
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ও ঢাকা-৮ আসনের সম্ভাব্য স্বতন্ত্র প্রার্থী শরিফ ওসমান হাদির অকাল মৃত্যু এবং দেশের উদ্ভূত সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছে বিএনপি।
শুক্রবার (১৯ ডিসেম্বর) আয়োজিত এই সংবাদ সম্মেলনে দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন।
এ সময় দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘নৈরাজ্য প্রতিরোধ করতে রাজনৈতিক দলগুলোর ঐক্যবদ্ধ হওয়ার বিকল্প নাই।’
সংবাদ সম্মেলনে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘শরিফ ওসমান হাদির এই বর্বরোচিত হত্যাকাণ্ডের তীব্র নিন্দা ও ঘৃণা জানাই। এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে হত্যাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।’
হাদির মৃত্যুকে কেন্দ্র করে উদ্ভূত অস্থিতিশীল পরিস্থিতির সমালোচনা করে তিনি আরও বলেন, ‘ওসমান হাদির মৃত্যুকে পুঁজি করে দৈনিক প্রথম আলো ও ডেইলি স্টারসহ বেশ কিছু প্রতিষ্ঠানে একদল উচ্ছৃঙ্খল মানুষ অগ্নিসংযোগ ও হামলা চালিয়েছে। এই ধরনের কর্মকাণ্ড কর্মরত সাংবাদিকদের জীবনকে চরম ঝুঁকির মধ্যে ফেলে দিয়েছে, যা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।’
তিনি বলেন, দেশবরেণ্য সাংবাদিক নুরুল কবিরের ওপর আক্রমণ করা হয়েছে। ছায়ানটসহ কয়েকটি প্রতিষ্ঠানে হামলা হয়েছে। আজ উদীচী কার্যালয় হামলা হয়েছে। আমরা এই ঘটনাবলীর প্রতি তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি ও ঘৃণা প্রকাশ করছি। এ ঘটনা প্রমাণ করে একটি পুরনো চিহ্নিত মহল দেশকে পরিকল্পিতভাবে নৈরাজ্যের পথে ধাবিত করতে চায়। অনেক রক্তের বিনিময়ে অর্জিত আমাদের ভোটাধিকার তথা গণতান্ত্রিক অধিকার তারা নস্যাৎ করে দিয়ে দেশে ফ্যাসিবাদের একটি নতুন সংস্করণ তৈরি করতে চাচ্ছে।
ফখরুল বলেন, সরকারের নাগের ডগাতেই তারা এ তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে। জনগণও মনে করছে সরকারের ভূমিকা সন্তোষজনক নয়। ফলে দেশ-বিদেশে সরকার তথা দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়ে চলেছে। এ ধরনের ঘটনাকে আমরা জাতীয় সংসদ নির্বাচন তথা গণতান্ত্রিক উত্তরণের প্রক্রিয়াকে অনিশ্চিত করার ষড়যন্ত্র বলেই আমরা মনে করছি।
তিনি আরও বলেন, এই ঘৃণ্য ষড়যন্ত্রকারীদের আমরা হুঁশিয়ারি করে দিতে চাই এত রক্তের বিনিময়ে অর্জিত আমাদের দেশকে ধ্বংস করতে দিতে পারি না। এই অপশক্তিকে ঐক্যবদ্ধভাবে রুখে দিতে হবে। এই ষড়যন্ত্র প্রতিহত করতে নৈরাজ্যবিরোধী সকল রাজনৈতিক-সামাজিক শক্তির ঐক্যবদ্ধ হওয়ার কোনো বিকল্প নাই। আমরা যেভাবে স্বৈরাচারের পতন ও নির্বাচন আদায় করে নিয়েছি তারই ধারাবাহিকতাতে সকল দেশপ্রেমিক শক্তিকে আবারও ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি।
এর আগে চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি, সাংগঠনিক বিভিন্ন বিষয় এবং সাম্প্রতিক ঘটনাপ্রবাহ নিয়ে রাত রাত পৌনে ৯টায় গুলশানে বিএনপির চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে দলের স্থায়ী কমিটির জরুরি বৈঠক হয়। দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ভার্চুয়ালি এ বৈঠকের সভাপতিত্ব করেন।
বৈঠকে সরাসরি উপস্থিত ছিলেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ড. আব্দুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, সালাউদ্দিন আহমেদ, বেগম সেলিমা রহমান এবং মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ।
এছাড়া ভার্চুয়ালি যুক্ত হন আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু এবং অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন।

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ও ঢাকা-৮ আসনের সম্ভাব্য স্বতন্ত্র প্রার্থী শরিফ ওসমান হাদির অকাল মৃত্যু এবং দেশের উদ্ভূত সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছে বিএনপি।
শুক্রবার (১৯ ডিসেম্বর) আয়োজিত এই সংবাদ সম্মেলনে দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন।
এ সময় দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘নৈরাজ্য প্রতিরোধ করতে রাজনৈতিক দলগুলোর ঐক্যবদ্ধ হওয়ার বিকল্প নাই।’
সংবাদ সম্মেলনে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘শরিফ ওসমান হাদির এই বর্বরোচিত হত্যাকাণ্ডের তীব্র নিন্দা ও ঘৃণা জানাই। এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে হত্যাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।’
