
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

জাতীয় সংসদ ভবন প্রাঙ্গণে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ২৫০তম স্বাধীনতা দিবস উদযাপনের সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি) বলেছে, দেশকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ‘করদ রাজ্যে' পরিণত করার চক্রান্ত চলছে। এ চক্রান্ত প্রতিহত করতে দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়েছে দলটি। একই সঙ্গে জাতীয় সংসদ ভবন প্রাঙ্গণ বিদেশি কোনো রাষ্ট্রের জাতীয় দিবস উদযাপনের জন্য ব্যবহারের সিদ্ধান্তকে স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও জাতীয় মর্যাদার পরিপন্থি বলে দাবি করেছে সিপিবি।
সোমবার (৬ জুলাই) বিকেলে রাজধানীর পল্টন মোড়ে অনুষ্ঠিত এক বিক্ষোভ সমাবেশে এসব কথা বলেন সিপিবির সভাপতি কাজী সাজ্জাদ জহির চন্দন। জাতীয় সংসদ ভবন প্রাঙ্গণে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ২৫০তম স্বাধীনতা দিবস উদযাপনের প্রতিবাদে দলটির উদ্যোগে পল্টন মোড় থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের হয়ে জাতীয় প্রেসক্লাব ও কদম ফোয়ারা প্রদক্ষিণ শেষে আবার পল্টন মোড়ে এসে সমাবেশে মিলিত হয়।
সমাবেশে সভাপতির বক্তব্যে কাজী সাজ্জাদ জহির চন্দন বলেন, দেশকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ‘করদ রাজ্যে’ পরিণত করার চক্রান্ত চলছে। দেশবাসীকে এই চক্রান্ত রুখে দিতে হবে। তিনি দাবি করেন, গত ৯ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পাদিত ‘দেশবিরোধী বাণিজ্য চুক্তি’ বাতিল করার পরিবর্তে বর্তমান সরকার মার্কিন তোষণনীতি অনুসরণ করছে। জাতীয় সংসদ ভবন প্রাঙ্গণে মার্কিন স্বাধীনতা দিবস উদযাপনের অনুমতি সেই নীতিরই বহিঃপ্রকাশ। তার ভাষ্য, বর্তমান সরকার ও সংসদের তথাকথিত বিরোধী দল মিলিতভাবে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ববিরোধী ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছে। এ পরিস্থিতিতে সম্মিলিত প্রতিরোধ ছাড়া দেশপ্রেমিক মানুষের সামনে আর কোনো পথ খোলা নেই।
সিপিবির সভাপতি আরও ঘোষণা দেন, জাতীয় সংসদ ভবন প্রাঙ্গণে মার্কিন স্বাধীনতা দিবস উদযাপনের প্রতিবাদ এবং অবিলম্বে ‘দেশবিরোধী’ মার্কিন বাণিজ্য চুক্তি বাতিলের দাবিতে আগামী ৮ জুলাই সারাদেশের জেলা ও উপজেলায় বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করা হবে।
সমাবেশে বক্তব্য দেন সিপিবির সাধারণ সম্পাদক আবদুল্লাহ ক্বাফী রতন, প্রেসিডিয়াম সদস্য রাগীব আহসান মুন্না ও জলি তালুকদার, ঢাকা মহানগর উত্তর জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক লুনা নূর এবং ঢাকা মহানগর দক্ষিণ জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক মঞ্জুর মঈন।
আবদুল্লাহ ক্বাফী রতন বলেন, জাতীয় সংসদ ভবন বাংলাদেশের জনগণের সার্বভৌম ইচ্ছার প্রতীক এবং স্বাধীন রাষ্ট্রের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় প্রতিষ্ঠান। সেই প্রাঙ্গণকে কোনো বিদেশি রাষ্ট্রের জাতীয় দিবস উদযাপনের ভেন্যু হিসেবে ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া স্বাধীনতা ও জাতীয় আত্মমর্যাদাবোধের পরিপন্থি।
