
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

যারা আজ নির্বাচনে যাচ্ছেন, যারা হাসিনা-বিরোধী আন্দোলনে রাজপথে ছিলেন—তাদের সবার প্রতি আহ্বান জানিয়ে বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা জয়নুল আবদীন ফারুক বলেন, এ সরকার জনগণের সরকার, এ সরকার রক্তের বিনিময়ে প্রতিষ্ঠিত। এ সরকারকে একটি নির্বাচন করতে দিন। সে নির্বাচনের মাধ্যমে জনপ্রিয়তা যাচাই হোক।
সোমবার (২৪ নভেম্বর) জাতীয় প্রেসক্লাবের আব্দুস সালাম হলে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মোটরচালক দলের উদ্যোগে এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
ফারুক বলেন, যারা আমার মায়ের বুক থেকে সন্তান ছিনিয়ে নিয়ে গুলি করে হত্যা করেছে… যারা আমরা ছেলেরা মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছি—সেই আমাদের বাবা-মাকে লাঠিপেটা করেছে… যাদের মাথায় পা রেখে রিকশার নিচে বসিয়ে ১৪–১৫ কিলোমিটার হাঁটিয়েছে—সেই স্মৃতি আজও মনে আছে। তাই এসব পুরোনো ইতিহাস তুলে কারো মনে কষ্ট দিতে চাই না। কিন্তু অনুরোধ করব—নিজেদের ভুল বুঝে এ ধরনের বিভ্রান্তিকর বক্তব্য থেকে বিরত থাকুন।
তিনি বলেন, ড. ইউনুস সরকার ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে একটি নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করেছেন। আমাদের একটা আশা, একটা ভরসা—যে দেশে একটি সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। কিন্তু নির্বাচন ঘোষণা হওয়ার পরপরই কোনো কোনো দল বিভিন্ন দাবি তুলছে। এগুলো ন্যায্য কি না, সেটা জনগণই বিচার করবে। কয়েকদিন আগে শুনলাম, ‘পিয়ার পদ্ধতিতে’ নির্বাচন দিতে হবে। আবার কেউ বলছে, আগে গণভোট দিতে হবে। নানা অজুহাতে নির্বাচনকে ব্যাহত করার চেষ্টা চলছে।
বিরোধী দলের সাবেক এ চিপ হুইপ বলেন, যারা এ নির্বাচনকে ব্যাহত করার অপচেষ্টায় লিপ্ত—দয়া করে বিরত হন। অনুগ্রহ করে এমন বক্তব্য দেবেন না যা জনগণ গ্রহণ করবে না। এখন তো শেখ হাসিনা নেই—এমন কথা বলে তার লুকিয়ে থাকা অনুসারীদের আবার সক্রিয় করার সুযোগ দেবেন না। এসব কথা থেকে বিরত থাকুন। কারণ পরে আবার বলা হবে—হাসিনা আসবে, হাসিনা মিসিং করবে, অবরোধ করবে, লকডাউন দেবে। দশ দিনেও তো আমরা এমন কিছু দেখিনি। তাই আমার মনে হয়, এমন উসকানিমূলক কথাবার্তা বলা ঠিক নয়।
তিনি আরও বলেন, গ্রামে যান, মসজিদে যান, ঘরে ঘরে মা বোনদেরকে বিভ্রান্ত করে বেহেশতের টিকিট বিক্রি করে জনগণের সমর্থন পাওয়া যায় না। জনগণের সমর্থন পেতে হলে ৫৫ বছর পর নতুন করে মানুষের কাছে যাওয়ার যে সুযোগ পেয়েছেন , সেটার সৎ ব্যবহার করতে হবে। জনগণের কাছে গেলে তারা প্রশ্ন করবে—একাত্তরে আপনারা কী করেছিলেন? সেই প্রশ্ন থেকে পালানোর চেষ্টা না করে ভুলগুলো স্বীকার করা উচিত বলে মন্তব্য করেছেন
