
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

আইএমএফের বেলআউট কর্মসূচি বাস্তবায়ন করতে গিয়ে অতীত থেকে শিক্ষা না নিলে সরকার জনসমর্থনহীন ও দেউলিয়া অবস্থায় পড়বে বলে মন্তব্য করেছেন গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্টের সমন্বয়ক আবদুল্লাহ ক্বাফী রতন। তিনি বলেন, আইএমএফ নির্দেশিত কর্মসূচি বাস্তবায়ন করতে গিয়ে বহু দেশের অর্থনীতি মুখ থুবড়ে পড়েছে এবং অনেক দেশে ক্ষুব্ধ জনতার আন্দোলনে সরকার উৎখাত হয়েছে।
জ্বালানি তেলের দাম লিটারপ্রতি ২০ টাকা বাড়ানোর প্রতিবাদে এবং অবিলম্বে মূল্যবৃদ্ধি প্রত্যাহারের দাবিতে সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) বিকেল পাঁচটায় জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্ট আয়োজিত বিক্ষোভ সমাবেশে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
আবদুল্লাহ ক্বাফী রতন বলেন, আইএমএফ নির্দেশিত কর্মসূচি বাস্তবায়ন করতে গিয়ে বহুদেশের অর্থনীতি মুখ থুবড়ে পড়েছে। অনেক দেশে ক্ষুব্ধ জনতার দ্বারা সরকার উৎখাত হয়েছে। অতীত থেকে শিক্ষা না নিলে আইএমএফের সংস্কার সরকারকে জনসমর্থনহীন দেউলিয়া অবস্থায় নিয়ে যাবে।
তিনি আরও বলেন, জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি শুধু পাম্পে তেলের দাম বাড়ায় না। এর প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ প্রভাব পড়ে গণপরিবহন, পণ্য পরিবহন, কৃষি, শিল্প, বিদ্যুৎ উৎপাদন, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজার এবং সর্বোপরি সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয়ের ওপর। ফলে এই সিদ্ধান্তের বোঝা শেষ পর্যন্ত শ্রমজীবী, নিম্নআয় ও মধ্যবিত্ত মানুষের ওপরই চাপবে।
তিনি অবিলম্বে জ্বালানি তেলের বর্ধিত মূল্য প্রত্যাহারের দাবি জানান। একই সঙ্গে জ্বালানি মূল্য নির্ধারণে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা, জ্বালানি খাতের অনিয়ম-দুর্নীতি ও অপচয় বন্ধ করা এবং জনগণের ওপর মূল্যস্ফীতির চাপ কমাতে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানান।
গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্টের কেন্দ্রীয় পরিচালনা পরিষদের সমন্বয়ক ও সিপিবির সাধারণ সম্পাদক আবদুল্লাহ ক্বাফী রতনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তব্য দেন বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল-বাসদের সাধারণ সম্পাদক বজলুর রশীদ ফিরোজ, বাংলাদেশ জাসদের সাধারণ সম্পাদক নাজমুল হক প্রধান, বিপ্লবী কমিউনিস্ট লীগের সাধারণ সম্পাদক ইকবাল কবির জাহিদ, গণতান্ত্রিক বিপ্লবী পার্টির সাধারণ সম্পাদক মোশরেফা মিশু, বাসদের (মার্কসবাদী) সমন্বয়ক মাসুদ রানা, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক পার্টির নির্বাহী সভাপতি আব্দুল আলী, বাসদের (মাহবুব) কেন্দ্রীয় নেতা মহিউদ্দিন চৌধুরী লিটন, জাতীয় গণফ্রন্টের সমন্বয়ক রজত হুদা এবং সোনার বাংলা পার্টির সভাপতি সৈয়দ হারুন অর রশীদসহ অন্যরা।
বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তারা বলেন, সরকার কোনো ধরনের জনসম্পৃক্ত ও কার্যকর জনস্বার্থ যাচাই ছাড়াই একসঙ্গে ডিজেল, পেট্রোল, অকটেন ও কেরোসিনের দাম লিটারে ২০ টাকা বাড়িয়েছে। নতুন নির্ধারিত দামে ডিজেলের লিটার ১৩৫ টাকা, পেট্রোল ১৬০ টাকা, অকটেন ১৬৫ টাকা এবং কেরোসিন ১৫৫ টাকা হয়েছে।
