
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

রাজধানী ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার জন্য জুলাই আন্দোলনে ক্ষমতাচ্যুত শেখ হাসিনা ‘গভীর উদ্বেগ’ প্রকাশ করেছেন।
এ খবর দিয়েছে ইন্দো-এশিয়ান নিউজ সার্ভিস (আইএএনএস)। ইমেইলে ভারতীয় এই বার্তা সংস্থাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে খালেদা জিয়ার সুস্থতাও কামনা করেছেন শেখ হাসিনা।
মঙ্গলবার (৯ ডিসেম্বর) আইএএনএসে প্রকাশিত হয়েছে সাক্ষাৎকারটি। খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা নিয়ে বার্তা সংস্থাটি প্রশ্ন করলে উত্তরে শেখ হাসিনা বলেন, ‘খালেদা জিয়া অসুস্থ হয়েছেন শুনে আমি অত্যন্ত উদ্বিগ্ন। আমি প্রার্থনা করি তিনি যেন সুস্থ হয়ে উঠতে পারেন।’
২০১৮ সালে আওয়ামী লীগের শাসনামলে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট ও জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতির মামলায় খালেদা জিয়াকে কারাদণ্ড দিয়েছিলেন আদালত। দুই বছর পর করোনাভাইরাস মহামারী শুরু হওয়ার পর শর্তসাপেক্ষে সাজা স্থগিত করে তাকে সাময়িক মুক্তি দেয় শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার।
এরপর খালেদা জিয়া বেশ কয়েকবার অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন। খালেদা জিয়ার পরিবার ও তার দল বিএনপি ওই সময় দফায় দফায় তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য দেশের বাইরে নিয়ে যাওয়ার জন্য আবেদন করেছে। তবে সরকারের তরফ থেকে সে আবেদনে সাড়া মেলেনি। ফলে খালেদা জিয়াও দেশের বাইরে চিকিৎসা নিতে যেতে পারেননি।
ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মুখে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হয়। শেখ হাসিনা পালিয়ে আশ্রয় নেন ভারতে। এরপর দায়িত্ব নেওয়া অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার খালেদা জিয়াকে কারামুক্ত করে। আদালতও দুর্নীতির দুই মামলা থেকে খালাস দেন।
এদিকে জুলাই-আগস্টে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দোষী সাব্যস্ত করে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল শেখ হাসিনাকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন। এ ছাড়া প্লট দুর্নীতির অভিযোগে দুদকের দায়ের করা আরও তিন মামলায় তাকে সাত বছর করে ২১ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
দীর্ঘদিন ধরে হৃদযন্ত্রের জটিলতা, ডায়াবেটিস, আর্থ্রাইটিস, লিভার সিরোসিস ও কিডনির সমস্যাসহ নানা দীর্ঘস্থায়ী রোগে ভুগছেন খালেদা জিয়া। গত ২৩ নভেম্বর স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতালে নেওয়া হলে তার ফুসফুসে সংক্রমণ ধরা পড়ে। তখন থেকেই তিনি হাসপাতালে সিসিইউতে ভর্তি।
এভারকেয়ারে দেশি-বিদেশি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের সমন্বয়ে গঠিত একটি মেডিকেল বোর্ডের তত্ত্বাবধানে চিকিৎসা চলছে খালেদা জিয়ার। এরই মধ্যে যুক্তরাজ্য ও চীন থেকেও কয়েকজন চিকিৎসক বাংলাদেশে এসেছেন তাকে চিকিৎসা দিতে।
উন্নত চিকিৎসার জন্য খালেদা জিয়াকে লন্ডনে নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনাও করা হয়েছিল। তবে চিকিৎসায় খালেদা জিয়া সাড়া দেওয়ায় এখনই তাকে দেশের বাইরে নেওয়ার পরিকল্পনা স্থগিত করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন তার ব্যক্তিগত চিকিৎসক ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন। তিনি জানিয়েছেন, মেডিকেল বোর্ড এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে।