তিনি বলেন, আগামী ফেব্রুয়ারির প্রথম সপ্তাহে যে নির্বাচন হবে—সেখানে ধানের শীষের জোয়ার আরও প্রবল করে তুলুন। বিভ্রান্তি সৃষ্টি না করে আসুন, জাতীয়তাবাদী শক্তিকে আরেকবার সুযোগ দিই জনসেবা করার। প্রমাণ করে দেবেন—তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ আর কোনোদিন বিপদে পড়বে না। বাংলাদেশ থাকবে, আমার বাংলাদেশে গণতন্ত্র থাকবে।
আয়োজক সংগঠনের সভাপতি সেলিম রেজা বাবুর সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন কৃষক দলের সহসভাপতি এম এ ফয়সাল, মৎস্যজীবী দলের সদস্য ইসমাইল হোসেন সিরাজীসহ সংগঠনটির বিভিন্ন পর্যায়ে নেতাকর্মীরা।

যারা আজ নির্বাচনে যাচ্ছেন, যারা হাসিনা-বিরোধী আন্দোলনে রাজপথে ছিলেন—তাদের সবার প্রতি আহ্বান জানিয়ে বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা জয়নুল আবদীন ফারুক বলেন, এ সরকার জনগণের সরকার, এ সরকার রক্তের বিনিময়ে প্রতিষ্ঠিত। এ সরকারকে একটি নির্বাচন করতে দিন। সে নির্বাচনের মাধ্যমে জনপ্রিয়তা যাচাই হোক।
সোমবার (২৪ নভেম্বর) জাতীয় প্রেসক্লাবের আব্দুস সালাম হলে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মোটরচালক দলের উদ্যোগে এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
ফারুক বলেন, যারা আমার মায়ের বুক থেকে সন্তান ছিনিয়ে নিয়ে গুলি করে হত্যা করেছে… যারা আমরা ছেলেরা মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছি—সেই আমাদের বাবা-মাকে লাঠিপেটা করেছে… যাদের মাথায় পা রেখে রিকশার নিচে বসিয়ে ১৪–১৫ কিলোমিটার হাঁটিয়েছে—সেই স্মৃতি আজও মনে আছে। তাই এসব পুরোনো ইতিহাস তুলে কারো মনে কষ্ট দিতে চাই না। কিন্তু অনুরোধ করব—নিজেদের ভুল বুঝে এ ধরনের বিভ্রান্তিকর বক্তব্য থেকে বিরত থাকুন।
তিনি বলেন, ড. ইউনুস সরকার ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে একটি নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করেছেন। আমাদের একটা আশা, একটা ভরসা—যে দেশে একটি সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। কিন্তু নির্বাচন ঘোষণা হওয়ার পরপরই কোনো কোনো দল বিভিন্ন দাবি তুলছে। এগুলো ন্যায্য কি না, সেটা জনগণই বিচার করবে। কয়েকদিন আগে শুনলাম, ‘পিয়ার পদ্ধতিতে’ নির্বাচন দিতে হবে। আবার কেউ বলছে, আগে গণভোট দিতে হবে। নানা অজুহাতে নির্বাচনকে ব্যাহত করার চেষ্টা চলছে।
বিরোধী দলের সাবেক এ চিপ হুইপ বলেন, যারা এ নির্বাচনকে ব্যাহত করার অপচেষ্টায় লিপ্ত—দয়া করে বিরত হন। অনুগ্রহ করে এমন বক্তব্য দেবেন না যা জনগণ গ্রহণ করবে না। এখন তো শেখ হাসিনা নেই—এমন কথা বলে তার লুকিয়ে থাকা অনুসারীদের আবার সক্রিয় করার সুযোগ দেবেন না। এসব কথা থেকে বিরত থাকুন। কারণ পরে আবার বলা হবে—হাসিনা আসবে, হাসিনা মিসিং করবে, অবরোধ করবে, লকডাউন দেবে। দশ দিনেও তো আমরা এমন কিছু দেখিনি। তাই আমার মনে হয়, এমন উসকানিমূলক কথাবার্তা বলা ঠিক নয়।
