
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

পার্শবর্তী দেশের প্রত্যেকটি আবদারই শেখ হাসিনার
পূরণ করতে হয় বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী।
তিনি বলেন, সীমান্ত চুক্তির পরেও বাংলাদেশিদেরকে হত্যা করছে ভারতের বিএসএফ। প্রতিদিন মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়। কিন্তু শেখ হাসিনার পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রতিবাদ তো দূরে থাক একটু মাথা উঁচু করে কথা বলতে পারে না। প্রধানমন্ত্রী আপনি কী পেয়েছেন তাদের কাছ থেকে? সব দিয়েছেন কিন্তু ন্যায্য যে অধিকার তিস্তার পানি গঙ্গার পানি সেটাও আপনি পাননি।তার পরও এত নতজানু কেন?
শনিবার ( ৩০ মার্চ) জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে যুবদল ও ছাত্রদলের সাবেক নেতৃবৃন্দদের উদ্যোগে এক মানববন্ধনে তিনি প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।
রিজভী বলেন, প্রধানমন্ত্রী ভারতের বিরুদ্ধে কোনো প্রতিবাদ করতে পারেন না, গলা তুলে কথা বলতে পারেন না। কিন্তু সাইফুল আলম নিরবরা কারাগারে থাকবে, যারাই আপনার গণতন্ত্রহীনতার বাক স্বাধীনতার এবং অবাধ সুষ্ঠু নির্বাচনের কথা বলবে তাদের ঠিকানা হবে কারাগার। অথচ আমাদের প্রতিবেশী দেশ প্রতিনিয়ত ছোট করছে আমাদেরকে উইপোকার সাথে তুলনা করছে প্রধানমন্ত্রী তার কোন প্রতিবাদ করতে পারে না। শেখ হাসিনার নিশ্চুপ কারণ শেখ হাসিনা একটি ডামি সরকার। তিনি অবাধ সুষ্ঠু নির্বাচনকে ভয় পায়।জনগণের ভোটকে ভয় পায় এই কারণেই তাকে একটি শক্ত খুটির সাথে বেঁধে থাকতে হয়।তার সেই শক্ত খুটি হচ্ছে পার্শ্ববর্তী দেশ।
বিএনপির এই মুখপাত্র বলেন, এই শক্ত খুঁটি (ভারতের) কারণে তিনি বাংলাদেশের মানুষকে ত্যাজ্য করেছেন ভোটারদেরকে ত্যাজ্য করেছেন গণতন্ত্রকে ত্যায্য করেছেন অবাক সুষ্ঠু নির্বাচনকে ত্যাজ্য করেছেন। এক বেআইনি অবৈধ সরকার দেশের সমস্ত বিরোধীদল সমস্ত গণতন্ত্রকারী মানুষকে কারাগারে ঢুকিয়ে রেখে তিনি সম্রাজ্ঞির মতো দেশ শাসন করতে চাচ্ছেন। জনগণশূন্য ভোটার শূন্য গণতন্ত্র শূন্য এমন একটি নির্দয় ফ্যাসিবাদী শাসন তিনি কায়েম করতে চান।
রিজভী বলেন, গোটা জাতির যিনি প্রতিক যিনি এ দেশের গণতন্ত্রকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন নিজের জীবনকে বিপন্ন করে তিনি আজও বন্দী কোনো কারণ ছাড়া শুধু শেখ হাসিনার প্রতিহিংসার কারণে। ওয়ান ইলেভেনের সরকারকে আপনি কী বলেছিলেন আপনি বলেছিলেন আপনার আন্দোলনের ফসল সেই সরকার আপনার নামে ১৫টি মামলা দিয়েছিল ওই মামলাগুলো গেল কোথায়? সেই মামলাগুলো কী হাওয়া হয়ে উড়ে গেল? ওই মামলাগুলোতে যদি আপনার প্রত্যেকটিতে সাজা হতো মিনিমাম ২০০ বছর হতো যদি দেশে ন্যায় বিচার থাকতো।কিন্তু আপনার ক্ষমতার কারণে আপনি আদালতের মালিক প্রশাসনের মালিক আপনি পুলিশের মালিক আপনি কারাগারের মালিক আপনি যখন যাকে ইচ্ছা তাকে আটকে রাখতে পারেন তখন তার বিরুদ্ধে মামলা দিয়ে প্রহসনের বিচার করতে পারে সেই প্রহসনের বিচারে আমাদের প্রিয় নেত্রী বন্দী।কারণ তিনি তার পথের কাঁটা পরিষ্কার রাখতে চান।
তিনি বলেন, আজ জাতীয় রিজার্ভ ১৭ বিলিয়ন ডলার যদিও কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে ১৯ বলা হচ্ছে। কিন্তু আই ই এম এফ কে গোপনে একটি রিপোর্ট করতে হয় সেখানে বলা হচ্ছে ১৭ বিলিয়ন ডলার। তিন মাসে যে আমদানি করবেন সেই আমদানি করার ক্ষমতা বাংলাদেশের এখন আর নেই। বাংলাদেশের মানুষ না খেয়ে থাকবে খেতে পারবে না প্রধানমন্ত্রী পদ্মা সেতুর দিকে তাকিয়ে থাকলে পেট ভরবে? এই যে দেশে অভাব অনটন আসছে আপনি এর প্রতিবাদ করতে যাবেন আপনাকে কারাগারে যেতে হবে। নির্যাতনের শিকার হতে হবে।
রিজভী বলেন, শেখ হাসিনার ভারতের সাথে এত প্রেম এত মহব্বত ব্রিক্স সম্মেলনের সদস্য হওয়ার জন্য ভারত বাংলাদেশকে নিয়ে কোনো কথায় বলেনি। মানুষ এটাও মনে করে ভারত কথা বললেই বাংলাদেশ সদস্য হতে পারতো। শুধু অপমান এবং লাঞ্ছনা ছাড়া আপনি কী পেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী?