তিনি আরও বলেন, ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র পাকিস্তানি সামরিক জান্তার প্রত্যক্ষ রাজনৈতিক ও সামরিক সহযোগী ছিল এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতার বিরুদ্ধে তাদের অবস্থান ইতিহাসে লিপিবদ্ধ। সেই রাষ্ট্রের স্বাধীনতা দিবস উদযাপনের জন্য জাতীয় সংসদ ভবন প্রাঙ্গণ ব্যবহারের অনুমতি মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও শহিদদের আত্মত্যাগের প্রতি অবমাননার শামিল। এ ঘটনার জন্য দায়ীদের জাতির কাছে নিঃশর্ত ক্ষমা প্রার্থনারও দাবি জানান তিনি।
সমাবেশে বক্তারা বলেন, যুক্তরাষ্ট্র বর্তমানে বাংলাদেশে অর্থনৈতিক, বাণিজ্যিক ও কৌশলগত বিভিন্ন ক্ষেত্রে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করছে। এমন পরিস্থিতিতে জাতীয় সংসদ ভবন প্রাঙ্গণে এ ধরনের আয়োজন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির স্বাধীনতা, জাতীয় মর্যাদা ও সার্বভৌমত্ব সম্পর্কে অপ্রয়োজনীয় প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। তাদের অভিযোগ, সরকার জনগণের অনুভূতি ও দেশের মর্যাদার বিষয়টি বিবেচনায় নিতে ব্যর্থ হয়েছে।
বক্তারা আরও বলেন, ভবিষ্যতে জাতীয় সংসদ ভবনসহ রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্ব ও জাতীয় মর্যাদার প্রতীক কোনো স্থাপনা বিদেশি রাষ্ট্রের জাতীয় দিবস বা অনুরূপ আনুষ্ঠানিক আয়োজনের জন্য ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া উচিত নয়। পাশাপাশি এ সিদ্ধান্ত গ্রহণের সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের জবাবদিহির আওতায় আনার দাবিও জানান তারা।
সমাবেশে নেতারা বলেন, বাংলাদেশের জনগণ সব দেশের জনগণের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ ও পারস্পরিক সম্মানভিত্তিক আন্তর্জাতিক সম্পর্কের পক্ষে। তবে কোনো পরাশক্তির আধিপত্যবাদী নীতির অনুসারী হওয়া কিংবা জাতীয় মর্যাদাকে খাটো করে এমন কর্মকাণ্ড কখনোই গ্রহণযোগ্য হতে পারে না।
এ সময় মহান মুক্তিযুদ্ধে গণহত্যা সংঘটন ও স্বাধীনতাবিরোধী ভূমিকা রাখা একটি দলের প্রধান কর্তৃক মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে ‘পরীক্ষিত মিত্র’ ঘোষণার প্রেক্ষিতে বক্তারা বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধ থেকে অদ্যবধি মার্কিন যুক্তরষ্ট্র ও জামায়াত মিলিতভাবে বাংলাদেশ ও দেশের মানুষের বিপক্ষেই আছে। তারা পরস্পরের পরিক্ষীত মিত্র হলেও বাংলাদেশের মানুষ ও বিশ্বশান্তির শত্রু।’

জাতীয় সংসদ ভবন প্রাঙ্গণে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ২৫০তম স্বাধীনতা দিবস উদযাপনের সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি) বলেছে, দেশকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ‘করদ রাজ্যে' পরিণত করার চক্রান্ত চলছে। এ চক্রান্ত প্রতিহত করতে দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়েছে দলটি। একই সঙ্গে জাতীয় সংসদ ভবন প্রাঙ্গণ বিদেশি কোনো রাষ্ট্রের জাতীয় দিবস উদযাপনের জন্য ব্যবহারের সিদ্ধান্তকে স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও জাতীয় মর্যাদার পরিপন্থি বলে দাবি করেছে সিপিবি।
