
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেছেন, যারা লকডাউন দিচ্ছে আর যারা বেহেশতের টিকিট দিতে চায়, এদের সঙ্গে ভেতরে ভেতরে একটা সম্পর্ক আছে। যেটা ৮৬ সালে হয়েছিল, ৯৬ সালে হয়েছিল। এরা ১৭২ দিন হরতাল অবরোধ করে মানুষকে জিম্মি রেখে দেশের ক্ষতি করেছে, মানুষকে শান্তিতে থাকতে দেয়নি। মানুষকে অশান্তিতে রেখেছে। এখন আবার লকডাউনের নামে এআই দিয়ে মিছিল-মিটিং দেখায়। তাদের কিছু কর্মী আছে গুপ্তভাবে। তারা এই গুপ্ত রাজনীতির সঙ্গে মিলেমিশে ভেতরে বাইরে বোমা হামলা করে, গাড়িতে আগুন দেয়।
শনিবার দুপুরে লক্ষ্মীপুর সদরের বড়ালিয়া উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে মহিলা দলের উঠান বেঠকে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন এ্যানী।
বিএনপির এ নেতা আরও বলেন, ‘এনসিপি একটি নতুন রাজনৈতিক দল, ঢাকায় তাদের কার্যালয়ের সামনে হাতেনাতে একজনকে গ্রেপ্তার করেছে। গ্রেপ্তার করার পর দেখে যে এটা শিবির কর্মী। ঘটনা কী? কারণ তারা জানে, তাদের কাছে পরিসংখ্যান আছে নির্বাচন হলেই জিয়ার দল, গণমানুষের দল বিএনপি ক্ষমতায় আসবে, খালেদা জিয়া ও তারেক জিয়া আসবে, নির্বাচন হলেই ধানের শীষ আসবে। তাদের এটা ভালো লাগে না। তাদের পছন্দ না। তারা গুপ্ত রাজনীতি করে। দেশের বাইরে বসে ষড়যন্ত্রমূলক রাজনীতি করছে।’
তিনি বলেন, ‘ওই ইসলামিক দলকে বলবো- নতুনভাবে বাংলাদেশকে গড়ার চিন্তা করেন। মানুষের সেন্টিমেন্টকে ধারণ করেন। সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়ান। গুপ্ত রাজনীতি করবেন না। স্বচ্ছ রাজনীতিতে আসেন। অপব্যাখ্যা দিবেন না। অপপ্রচার করবেন না। হাসিনা ফ্যাসিস্টের বিরুদ্ধে লড়াই করেছি, সংগ্রাম করেছি। ২৮ অক্টোবর, ১০ ডিসেম্বর এই দেশে কার কী ভূমিকা ছিল সেটা মানুষ দেখেছে। আপনাদের অনেক সিনিয়র নেতা বিভিন্নভাবে সাজাপ্রাপ্ত হয়েছে, অনেক সিনিয়র নেতা ফাঁসির মঞ্চে ঝুলেছে। সেই দিকগুলো বিবেচনা করে স্বচ্ছ রাজনীতিতে আসুন।'
এসময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) সহসভাপতি ওয়াহিদ উদ্দিন চৌধুরী হ্যাপী, জেলা বিএনপির সদস্য হাফিজুর রহমান, নিজাম উদ্দিন ভূঁইয়া, চন্দ্রগঞ্জ থানা বিএনপির সভাপতি বেলাল হোসেন, সাধারণ সম্পাদক এম ইউছুফ ভূঁইয়া, জেলা মহিলা দলের সভাপতি সাবেরা আনোয়ার ও সাধারণ সম্পাদক ফাতেমা আক্তার শিমু ভূঁইয়া প্রমুখ।

বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেছেন, যারা লকডাউন দিচ্ছে আর যারা বেহেশতের টিকিট দিতে চায়, এদের সঙ্গে ভেতরে ভেতরে একটা সম্পর্ক আছে। যেটা ৮৬ সালে হয়েছিল, ৯৬ সালে হয়েছিল। এরা ১৭২ দিন হরতাল অবরোধ করে মানুষকে জিম্মি রেখে দেশের ক্ষতি করেছে, মানুষকে শান্তিতে থাকতে দেয়নি। মানুষকে অশান্তিতে রেখেছে। এখন আবার লকডাউনের নামে এআই দিয়ে মিছিল-মিটিং দেখায়। তাদের কিছু কর্মী আছে গুপ্তভাবে। তারা এই গুপ্ত রাজনীতির সঙ্গে মিলেমিশে ভেতরে বাইরে বোমা হামলা করে, গাড়িতে আগুন দেয়।
