ঘোষণানুযায়ী শপথ আয়োজন ইশরাকের,নামের সঙ্গে ‘মাননীয় মেয়র’

প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম
আপডেট : ১৬ জুন ২০২৫, ১৪: ৩৮

বিএনপি নেতা ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন আগেই ঘোষণা দিয়েছিলেন সরকার তাকে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়র হিসেবে শপথ পড়ানোর আয়োজন না করলে নিজেই তার কর্মী সমর্থক ও দক্ষিণ সিটির বাসিন্দাদের নিয়ে শপথ আয়োজন করবেন।

সোমবার (১৬ জুন ) নগর ভবনের কনফারেন্স রুমে একটি সভা করেছেন ইশরাক হোসেন। নগরভবনে এটিই তার প্রথম সভা। যেই সভার ব্যানারে ইশরাক হোসেনের নামের সঙ্গে ‘মাননীয় মেয়র’ লেখা রয়েছে।

সভা সূত্রে জানা গেছে, নগর ভবনের ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়। পরিচ্ছন্ন ঢাকা ও নাগরিক সেবা নিশ্চিতকল্পে এই সভার আয়োজন করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন আয়োজকরা। ওই সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপি নেতা ইশরাক হোসেন।

ব্যানারে তার নামের আগে ‘মাননীয় মেয়র, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন’ লেখা রয়েছে। সভায় ইশরাক হোসনকে ফুলেল শুভেচ্ছা ও ক্রেস্ট প্রদান করতে দেখা গেছে কয়েকজনকে।

এর আগে রবিবার ইশরাক ঘোষণা দেন, জনগণের দৈনন্দিন সেবা, আমাদের তত্ত্বাবধানে চালু থাকবে। এছাড়া প্রধান ফটকে তালা দেওয়া থাকবে।

এদিকে আজ ইশরাক হোসেনকে ঢাকা দক্ষিণ সিটির (ডিএসসিসি) মেয়রের দায়িত্ব দেওয়ার দাবিতে নগর ভবনের সামনে আবারও অবস্থান নেন তার সমর্থকরা। পরে বেলা ১১টার পর নগর ভবনে আসেন ইশরাক হোসেন।

ঘোষণা অনুযায়ী, জরুরি সেবার চালু রাখতে ডিএসসিসির বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় যোগ দেন তিনি। এসব নিয়ে দুপুরে সভার সিদ্ধান্ত এবং নতুন কর্মসূচি জানাতে গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলার কথা রয়েছে ইশরাকের।

ad
ad

রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন

আবারও ফ্যাসিবাদের প্রতিধ্বনি শুনতে পাচ্ছি : হাসনাত আব্দুল্লাহ

হাসনাত আব্দুল্লাহ আরো বলেন, গত ১৭ বছর আমাদের টুটি চেপে ধরা হয়েছিল, যারা ভিন্নমত পোষণ করত তাদের সামনে থেকে মাইক কেড়ে নেওয়া হতো, বাংলাদেশ একটা উন্মুক্ত কারাগারে পরিণত হয়েছিল, গুম করা হতো, আয়না ঘরে নেওয়া হতো, ক্রসফায়ারে দেওয়া হতো, ভিন্ন মত ও চিন্তার মানুষগুলোকে বলা হতো পিন্ডি বা দিল্লি চলে যেতে। এ

৪ ঘণ্টা আগে

জামায়াতসহ ১০ দলীয় জোটের প্রধানমন্ত্রী প্রার্থী কে?

বিভিন্ন ধরনের ১০টি দল একসঙ্গে এলেও কীসের ভিত্তিতে ঐক্য হলো সেটা স্পষ্ট নয়। এই ঐক্যের উদ্দেশ্য কী, আদর্শিক ভিত্তি কী সেটা নিয়েও কোনো রূপরেখা নেই, বক্তব্য নেই।

৬ ঘণ্টা আগে

১০ দলীয় জোট ঐক্যবদ্ধভাবে ইনসাফ-ভিত্তিক সমাজ গড়বে: নাহিদ

তিনি বলেন, ‘১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণের প্রকৃত বিজয় ছিনিয়ে আনা হবে। চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাস নির্মূলের প্রতিশ্রুতিও দেন তিনি।’

৭ ঘণ্টা আগে

নির্বাচন বানচাল করতে গুপ্ত হামলা চালানো হচ্ছে: মির্জা ফখরুল

৮ ঘণ্টা আগে