
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

দেশে গণতন্ত্র, সুশাসনের আবহাওয়া তৈরি করতে সর্বশেষ লড়াইয়ের প্রস্তুতি নিয়ে কাজ করতে হবে বলে জানিয়েছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী।
শনিবার (৪ মে) জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে হাবিবুর রশিদ হাবিব মুক্তি পরিষদের উদ্যোগে বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়াসহ দলীয় নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মামলা প্রত্যাহার ও নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে আয়োজিত মানববন্ধন থেকে এ আহ্বান জানান তিনি।
নেতাকর্মীকে আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, সকলকে আহ্বান করছি আমরা শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি করবো। কিন্তু আমাদের গায়ে যদি লাঠির আঘাত লাগে তাহলে কতদিন শান্তিপূর্ণ থাকবো। প্রতিবাদ এবং প্রতিরোধ একসাথে চালাতে হবে। না হলে আরো অনেক হাবিবুর রশিদ হাবিবদের কারাগারে যেতে হবে, প্রতিকার পাওয়া যাবে না।
বিএনপির জ্যেষ্ঠ এই নেতা বলেন, হাইকোর্ট আওয়ামী লীগ, পুলিশ আওয়ামী লীগ, প্রশাসনের ডিসি-এসপিরা ছাত্রলীগ। এরকম একটা পরিবেশে মানুষের দম বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। কোনো ন্যায় বিচার নেই। মানুষ আদালতে যায় প্রতিকার পাওয়ার জন্য সেটাও নেই।
রিজভী বলেন, প্রধানমন্ত্রী দুদিন ধরেই বলছেন তাকে নাকি কিছু রাজনৈতিক দল উৎখাতের চেষ্টা করছে। আমার কথা হচ্ছে রাজনৈতিক দল উৎখাতে চেষ্টা করবে কেন? আপনি (শেখ হাসিনা) আপনার সরকার উৎখাত হোক এটা তো জনগণ চাচ্ছে। আর ক্ষমতায় আসা না আসা এটা কোনো রাজনৈতিক দলের উপর নির্ভর করে না। এটা নির্ভর করে জনগণের উপর। আপনি জনগণের মালিকানা কেড়ে নিয়েছেন, ভোটার অধিকার কেড়ে নিয়েছেন, বাকস্বাধীনতা কেড়ে নিয়েছেন। আপনার ক্ষমতা চলে যাক এটা কিন্তু জনগণ চায়।
বিএনপির এই মুখপাত্র বলেন, শেখ হাসিনা উন্নয়নের কথা বলে। একটা প্রবাদ আছে অন্ধের হাতি দর্শন শেখ হাসিনার উন্নয়ন। মানুষ অভুক্ত, খেতে পারছে না তারপরও শেখ হাসিনার উন্নয়নের কথা বলতে হবে। আলু, পিয়াজ, বোরো চাষ করার জন্য কৃষকরা ৫০০০ টাকা ঋণ নেয় সেই ঋণ শোধ করতে না পারলে কৃষকদের জেলে যেতে হয়। আর হাজার হাজার কোটি টাকা যারা ঋণ নিয়েছে তারা হচ্ছে ক্ষমতার ঘনিষ্ঠ। তারা প্রকাশ্য আলোতে ঘুরে বেড়াচ্ছে। সরকারের পাশে থাকেন তারা। এটা শেখ হাসিনার সুশাসনের একটি নমুনা।
ছাত্রদলের সাবেক এই সভাপতি বলেন, ১০ হাজার টাকার জন্য কৃষক যায় জেলে আর নিয়ম বহির্ভূত যে ১০ হাজার কোটি টাকা নিয়েছে সে শেখ হাসিনার পাশে এটাই হচ্ছে তার সুশাসন। এই কারণেই শেখ হাসিনা তার স্বৈরাচারী শাসন টিকিয়ে রাখতে চায়। এই কারণেই হাবিবুর রশিদ হাবিব, আব্দুল কাদের ভূঁইয়া জুয়েল, হাবিবুন নবী খান সোহেলরা কারাগারে সাইফুল ইসলাম নিরবরা কারাগারে।

