
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

স্বৈরাচার পতনের মধ্য দিয়ে ৫ আগস্ট দেশে যে পরিবর্তন এসেছে, তা ধরে রাখার আহ্বান জানিয়ে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, '৫ আগস্ট দেশে একটি পরিবর্তন এসেছে। বহু ত্যাগ, তিতিক্ষা ও জান কোরবানির বিনিময়ে এই পরিবর্তন অর্জিত হয়েছে। এই পরিবর্তনের মূল লক্ষ্য হলো গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা, মানুষের ভোট ও কথা বলার অধিকার নিশ্চিত করা। তাই আমাদের দায়িত্ব হলো—এই পরিবর্তনের ধারাকে ধরে রাখা, যাতে ভবিষ্যতে আর কোনো স্বৈরাচার মানুষের অধিকার কেড়ে নিতে না পারে।'
মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) দিবাগত রাতে রাজধানীর উত্তরার আজমপুর ঈদগাহ মাঠে এক নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
এর আগে, ময়মনসিংহ ও গাজীপুর হয়ে রাত ১২টা ৫২ মিনিটে জনসভাস্থলে পৌঁছান বিএনপির চেয়ারম্যান। বিলম্বের জন্য ক্ষমা চেয়ে বক্তব্য শুরু করেন তিনি। সংক্ষিপ্ত বক্তব্য শেষে খুন ও গুমের শিকার পরিবারের স্বজনদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন তারেক রহমান। রাত ১টা ১৭ মিনিটে তিনি সভাস্থল ত্যাগ করেন।
জনসভায় উত্তরা এলাকার বিভিন্ন সমস্যার কথা তুলে ধরে তারেক রহমান বলেন, বিএনপি সরকার গঠন করতে পারলে গ্যাস, পানি, চিকিৎসা, জলাবদ্ধতা, যানজটসহ অন্তত সাতটি প্রধান সমস্যার সমাধানে উদ্যোগ নেওয়া হবে। তিনি বলেন, নিয়মিত বিল পরিশোধ করেও মানুষ গ্যাস ও পানি ঠিকভাবে পাচ্ছে না—এটি সারা দেশের সমস্যা। নতুন গ্যাসকূপ অনুসন্ধান এবং খাল খননের মাধ্যমে পানি সংকট নিরসনের পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি।
সরকারি হাসপাতালের অভাবের কথা উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, সঠিক চিকিৎসাসেবার জন্য উত্তরা এলাকায় একটি সরকারি হাসপাতাল প্রয়োজন। ধানের শীষ বিজয়ী হলে এ বিষয়ে উদ্যোগ নেওয়া হবে।
বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতা ও সারা ঢাকার যানজট সমস্যার কথাও তুলে ধরেন বিএনপির চেয়ারম্যান। তিনি বলেন, সরকার গঠন করলে জলাবদ্ধতা নিরসনকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে এবং যানজট নিয়ন্ত্রণে একটি সমন্বিত পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হবে।
মাদক সমস্যা ও বেকারত্বকে ভয়াবহ সামাজিক সংকট উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, তরুণ ও যুবসমাজের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা না গেলে কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ গড়া সম্ভব নয়।
তিনি আরও বলেন, 'গত ১৬–১৭ বছরে দেশের মানুষের রাজনৈতিক ও নাগরিক অধিকার কেড়ে নেওয়া হয়েছিল। সেই অধিকারের পক্ষে দাঁড়াতে গিয়েই অনেকে গুম ও খুনের শিকার হয়েছেন।;
২০২৪ সালের জুলাই অভ্যুত্থানে উত্তরার মানুষের ভূমিকার প্রশংসা করে বিএনপি চেয়ারম্যান বলেন, এই অবদান ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।
বক্তব্যের শেষ দিকে তারেক রহমান বলেন, আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে উত্তেজনাকর বক্তব্য এড়িয়ে ঠান্ডা মাথায় চিন্তা করতে হবে—কীভাবে সাধারণ মানুষের কষ্ট লাঘব করা যায়। জনগণের সমস্যা সমাধানে বাস্তবভিত্তিক পরিকল্পনা ও ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।

স্বৈরাচার পতনের মধ্য দিয়ে ৫ আগস্ট দেশে যে পরিবর্তন এসেছে, তা ধরে রাখার আহ্বান জানিয়ে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, '৫ আগস্ট দেশে একটি পরিবর্তন এসেছে। বহু ত্যাগ, তিতিক্ষা ও জান কোরবানির বিনিময়ে এই পরিবর্তন অর্জিত হয়েছে। এই পরিবর্তনের মূল লক্ষ্য হলো গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা, মানুষের ভোট ও কথা বলার অধিকার নিশ্চিত করা। তাই আমাদের দায়িত্ব হলো—এই পরিবর্তনের ধারাকে ধরে রাখা, যাতে ভবিষ্যতে আর কোনো স্বৈরাচার মানুষের অধিকার কেড়ে নিতে না পারে।'
মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) দিবাগত রাতে রাজধানীর উত্তরার আজমপুর ঈদগাহ মাঠে এক নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
এর আগে, ময়মনসিংহ ও গাজীপুর হয়ে রাত ১২টা ৫২ মিনিটে জনসভাস্থলে পৌঁছান বিএনপির চেয়ারম্যান। বিলম্বের জন্য ক্ষমা চেয়ে বক্তব্য শুরু করেন তিনি। সংক্ষিপ্ত বক্তব্য শেষে খুন ও গুমের শিকার পরিবারের স্বজনদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন তারেক রহমান। রাত ১টা ১৭ মিনিটে তিনি সভাস্থল ত্যাগ করেন।
জনসভায় উত্তরা এলাকার বিভিন্ন সমস্যার কথা তুলে ধরে তারেক রহমান বলেন, বিএনপি সরকার গঠন করতে পারলে গ্যাস, পানি, চিকিৎসা, জলাবদ্ধতা, যানজটসহ অন্তত সাতটি প্রধান সমস্যার সমাধানে উদ্যোগ নেওয়া হবে। তিনি বলেন, নিয়মিত বিল পরিশোধ করেও মানুষ গ্যাস ও পানি ঠিকভাবে পাচ্ছে না—এটি সারা দেশের সমস্যা। নতুন গ্যাসকূপ অনুসন্ধান এবং খাল খননের মাধ্যমে পানি সংকট নিরসনের পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি।
সরকারি হাসপাতালের অভাবের কথা উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, সঠিক চিকিৎসাসেবার জন্য উত্তরা এলাকায় একটি সরকারি হাসপাতাল প্রয়োজন। ধানের শীষ বিজয়ী হলে এ বিষয়ে উদ্যোগ নেওয়া হবে।
বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতা ও সারা ঢাকার যানজট সমস্যার কথাও তুলে ধরেন বিএনপির চেয়ারম্যান। তিনি বলেন, সরকার গঠন করলে জলাবদ্ধতা নিরসনকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে এবং যানজট নিয়ন্ত্রণে একটি সমন্বিত পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হবে।
মাদক সমস্যা ও বেকারত্বকে ভয়াবহ সামাজিক সংকট উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, তরুণ ও যুবসমাজের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা না গেলে কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ গড়া সম্ভব নয়।
তিনি আরও বলেন, 'গত ১৬–১৭ বছরে দেশের মানুষের রাজনৈতিক ও নাগরিক অধিকার কেড়ে নেওয়া হয়েছিল। সেই অধিকারের পক্ষে দাঁড়াতে গিয়েই অনেকে গুম ও খুনের শিকার হয়েছেন।;
২০২৪ সালের জুলাই অভ্যুত্থানে উত্তরার মানুষের ভূমিকার প্রশংসা করে বিএনপি চেয়ারম্যান বলেন, এই অবদান ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।
বক্তব্যের শেষ দিকে তারেক রহমান বলেন, আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে উত্তেজনাকর বক্তব্য এড়িয়ে ঠান্ডা মাথায় চিন্তা করতে হবে—কীভাবে সাধারণ মানুষের কষ্ট লাঘব করা যায়। জনগণের সমস্যা সমাধানে বাস্তবভিত্তিক পরিকল্পনা ও ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।
গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামী ২২৭টি আসনে প্রার্থী দেয়। নির্বাচনসংক্রান্ত আইন গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ অনুযায়ী, দুই শতাধিক আসনে প্রার্থী দিলে কোনো দল নির্বাচনে সাড়ে চার কোটি টাকা ব্যয় করতে পারে।
১ দিন আগে
নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী আরও বলেন, ‘এনসিপি সরকার গঠন করতে পারলে সীমান্তবর্তী এলাকায় খাল খননের উদ্যোগ নেওয়া হবে, যাতে মাদক পাচার রোধ করা যায়। ভারত সীমান্তঘেঁষা এলাকায় মাদক উৎপাদন ও পাচার বাড়ছে, যার প্রভাব বাংলাদেশের যুবসমাজের ওপর পড়ছে।’
১ দিন আগে
নাহিদ বলেন, আলেমদের হত্যার জন্য রাজনৈতিক দলগুলোর দায় আছে। তারা যথার্থ ভূমিকা পালনে ব্যর্থ হয়েছে। বর্তমান ক্ষমতাসীন বিএনপি তখন আলেমদের পাশে দাঁড়াতে পারেনি।
১ দিন আগে
তিনি অভিযোগ করে বলেন, স্বাস্থ্য খাতে পর্যাপ্ত অর্থ বরাদ্দ থাকা সত্ত্বেও প্রয়োজনীয় টিকা কেনা হয়নি। জনগণের জীবন রক্ষার চেয়ে সরকার অন্য বিষয় নিয়ে বেশি ব্যস্ত ছিল। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্তদের অবহেলার কারণেই সময়মতো ইউনিসেফের টিকা সংগ্রহ করা হয়নি।
১ দিন আগে