রাজধানী ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার জন্য জুলাই আন্দোলনে ক্ষমতাচ্যুত শেখ হাসিনা ‘গভীর উদ্বেগ’ প্রকাশ করেছেন।
এ খবর দিয়েছে ইন্দো-এশিয়ান নিউজ সার্ভিস (আইএএনএস)। ইমেইলে ভারতীয় এই বার্তা সংস্থাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে খালেদা জিয়ার সুস্থতাও কামনা করেছেন শেখ হাসিনা।
মঙ্গলবার (৯ ডিসেম্বর) আইএএনএসে প্রকাশিত হয়েছে সাক্ষাৎকারটি। খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা নিয়ে বার্তা সংস্থাটি প্রশ্ন করলে উত্তরে শেখ হাসিনা বলেন, ‘খালেদা জিয়া অসুস্থ হয়েছেন শুনে আমি অত্যন্ত উদ্বিগ্ন। আমি প্রার্থনা করি তিনি যেন সুস্থ হয়ে উঠতে পারেন।’
২০১৮ সালে আওয়ামী লীগের শাসনামলে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট ও জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতির মামলায় খালেদা জিয়াকে কারাদণ্ড দিয়েছিলেন আদালত। দুই বছর পর করোনাভাইরাস মহামারী শুরু হওয়ার পর শর্তসাপেক্ষে সাজা স্থগিত করে তাকে সাময়িক মুক্তি দেয় শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার।
এরপর খালেদা জিয়া বেশ কয়েকবার অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন। খালেদা জিয়ার পরিবার ও তার দল বিএনপি ওই সময় দফায় দফায় তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য দেশের বাইরে নিয়ে যাওয়ার জন্য আবেদন করেছে। তবে সরকারের তরফ থেকে সে আবেদনে সাড়া মেলেনি। ফলে খালেদা জিয়াও দেশের বাইরে চিকিৎসা নিতে যেতে পারেননি।
ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মুখে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হয়। শেখ হাসিনা পালিয়ে আশ্রয় নেন ভারতে। এরপর দায়িত্ব নেওয়া অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার খালেদা জিয়াকে কারামুক্ত করে। আদালতও দুর্নীতির দুই মামলা থেকে খালাস দেন।
এদিকে জুলাই-আগস্টে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দোষী সাব্যস্ত করে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল শেখ হাসিনাকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন। এ ছাড়া প্লট দুর্নীতির অভিযোগে দুদকের দায়ের করা আরও তিন মামলায় তাকে সাত বছর করে ২১ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
দীর্ঘদিন ধরে হৃদযন্ত্রের জটিলতা, ডায়াবেটিস, আর্থ্রাইটিস, লিভার সিরোসিস ও কিডনির সমস্যাসহ নানা দীর্ঘস্থায়ী রোগে ভুগছেন খালেদা জিয়া। গত ২৩ নভেম্বর স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতালে নেওয়া হলে তার ফুসফুসে সংক্রমণ ধরা পড়ে। তখন থেকেই তিনি হাসপাতালে সিসিইউতে ভর্তি।
এভারকেয়ারে দেশি-বিদেশি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের সমন্বয়ে গঠিত একটি মেডিকেল বোর্ডের তত্ত্বাবধানে চিকিৎসা চলছে খালেদা জিয়ার। এরই মধ্যে যুক্তরাজ্য ও চীন থেকেও কয়েকজন চিকিৎসক বাংলাদেশে এসেছেন তাকে চিকিৎসা দিতে।
উন্নত চিকিৎসার জন্য খালেদা জিয়াকে লন্ডনে নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনাও করা হয়েছিল। তবে চিকিৎসায় খালেদা জিয়া সাড়া দেওয়ায় এখনই তাকে দেশের বাইরে নেওয়ার পরিকল্পনা স্থগিত করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন তার ব্যক্তিগত চিকিৎসক ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন। তিনি জানিয়েছেন, মেডিকেল বোর্ড এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে।

বিভিন্ন গোষ্ঠী ‘আবার মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে’ উল্লেখ করে তাদের প্রতিহত করার আহ্বান জানিয়ছেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, ‘বাংলাদেশে আমরা সবসময় সবকিছু সোজা পথে পাই না। আজকে আবার বিভিন্নভাবে বিভিন্ন গোষ্ঠী মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে। তারা বিভিন্নভাবে সমস্যা তৈরি করছেন, আইনশৃঙ্খলা পর
৪ দিন আগে
সাংবাদিকদের সঙ্গে এ মতবিনিময় সভায় দেশের সমসাময়িক রাজনৈতিক পরিস্থিতি, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা এবং সরকারের ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনাসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। তবে অনুষ্ঠান শেষে বিশ্বকাপ ফুটবল নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সংক্ষিপ্ত মন্তব্য সাংবাদিকদের মধ্যে বেশ আগ্রহ ও হাস্যরসের জন্ম দেয়।
৪ দিন আগে
বিএনপির মহাসচিব বলেন, দুর্ভিক্ষপীড়িত একটি রাষ্ট্রকে টেনে তুলেছিলেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। দেশে স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং গণতন্ত্রকে নিজস্ব প্রক্রিয়ায় চলতে দেওয়ার লক্ষ্য ছিল তার। তিনি আরও ১০ বছর বেঁচে থাকলে আজকে বাংলাদেশ একটি অনন্য দেশ হিসেবে গড়ে উঠতো এবং সমাজে এতো নেতিবাচকতা তৈরি হতো না
৬ দিন আগে
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার বাজেটের মাধ্যমে জনগণকে স্বস্তি দিতে চাইলেও বিরোধীদল তা মানছে না; তবে ভোটের কালি শুকানোর আগেই সরকার নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন শুরু করেছে।
৭ দিন আগে