
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, শুধু ফারাক্কা বাঁধ নয়, বাংলাদেশের ১৫৪টি অভিন্ন নদীর পানি বণ্টন নিয়ে ভারত গড়িমসি করছে।
ঐতিহাসিক ফারাক্কা দিবস উপলক্ষে আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবে আয়োজিত আলোচনা সভায় অংশ নিয়ে তিনি এ কথা বলেন।
ফখরুল বলেন, ‘আমরা বরাবরই লক্ষ করেছি যে, বাংলাদেশের জন্ম হওয়ার পর থেকেই আমাদের প্রতিবেশী—যার কাছে আমাদের স্বাধীনতায় তাদের ভূমিকার জন্য আমরা কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছি সব সময়। তার পরেই আমরা যেটা লক্ষ্য করেছি, বাংলাদেশকে একটা নিয়ন্ত্রণের মধ্যে রাখার জন্য সব সময় তারা তাদের সব কর্মকাণ্ড পরিচালনা করেছে।’
তিনি বলেন, ‘শুধু ফারাক্কা বাঁধ নয়, গঙ্গার পানি নয়, বাংলাদেশের ১৫৪টি অভিন্ন নদীর পানি বণ্টনের ক্ষেত্রে তারা সব সময় গড়িমসি করেছে এবং তারা এই সমস্যার সমাধান করেনি, করছেও না। তিস্তা নদীর পানি বণ্টন নিয়ে দীর্ঘকাল ধরে এই যুক্তি; করছি, এই হয়ে যাবে, এখন ভালো অবস্থা আছে, এই করে করে কিন্তু সরকার কাটিয়েছে।
‘এই যে ব্যর্থতা, এই ব্যর্থতার মূল কারণ হচ্ছে, যে সরকার এখন আছে, সেই সরকার পুরোপুরিভাবে একটা নতজানু সরকার। তারা বাংলাদেশের জনগণের স্বার্থে প্রকৃত অবস্থান নিতে ব্যর্থ হয়েছে। কারণ তারা তাদের (ভারতের) কাছে অত্যন্ত দুর্বল,’ বলেন তিনি।
বাংলাদেশের মানুষকে তার অধিকার আদায়ের জন্য তার নিজেকেই নিজের পায়ে দাঁড়াতে হবে মন্তব্য করে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘আমরা আমাদের গণতান্ত্রিক অধিকারকে হারিয়ে ফেলেছি। সেই গণতান্ত্রিক অধিকারকে ফিরে পাওয়ার জন্য আমরা সংগ্রাম করছি, লড়াই করছি। এখন বহু রাজনৈতিক দল একসঙ্গে সংগ্রাম করছি আমাদের গণতান্ত্রিক অধিকার ফিরে পাওয়ার জন্য। এ জন্য আমাদের অনেকেই প্রাণ দিয়েছেন। আমাদের অনেক নির্যাতন-নিপীড়ন সহ্য করতে হচ্ছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘৬০ লাখ মানুষের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দেওয়া হয়েছে। ৭ জানুয়ারি নির্বাচনের আগে মাত্র তিন দিনে ২৭ হাজার নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এখনো সেই নির্যাতন-নিপীড়ন চলছে। আমাদের নেতাকর্মী যারা গণতন্ত্রের জন্য আন্দোলন করছেন, সাজা দিয়ে তাদের কারাগারে পাঠানো হচ্ছে।
‘এর মূল কারণ হচ্ছে, আজকে এমন একটা সরকার দখলদারিত্ব নিয়ে ক্ষমতায় বসে আছে—যাদের একমাত্র কাজ হচ্ছে, তারা তাদের স্বার্থ এবং তাদের প্রভুদের স্বার্থ রক্ষা করার জন্য জনগণের ওপর নির্যাতন-নিপীড়ন চালিয়ে যাচ্ছে,’ বলেন ফখরুল।
তিনি আরও বলেন, ‘ফারাক্কা-তিস্তা এবং অন্যান্য অভিন্ন নদীগুলোর সমস্যার সমাধান কী করে হবে? কারণ তারা (আওয়ামী লীগ) তো দখলদারিত্ব করছে এখানে। তারা তো একটা বিশেষ দায়িত্ব নিয়ে এই সরকার ক্ষমতা দখল করে আছে।’
এই সরকার জনগণের সরকার নয় মন্তব্য করে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘কোনো নির্বাচনই তারা করে না। কারণ তারা জানে, নির্বাচন করলে তাদের একটা ভূমিধস পরাজয় হবে, নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবে। সে জন্য বিভিন্ন কৌশলে তারা এখানে নির্বাচন দেখিয়ে তারা ক্ষমতায় টিকে আছে।
‘আজকে বাংলাদেশের সব উন্নয়ন, যেটা বলা হচ্ছে, এটা সম্পূর্ণভাবে একটা মিথ। এটা কোনো উন্নয়ন নয়। শুধুমাত্র এই সরকারকে টিকিয়ে রাখার জন্য একটা গোষ্ঠী তৈরি করা হচ্ছে, যে গোষ্ঠী এই তথাকথিত উন্নয়ন থেকে সবচেয়ে বেশি লাভবান হয়,’ বলেন তিনি।