যুবদলের সাবেক সিনিয়র সহ সভাপতি মুর্তাজুল করিম বাদরুর সভাপতিত্বে মানববন্ধনে বিএনপির চেয়ারপারসনের বিশেষ সহকারী শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস, যুবদলের সাবেক সহ-সভাপতি এস এম জাহাঙ্গীর প্রমুখ বক্তব্য দেন।

পার্শবর্তী দেশের প্রত্যেকটি আবদারই শেখ হাসিনার
পূরণ করতে হয় বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী।
তিনি বলেন, সীমান্ত চুক্তির পরেও বাংলাদেশিদেরকে হত্যা করছে ভারতের বিএসএফ। প্রতিদিন মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়। কিন্তু শেখ হাসিনার পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রতিবাদ তো দূরে থাক একটু মাথা উঁচু করে কথা বলতে পারে না। প্রধানমন্ত্রী আপনি কী পেয়েছেন তাদের কাছ থেকে? সব দিয়েছেন কিন্তু ন্যায্য যে অধিকার তিস্তার পানি গঙ্গার পানি সেটাও আপনি পাননি।তার পরও এত নতজানু কেন?
শনিবার ( ৩০ মার্চ) জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে যুবদল ও ছাত্রদলের সাবেক নেতৃবৃন্দদের উদ্যোগে এক মানববন্ধনে তিনি প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।
রিজভী বলেন, প্রধানমন্ত্রী ভারতের বিরুদ্ধে কোনো প্রতিবাদ করতে পারেন না, গলা তুলে কথা বলতে পারেন না। কিন্তু সাইফুল আলম নিরবরা কারাগারে থাকবে, যারাই আপনার গণতন্ত্রহীনতার বাক স্বাধীনতার এবং অবাধ সুষ্ঠু নির্বাচনের কথা বলবে তাদের ঠিকানা হবে কারাগার। অথচ আমাদের প্রতিবেশী দেশ প্রতিনিয়ত ছোট করছে আমাদেরকে উইপোকার সাথে তুলনা করছে প্রধানমন্ত্রী তার কোন প্রতিবাদ করতে পারে না। শেখ হাসিনার নিশ্চুপ কারণ শেখ হাসিনা একটি ডামি সরকার। তিনি অবাধ সুষ্ঠু নির্বাচনকে ভয় পায়।জনগণের ভোটকে ভয় পায় এই কারণেই তাকে একটি শক্ত খুটির সাথে বেঁধে থাকতে হয়।তার সেই শক্ত খুটি হচ্ছে পার্শ্ববর্তী দেশ।
বিএনপির এই মুখপাত্র বলেন, এই শক্ত খুঁটি (ভারতের) কারণে তিনি বাংলাদেশের মানুষকে ত্যাজ্য করেছেন ভোটারদেরকে ত্যাজ্য করেছেন গণতন্ত্রকে ত্যায্য করেছেন অবাক সুষ্ঠু নির্বাচনকে ত্যাজ্য করেছেন। এক বেআইনি অবৈধ সরকার দেশের সমস্ত বিরোধীদল সমস্ত গণতন্ত্রকারী মানুষকে কারাগারে ঢুকিয়ে রেখে তিনি সম্রাজ্ঞির মতো দেশ শাসন করতে চাচ্ছেন। জনগণশূন্য ভোটার শূন্য গণতন্ত্র শূন্য এমন একটি নির্দয় ফ্যাসিবাদী শাসন তিনি কায়েম করতে চান।
রিজভী বলেন, গোটা জাতির যিনি প্রতিক যিনি এ দেশের গণতন্ত্রকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন নিজের জীবনকে বিপন্ন করে তিনি আজও বন্দী কোনো কারণ ছাড়া শুধু শেখ হাসিনার প্রতিহিংসার কারণে। ওয়ান ইলেভেনের সরকারকে আপনি কী বলেছিলেন আপনি বলেছিলেন আপনার আন্দোলনের ফসল সেই সরকার আপনার নামে ১৫টি মামলা দিয়েছিল ওই মামলাগুলো গেল কোথায়? সেই মামলাগুলো কী হাওয়া হয়ে উড়ে গেল? ওই মামলাগুলোতে যদি আপনার প্রত্যেকটিতে সাজা হতো মিনিমাম ২০০ বছর হতো যদি দেশে ন্যায় বিচার থাকতো।কিন্তু আপনার ক্ষমতার কারণে আপনি আদালতের মালিক প্রশাসনের মালিক আপনি পুলিশের মালিক আপনি কারাগারের মালিক আপনি যখন যাকে ইচ্ছা তাকে আটকে রাখতে পারেন তখন তার বিরুদ্ধে মামলা দিয়ে প্রহসনের বিচার করতে পারে সেই প্রহসনের বিচারে আমাদের প্রিয় নেত্রী বন্দী।কারণ তিনি তার পথের কাঁটা পরিষ্কার রাখতে চান।
