
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

দ্বাদশ সংসদকে ‘আওয়ামী লীগ স্টাইলের সংসদ’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান।
বুধবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবের মিলনায়তনে জাতীয়তাবাদী তাঁতী দলের ৪৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এ আখ্যা দেন।
নজরুল ইসলাম খান বলেন, ‘যারা ’৭৫ সালের বাকশালকে গণতন্ত্র মনে করে, তারা এখন যা চলতেছে এটাকেও গণতন্ত্র মনে করে। এই দুইটার একটাও গণতন্ত্র না। সংসদে স্পিকারের ডান পাশে বসে সরকারি দল, বাম পাশে হইলো বিরোধী দল। আমাদের যিনি সরকার প্রধান তিনি বলেন, ডানে যারা তারাও আমার, বামে যারা তারাও আমার, হ্যাঁ সবই আপনার।’
‘আর বিরোধী দল ৩৫০ আসন মহিলা আসনসহৃ তার মধ্যে মাত্র ১৩ টা আসন বিরোধী দল। তাও দয়া করে ছাড়া হইছে এই হলো বিরোধী দল। ইন্ডিপেন্ডেন্ট যারা জিতে আসছে হয়তো আগে আওয়ামী লীগ করে নাই, তারা কী করতেছে? হয় যোগদান করতেছে আর না হয় স্যালুট দিয়ে দাঁড়ায়ে রসিকতা করেন? এই হলো বর্তমান সংসদ’- বলেন নজরুল ইসলাম খান।
তিনি বলেন, ‘সঠিক বলেছেন তাদের এক নব্য আওয়ামী লীগার (শাহজাহান ওমর) তিনি বলেছেন (সংসদে রাষ্ট্রপতির ওপর বক্তব্যে) যে, দুনিয়ায় বিভিন্ন রকমের গণতন্ত্র আছে. আমাদের দেশেও গণতন্ত্র আমাদের মতো। এই (দ্বাদশ সংসদের চিত্র) হলো আমাদের গণতন্ত্র।’
নজরুল ইসলাম খান বলেন, ‘বুঝা গেছে তাদের (আওয়ামী লীগের) গণতন্ত্র ডানেও আমার বামেও আমার। অন্যদল থেকে জিতলেও স্যালুট দিয়ে দাঁড়ায়ে থাকবেন। যে কয়টা (আসন) সিট ছেড়ে দেওয়া হবে ওটার মধ্যে কিছু জুটলে ওটাতেই বিরোধী দল এই হলো বাংলাদেশ স্টাইল গণতন্ত্র, আওয়ামী লীগ স্টাইল। এটা গণতন্ত্র না।’
তিনি বলেন, ‘সত্যিকারের গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেছিলাম আমরা দেশ স্বাধীন করার পর মুক্তিযুদ্ধ কইরা। সেটা এখন কেড়ে নেওয়া হয়েছে ১৯৭৫ সালে তার গোরস্থানের ওপর শহীদ জিয়া আবার প্রতিষ্ঠা করেছিলে সত্যিকারের গণতন্ত্র ৭৯ সালের নির্বাচনের মাধ্যমে। আবার ৮২ সালে স্বৈরাচারী এরশাদ জোর করে সেই গণতন্ত্র হত্যা করেছিল। তার বিরুদ্ধে লড়াই করে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া আবার গণতন্ত্র পুণঃপ্রতিষ্ঠা করেছিলেন… সংসদীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা করেছিলেন ১৯৯০ এর ছাত্র গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে।’
দেশের অবস্থা তুলে ধরে নজরুল ইসলাম খান বলেন, ‘২০০৮ সালের নির্বাচনে ১০ টাকা সের চাল, বিনামূল্যে সার আর ঘরে ঘরে চাকরি দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ক্ষমতা দখল করেছিল। এই যে ভাওতা দিয়ে আসল তা ছাড়ার নাম নাই। ছলে-বলে কৌশলে এরা আছে। প্রশাসন, পুলিশ সব কিছু সাজানো।’
তাঁতী দলের যুগ্ম আহ্বায়ক গোলাম মাওলা খান বাবুলের সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব মজিবুর রহমান ও সদস্য মিলন ইসলাম খানের সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা জয়নুল আবদিন ফারুক, সাংগঠনিক সম্পাদক আবদুস সালাম আজাদ, কেন্দ্রীয় নেতা রিয়াজ উদ্দিন নসু, অধ্যক্ষ সেলিম ভুঁইয়া, হুমায়ুন ইসলাম খান, মাহমুদুর রহমান সুমন, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সহসভাপতি বাছির জামাল প্রমুখ।