দেশে গণতন্ত্র, সুশাসনের আবহাওয়া তৈরি করতে সর্বশেষ লড়াইয়ের প্রস্তুতি নিয়ে কাজ করতে হবে বলে জানিয়েছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী।
শনিবার (৪ মে) জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে হাবিবুর রশিদ হাবিব মুক্তি পরিষদের উদ্যোগে বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়াসহ দলীয় নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মামলা প্রত্যাহার ও নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে আয়োজিত মানববন্ধন থেকে এ আহ্বান জানান তিনি।
নেতাকর্মীকে আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, সকলকে আহ্বান করছি আমরা শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি করবো। কিন্তু আমাদের গায়ে যদি লাঠির আঘাত লাগে তাহলে কতদিন শান্তিপূর্ণ থাকবো। প্রতিবাদ এবং প্রতিরোধ একসাথে চালাতে হবে। না হলে আরো অনেক হাবিবুর রশিদ হাবিবদের কারাগারে যেতে হবে, প্রতিকার পাওয়া যাবে না।
বিএনপির জ্যেষ্ঠ এই নেতা বলেন, হাইকোর্ট আওয়ামী লীগ, পুলিশ আওয়ামী লীগ, প্রশাসনের ডিসি-এসপিরা ছাত্রলীগ। এরকম একটা পরিবেশে মানুষের দম বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। কোনো ন্যায় বিচার নেই। মানুষ আদালতে যায় প্রতিকার পাওয়ার জন্য সেটাও নেই।
রিজভী বলেন, প্রধানমন্ত্রী দুদিন ধরেই বলছেন তাকে নাকি কিছু রাজনৈতিক দল উৎখাতের চেষ্টা করছে। আমার কথা হচ্ছে রাজনৈতিক দল উৎখাতে চেষ্টা করবে কেন? আপনি (শেখ হাসিনা) আপনার সরকার উৎখাত হোক এটা তো জনগণ চাচ্ছে। আর ক্ষমতায় আসা না আসা এটা কোনো রাজনৈতিক দলের উপর নির্ভর করে না। এটা নির্ভর করে জনগণের উপর। আপনি জনগণের মালিকানা কেড়ে নিয়েছেন, ভোটার অধিকার কেড়ে নিয়েছেন, বাকস্বাধীনতা কেড়ে নিয়েছেন। আপনার ক্ষমতা চলে যাক এটা কিন্তু জনগণ চায়।
বিএনপির এই মুখপাত্র বলেন, শেখ হাসিনা উন্নয়নের কথা বলে। একটা প্রবাদ আছে অন্ধের হাতি দর্শন শেখ হাসিনার উন্নয়ন। মানুষ অভুক্ত, খেতে পারছে না তারপরও শেখ হাসিনার উন্নয়নের কথা বলতে হবে। আলু, পিয়াজ, বোরো চাষ করার জন্য কৃষকরা ৫০০০ টাকা ঋণ নেয় সেই ঋণ শোধ করতে না পারলে কৃষকদের জেলে যেতে হয়। আর হাজার হাজার কোটি টাকা যারা ঋণ নিয়েছে তারা হচ্ছে ক্ষমতার ঘনিষ্ঠ। তারা প্রকাশ্য আলোতে ঘুরে বেড়াচ্ছে। সরকারের পাশে থাকেন তারা। এটা শেখ হাসিনার সুশাসনের একটি নমুনা।
ছাত্রদলের সাবেক এই সভাপতি বলেন, ১০ হাজার টাকার জন্য কৃষক যায় জেলে আর নিয়ম বহির্ভূত যে ১০ হাজার কোটি টাকা নিয়েছে সে শেখ হাসিনার পাশে এটাই হচ্ছে তার সুশাসন। এই কারণেই শেখ হাসিনা তার স্বৈরাচারী শাসন টিকিয়ে রাখতে চায়। এই কারণেই হাবিবুর রশিদ হাবিব, আব্দুল কাদের ভূঁইয়া জুয়েল, হাবিবুন নবী খান সোহেলরা কারাগারে সাইফুল ইসলাম নিরবরা কারাগারে।

শনিবার (২২ আগস্ট) জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের লেজিসলেটিভ সাপোর্ট উইংয়ের আইন প্রণয়ন শাখা-২-এর সচিব ব্যারিস্টার মো. গোলাম সরওয়ার ভূঁইয়া স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।
২ দিন আগে
শুক্রবার মন্ত্রিসভায় নতুন যুক্ত হওয়া মন্ত্রীদের সঙ্গে শপথ নিয়েছেন এম রশিদুজ্জামান মিল্লাতও। তিনি মন্ত্রিসভায় প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্বে ছিলেন। ছয় মাসের যাত্রায় ‘পদোন্নতি’ পেলেন তিনি। প্রতিমন্ত্রী হিসেবে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ে ছিলেন তিনি, একই মন্ত্রণালয়ে তাকে পূর্ণ মন্ত্রীর দায়িত্ব দে
২ দিন আগে
বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করায় মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে অভিনন্দন জানিয়েছেন ভারতের রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। তিনি বলেছেন, ‘আমাদের দুই প্রতিবেশী দেশের অংশীদারত্ব আরও জোরদার করতে আপনার সঙ্গে কাজ করতে উন্মুখ হয়ে আছি।’
২ দিন আগে
নতুন করে মন্ত্রিসভায় যুক্ত হওয়া পাঁচজন হলেন— বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও নরসিংদী-২ আসনের সংসদ সদস্য ড. আবদুল মঈন খান, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) চেয়ারম্যান ও ভোলা-১ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ, বান্দরবানের সংসদ সদস্য সাচিং প্রু জেরী, গাইবান্ধা-৪ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ
২ দিন আগে