
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

শেখ হাসিনার শাসনামলে দেশের গণমাধ্যমে নৈতিকতার চর্চাকে সুপরিকল্পিতভাবে ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। সাংবাদিকদের রাজনৈতিক দলের লেজুড়বৃত্তি থেকে বেরিয়ে আসার আহ্বানও জানিয়েছেন তিনি।
মির্জা ফখরুল বলেন, কোনো রাজনৈতিক দলের লেজুড়বৃত্তি করলে সমস্যার সমাধান হয় না। আপনারা যদি কেউ বিরোধী দল বলেন বা সরকারি দল বলেন, সেটা কোনোদিন হয় না। গত ১৫ বছরে ফ্যাসিবাদ অর্থাৎ শেখ হাসিনা অত্যন্ত পরিকল্পিতভাবে গণমাধ্যমের এই জায়গাটিকে একদম ধ্বংস করে দিয়েছে। আমি আপনাদের (সাংবাদিক নেতারা) অনুরোধ করব, সেই জায়গা থেকে আপনারা বেরিয়ে আসার চেষ্টা করেন।
শুক্রবার (২৯ নভেম্বর) দুপুরে জাতীয় প্রেস ক্লাবে বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের দ্বি-বার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। সম্মেলনে ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নসহ সারা দেশের ১৮ অঙ্গ ইউনিয়নের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।
মির্জা ফখরুল বলেন, এখন যে সময়টার জন্য গোটা জাতি অপেক্ষা করে আছে, আগামী ফেব্রুয়ারি মাসে একটি নির্বাচনের মধ্য দিয়ে একটা গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় আমরা ফিরে যেতে সক্ষম। আমরা সবাই এটা (নির্বাচন) চাই। একই সঙ্গে আমাদের মনে রাখতে হবে, আমরা গণতন্ত্রে ফিরে যেতে চাইলে অন্যের যে মত প্রকাশের স্বাধীনতা, একই সঙ্গে সেটাকেও আমাদের মূল্য দিতে হবে।
‘দুর্ভাগ্যজনকভাবে আমাদের দেশে ভিন্নমত পোষণ করলেই তাকে শত্রু মনে করা হয়। তার সম্পর্কে বিভিন্ন রকম মিথ্যা অপপ্রচার চালানো হয়। এ বিষয়গুলো থেকে আমার মনে হয় আমাদের সবারই একটু বিরত থাকা উচিত,’— বলেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের বিস্তার নিয়ে বিএনপি মহাসচিব আরও বলেন, আজ সবচেয়ে বড় যে ক্রাইসিসটা বাংলাদেশসহ সারা পৃথিবীতে, এই সোশ্যাল মিডিয়া। এই সোশ্যাল মিডিয়ার যেহেতু কোনো দায়বদ্ধতা নেই, যা খুশি তাই বলা যায়। এমনভাবে রাজনৈতিক দল, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, সামাজিক ব্যক্তিত্ব, ব্যবসায়ীদের সবার সম্পর্কে যে নেতিবাচক প্রচারণা চালানো হয় তাতে করে কিন্তু গণতন্ত্র শক্তিশালী হয় না।’
সাংবাদিকদের অধিকার প্রতিষ্ঠায় সাংবাদিক ইউনিয়নগুলোতে শক্তিশালী করার আহ্বান জানান মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। একই আহ্বান জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ারও। তিনি বলেন, ‘সাংবাদিকদের আজ দুর্দিনে পাশে এসে দাঁড়ানোর বড় শক্তি হচ্ছে আপনাদের ঐক্য। সাংবাদিকদের ঐক্যকে অটুট রাখা। আমরা দেখতে পারছি, ঢাকা এবং ঢাকার বাইরে বিভিন্ন শাখায় আপনাদের ইউনিয়নগুলোতে একটা বিভক্তি আছে।’
জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল বলেন, ‘রাজনীতির জায়গায় রাজনীতি থাকুক। সাংবাদিকদের ঐক্য যদি আমরা ধরে রাখতে পারি তাহলে আমরা জাতি গঠনে গোটা জাতিকে ঐক্যের ক্ষেত্রে আমরাও ভূমিকা রাখতে পারব।’
বিএফইউজের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ওবায়দুর রহমান শাহিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিএফইউজে মহাসচিব কাদের গনি চৌধুরী, সিনিয়র সাংবাদিক আবদুল হাই শিকদার, হাসান হাফিজ, এলাহী নেওয়া খান সাজু, সৈয়দ আবদাল আহমেদ, শহিদুল ইসলাম, খুরশীদ আলম, মুন্সি আবদুল মান্নান, বারেক হোসাইনসহ অন্যরা বক্তব্য দেন। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন বিএফইউজের সিনিয়র সহকারী মহাসচিব বাছির জামাল ও প্রচার সম্পাদক শাহজাহান সাজু।