হাদির মৃত্যুকে কেন্দ্র করে উদ্ভূত অস্থিতিশীল পরিস্থিতির সমালোচনা করে তিনি আরও বলেন, ‘ওসমান হাদির মৃত্যুকে পুঁজি করে দৈনিক প্রথম আলো ও ডেইলি স্টারসহ বেশ কিছু প্রতিষ্ঠানে একদল উচ্ছৃঙ্খল মানুষ অগ্নিসংযোগ ও হামলা চালিয়েছে। এই ধরনের কর্মকাণ্ড কর্মরত সাংবাদিকদের জীবনকে চরম ঝুঁকির মধ্যে ফেলে দিয়েছে, যা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।’
তিনি বলেন, দেশবরেণ্য সাংবাদিক নুরুল কবিরের ওপর আক্রমণ করা হয়েছে। ছায়ানটসহ কয়েকটি প্রতিষ্ঠানে হামলা হয়েছে। আজ উদীচী কার্যালয় হামলা হয়েছে। আমরা এই ঘটনাবলীর প্রতি তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি ও ঘৃণা প্রকাশ করছি। এ ঘটনা প্রমাণ করে একটি পুরনো চিহ্নিত মহল দেশকে পরিকল্পিতভাবে নৈরাজ্যের পথে ধাবিত করতে চায়। অনেক রক্তের বিনিময়ে অর্জিত আমাদের ভোটাধিকার তথা গণতান্ত্রিক অধিকার তারা নস্যাৎ করে দিয়ে দেশে ফ্যাসিবাদের একটি নতুন সংস্করণ তৈরি করতে চাচ্ছে।
ফখরুল বলেন, সরকারের নাগের ডগাতেই তারা এ তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে। জনগণও মনে করছে সরকারের ভূমিকা সন্তোষজনক নয়। ফলে দেশ-বিদেশে সরকার তথা দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়ে চলেছে। এ ধরনের ঘটনাকে আমরা জাতীয় সংসদ নির্বাচন তথা গণতান্ত্রিক উত্তরণের প্রক্রিয়াকে অনিশ্চিত করার ষড়যন্ত্র বলেই আমরা মনে করছি।
তিনি আরও বলেন, এই ঘৃণ্য ষড়যন্ত্রকারীদের আমরা হুঁশিয়ারি করে দিতে চাই এত রক্তের বিনিময়ে অর্জিত আমাদের দেশকে ধ্বংস করতে দিতে পারি না। এই অপশক্তিকে ঐক্যবদ্ধভাবে রুখে দিতে হবে। এই ষড়যন্ত্র প্রতিহত করতে নৈরাজ্যবিরোধী সকল রাজনৈতিক-সামাজিক শক্তির ঐক্যবদ্ধ হওয়ার কোনো বিকল্প নাই। আমরা যেভাবে স্বৈরাচারের পতন ও নির্বাচন আদায় করে নিয়েছি তারই ধারাবাহিকতাতে সকল দেশপ্রেমিক শক্তিকে আবারও ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি।
এর আগে চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি, সাংগঠনিক বিভিন্ন বিষয় এবং সাম্প্রতিক ঘটনাপ্রবাহ নিয়ে রাত রাত পৌনে ৯টায় গুলশানে বিএনপির চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে দলের স্থায়ী কমিটির জরুরি বৈঠক হয়। দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ভার্চুয়ালি এ বৈঠকের সভাপতিত্ব করেন।
বৈঠকে সরাসরি উপস্থিত ছিলেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ড. আব্দুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, সালাউদ্দিন আহমেদ, বেগম সেলিমা রহমান এবং মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ।
এছাড়া ভার্চুয়ালি যুক্ত হন আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু এবং অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন।

বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করায় মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে অভিনন্দন জানিয়েছেন ভারতের রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। তিনি বলেছেন, ‘আমাদের দুই প্রতিবেশী দেশের অংশীদারত্ব আরও জোরদার করতে আপনার সঙ্গে কাজ করতে উন্মুখ হয়ে আছি।’
১ দিন আগে
নতুন করে মন্ত্রিসভায় যুক্ত হওয়া পাঁচজন হলেন— বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও নরসিংদী-২ আসনের সংসদ সদস্য ড. আবদুল মঈন খান, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) চেয়ারম্যান ও ভোলা-১ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ, বান্দরবানের সংসদ সদস্য সাচিং প্রু জেরী, গাইবান্ধা-৪ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ
১ দিন আগে
প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ করে ছারছীনার পির বলেন, “আপনি এ বিষয়ে সতর্ক থাকবেন। তাওহিদি জনতা আপনাদের ভোট দিয়েছে কেবল ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য নয়; তারা ভোট দিয়েছে তাদের ঈমান, আক্বিদা, দিন ও আদর্শ রক্ষার প্রত্যাশায়। অতএব জনগণের দেওয়া ভোটাধিকার যে উদ্দেশ্যে প্রয়োগ করা হয়েছে, রাষ্ট্র পরিচালনার প্রতিটি ক্ষেত্রে
১ দিন আগে
প্রথম বিজ্ঞপ্তির প্রায় এক ঘণ্টা পর, বেলা ৩টার দিকে ভারতের রাষ্ট্রপতি ভবন নতুন একটি বিবৃতি দেয়। এতে আগের বিজ্ঞপ্তিটি সম্পূর্ণ বাতিল করার কথা জানানো হয়। নতুন বিবৃতিতে বলা হয়, “আজ ২১ আগস্ট ২০২৬ তারিখে ‘শনিবার চেঞ্জ অব গার্ড অনুষ্ঠান হচ্ছে না’ শিরোনামে যে সংবাদ বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছিল, তা প্রত্যাহার ক
১ দিন আগে