তারা বলেন, জনগণের আয় ও ক্রয়ক্ষমতা যখন মূল্যস্ফীতির চাপে ইতোমধ্যে সংকুচিত, তখন জ্বালানি তেলের দাম এভাবে বাড়ানো জনজীবনে নতুন করে সংকট তৈরি করবে। বিশেষ করে ডিজেলের দাম বৃদ্ধির কারণে কৃষি ও পরিবহন খাতে ব্যয় বাড়ার পাশাপাশি বাজারে পণ্য পরিবহনের খরচ বৃদ্ধির আশঙ্কা রয়েছে।
গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্টের নেতারা বলেন, আন্তর্জাতিক বাজার ও পরিবহন ব্যয় বৃদ্ধির কথা সরকার অজুহাত হিসেবে দেখালেও জনগণের ওপর মূল্যবৃদ্ধির বোঝা চাপিয়ে অর্থনৈতিক সংকট মোকাবিলার পথ গ্রহণযোগ্য নয়। রাষ্ট্রের নীতি নির্ধারণে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা, শ্রমজীবী মানুষের আয় এবং দেশের উৎপাদনব্যবস্থার স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে।
সমাবেশ থেকে নেতারা বলেন, জনগণের স্বার্থবিরোধী যেকোনো সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে গণতান্ত্রিক আন্দোলন অব্যাহত থাকবে। জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি প্রত্যাহার না করা হলে বৃহত্তর গণআন্দোলন গড়ে তোলার জন্য দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানান তারা।

আইএমএফের বেলআউট কর্মসূচি বাস্তবায়ন করতে গিয়ে অতীত থেকে শিক্ষা না নিলে সরকার জনসমর্থনহীন ও দেউলিয়া অবস্থায় পড়বে বলে মন্তব্য করেছেন গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্টের সমন্বয়ক আবদুল্লাহ ক্বাফী রতন। তিনি বলেন, আইএমএফ নির্দেশিত কর্মসূচি বাস্তবায়ন করতে গিয়ে বহু দেশের অর্থনীতি মুখ থুবড়ে পড়েছে এবং অনেক দেশে ক্ষুব্ধ জনতার আন্দোলনে সরকার উৎখাত হয়েছে।
জ্বালানি তেলের দাম লিটারপ্রতি ২০ টাকা বাড়ানোর প্রতিবাদে এবং অবিলম্বে মূল্যবৃদ্ধি প্রত্যাহারের দাবিতে সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) বিকেল পাঁচটায় জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্ট আয়োজিত বিক্ষোভ সমাবেশে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
আবদুল্লাহ ক্বাফী রতন বলেন, আইএমএফ নির্দেশিত কর্মসূচি বাস্তবায়ন করতে গিয়ে বহুদেশের অর্থনীতি মুখ থুবড়ে পড়েছে। অনেক দেশে ক্ষুব্ধ জনতার দ্বারা সরকার উৎখাত হয়েছে। অতীত থেকে শিক্ষা না নিলে আইএমএফের সংস্কার সরকারকে জনসমর্থনহীন দেউলিয়া অবস্থায় নিয়ে যাবে।
তিনি আরও বলেন, জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি শুধু পাম্পে তেলের দাম বাড়ায় না। এর প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ প্রভাব পড়ে গণপরিবহন, পণ্য পরিবহন, কৃষি, শিল্প, বিদ্যুৎ উৎপাদন, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজার এবং সর্বোপরি সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয়ের ওপর। ফলে এই সিদ্ধান্তের বোঝা শেষ পর্যন্ত শ্রমজীবী, নিম্নআয় ও মধ্যবিত্ত মানুষের ওপরই চাপবে।
তিনি অবিলম্বে জ্বালানি তেলের বর্ধিত মূল্য প্রত্যাহারের দাবি জানান। একই সঙ্গে জ্বালানি মূল্য নির্ধারণে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা, জ্বালানি খাতের অনিয়ম-দুর্নীতি ও অপচয় বন্ধ করা এবং জনগণের ওপর মূল্যস্ফীতির চাপ কমাতে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানান।
গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্টের কেন্দ্রীয় পরিচালনা পরিষদের সমন্বয়ক ও সিপিবির সাধারণ সম্পাদক আবদুল্লাহ ক্বাফী রতনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তব্য দেন বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল-বাসদের সাধারণ সম্পাদক বজলুর রশীদ ফিরোজ, বাংলাদেশ জাসদের সাধারণ সম্পাদক নাজমুল হক প্রধান, বিপ্লবী কমিউনিস্ট লীগের সাধারণ সম্পাদক ইকবাল কবির জাহিদ, গণতান্ত্রিক বিপ্লবী পার্টির সাধারণ সম্পাদক মোশরেফা মিশু, বাসদের (মার্কসবাদী) সমন্বয়ক মাসুদ রানা, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক পার্টির নির্বাহী সভাপতি আব্দুল আলী, বাসদের (মাহবুব) কেন্দ্রীয় নেতা মহিউদ্দিন চৌধুরী লিটন, জাতীয় গণফ্রন্টের সমন্বয়ক রজত হুদা এবং সোনার বাংলা পার্টির সভাপতি সৈয়দ হারুন অর রশীদসহ অন্যরা।
বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তারা বলেন, সরকার কোনো ধরনের জনসম্পৃক্ত ও কার্যকর জনস্বার্থ যাচাই ছাড়াই একসঙ্গে ডিজেল, পেট্রোল, অকটেন ও কেরোসিনের দাম লিটারে ২০ টাকা বাড়িয়েছে। নতুন নির্ধারিত দামে ডিজেলের লিটার ১৩৫ টাকা, পেট্রোল ১৬০ টাকা, অকটেন ১৬৫ টাকা এবং কেরোসিন ১৫৫ টাকা হয়েছে।
তারা বলেন, জনগণের আয় ও ক্রয়ক্ষমতা যখন মূল্যস্ফীতির চাপে ইতোমধ্যে সংকুচিত, তখন জ্বালানি তেলের দাম এভাবে বাড়ানো জনজীবনে নতুন করে সংকট তৈরি করবে। বিশেষ করে ডিজেলের দাম বৃদ্ধির কারণে কৃষি ও পরিবহন খাতে ব্যয় বাড়ার পাশাপাশি বাজারে পণ্য পরিবহনের খরচ বৃদ্ধির আশঙ্কা রয়েছে।
গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্টের নেতারা বলেন, আন্তর্জাতিক বাজার ও পরিবহন ব্যয় বৃদ্ধির কথা সরকার অজুহাত হিসেবে দেখালেও জনগণের ওপর মূল্যবৃদ্ধির বোঝা চাপিয়ে অর্থনৈতিক সংকট মোকাবিলার পথ গ্রহণযোগ্য নয়। রাষ্ট্রের নীতি নির্ধারণে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা, শ্রমজীবী মানুষের আয় এবং দেশের উৎপাদনব্যবস্থার স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে।
সমাবেশ থেকে নেতারা বলেন, জনগণের স্বার্থবিরোধী যেকোনো সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে গণতান্ত্রিক আন্দোলন অব্যাহত থাকবে। জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি প্রত্যাহার না করা হলে বৃহত্তর গণআন্দোলন গড়ে তোলার জন্য দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানান তারা।

জোটের নেতারা পথসভায় গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, জুলাই গণহত্যার বিচার, জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সংকট, দ্রব্যমূল্য, আইনশৃঙ্খলা, দলীয়করণ, দুর্নীতি, চাঁদাবাজি ও দখলদারত্বের মতো বিষয় সামনে আনেন। একই সঙ্গে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, সরকার দাবি না মানলে আট দফা যেকোনো সময় এক দফায় পরিণত হতে পারে।
২ দিন আগে
শুক্রবার (১৯ সেপ্টেম্বর) রাতে ভার্চ্যুয়ালি এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সাধারণত আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির বৈঠকে দলের সভাপতি শেখ হাসিনা সভাপতিত্ব করলেও এবারের বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম। শেখ হাসিনা এতে প্রধান অতিথি হিসেবে যুক্ত ছিলেন। দলের কেন্দ্রীয় কমিটির
২ দিন আগে
জনগণের দাবি আদায়ে বৃহত্তর আন্দোলনের কর্মসূচি আসতে পারে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, ‘নব্য স্বৈরশাসন থেকে দেশকে মুক্ত করার জন্য আমরা রাস্তায় নেমেছি। এ লড়াই ১৮ কোটি মানুষের জন্য। জনগণের দাবি আদায় করেই আমরা ঘরে ফিরব।’
২ দিন আগে
লংমার্চের উদ্দেশ্য ব্যাখ্যা করে জামায়াতের আমির বলেন, ‘আপনাদের দাবিতে আমরা রাস্তায় নেমেছি। কোনো দলীয় নয়, ১৮ কোটি মানুষের দাবি নিয়ে নেমেছি।’ একই সঙ্গে তিনি বলেন, জনগণের স্বার্থে ঘোষিত আট দফা দাবি যেকোনো সময় এক দফায় রূপ নিতে পারে।
২ দিন আগে