
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) কেন্দ্রীয় নেতা ও সাবেক মন্ত্রী অ্যাডভোকেট এম রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু বলেছেন, ‘শেখ হাসিনা দেশের প্রাথমিক, মাধ্যমিকসহ প্রতিটি স্তরের শিক্ষাব্যবস্থাকে ধ্বংস করেছেন। তার শাসনামলে মেডিক্যালে ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁস এবং বিসিএস পরীক্ষার প্রশ্ন টাকার বিনিময়ে কেনাবেচা হয়েছে। টাকার কাছে মেধাবীরা পরাজিত হয়েছে।’
শিক্ষাব্যবস্থাকে স্বমহিমায় ফিরিয়ে আনতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি আরো বলেন, ‘শিক্ষক নিয়োগ বাণিজ্য করে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা।
আওয়ামী লীগ আমলে টাকা ছাড়া মেধার ভিত্তিতে কেউ চাকরি পায়নি। ছাত্র-জনতাই দেখিয়ে দিয়েছে, কোনো প্রকার বৈষম্যের ঠাঁই এই বাংলায় হবে না।’
মঙ্গলবার (১০ ডিসেম্বর) নাটোরের নবাব সিরাজ-উদ-দৌলা সরকারি কলেজ আয়োজিত নবীনবরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মো. জহিরুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত নবীন বরণ অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য দেন কলেজের উপাধ্যক্ষ প্রফেসর মো. আব্দুল বারী মির্জা, নবীন বরণ অনুষ্ঠানের সভাপতি প্রফেসর মো. আব্দুল মতিন, জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ফরহাদ আলী দেওয়ান শাহীন, নাটোর এন এস সরকারি কলেজের ছাত্র সংসদের সাবেক ভিপি সানোয়ার হোসেন তুষার, জিএস শহীদুল্লাহ সোহেল, কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি এস এম জুবায়ের হোসেন।
কর্মসংস্থান সৃষ্টি করার আশ্বাস দিয়ে দুলু বলেন, জনগণের ভোটে নির্বাচিত হওয়া অনেক কষ্টের। আওয়ামী লীগ তো দিনের ভোট রাতে করেছে। জনগণের ভোট তাদের দরকার হয়নি। তারা জনগণের মনের কথা কিভাবে বুঝবেন।
তারা শুধু নিজেদের আখের গোছাতে ব্যস্ত ছিলেন। তারা নিজেদের এমপি, মন্ত্রী পরিচয় দিয়ে দেশটাকে লুটপাট করে ধ্বংস করে দিয়ে গেছেন। নাটোরে তেমন কোনো শিল্প কারখানা ছিল না। আমি এমপি থাকা অবস্থায় প্রাণের মালিককে বলে প্রাণের কারখানা নির্মাণ করাই। আজ সেখানে হাজার হাজার ছেলেমেয়ের কর্মসংস্থান হয়েছে।

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) কেন্দ্রীয় নেতা ও সাবেক মন্ত্রী অ্যাডভোকেট এম রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু বলেছেন, ‘শেখ হাসিনা দেশের প্রাথমিক, মাধ্যমিকসহ প্রতিটি স্তরের শিক্ষাব্যবস্থাকে ধ্বংস করেছেন। তার শাসনামলে মেডিক্যালে ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁস এবং বিসিএস পরীক্ষার প্রশ্ন টাকার বিনিময়ে কেনাবেচা হয়েছে। টাকার কাছে মেধাবীরা পরাজিত হয়েছে।’
শিক্ষাব্যবস্থাকে স্বমহিমায় ফিরিয়ে আনতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি আরো বলেন, ‘শিক্ষক নিয়োগ বাণিজ্য করে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা।
আওয়ামী লীগ আমলে টাকা ছাড়া মেধার ভিত্তিতে কেউ চাকরি পায়নি। ছাত্র-জনতাই দেখিয়ে দিয়েছে, কোনো প্রকার বৈষম্যের ঠাঁই এই বাংলায় হবে না।’
মঙ্গলবার (১০ ডিসেম্বর) নাটোরের নবাব সিরাজ-উদ-দৌলা সরকারি কলেজ আয়োজিত নবীনবরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মো. জহিরুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত নবীন বরণ অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য দেন কলেজের উপাধ্যক্ষ প্রফেসর মো. আব্দুল বারী মির্জা, নবীন বরণ অনুষ্ঠানের সভাপতি প্রফেসর মো. আব্দুল মতিন, জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ফরহাদ আলী দেওয়ান শাহীন, নাটোর এন এস সরকারি কলেজের ছাত্র সংসদের সাবেক ভিপি সানোয়ার হোসেন তুষার, জিএস শহীদুল্লাহ সোহেল, কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি এস এম জুবায়ের হোসেন।
কর্মসংস্থান সৃষ্টি করার আশ্বাস দিয়ে দুলু বলেন, জনগণের ভোটে নির্বাচিত হওয়া অনেক কষ্টের। আওয়ামী লীগ তো দিনের ভোট রাতে করেছে। জনগণের ভোট তাদের দরকার হয়নি। তারা জনগণের মনের কথা কিভাবে বুঝবেন।
তারা শুধু নিজেদের আখের গোছাতে ব্যস্ত ছিলেন। তারা নিজেদের এমপি, মন্ত্রী পরিচয় দিয়ে দেশটাকে লুটপাট করে ধ্বংস করে দিয়ে গেছেন। নাটোরে তেমন কোনো শিল্প কারখানা ছিল না। আমি এমপি থাকা অবস্থায় প্রাণের মালিককে বলে প্রাণের কারখানা নির্মাণ করাই। আজ সেখানে হাজার হাজার ছেলেমেয়ের কর্মসংস্থান হয়েছে।

ঢাকার ধানমন্ডিতে সাংবাদিকদের পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে নেতাকর্মীদের দ্বারা তাদের ওপর যে হামলা-হেনস্তার অভিযোগ উঠেছে, তা পর্যালোচনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। দলটি বলেছে, এ ঘটনায় তাদের কোনো কর্মীর ‘সম্পৃক্ততা’ পেলে তার বিরুদ্ধে ‘সাংগঠনিক ব্যবস্থা’ নেওয়া হবে।
৬ দিন আগে
রাজধানীর ধানমন্ডি-৩২ এলাকায় পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে কয়েকজন সাংবাদিকের ওপর হামলা ও হেনস্তার অভিযোগে উঠেছে জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনাকে ‘জামায়াত নেতাকর্মীদের সন্ত্রাসী কায়দায় বর্বরোচিত হামলা এবং লাঞ্ছনা’ অভিহিত করে তীব্র ক্ষোভ, গভীর উদ্বেগ ও প্রতিবাদ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তা
৬ দিন আগে
রিজভী আরও বলেন, দেশকে অস্থিতিশীল করতে দেশবিরোধী, দেশের সার্বভৌমত্ব বিরোধী বক্তব্য দেয়া হচ্ছে। এত সাহস পেলেন কিভাবে? এই জাতিকে গোলাম বানাবেন? দিল্লির ক্রীতদাস বানাবেন? জনগণ তা হতে দেবে না।
৬ দিন আগে
ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী, আজকের সমাবেশের পাশাপাশি আগামী ৪ জুলাই দেশব্যাপী সকল জেলায় বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল করবে ১১ দলীয় জোট।
৬ দিন আগে