তিনি আরও বলেন, গ্রামে যান, মসজিদে যান, ঘরে ঘরে মা বোনদেরকে বিভ্রান্ত করে বেহেশতের টিকিট বিক্রি করে জনগণের সমর্থন পাওয়া যায় না। জনগণের সমর্থন পেতে হলে ৫৫ বছর পর নতুন করে মানুষের কাছে যাওয়ার যে সুযোগ পেয়েছেন , সেটার সৎ ব্যবহার করতে হবে। জনগণের কাছে গেলে তারা প্রশ্ন করবে—একাত্তরে আপনারা কী করেছিলেন? সেই প্রশ্ন থেকে পালানোর চেষ্টা না করে ভুলগুলো স্বীকার করা উচিত বলে মন্তব্য করেছেন
তিনি বলেন, আগামী ফেব্রুয়ারির প্রথম সপ্তাহে যে নির্বাচন হবে—সেখানে ধানের শীষের জোয়ার আরও প্রবল করে তুলুন। বিভ্রান্তি সৃষ্টি না করে আসুন, জাতীয়তাবাদী শক্তিকে আরেকবার সুযোগ দিই জনসেবা করার। প্রমাণ করে দেবেন—তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ আর কোনোদিন বিপদে পড়বে না। বাংলাদেশ থাকবে, আমার বাংলাদেশে গণতন্ত্র থাকবে।
আয়োজক সংগঠনের সভাপতি সেলিম রেজা বাবুর সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন কৃষক দলের সহসভাপতি এম এ ফয়সাল, মৎস্যজীবী দলের সদস্য ইসমাইল হোসেন সিরাজীসহ সংগঠনটির বিভিন্ন পর্যায়ে নেতাকর্মীরা।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ঢাবি শাখার অধীন কবি জসীম উদ্দীন হল ছাত্রদলের আহ্বায়ক শেখ তানভীর বারী হামিমের সাংগঠনিক পদের অব্যাহতি প্রত্যাহার করা হলো। এর ফলে তার সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনায় আর কোনো বিধিনিষেধ রইল না।
৪ দিন আগে
এমন পরিস্থিতিতেই এসেছে মির্জা ফখরুলের ফেসবুক পোস্ট। ধর্ষণকে নৈতিক অবক্ষয় ও মানবিক মূল্যবোধের পতনের প্রতিফলন উল্লেখ করে তিনি লিখেছেন, ‘ধর্ষণ, শিশু নির্যাতন ও হত্যার ঘটনাগুলো কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়; বরং বহু বছর ধরে চলতে থাকা নৈতিক অবক্ষয়, সামাজিক দায়িত্বহীনতা ও মানবিক মূল্যবোধের দ্রুত পতনের ভয়াবহ প্রত
৪ দিন আগে
শামসুজ্জামান দুদু বলেন, একটি মহল আছে, যারা মিথ্যা ছাড়া অন্য কোনো ভালো জিনিস চিন্তা করতে পারে না। কখনোই তারা মানুষের আস্থা-বিশ্বাসের সঙ্গে থাকতে পারে নাই বলে সরকারে যাওয়া দূরে থাক উল্লেখযোগ্য কোনো মানুষের সমর্থনও নেই। এরা ইসলামকে ব্যবহার করে ইসলামের বিরুদ্ধে ভূমিকা পালন করে। রাজনীতিতে এরা এমনই একটি অ
৫ দিন আগে
বিএনপির মহাসচিব ও স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, সাম্প্রতিক ধর্ষণ, শিশু নির্যাতন ও হত্যার ঘটনাগুলো কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়; বরং বহু বছর ধরে চলতে থাকা নৈতিক অবক্ষয়, সামাজিক দায়িত্বহীনতা এবং মানবিক মূল্যবোধের দ্রুত পতনের ভয়াবহ প্রতিফলন।
৫ দিন আগে