দ্বাদশ সংসদকে ‘আওয়ামী লীগ স্টাইলের সংসদ’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান।
বুধবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবের মিলনায়তনে জাতীয়তাবাদী তাঁতী দলের ৪৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এ আখ্যা দেন।
নজরুল ইসলাম খান বলেন, ‘যারা ’৭৫ সালের বাকশালকে গণতন্ত্র মনে করে, তারা এখন যা চলতেছে এটাকেও গণতন্ত্র মনে করে। এই দুইটার একটাও গণতন্ত্র না। সংসদে স্পিকারের ডান পাশে বসে সরকারি দল, বাম পাশে হইলো বিরোধী দল। আমাদের যিনি সরকার প্রধান তিনি বলেন, ডানে যারা তারাও আমার, বামে যারা তারাও আমার, হ্যাঁ সবই আপনার।’
‘আর বিরোধী দল ৩৫০ আসন মহিলা আসনসহৃ তার মধ্যে মাত্র ১৩ টা আসন বিরোধী দল। তাও দয়া করে ছাড়া হইছে এই হলো বিরোধী দল। ইন্ডিপেন্ডেন্ট যারা জিতে আসছে হয়তো আগে আওয়ামী লীগ করে নাই, তারা কী করতেছে? হয় যোগদান করতেছে আর না হয় স্যালুট দিয়ে দাঁড়ায়ে রসিকতা করেন? এই হলো বর্তমান সংসদ’- বলেন নজরুল ইসলাম খান।
তিনি বলেন, ‘সঠিক বলেছেন তাদের এক নব্য আওয়ামী লীগার (শাহজাহান ওমর) তিনি বলেছেন (সংসদে রাষ্ট্রপতির ওপর বক্তব্যে) যে, দুনিয়ায় বিভিন্ন রকমের গণতন্ত্র আছে. আমাদের দেশেও গণতন্ত্র আমাদের মতো। এই (দ্বাদশ সংসদের চিত্র) হলো আমাদের গণতন্ত্র।’
নজরুল ইসলাম খান বলেন, ‘বুঝা গেছে তাদের (আওয়ামী লীগের) গণতন্ত্র ডানেও আমার বামেও আমার। অন্যদল থেকে জিতলেও স্যালুট দিয়ে দাঁড়ায়ে থাকবেন। যে কয়টা (আসন) সিট ছেড়ে দেওয়া হবে ওটার মধ্যে কিছু জুটলে ওটাতেই বিরোধী দল এই হলো বাংলাদেশ স্টাইল গণতন্ত্র, আওয়ামী লীগ স্টাইল। এটা গণতন্ত্র না।’
তিনি বলেন, ‘সত্যিকারের গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেছিলাম আমরা দেশ স্বাধীন করার পর মুক্তিযুদ্ধ কইরা। সেটা এখন কেড়ে নেওয়া হয়েছে ১৯৭৫ সালে তার গোরস্থানের ওপর শহীদ জিয়া আবার প্রতিষ্ঠা করেছিলে সত্যিকারের গণতন্ত্র ৭৯ সালের নির্বাচনের মাধ্যমে। আবার ৮২ সালে স্বৈরাচারী এরশাদ জোর করে সেই গণতন্ত্র হত্যা করেছিল। তার বিরুদ্ধে লড়াই করে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া আবার গণতন্ত্র পুণঃপ্রতিষ্ঠা করেছিলেন… সংসদীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা করেছিলেন ১৯৯০ এর ছাত্র গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে।’
দেশের অবস্থা তুলে ধরে নজরুল ইসলাম খান বলেন, ‘২০০৮ সালের নির্বাচনে ১০ টাকা সের চাল, বিনামূল্যে সার আর ঘরে ঘরে চাকরি দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ক্ষমতা দখল করেছিল। এই যে ভাওতা দিয়ে আসল তা ছাড়ার নাম নাই। ছলে-বলে কৌশলে এরা আছে। প্রশাসন, পুলিশ সব কিছু সাজানো।’
তাঁতী দলের যুগ্ম আহ্বায়ক গোলাম মাওলা খান বাবুলের সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব মজিবুর রহমান ও সদস্য মিলন ইসলাম খানের সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা জয়নুল আবদিন ফারুক, সাংগঠনিক সম্পাদক আবদুস সালাম আজাদ, কেন্দ্রীয় নেতা রিয়াজ উদ্দিন নসু, অধ্যক্ষ সেলিম ভুঁইয়া, হুমায়ুন ইসলাম খান, মাহমুদুর রহমান সুমন, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সহসভাপতি বাছির জামাল প্রমুখ।

শনিবার (২২ আগস্ট) জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের লেজিসলেটিভ সাপোর্ট উইংয়ের আইন প্রণয়ন শাখা-২-এর সচিব ব্যারিস্টার মো. গোলাম সরওয়ার ভূঁইয়া স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।
২ দিন আগে
শুক্রবার মন্ত্রিসভায় নতুন যুক্ত হওয়া মন্ত্রীদের সঙ্গে শপথ নিয়েছেন এম রশিদুজ্জামান মিল্লাতও। তিনি মন্ত্রিসভায় প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্বে ছিলেন। ছয় মাসের যাত্রায় ‘পদোন্নতি’ পেলেন তিনি। প্রতিমন্ত্রী হিসেবে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ে ছিলেন তিনি, একই মন্ত্রণালয়ে তাকে পূর্ণ মন্ত্রীর দায়িত্ব দে
২ দিন আগে
বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করায় মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে অভিনন্দন জানিয়েছেন ভারতের রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। তিনি বলেছেন, ‘আমাদের দুই প্রতিবেশী দেশের অংশীদারত্ব আরও জোরদার করতে আপনার সঙ্গে কাজ করতে উন্মুখ হয়ে আছি।’
২ দিন আগে
নতুন করে মন্ত্রিসভায় যুক্ত হওয়া পাঁচজন হলেন— বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও নরসিংদী-২ আসনের সংসদ সদস্য ড. আবদুল মঈন খান, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) চেয়ারম্যান ও ভোলা-১ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ, বান্দরবানের সংসদ সদস্য সাচিং প্রু জেরী, গাইবান্ধা-৪ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ
২ দিন আগে