
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

আওয়ামী লীগকে দল হিসেবে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড চালাতে না দেওয়ার নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট করেছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহ্বায়ক হাসনাত আব্দুল্লাহ ও আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক সারজিস আলম। তবে দল হিসেবে আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ চেয়ে দলটির নিবন্ধন চেয়ে রিট করা হয়নি বলে জানিয়েছেন দুই ছাত্রনেতা।
সোমবার (২৮ অক্টোবর) রিট দায়েরের খবর গণমাধ্যমে প্রকাশিত হলে হাসনাত আব্দুল্লাহ ও সারজিস আলম রিটের বিষয়ে ব্যাখ্যা দিয়ে নিজেদের ফেসবুক প্রোফাইল থেকে পোস্ট দেন। দুজনের ফেসবুক পোস্টেই একই তথ্য তুলে ধরা হয়েছে।
পোস্টে হাসনাত ও সারজিস বলেন, ‘দুটি রিট করেছি। আওয়ামী লীগের বিগত তিনটি নির্বাচনকে কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না এবং অবৈধভাবে পাওয়া সুবিধাগুলো কেন ফিরিয়ে দেবে না, সে বিষয়ে প্রথম রিট (করা হয়েছে)।’
দ্বিতীয় রিটের কথা তুলে ধরে পোস্টে বলা হয়, ‘এই মামলার রায় না হওয়া পর্যন্ত কেন তাদেরকে (আওয়ামী লীগ) রাজনৈতিক সব ধরনের কর্মকাণ্ড (পলিটিক্যাল অ্যাকটিভিটি) থেকে বিরত রাখা হবে না, সে বিষয়ে দ্বিতীয় রিট (করেছি)। দল হিসেবে নিষিদ্ধ কিংবা নিবন্ধন নিষিদ্ধের কোনো কথা রিটে নেই।’
এদিকে রিটে আওয়ামী লীগ ছাড়াও আরও ১০টি দলের রাজনৈতিক দলকে কর্মকাণ্ড চালানোর অনুমতি না দিতে অন্তর্বর্তীকালীন নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে। দলগুলো হলো— জাতীয় পার্টি (এরশাদ), জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল, বিকল্পধারা বাংলাদেশ, তরীকত ফেডারেশন, কমিউনিস্ট পার্টি অব বাংলাদেশ, এলডিপি, জাতীয় পার্টি (মঞ্জু), গণতন্ত্রী দল, মার্ক্সিস্ট-লেলিনিস্ট (বড়ুয়া) ও সোসিওলিস্ট পার্টি অব বাংলাদেশ।
আইন সচিব, স্বরাষ্ট্র সচিব, নির্বাচন কমিশন ও পুলিশের মহাপরিদর্শকের (আইজিপি) প্রতি এ নির্দেশনা দেওয়ার আবেদন জানানো হয়েছে রিটে।
অন্যদিকে আওয়ামী লীগের অধীনে অনুষ্ঠিত সবশেষ তিনটি জাতীয় নির্বাচন তথা দশম, একাদশ ও দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের বৈধতা নিয়ে করা হয়েছে আরেকটি রিট। ওই তিনটি নির্বাচনকে কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না এবং ওই সব নির্বাচন থেকে যারা যেসব সুযোগ-সুবিধা পেয়েছেন সেগুলো কেন তারা ফিরিয়ে দেবেন না— রিটে সেটি বলা হয়েছে।
এর আগে সোমবার সকালে হাইকোর্টে রিট দুটি করেন হাসনাত আব্দুল্লাহ, সারজিস আলম ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আরেক নেতা মো. হাসিবুল ইসলাম।
রিটের তথ্য নিশ্চিত করে আইনজীবী অ্যাডভোকেট আহসানুল করিম বলেন, গণহত্যার দায়ে দলটি যেন রাজনৈতিক কার্যক্রম পরিচালনা করতে না পারে, সে জন্য রিটটি করা হয়েছে।
এ সপ্তাহেই বিচারপতি ফাতেমা নজীব ও বিচারপতি সিকদার মো. মাহমুদুর রাজীরের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে রিট দুটির ওপর শুনানি হতে পারে বলে আদালত সূত্রে জানা গেছে।