মাফিয়া রাষ্ট্র তৈরি করা হয়েছে মন্তব্য করে তিনি বলেন, ‘এখনকার সরকারের মদদপুষ্ট যেসব ব্যবসায়ী আছেন, তারা সবাই তথাকথিত সরকারের গুণকীর্তন গায়—একটা মাত্র উদ্দেশ্য, এই সরকার টিকে থাকলে তারা তাদের লুণ্ঠন, বিদেশে টাকা পাচার করে সম্পদ তৈরি, তারা সেগুলো করতে পারবেন।’
ফখরুল বলেন, ‘ফারাক্কা দিবস আমাদের ওই কথাই মনে করিয়ে দেয়, জনগণের শক্তির কাছে বড় শক্তি আর কিছু নেই। মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী ছিলেন জনগণের মানুষ। তিনি সব সময় জনগণের কথা বলেছেন, জনগণের জন্য সংগ্রাম করেছেন। কোনো দিন ক্ষমতার আশে পাশে যাননি।’
তিনি বলেন, ‘ফারাক্কা দিবস আমাদের জন্য একটা প্রতীক, আমাদের আন্দোলন-সংগ্রামের প্রতীক। আজকে সারা বাংলাদেশের মানুষ যদি ঐক্যবদ্ধ হয়ে আমাদের যে লক্ষ্য; বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করা, সেই লক্ষ্যে যদি আমরা সবাই ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করি, অবশ্যই আমরা সেখানে জয়লাভ করব।’

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, শুধু ফারাক্কা বাঁধ নয়, বাংলাদেশের ১৫৪টি অভিন্ন নদীর পানি বণ্টন নিয়ে ভারত গড়িমসি করছে।
ঐতিহাসিক ফারাক্কা দিবস উপলক্ষে আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবে আয়োজিত আলোচনা সভায় অংশ নিয়ে তিনি এ কথা বলেন।
ফখরুল বলেন, ‘আমরা বরাবরই লক্ষ করেছি যে, বাংলাদেশের জন্ম হওয়ার পর থেকেই আমাদের প্রতিবেশী—যার কাছে আমাদের স্বাধীনতায় তাদের ভূমিকার জন্য আমরা কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছি সব সময়। তার পরেই আমরা যেটা লক্ষ্য করেছি, বাংলাদেশকে একটা নিয়ন্ত্রণের মধ্যে রাখার জন্য সব সময় তারা তাদের সব কর্মকাণ্ড পরিচালনা করেছে।’
তিনি বলেন, ‘শুধু ফারাক্কা বাঁধ নয়, গঙ্গার পানি নয়, বাংলাদেশের ১৫৪টি অভিন্ন নদীর পানি বণ্টনের ক্ষেত্রে তারা সব সময় গড়িমসি করেছে এবং তারা এই সমস্যার সমাধান করেনি, করছেও না। তিস্তা নদীর পানি বণ্টন নিয়ে দীর্ঘকাল ধরে এই যুক্তি; করছি, এই হয়ে যাবে, এখন ভালো অবস্থা আছে, এই করে করে কিন্তু সরকার কাটিয়েছে।
‘এই যে ব্যর্থতা, এই ব্যর্থতার মূল কারণ হচ্ছে, যে সরকার এখন আছে, সেই সরকার পুরোপুরিভাবে একটা নতজানু সরকার। তারা বাংলাদেশের জনগণের স্বার্থে প্রকৃত অবস্থান নিতে ব্যর্থ হয়েছে। কারণ তারা তাদের (ভারতের) কাছে অত্যন্ত দুর্বল,’ বলেন তিনি।
বাংলাদেশের মানুষকে তার অধিকার আদায়ের জন্য তার নিজেকেই নিজের পায়ে দাঁড়াতে হবে মন্তব্য করে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘আমরা আমাদের গণতান্ত্রিক অধিকারকে হারিয়ে ফেলেছি। সেই গণতান্ত্রিক অধিকারকে ফিরে পাওয়ার জন্য আমরা সংগ্রাম করছি, লড়াই করছি। এখন বহু রাজনৈতিক দল একসঙ্গে সংগ্রাম করছি আমাদের গণতান্ত্রিক অধিকার ফিরে পাওয়ার জন্য। এ জন্য আমাদের অনেকেই প্রাণ দিয়েছেন। আমাদের অনেক নির্যাতন-নিপীড়ন সহ্য করতে হচ্ছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘৬০ লাখ মানুষের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দেওয়া হয়েছে। ৭ জানুয়ারি নির্বাচনের আগে মাত্র তিন দিনে ২৭ হাজার নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এখনো সেই নির্যাতন-নিপীড়ন চলছে। আমাদের নেতাকর্মী যারা গণতন্ত্রের জন্য আন্দোলন করছেন, সাজা দিয়ে তাদের কারাগারে পাঠানো হচ্ছে।