সোমবার (৬ জুলাই) বিকেলে রাজধানীর পল্টন মোড়ে অনুষ্ঠিত এক বিক্ষোভ সমাবেশে এসব কথা বলেন সিপিবির সভাপতি কাজী সাজ্জাদ জহির চন্দন। জাতীয় সংসদ ভবন প্রাঙ্গণে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ২৫০তম স্বাধীনতা দিবস উদযাপনের প্রতিবাদে দলটির উদ্যোগে পল্টন মোড় থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের হয়ে জাতীয় প্রেসক্লাব ও কদম ফোয়ারা প্রদক্ষিণ শেষে আবার পল্টন মোড়ে এসে সমাবেশে মিলিত হয়।
সমাবেশে সভাপতির বক্তব্যে কাজী সাজ্জাদ জহির চন্দন বলেন, দেশকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ‘করদ রাজ্যে’ পরিণত করার চক্রান্ত চলছে। দেশবাসীকে এই চক্রান্ত রুখে দিতে হবে। তিনি দাবি করেন, গত ৯ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পাদিত ‘দেশবিরোধী বাণিজ্য চুক্তি’ বাতিল করার পরিবর্তে বর্তমান সরকার মার্কিন তোষণনীতি অনুসরণ করছে। জাতীয় সংসদ ভবন প্রাঙ্গণে মার্কিন স্বাধীনতা দিবস উদযাপনের অনুমতি সেই নীতিরই বহিঃপ্রকাশ। তার ভাষ্য, বর্তমান সরকার ও সংসদের তথাকথিত বিরোধী দল মিলিতভাবে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ববিরোধী ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছে। এ পরিস্থিতিতে সম্মিলিত প্রতিরোধ ছাড়া দেশপ্রেমিক মানুষের সামনে আর কোনো পথ খোলা নেই।
সিপিবির সভাপতি আরও ঘোষণা দেন, জাতীয় সংসদ ভবন প্রাঙ্গণে মার্কিন স্বাধীনতা দিবস উদযাপনের প্রতিবাদ এবং অবিলম্বে ‘দেশবিরোধী’ মার্কিন বাণিজ্য চুক্তি বাতিলের দাবিতে আগামী ৮ জুলাই সারাদেশের জেলা ও উপজেলায় বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করা হবে।
সমাবেশে বক্তব্য দেন সিপিবির সাধারণ সম্পাদক আবদুল্লাহ ক্বাফী রতন, প্রেসিডিয়াম সদস্য রাগীব আহসান মুন্না ও জলি তালুকদার, ঢাকা মহানগর উত্তর জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক লুনা নূর এবং ঢাকা মহানগর দক্ষিণ জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক মঞ্জুর মঈন।
আবদুল্লাহ ক্বাফী রতন বলেন, জাতীয় সংসদ ভবন বাংলাদেশের জনগণের সার্বভৌম ইচ্ছার প্রতীক এবং স্বাধীন রাষ্ট্রের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় প্রতিষ্ঠান। সেই প্রাঙ্গণকে কোনো বিদেশি রাষ্ট্রের জাতীয় দিবস উদযাপনের ভেন্যু হিসেবে ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া স্বাধীনতা ও জাতীয় আত্মমর্যাদাবোধের পরিপন্থি।
তিনি আরও বলেন, ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র পাকিস্তানি সামরিক জান্তার প্রত্যক্ষ রাজনৈতিক ও সামরিক সহযোগী ছিল এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতার বিরুদ্ধে তাদের অবস্থান ইতিহাসে লিপিবদ্ধ। সেই রাষ্ট্রের স্বাধীনতা দিবস উদযাপনের জন্য জাতীয় সংসদ ভবন প্রাঙ্গণ ব্যবহারের অনুমতি মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও শহিদদের আত্মত্যাগের প্রতি অবমাননার শামিল। এ ঘটনার জন্য দায়ীদের জাতির কাছে নিঃশর্ত ক্ষমা প্রার্থনারও দাবি জানান তিনি।
সমাবেশে বক্তারা বলেন, যুক্তরাষ্ট্র বর্তমানে বাংলাদেশে অর্থনৈতিক, বাণিজ্যিক ও কৌশলগত বিভিন্ন ক্ষেত্রে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করছে। এমন পরিস্থিতিতে জাতীয় সংসদ ভবন প্রাঙ্গণে এ ধরনের আয়োজন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির স্বাধীনতা, জাতীয় মর্যাদা ও সার্বভৌমত্ব সম্পর্কে অপ্রয়োজনীয় প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। তাদের অভিযোগ, সরকার জনগণের অনুভূতি ও দেশের মর্যাদার বিষয়টি বিবেচনায় নিতে ব্যর্থ হয়েছে।