শনিবার দুপুরে লক্ষ্মীপুর সদরের বড়ালিয়া উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে মহিলা দলের উঠান বেঠকে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন এ্যানী।
বিএনপির এ নেতা আরও বলেন, ‘এনসিপি একটি নতুন রাজনৈতিক দল, ঢাকায় তাদের কার্যালয়ের সামনে হাতেনাতে একজনকে গ্রেপ্তার করেছে। গ্রেপ্তার করার পর দেখে যে এটা শিবির কর্মী। ঘটনা কী? কারণ তারা জানে, তাদের কাছে পরিসংখ্যান আছে নির্বাচন হলেই জিয়ার দল, গণমানুষের দল বিএনপি ক্ষমতায় আসবে, খালেদা জিয়া ও তারেক জিয়া আসবে, নির্বাচন হলেই ধানের শীষ আসবে। তাদের এটা ভালো লাগে না। তাদের পছন্দ না। তারা গুপ্ত রাজনীতি করে। দেশের বাইরে বসে ষড়যন্ত্রমূলক রাজনীতি করছে।’
তিনি বলেন, ‘ওই ইসলামিক দলকে বলবো- নতুনভাবে বাংলাদেশকে গড়ার চিন্তা করেন। মানুষের সেন্টিমেন্টকে ধারণ করেন। সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়ান। গুপ্ত রাজনীতি করবেন না। স্বচ্ছ রাজনীতিতে আসেন। অপব্যাখ্যা দিবেন না। অপপ্রচার করবেন না। হাসিনা ফ্যাসিস্টের বিরুদ্ধে লড়াই করেছি, সংগ্রাম করেছি। ২৮ অক্টোবর, ১০ ডিসেম্বর এই দেশে কার কী ভূমিকা ছিল সেটা মানুষ দেখেছে। আপনাদের অনেক সিনিয়র নেতা বিভিন্নভাবে সাজাপ্রাপ্ত হয়েছে, অনেক সিনিয়র নেতা ফাঁসির মঞ্চে ঝুলেছে। সেই দিকগুলো বিবেচনা করে স্বচ্ছ রাজনীতিতে আসুন।'
এসময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) সহসভাপতি ওয়াহিদ উদ্দিন চৌধুরী হ্যাপী, জেলা বিএনপির সদস্য হাফিজুর রহমান, নিজাম উদ্দিন ভূঁইয়া, চন্দ্রগঞ্জ থানা বিএনপির সভাপতি বেলাল হোসেন, সাধারণ সম্পাদক এম ইউছুফ ভূঁইয়া, জেলা মহিলা দলের সভাপতি সাবেরা আনোয়ার ও সাধারণ সম্পাদক ফাতেমা আক্তার শিমু ভূঁইয়া প্রমুখ।

রাষ্ট্রপতির সংসদীয় ভাষণের প্রাক্কালে জামায়াত নেতার এমন অবস্থান রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
২০ ঘণ্টা আগে
দলীয় সূত্রে জানা যায়, গত সোমবার জাতীয় প্রেসক্লাবে এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা জয়নুল আবদিন ফারুক। সেখানে দেওয়া তার বক্তব্য গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।
২০ ঘণ্টা আগে
তার মতে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মতো গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় যোগ্যতার মানদণ্ড তুলে দেওয়া হলে শিক্ষা ব্যবস্থার ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়। অতীতে আওয়ামী লীগ শিক্ষা ব্যবস্থার মান ও গুণগত মান নষ্ট করে স্বৈরাচারী শাসন কায়েম করেছিল বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
২ দিন আগে
সরকারি টিচার্স ট্রেনিং কলেজ মাঠে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে নাহিদ ইসলাম বলেন. বিএনপির ফ্যামিলি কার্ড ভালো উদ্যোগ। তারা নির্বাচনী ইশতেহারে কার্ডের ঘোষণা দিয়েছিল। কিন্তু চাঁদাবাজি ও দুর্নীতি বন্ধ করতে না পারলে ফ্যামিলি কার্ড হবে কেবল চোখ ধাঁধানো কর্মসূচি। অবিলম্বে ঋণখেলাপিদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের দা
২ দিন আগে