‘এর মূল কারণ হচ্ছে, আজকে এমন একটা সরকার দখলদারিত্ব নিয়ে ক্ষমতায় বসে আছে—যাদের একমাত্র কাজ হচ্ছে, তারা তাদের স্বার্থ এবং তাদের প্রভুদের স্বার্থ রক্ষা করার জন্য জনগণের ওপর নির্যাতন-নিপীড়ন চালিয়ে যাচ্ছে,’ বলেন ফখরুল।
তিনি আরও বলেন, ‘ফারাক্কা-তিস্তা এবং অন্যান্য অভিন্ন নদীগুলোর সমস্যার সমাধান কী করে হবে? কারণ তারা (আওয়ামী লীগ) তো দখলদারিত্ব করছে এখানে। তারা তো একটা বিশেষ দায়িত্ব নিয়ে এই সরকার ক্ষমতা দখল করে আছে।’
এই সরকার জনগণের সরকার নয় মন্তব্য করে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘কোনো নির্বাচনই তারা করে না। কারণ তারা জানে, নির্বাচন করলে তাদের একটা ভূমিধস পরাজয় হবে, নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবে। সে জন্য বিভিন্ন কৌশলে তারা এখানে নির্বাচন দেখিয়ে তারা ক্ষমতায় টিকে আছে।
‘আজকে বাংলাদেশের সব উন্নয়ন, যেটা বলা হচ্ছে, এটা সম্পূর্ণভাবে একটা মিথ। এটা কোনো উন্নয়ন নয়। শুধুমাত্র এই সরকারকে টিকিয়ে রাখার জন্য একটা গোষ্ঠী তৈরি করা হচ্ছে, যে গোষ্ঠী এই তথাকথিত উন্নয়ন থেকে সবচেয়ে বেশি লাভবান হয়,’ বলেন তিনি।
মাফিয়া রাষ্ট্র তৈরি করা হয়েছে মন্তব্য করে তিনি বলেন, ‘এখনকার সরকারের মদদপুষ্ট যেসব ব্যবসায়ী আছেন, তারা সবাই তথাকথিত সরকারের গুণকীর্তন গায়—একটা মাত্র উদ্দেশ্য, এই সরকার টিকে থাকলে তারা তাদের লুণ্ঠন, বিদেশে টাকা পাচার করে সম্পদ তৈরি, তারা সেগুলো করতে পারবেন।’
ফখরুল বলেন, ‘ফারাক্কা দিবস আমাদের ওই কথাই মনে করিয়ে দেয়, জনগণের শক্তির কাছে বড় শক্তি আর কিছু নেই। মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী ছিলেন জনগণের মানুষ। তিনি সব সময় জনগণের কথা বলেছেন, জনগণের জন্য সংগ্রাম করেছেন। কোনো দিন ক্ষমতার আশে পাশে যাননি।’
তিনি বলেন, ‘ফারাক্কা দিবস আমাদের জন্য একটা প্রতীক, আমাদের আন্দোলন-সংগ্রামের প্রতীক। আজকে সারা বাংলাদেশের মানুষ যদি ঐক্যবদ্ধ হয়ে আমাদের যে লক্ষ্য; বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করা, সেই লক্ষ্যে যদি আমরা সবাই ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করি, অবশ্যই আমরা সেখানে জয়লাভ করব।’

নির্বাচন কমিশনের (ইসি) দায়িত্ব পালনে নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে বলে মন্তব্য করে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, ইসির এমনভাবে কাজ করা উচিত, যাতে নির্বাচন নিয়ে কোনো ধরনের সন্দেহ বা প্রশ্নের অবকাশ না থাকে। কিন্তু কমিশনের বিভিন্ন আচরণে সেই নিরপেক্ষতা নিয়েই উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
১২ ঘণ্টা আগে
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, এই নির্বাচনে নির্ধারিত হবে দেশ লিবারেল ডেমোক্রেসির (উদার গণতন্ত্র) হাতে থাকবে, নাকি উগ্রপন্থি-রাষ্ট্রবিরোধীদের দখলে যাবে।
১৪ ঘণ্টা আগে
কূটনৈতিক প্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতা, শিক্ষাবিদ, শিল্পোদ্যোক্তা, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি ও সাংবাদিকদের উপস্থিতিতে চলছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর পলিসি সামিট-২০২৬।
১৫ ঘণ্টা আগে
জনগণের ম্যান্ডেট পেয়ে সরকার গঠন করলে শুধু দল থেকে নয়, বাংলাদেশের মানুষ থেকে মন্ত্রী বানানো হবে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের।
১৫ ঘণ্টা আগে