বক্তারা আরও বলেন, ভবিষ্যতে জাতীয় সংসদ ভবনসহ রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্ব ও জাতীয় মর্যাদার প্রতীক কোনো স্থাপনা বিদেশি রাষ্ট্রের জাতীয় দিবস বা অনুরূপ আনুষ্ঠানিক আয়োজনের জন্য ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া উচিত নয়। পাশাপাশি এ সিদ্ধান্ত গ্রহণের সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের জবাবদিহির আওতায় আনার দাবিও জানান তারা।
সমাবেশে নেতারা বলেন, বাংলাদেশের জনগণ সব দেশের জনগণের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ ও পারস্পরিক সম্মানভিত্তিক আন্তর্জাতিক সম্পর্কের পক্ষে। তবে কোনো পরাশক্তির আধিপত্যবাদী নীতির অনুসারী হওয়া কিংবা জাতীয় মর্যাদাকে খাটো করে এমন কর্মকাণ্ড কখনোই গ্রহণযোগ্য হতে পারে না।
এ সময় মহান মুক্তিযুদ্ধে গণহত্যা সংঘটন ও স্বাধীনতাবিরোধী ভূমিকা রাখা একটি দলের প্রধান কর্তৃক মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে ‘পরীক্ষিত মিত্র’ ঘোষণার প্রেক্ষিতে বক্তারা বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধ থেকে অদ্যবধি মার্কিন যুক্তরষ্ট্র ও জামায়াত মিলিতভাবে বাংলাদেশ ও দেশের মানুষের বিপক্ষেই আছে। তারা পরস্পরের পরিক্ষীত মিত্র হলেও বাংলাদেশের মানুষ ও বিশ্বশান্তির শত্রু।’

বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় নেতা সাদিক কায়েম সম্প্রতি ছাত্রশিবির ছেড়ে জামায়াতে ইসলামীর রাজনীতিতে যোগ দেওয়ায় তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভিপি পদে থাকার ‘নৈতিকতা হারিয়েছে’ বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি নেতা রাশেদ খাঁন।
১ দিন আগে
নতুন এই রদবদলে কেন্দ্রীয় স্কুল কার্যক্রম সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন ডা. জায়েদ আহমাদ। তিনি শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ থেকে (২০১৮-২০১৯ সেশন) এমবিবিএস পাস করেছেন। এর আগে তিনি শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজের সভাপতি এবং মেডিকেল জোনের সেক্রেটারি ও সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তার গ্রামের
১ দিন আগে
নাহিদ বলেন, সরকার বলেছিল, তারা জুলাইয়ের চেতনাকে ধারণ করে, জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করবে। কিন্তু আজ আমরা দেখছি, জুলাই সনদ বাস্তবায়নে নানা টালবাহানা করা হচ্ছে। জুলাই সনদ বাস্তবায়ন হবে কি না, তা নিয়েই সন্দেহ দেখা দিয়েছে। তাই সরকার যদি বলে তারা জুলাইয়ের চেতনা ধারণ করে, তাহলে বিচার আর সংস্কার প্রক্রিয়াকে আন্ত
২ দিন আগে
নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারী তার পোস্টে বলেন, স্বাধীন বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় শিক্ষাব্যবস্থা এখনও কোনো সুস্পষ্ট জাতীয় সিদ্ধান্তে উপনীত হতে পারেনি এবং বর্তমান বিজ্ঞান, কলা ও ব্যবসায় শিক্ষার কাঠামো দক্ষ জনশক্তি গড়ার পরিবর্তে একটি বৃহৎ শিক্ষিত বেকার জনগোষ্ঠী তৈরি করছে।
২ দিন আগে