তিনি বলেন, আজ জাতীয় রিজার্ভ ১৭ বিলিয়ন ডলার যদিও কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে ১৯ বলা হচ্ছে। কিন্তু আই ই এম এফ কে গোপনে একটি রিপোর্ট করতে হয় সেখানে বলা হচ্ছে ১৭ বিলিয়ন ডলার। তিন মাসে যে আমদানি করবেন সেই আমদানি করার ক্ষমতা বাংলাদেশের এখন আর নেই। বাংলাদেশের মানুষ না খেয়ে থাকবে খেতে পারবে না প্রধানমন্ত্রী পদ্মা সেতুর দিকে তাকিয়ে থাকলে পেট ভরবে? এই যে দেশে অভাব অনটন আসছে আপনি এর প্রতিবাদ করতে যাবেন আপনাকে কারাগারে যেতে হবে। নির্যাতনের শিকার হতে হবে।
রিজভী বলেন, শেখ হাসিনার ভারতের সাথে এত প্রেম এত মহব্বত ব্রিক্স সম্মেলনের সদস্য হওয়ার জন্য ভারত বাংলাদেশকে নিয়ে কোনো কথায় বলেনি। মানুষ এটাও মনে করে ভারত কথা বললেই বাংলাদেশ সদস্য হতে পারতো। শুধু অপমান এবং লাঞ্ছনা ছাড়া আপনি কী পেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী?
যুবদলের সাবেক সিনিয়র সহ সভাপতি মুর্তাজুল করিম বাদরুর সভাপতিত্বে মানববন্ধনে বিএনপির চেয়ারপারসনের বিশেষ সহকারী শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস, যুবদলের সাবেক সহ-সভাপতি এস এম জাহাঙ্গীর প্রমুখ বক্তব্য দেন।

শনিবার (২২ আগস্ট) জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের লেজিসলেটিভ সাপোর্ট উইংয়ের আইন প্রণয়ন শাখা-২-এর সচিব ব্যারিস্টার মো. গোলাম সরওয়ার ভূঁইয়া স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।
২ দিন আগে
শুক্রবার মন্ত্রিসভায় নতুন যুক্ত হওয়া মন্ত্রীদের সঙ্গে শপথ নিয়েছেন এম রশিদুজ্জামান মিল্লাতও। তিনি মন্ত্রিসভায় প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্বে ছিলেন। ছয় মাসের যাত্রায় ‘পদোন্নতি’ পেলেন তিনি। প্রতিমন্ত্রী হিসেবে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ে ছিলেন তিনি, একই মন্ত্রণালয়ে তাকে পূর্ণ মন্ত্রীর দায়িত্ব দে
২ দিন আগে
বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করায় মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে অভিনন্দন জানিয়েছেন ভারতের রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। তিনি বলেছেন, ‘আমাদের দুই প্রতিবেশী দেশের অংশীদারত্ব আরও জোরদার করতে আপনার সঙ্গে কাজ করতে উন্মুখ হয়ে আছি।’
২ দিন আগে
নতুন করে মন্ত্রিসভায় যুক্ত হওয়া পাঁচজন হলেন— বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও নরসিংদী-২ আসনের সংসদ সদস্য ড. আবদুল মঈন খান, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) চেয়ারম্যান ও ভোলা-১ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ, বান্দরবানের সংসদ সদস্য সাচিং প্রু জেরী, গাইবান্ধা-৪ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ
২ দিন আগে