
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে যুক্ত থাকলেও যারা কোনো অপরাধে জড়িত ছিলেন না, তারা কেন রাজনীতি করতে পারবেন না— এমন প্রশ্ন তুলেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।
তিনি বলেন, যে ব্যক্তি আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে আসবেন, তিনি যদি কোনো অপরাধ না করেন, ছাত্র হত্যা না করেন, অর্থ লোপাট বা পাচার না করেন— তাহলে সেই আওয়ামী লীগ কেন রাজনীতি করতে পারবে না? এটি আমার বক্তব্য। যদি দ্রুত বিচার নিশ্চিত করা যায়, অপরাধীদের বিচার হয়, তারপর জনগণ যদি তাদের রাজনীতি করার সুযোগ দেয়, তাহলে আমাদের বলার কিছু নেই।
শুক্রবার (২১ মার্চ) দুপুরে রাজধানীর দক্ষিণখানে ফায়দাবাদ মধ্যপাড়া হাজী শুকুর আলী মাদরাসাসংলগ্ন মাঠে দুঃস্থদের মধ্যে ঈদসামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
রুহুল কবির রিজভী বলেন, যারা টাকা পাচার করেছে, যারা শিশু-কিশোর, আহনাফ-আবু সাঈদ-মুগ্ধ এদের হত্যা করেছে, এসব ঘটনায় জড়িতদের বিচার হতে হবে। শ্রমিক, রিকশাচালক, ছাত্র-ছাত্রীদের যারা হত্যা করেছে, তাদের বিচার আমরা করি না কেন?
গণতন্ত্রের চর্চা করতে হলে সবার অধিকার নিশ্চিত করতে হবে বলে মন্তব্য করেন বিএনপির সিনিয়র এই নেতা। বলেন, শেখ হাসিনা যে রাজত্ব কায়েম করেছিলেন, সেই সেই রাজত্ব যেন ফিরে না আসে সেগুলো নিশ্চিত করতে হবে। গণতন্ত্রে যার যার জায়গা, যার যার রাজনীতি করার অধিকার, সেই অধিকার নিশ্চিত করাই গণতান্ত্রিক পদ্ধতি, গণতান্ত্রিক চর্চা।
আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করা নিয়ে অনেক কথা হলেও বিচার হচ্ছে না বলেও অভিযোগ করেন রিজভী। বলেন, আওয়ামী লীগের রাজনীতি নিয়ে কথা হচ্ছে, কিন্তু বিচার নিয়ে কথা হচ্ছে না। দ্রুত বিচার নিশ্চিত করতে হবে। যারা অপরাধের সঙ্গে জড়িত, তাদের বিচার হতেই হবে। যারা দেশের প্রতিষ্ঠানকে ধ্বংস করেছে, স্বাধীনতাকে বিক্রি করেছে এবং ক্ষমতায় টিকে থাকতে শিশু-কিশোর, শ্রমিক, রিকশাচালক হত্যা করেছে, এই ঘটনায় জড়িতদের বিচার নিশ্চিত করতে হবে।
অনুষ্ঠানে ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক আমিনুল হক বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের একটি গোষ্ঠী ৫ আগস্টের পর সংস্কারের কথা বলছেন। কিন্তু গত ছয় মাসে সংস্কারের কিছুই দৃশ্যমান হয়নি। দেশের কোথাও স্থিতিশীলতা নেই। স্বৈরাচার শেখ হাসিনা থেকে মুক্তি পেলেও স্বৈরাচারমুক্ত হয়নি। এখনো গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা হয়নি। এর জন্য দরকার একটি সুষ্ঠু নির্বাচন। ভোটের মাধ্যমে নির্বাচিত সরকার গঠন করলেই গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা হবে।

আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে যুক্ত থাকলেও যারা কোনো অপরাধে জড়িত ছিলেন না, তারা কেন রাজনীতি করতে পারবেন না— এমন প্রশ্ন তুলেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।
তিনি বলেন, যে ব্যক্তি আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে আসবেন, তিনি যদি কোনো অপরাধ না করেন, ছাত্র হত্যা না করেন, অর্থ লোপাট বা পাচার না করেন— তাহলে সেই আওয়ামী লীগ কেন রাজনীতি করতে পারবে না? এটি আমার বক্তব্য। যদি দ্রুত বিচার নিশ্চিত করা যায়, অপরাধীদের বিচার হয়, তারপর জনগণ যদি তাদের রাজনীতি করার সুযোগ দেয়, তাহলে আমাদের বলার কিছু নেই।
শুক্রবার (২১ মার্চ) দুপুরে রাজধানীর দক্ষিণখানে ফায়দাবাদ মধ্যপাড়া হাজী শুকুর আলী মাদরাসাসংলগ্ন মাঠে দুঃস্থদের মধ্যে ঈদসামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
রুহুল কবির রিজভী বলেন, যারা টাকা পাচার করেছে, যারা শিশু-কিশোর, আহনাফ-আবু সাঈদ-মুগ্ধ এদের হত্যা করেছে, এসব ঘটনায় জড়িতদের বিচার হতে হবে। শ্রমিক, রিকশাচালক, ছাত্র-ছাত্রীদের যারা হত্যা করেছে, তাদের বিচার আমরা করি না কেন?
