
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ক্ষমতায় গেলে আন্তর্জাতিক নিয়ম মেনে তিস্তাসহ সব অভিন্ন নদীর পানির ন্যায্য হিস্যা আদায় করব।
তিনি বলেন, ভারত থেকে বাংলাদেশের যে ন্যায্য হিস্যা পাওয়ার কথা ছিল, তা পেলে তিস্তা নদী আজ এভাবে মরে যেত না। আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী প্রয়োজন মতো পানি দেওয়ার বাধ্যবাধকতা থাকলেও ভারত এখন পর্যন্ত তিস্তার পানি বণ্টন নিয়ে কোনো সুরাহা দিতে পারেনি।
শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) ঠাকুরগাঁও জে আর সেন্টারে আসাদুল হাবিব দুলু রচিত গ্রন্থ ‘জাগো বাহে, তিস্তা বাঁচাই’ এর মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মির্জা ফখরুল বলেন, তিস্তা ইস্যুতে যখনই আলোচনা হয়েছে, তখনই ভারত সরকার বিষয়টি পশ্চিমবঙ্গ সরকারের ওপর দায় চাপিয়ে এড়িয়ে গেছে। অথচ এটি শুধু একটি নদীর পানি প্রবাহের বিষয় নয়, বরং উত্তরাঞ্চলের মানুষের জীবন-জীবিকার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত।
তিনি বলেন, তিস্তা নিয়ে একটি মহা পরিকল্পনার কথা বহুদিন ধরেই দাবি করে আসছে বিএনপি। এই পরিকল্পনার মাধ্যমে শুধু নদীর পানিপ্রবাহ নিশ্চিত করাই নয়, তিস্তার আশপাশের মানুষের জীবনমান উন্নয়ন, জীবিকা সহজ ও সুন্দর করার উদ্যোগ নিতে হবে।
এ সময় তিনি আসাদুল হাবিব দুলুর প্রশংসা করে বলেন, আসাদুল হাবিব দুলু শুধু একজন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব নন, তিনি একজন সৃজনশীল মানুষ। রাজনীতি করেও যে সৃষ্টিশীলতা দেখানো যায়, তা তার এলাকায় না গেলে বোঝা যাবে না। ‘জাগো বাহে, তিস্তা বাঁচাই’ গ্রন্থ প্রকাশের মাধ্যমে তিনি একটি মহৎ কাজ করেছেন।
বিএনপি মহাসচিব বলেন, এই বইটি মানুষের মধ্যে সচেতনতা তৈরি করবে এবং নতুন প্রজন্মকে আকৃষ্ট করতে সক্ষম হবে। উত্তরাঞ্চলের মানুষের বেঁচে থাকার সংগ্রামে এটি একটি বড় অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে। অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে তিনি বইটির প্রকাশনায় সহযোগিতার জন্য প্রকাশনা সংস্থা ‘অন্যপ্রকাশ’কে ধন্যবাদ জানান।
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন গ্রন্থের লেখক আসাদুল হাবিব দুলু। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিএনপির বিভিন্ন নেতাকর্মী, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি, অন্যপ্রকাশ এর প্রতিনিধি এবং বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক্স মিডিয়ার সাংবাদিকরা।

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ক্ষমতায় গেলে আন্তর্জাতিক নিয়ম মেনে তিস্তাসহ সব অভিন্ন নদীর পানির ন্যায্য হিস্যা আদায় করব।
তিনি বলেন, ভারত থেকে বাংলাদেশের যে ন্যায্য হিস্যা পাওয়ার কথা ছিল, তা পেলে তিস্তা নদী আজ এভাবে মরে যেত না। আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী প্রয়োজন মতো পানি দেওয়ার বাধ্যবাধকতা থাকলেও ভারত এখন পর্যন্ত তিস্তার পানি বণ্টন নিয়ে কোনো সুরাহা দিতে পারেনি।
শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) ঠাকুরগাঁও জে আর সেন্টারে আসাদুল হাবিব দুলু রচিত গ্রন্থ ‘জাগো বাহে, তিস্তা বাঁচাই’ এর মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মির্জা ফখরুল বলেন, তিস্তা ইস্যুতে যখনই আলোচনা হয়েছে, তখনই ভারত সরকার বিষয়টি পশ্চিমবঙ্গ সরকারের ওপর দায় চাপিয়ে এড়িয়ে গেছে। অথচ এটি শুধু একটি নদীর পানি প্রবাহের বিষয় নয়, বরং উত্তরাঞ্চলের মানুষের জীবন-জীবিকার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত।
তিনি বলেন, তিস্তা নিয়ে একটি মহা পরিকল্পনার কথা বহুদিন ধরেই দাবি করে আসছে বিএনপি। এই পরিকল্পনার মাধ্যমে শুধু নদীর পানিপ্রবাহ নিশ্চিত করাই নয়, তিস্তার আশপাশের মানুষের জীবনমান উন্নয়ন, জীবিকা সহজ ও সুন্দর করার উদ্যোগ নিতে হবে।
এ সময় তিনি আসাদুল হাবিব দুলুর প্রশংসা করে বলেন, আসাদুল হাবিব দুলু শুধু একজন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব নন, তিনি একজন সৃজনশীল মানুষ। রাজনীতি করেও যে সৃষ্টিশীলতা দেখানো যায়, তা তার এলাকায় না গেলে বোঝা যাবে না। ‘জাগো বাহে, তিস্তা বাঁচাই’ গ্রন্থ প্রকাশের মাধ্যমে তিনি একটি মহৎ কাজ করেছেন।
বিএনপি মহাসচিব বলেন, এই বইটি মানুষের মধ্যে সচেতনতা তৈরি করবে এবং নতুন প্রজন্মকে আকৃষ্ট করতে সক্ষম হবে। উত্তরাঞ্চলের মানুষের বেঁচে থাকার সংগ্রামে এটি একটি বড় অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে। অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে তিনি বইটির প্রকাশনায় সহযোগিতার জন্য প্রকাশনা সংস্থা ‘অন্যপ্রকাশ’কে ধন্যবাদ জানান।
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন গ্রন্থের লেখক আসাদুল হাবিব দুলু। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিএনপির বিভিন্ন নেতাকর্মী, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি, অন্যপ্রকাশ এর প্রতিনিধি এবং বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক্স মিডিয়ার সাংবাদিকরা।

জনগণের দাবি আদায়ে বৃহত্তর আন্দোলনের কর্মসূচি আসতে পারে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, ‘নব্য স্বৈরশাসন থেকে দেশকে মুক্ত করার জন্য আমরা রাস্তায় নেমেছি। এ লড়াই ১৮ কোটি মানুষের জন্য। জনগণের দাবি আদায় করেই আমরা ঘরে ফিরব।’
২ দিন আগে
লংমার্চের উদ্দেশ্য ব্যাখ্যা করে জামায়াতের আমির বলেন, ‘আপনাদের দাবিতে আমরা রাস্তায় নেমেছি। কোনো দলীয় নয়, ১৮ কোটি মানুষের দাবি নিয়ে নেমেছি।’ একই সঙ্গে তিনি বলেন, জনগণের স্বার্থে ঘোষিত আট দফা দাবি যেকোনো সময় এক দফায় রূপ নিতে পারে।
২ দিন আগে
নাহিদ ইসলাম বলেন, বিএনপি ক্ষমতায় আসার পর জনগণের অধিকার হরণ করছে এবং গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা ধ্বংসের দিকে নিয়ে যাচ্ছে। অতীতে যারা গণতন্ত্র ধ্বংসের সঙ্গে জড়িত ছিল, তাদের স্থান ইতিহাসের আস্তাকুঁড়ে হয়েছে।
২ দিন আগে
শফিকুর রহমান বলেন, ১১ দলীয় লংমার্চ দেখে অনেকের মাথা গরম হয়ে গেছে, জাতির প্রয়োজনে ৮ দফা এক দফায় পরিণত হতে পারে। তিনি আরও বলেন, এক দফা আসলে পরিস্থিতি খুবই ভয়াবহ হবে।
২ দিন আগে