শেখ হাসিনার শাসনামলে দেশের গণমাধ্যমে নৈতিকতার চর্চাকে সুপরিকল্পিতভাবে ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। সাংবাদিকদের রাজনৈতিক দলের লেজুড়বৃত্তি থেকে বেরিয়ে আসার আহ্বানও জানিয়েছেন তিনি।
মির্জা ফখরুল বলেন, কোনো রাজনৈতিক দলের লেজুড়বৃত্তি করলে সমস্যার সমাধান হয় না। আপনারা যদি কেউ বিরোধী দল বলেন বা সরকারি দল বলেন, সেটা কোনোদিন হয় না। গত ১৫ বছরে ফ্যাসিবাদ অর্থাৎ শেখ হাসিনা অত্যন্ত পরিকল্পিতভাবে গণমাধ্যমের এই জায়গাটিকে একদম ধ্বংস করে দিয়েছে। আমি আপনাদের (সাংবাদিক নেতারা) অনুরোধ করব, সেই জায়গা থেকে আপনারা বেরিয়ে আসার চেষ্টা করেন।
শুক্রবার (২৯ নভেম্বর) দুপুরে জাতীয় প্রেস ক্লাবে বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের দ্বি-বার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। সম্মেলনে ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নসহ সারা দেশের ১৮ অঙ্গ ইউনিয়নের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।
মির্জা ফখরুল বলেন, এখন যে সময়টার জন্য গোটা জাতি অপেক্ষা করে আছে, আগামী ফেব্রুয়ারি মাসে একটি নির্বাচনের মধ্য দিয়ে একটা গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় আমরা ফিরে যেতে সক্ষম। আমরা সবাই এটা (নির্বাচন) চাই। একই সঙ্গে আমাদের মনে রাখতে হবে, আমরা গণতন্ত্রে ফিরে যেতে চাইলে অন্যের যে মত প্রকাশের স্বাধীনতা, একই সঙ্গে সেটাকেও আমাদের মূল্য দিতে হবে।
‘দুর্ভাগ্যজনকভাবে আমাদের দেশে ভিন্নমত পোষণ করলেই তাকে শত্রু মনে করা হয়। তার সম্পর্কে বিভিন্ন রকম মিথ্যা অপপ্রচার চালানো হয়। এ বিষয়গুলো থেকে আমার মনে হয় আমাদের সবারই একটু বিরত থাকা উচিত,’— বলেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের বিস্তার নিয়ে বিএনপি মহাসচিব আরও বলেন, আজ সবচেয়ে বড় যে ক্রাইসিসটা বাংলাদেশসহ সারা পৃথিবীতে, এই সোশ্যাল মিডিয়া। এই সোশ্যাল মিডিয়ার যেহেতু কোনো দায়বদ্ধতা নেই, যা খুশি তাই বলা যায়। এমনভাবে রাজনৈতিক দল, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, সামাজিক ব্যক্তিত্ব, ব্যবসায়ীদের সবার সম্পর্কে যে নেতিবাচক প্রচারণা চালানো হয় তাতে করে কিন্তু গণতন্ত্র শক্তিশালী হয় না।’
সাংবাদিকদের অধিকার প্রতিষ্ঠায় সাংবাদিক ইউনিয়নগুলোতে শক্তিশালী করার আহ্বান জানান মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। একই আহ্বান জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ারও। তিনি বলেন, ‘সাংবাদিকদের আজ দুর্দিনে পাশে এসে দাঁড়ানোর বড় শক্তি হচ্ছে আপনাদের ঐক্য। সাংবাদিকদের ঐক্যকে অটুট রাখা। আমরা দেখতে পারছি, ঢাকা এবং ঢাকার বাইরে বিভিন্ন শাখায় আপনাদের ইউনিয়নগুলোতে একটা বিভক্তি আছে।’
জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল বলেন, ‘রাজনীতির জায়গায় রাজনীতি থাকুক। সাংবাদিকদের ঐক্য যদি আমরা ধরে রাখতে পারি তাহলে আমরা জাতি গঠনে গোটা জাতিকে ঐক্যের ক্ষেত্রে আমরাও ভূমিকা রাখতে পারব।’
বিএফইউজের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ওবায়দুর রহমান শাহিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিএফইউজে মহাসচিব কাদের গনি চৌধুরী, সিনিয়র সাংবাদিক আবদুল হাই শিকদার, হাসান হাফিজ, এলাহী নেওয়া খান সাজু, সৈয়দ আবদাল আহমেদ, শহিদুল ইসলাম, খুরশীদ আলম, মুন্সি আবদুল মান্নান, বারেক হোসাইনসহ অন্যরা বক্তব্য দেন। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন বিএফইউজের সিনিয়র সহকারী মহাসচিব বাছির জামাল ও প্রচার সম্পাদক শাহজাহান সাজু।

পরে ১ নভেম্বর রাতে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রধান নির্বাচন কমিশনার সংগঠনের আমির নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা করেন। প্রাপ্ত ফলাফল অনুযায়ী ২০২৬-২০২৮ কার্যকালের জন্য সর্বোচ্চ সংখ্যক ভোট পেয়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির নির্বাচিত হন ডা. শফিকুর রহমান।
১৬ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী আগামী নির্বাচনে নির্বাচিত হলে বিএনপিসহ ফ্যাসিবাদবিরোধী সকল রাজনৈতিক দলকে নিয়ে সরকার গঠন করবে বলে অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন দলটির আমির ডা. শফিকুর রহমান।
১৯ ঘণ্টা আগে
বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া হাসপাতালে চিকিৎসকদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে আছেন। তিনি মূলত, ফুসফুস ও হৃদযন্ত্রে সংক্রমণের কারণে সোমবার রাতে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি হন খালেদা জিয়া। ৭৯ বছর বয়সী বিএনপি চেয়ারপারসন নানা রোগে আক্রান্ত।
২১ ঘণ্টা আগে
পাবনার ঈশ্বরদীতে নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পালটাপালটি বিবৃতি দিয়েছে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামী। দুটি দলেই এ সংঘর্ষকে তাদের ওপর অন্য দলের হামলা হিসেবে অভিহিত করেছে। দুই দলই প্রতিপক্ষ দলের সংসদ সদস্য প্রার্থীকে হামলায় নেতৃত্ব দেওয়ার অভিযোগ তুলেছে।
১ দিন আগে