গণতন্ত্রের চর্চা করতে হলে সবার অধিকার নিশ্চিত করতে হবে বলে মন্তব্য করেন বিএনপির সিনিয়র এই নেতা। বলেন, শেখ হাসিনা যে রাজত্ব কায়েম করেছিলেন, সেই সেই রাজত্ব যেন ফিরে না আসে সেগুলো নিশ্চিত করতে হবে। গণতন্ত্রে যার যার জায়গা, যার যার রাজনীতি করার অধিকার, সেই অধিকার নিশ্চিত করাই গণতান্ত্রিক পদ্ধতি, গণতান্ত্রিক চর্চা।
আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করা নিয়ে অনেক কথা হলেও বিচার হচ্ছে না বলেও অভিযোগ করেন রিজভী। বলেন, আওয়ামী লীগের রাজনীতি নিয়ে কথা হচ্ছে, কিন্তু বিচার নিয়ে কথা হচ্ছে না। দ্রুত বিচার নিশ্চিত করতে হবে। যারা অপরাধের সঙ্গে জড়িত, তাদের বিচার হতেই হবে। যারা দেশের প্রতিষ্ঠানকে ধ্বংস করেছে, স্বাধীনতাকে বিক্রি করেছে এবং ক্ষমতায় টিকে থাকতে শিশু-কিশোর, শ্রমিক, রিকশাচালক হত্যা করেছে, এই ঘটনায় জড়িতদের বিচার নিশ্চিত করতে হবে।
অনুষ্ঠানে ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক আমিনুল হক বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের একটি গোষ্ঠী ৫ আগস্টের পর সংস্কারের কথা বলছেন। কিন্তু গত ছয় মাসে সংস্কারের কিছুই দৃশ্যমান হয়নি। দেশের কোথাও স্থিতিশীলতা নেই। স্বৈরাচার শেখ হাসিনা থেকে মুক্তি পেলেও স্বৈরাচারমুক্ত হয়নি। এখনো গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা হয়নি। এর জন্য দরকার একটি সুষ্ঠু নির্বাচন। ভোটের মাধ্যমে নির্বাচিত সরকার গঠন করলেই গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা হবে।

রাজশাহীর দুর্গাপুর উপজেলার দাওকান্দি সরকারি কলেজে ঢুকে ভাঙচুর এবং এক নারী শিক্ষককে মারধরের ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে স্থানীয় বিএনপি নেতা আকবর আলীকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। আজ শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) বিকেলে বিএনপির মিডিয়া সেলের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ সিদ্ধান্তের কথা জানান
১৯ ঘণ্টা আগে
এনসিপির শীর্ষ নেতা নাহিদ ইসলাম, আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া ও সারজিস আলমসহ অন্য নেতারা ফুল দিয়ে তাদের বরণ করে নেন।
১৯ ঘণ্টা আগে
গণসমাবেশে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হকের সভাপতিত্বে দলটির শীর্ষ নেতৃবৃন্দ ছাড়াও জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা, বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ, ১১ দলীয় ঐক্যের শীর্ষ নেতৃবৃন্দসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা বক্তব্য রাখবেন।
১ দিন আগে
ছাত্রদল সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব বলেছেন, ‘গতকাল এবং আজ ক্যাম্পাসগুলোতে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল অত্যন্ত ধৈর্য ও সহনশীলভাবে মোকাবিলা করেছে। দুটো ঘটনাই গুপ্ত রাজনীতি এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় চরম নোংরামির অশ্লীল ফটোকার্ডকে কেন্দ্র করে ঘটেছে।’
১ দিন আগে