আওয়ামী লীগকে দল হিসেবে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড চালাতে না দেওয়ার নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট করেছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহ্বায়ক হাসনাত আব্দুল্লাহ ও আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক সারজিস আলম। তবে দল হিসেবে আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ চেয়ে দলটির নিবন্ধন চেয়ে রিট করা হয়নি বলে জানিয়েছেন দুই ছাত্রনেতা।
সোমবার (২৮ অক্টোবর) রিট দায়েরের খবর গণমাধ্যমে প্রকাশিত হলে হাসনাত আব্দুল্লাহ ও সারজিস আলম রিটের বিষয়ে ব্যাখ্যা দিয়ে নিজেদের ফেসবুক প্রোফাইল থেকে পোস্ট দেন। দুজনের ফেসবুক পোস্টেই একই তথ্য তুলে ধরা হয়েছে।
পোস্টে হাসনাত ও সারজিস বলেন, ‘দুটি রিট করেছি। আওয়ামী লীগের বিগত তিনটি নির্বাচনকে কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না এবং অবৈধভাবে পাওয়া সুবিধাগুলো কেন ফিরিয়ে দেবে না, সে বিষয়ে প্রথম রিট (করা হয়েছে)।’
দ্বিতীয় রিটের কথা তুলে ধরে পোস্টে বলা হয়, ‘এই মামলার রায় না হওয়া পর্যন্ত কেন তাদেরকে (আওয়ামী লীগ) রাজনৈতিক সব ধরনের কর্মকাণ্ড (পলিটিক্যাল অ্যাকটিভিটি) থেকে বিরত রাখা হবে না, সে বিষয়ে দ্বিতীয় রিট (করেছি)। দল হিসেবে নিষিদ্ধ কিংবা নিবন্ধন নিষিদ্ধের কোনো কথা রিটে নেই।’
এদিকে রিটে আওয়ামী লীগ ছাড়াও আরও ১০টি দলের রাজনৈতিক দলকে কর্মকাণ্ড চালানোর অনুমতি না দিতে অন্তর্বর্তীকালীন নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে। দলগুলো হলো— জাতীয় পার্টি (এরশাদ), জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল, বিকল্পধারা বাংলাদেশ, তরীকত ফেডারেশন, কমিউনিস্ট পার্টি অব বাংলাদেশ, এলডিপি, জাতীয় পার্টি (মঞ্জু), গণতন্ত্রী দল, মার্ক্সিস্ট-লেলিনিস্ট (বড়ুয়া) ও সোসিওলিস্ট পার্টি অব বাংলাদেশ।
আইন সচিব, স্বরাষ্ট্র সচিব, নির্বাচন কমিশন ও পুলিশের মহাপরিদর্শকের (আইজিপি) প্রতি এ নির্দেশনা দেওয়ার আবেদন জানানো হয়েছে রিটে।
অন্যদিকে আওয়ামী লীগের অধীনে অনুষ্ঠিত সবশেষ তিনটি জাতীয় নির্বাচন তথা দশম, একাদশ ও দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের বৈধতা নিয়ে করা হয়েছে আরেকটি রিট। ওই তিনটি নির্বাচনকে কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না এবং ওই সব নির্বাচন থেকে যারা যেসব সুযোগ-সুবিধা পেয়েছেন সেগুলো কেন তারা ফিরিয়ে দেবেন না— রিটে সেটি বলা হয়েছে।
এর আগে সোমবার সকালে হাইকোর্টে রিট দুটি করেন হাসনাত আব্দুল্লাহ, সারজিস আলম ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আরেক নেতা মো. হাসিবুল ইসলাম।
রিটের তথ্য নিশ্চিত করে আইনজীবী অ্যাডভোকেট আহসানুল করিম বলেন, গণহত্যার দায়ে দলটি যেন রাজনৈতিক কার্যক্রম পরিচালনা করতে না পারে, সে জন্য রিটটি করা হয়েছে।
এ সপ্তাহেই বিচারপতি ফাতেমা নজীব ও বিচারপতি সিকদার মো. মাহমুদুর রাজীরের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে রিট দুটির ওপর শুনানি হতে পারে বলে আদালত সূত্রে জানা গেছে।

শনিবার (১০ জানুয়ারি) বিকেলে চট্টগ্রাম নগরের আগ্রাবাদ সিডিএ বালুর মাঠে বিএনপি চেয়ারপারসন প্রয়াত বেগম খালেদা জিয়ার আত্মার শান্তি কামনায় দোয়া মাহফিল ও আলোচনাসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। দক্ষিণ আগ্রাবাদ ওয়ার্ড বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের উদ্যোগে এই সভা আয়োজন করা হয়েছে।
১ দিন আগে
নেতৃবৃন্দ বলেন, দীর্ঘদিন ধরে প্রতিকূল রাজনৈতিক পরিস্থিতিতেও অত্যন্ত দক্ষতা ও দূরদর্শিতার সাথে দলকে সুসংগঠিত রাখতে তারেক রহমান যে নেতৃত্বের পরিচয় দিয়েছেন, তা বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলনে এক অবিস্মরণীয় ভূমিকা পালন করছে। বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের হাত ধরেই দেশে গণতন্ত্র ও মানুষের অধিকার পুনরুদ
১ দিন আগে
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর স্বাক্ষরিত এক পত্রে এই সিদ্ধান্ত জানানো হয়েছে। আইনি সহায়তা সাব-কমিটির অন্য সদস্যদের নাম শিগগিরই ঘোষণা করা হবে বলে পত্রে উল্লেখ করা হয়েছে।
১ দিন আগে
নোটিশে ফয়জুল হকের বিরুদ্ধে নির্বাচনী প্রচারণায় ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হানে বা ধর্মকে ব্যবহার করে ভোট প্রার্থনার অভিযোগ করা হয়েছে। এ বিষয়ে ১২ জানুয়ারি সোমবার সশরীরে নির্বাচনী অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটির প্রধানের কার্যালয়ে হাজির হয়ে লিখিত ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে।
২ দিন আগে