ইসলাম, হারুন অর রশিদ হারুন, লিটন মাহমুদ, এসকে সেকান্দর কাদির, মনির হোসেন চেয়ারম্যান প্রমুখ।
দোয়া পরিচালনা করেন জাতীয়তাবাদী ওলামা দলের আহ্বায়ক মাওলানা সেলিম রেজা।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস বলেছেন, যারা বিএনপি নেই, বিএনপি থাকবে না, তাদের মুখে ছাই দিয়ে বিএনপি টিকে আছে এবং থাকবে বলে। বিএনপির হাতেই দেশ ও স্বাধীনতা নিরাপদ। বিএনপির প্রতিষ্ঠাতাই দেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেছেন। বিএনপিই এদেশে গণতন্ত্র পুণঃপ্রতিষ্ঠা করেছে। যারা দেশকে বিপদে ফেলে চলে যায় তাদের হাতে দেশ নিরাপদ নয়।
শুক্রবার (৩১ মে) বিএনপির নয়াপল্টন কার্যালয়ের সামনে প্রয়াত রাষ্ট্রপতি ও দলের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান জিয়াউর রহমানের ৪৩তম শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপি আয়োজিত গণ দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। দোয়া মাহফিল শেষে কয়েক সহস্রাধিক মানুষের মাঝে খাবার বিতরণ করা হয়।
মির্জা আব্বাস বলেন, ‘শহীদ জিয়াউর রহমান শুধু স্বাধীনতা ঘোষণা দিয়ে ক্ষান্ত হননি, সম্মুখযুদ্ধও করেছেন। যে কাজটি তাদের (আওয়ামী লীগ নেতাদের) করার কথা ছিল সেটি জিয়াউর রহমান করেছেন। কিন্তু সময় তারা দেশকে বিপদে ফেলে চলে গিয়েছিলেন। এর জন্যই জিয়াউর রহমানের প্রতি তাদের এত ক্ষোভ।’ বিএনপির এই শীর্ষ নেতা বলেন, ‘মাত্র সাড়ে তিন বছরের শাসনামলে জিয়া দেশকে জাগিয়ে তুলেছিলেন। তলাবিহীন ঝুড়িকে স্বাবলম্বী করেছিলেন। এই আওয়ামী লীগ সরকার আবার দেশকে তলাবিহীন ঝুড়িতে পরিণত করেছে।’
আব্বাস বলেন, ‘মানুষ এমনিতেই কষ্টে আছে। এরমধ্যে সরকার আবারও তেলের দাম বাড়িয়েছে। এই বৃদ্ধির কারণে আবারও সবকিছুর মূল্য বৃদ্ধি পাবে। কেন দেশের এই করুণ দশা? এরা লুট করে দেশের সম্পদ বিদেশে পাচার করছে। দুর্নীতির মাধ্যমে পুরো দেশকে অকার্যকর করে তুলছে।’ বিএনপির অপর স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, ‘তারেক রহমানের নেতৃত্বে আমরা হারানো গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার করব। এরজন্য সবাইকে প্রস্তুতি নিতে হবে। বিএনপি গণমানুষের দল। মানুষের দাবি আদায়ে বিএনপিকেই ভূমিকা রাখতে হবে।’
বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আহ্বায়ক আবদুস সালামের সভাপতিত্বে সদস্য সচিব রফিকুল আলম মজনুর সঞ্চালনায় এতে আরও বক্তব্য দেন দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। এসময় উপস্থিত ছিলেন বিএনপি চেয়ারপারসনের বিশেষ সহকারী শিমুল বিশ্বাস, ঢাকা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট আব্দুস সালাম আজাদ, স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক মীর সরাফত আলী সপু, ঢাকা মহানগর উত্তরের সদস্য সচিব আমিনুল হক, স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি এসএম জিলানী, যুবদলের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মোনায়েম মুন্না, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক নবী উল্লাহ নবী, যুগ্ম আহ্বায়ক ইউনুস মৃধা, মোহাম্মদ মোহন, মোশাররফ হোসেন খোকন, আব্দুস সাত্তার, আ ন ম সাইফুল ইসলাম, হারুন অর রশিদ হারুন, লিটন মাহমুদ, এসকে সেকান্দর কাদির, মনির হোসেন চেয়ারম্যান প্রমুখ।
দোয়া পরিচালনা করেন জাতীয়তাবাদী ওলামা দলের আহ্বায়ক মাওলানা সেলিম রেজা।

বিরোধীদলের সমালোচনা করে রিজভী বলেন, তারা নতুন ফ্যাসিবাদের অভিযোগ তুলছে, অথচ তাদের নিজেদের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডেই ফ্যাসিবাদী মানসিকতার প্রতিফলন দেখা যায়।
৬ দিন আগে
‘‘উনাদের ওই বক্তব্যটা টোটালি পলিটিক্যাল স্ট্যান্টবাজি, রাজনৈতিকভাবে প্রভাবিত। তারা যদি সরকারের বিরুদ্ধে আচরণই করত, তারা যদি সরকারের সুযোগ-সুবিধাই না নিত, তাহলে সরকার গঠন হওয়ার পরদিনই তাদের পদত্যাগ করে চলে যাওয়ার কথা’’
৬ দিন আগে
শফিকুর রহমান বলেন, আওয়ামী লীগের দ্বারা যত গণহত্যা সংঘটিত হয়েছে, তার প্রতিটি হত্যাকাণ্ডের বিচার নিশ্চিত করতে হবে। কারও প্রতি কোনো প্রতিশোধ নয়, ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে হবে। ন্যায়বিচার নিশ্চিত না করা অন্যায়। আমরা পরিষ্কার বলে দিচ্ছি— আপনারা বিচার নিশ্চিত করুন, না হয় আপনারা যাওয়ার রাস্তা খুঁজে বের করুন।
৭ দিন আগে
ঢাকার ধানমন্ডিতে সাংবাদিকদের পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে নেতাকর্মীদের দ্বারা তাদের ওপর যে হামলা-হেনস্তার অভিযোগ উঠেছে, তা পর্যালোচনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। দলটি বলেছে, এ ঘটনায় তাদের কোনো কর্মীর ‘সম্পৃক্ততা’ পেলে তার বিরুদ্ধে ‘সাংগঠনিক ব্যবস্থা’ নেওয়া হবে।
৭ দিন আগে