
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে ফোনালাপের ঘটনায় বরগুনা জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবিরের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা হয়েছে।
মঙ্গলবার (৮ অক্টোবর) বরগুনা সদর থানার পরিদর্শক (এসআই) শামীম আহম্মেদ বাদী হয়ে মামলাটি করেন। মামলার অভিযোগে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে মো. জাহাঙ্গীর কবিরের কথোপকথনটি বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের অংশ বলে দাবি করেন বাদী।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বরগুনা সদর থানার ওসি দেওয়ান জগলুর হাসান।
মামলার এজাহারে বলা হয়, বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারকে উৎখাত করার জন্য বরগুনা জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবিরের নেতৃত্বে ১০ আগস্ট বরগুনা শহরে বিক্ষোভ মিছিল হয়। সেই মিছিল থেকে নেতাকর্মীরা জাহাঙ্গীর কবিরের বাসায় গিয়ে পাল্টা অভ্যুত্থানের মাধ্যমে বর্তমান সরকারকে উৎখাত করার হুমকি দেন প্রকাশ্যে। সেই যড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে গত ১২ আগস্ট ভারতে অবস্থানরত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে জাহাঙ্গীর কবিরের কথা হয়। এ ঘটনা বাংলাদেশের প্রচলিত আইন অনুসারে রাষ্ট্রদ্রোহের অপরাধ।
বরগুনা সদর থানার ওসি দেওয়ান জগলুর হাসান বলেন, জাহাঙ্গীর কবির পৃথক দুটি চাঁদাবাজি মামলায় বরগুনা জেলা কারাগারে আছেন। এ মামলায় তাকে শোন অ্যারেস্ট দেখানো হয়েছে। পরবর্তীতে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
প্রসঙ্গত, ৫ আগস্ট সরকার পতনের পর শেখ হাসিনা দেশ ছাড়ার পর তার সঙ্গে জাহাঙ্গীর কবিরের ফোনালাপের অডিও ১২ আগস্ট ছড়িয়ে পড়ে। পরে ঢাকা থেকে আসা পুলিশের একটি দল, বরগুনা সদর থানার পুলিশ ও গোয়েন্দা পুলিশ যৌথভাবে অভিযান চালিয়ে জাহাঙ্গীরকে আটক করে।

সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে ফোনালাপের ঘটনায় বরগুনা জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবিরের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা হয়েছে।
মঙ্গলবার (৮ অক্টোবর) বরগুনা সদর থানার পরিদর্শক (এসআই) শামীম আহম্মেদ বাদী হয়ে মামলাটি করেন। মামলার অভিযোগে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে মো. জাহাঙ্গীর কবিরের কথোপকথনটি বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের অংশ বলে দাবি করেন বাদী।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বরগুনা সদর থানার ওসি দেওয়ান জগলুর হাসান।
মামলার এজাহারে বলা হয়, বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারকে উৎখাত করার জন্য বরগুনা জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবিরের নেতৃত্বে ১০ আগস্ট বরগুনা শহরে বিক্ষোভ মিছিল হয়। সেই মিছিল থেকে নেতাকর্মীরা জাহাঙ্গীর কবিরের বাসায় গিয়ে পাল্টা অভ্যুত্থানের মাধ্যমে বর্তমান সরকারকে উৎখাত করার হুমকি দেন প্রকাশ্যে। সেই যড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে গত ১২ আগস্ট ভারতে অবস্থানরত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে জাহাঙ্গীর কবিরের কথা হয়। এ ঘটনা বাংলাদেশের প্রচলিত আইন অনুসারে রাষ্ট্রদ্রোহের অপরাধ।
বরগুনা সদর থানার ওসি দেওয়ান জগলুর হাসান বলেন, জাহাঙ্গীর কবির পৃথক দুটি চাঁদাবাজি মামলায় বরগুনা জেলা কারাগারে আছেন। এ মামলায় তাকে শোন অ্যারেস্ট দেখানো হয়েছে। পরবর্তীতে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
প্রসঙ্গত, ৫ আগস্ট সরকার পতনের পর শেখ হাসিনা দেশ ছাড়ার পর তার সঙ্গে জাহাঙ্গীর কবিরের ফোনালাপের অডিও ১২ আগস্ট ছড়িয়ে পড়ে। পরে ঢাকা থেকে আসা পুলিশের একটি দল, বরগুনা সদর থানার পুলিশ ও গোয়েন্দা পুলিশ যৌথভাবে অভিযান চালিয়ে জাহাঙ্গীরকে আটক করে।

বিভিন্ন গোষ্ঠী ‘আবার মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে’ উল্লেখ করে তাদের প্রতিহত করার আহ্বান জানিয়ছেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, ‘বাংলাদেশে আমরা সবসময় সবকিছু সোজা পথে পাই না। আজকে আবার বিভিন্নভাবে বিভিন্ন গোষ্ঠী মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে। তারা বিভিন্নভাবে সমস্যা তৈরি করছেন, আইনশৃঙ্খলা পর
৫ দিন আগে
সাংবাদিকদের সঙ্গে এ মতবিনিময় সভায় দেশের সমসাময়িক রাজনৈতিক পরিস্থিতি, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা এবং সরকারের ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনাসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। তবে অনুষ্ঠান শেষে বিশ্বকাপ ফুটবল নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সংক্ষিপ্ত মন্তব্য সাংবাদিকদের মধ্যে বেশ আগ্রহ ও হাস্যরসের জন্ম দেয়।
৫ দিন আগে
বিএনপির মহাসচিব বলেন, দুর্ভিক্ষপীড়িত একটি রাষ্ট্রকে টেনে তুলেছিলেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। দেশে স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং গণতন্ত্রকে নিজস্ব প্রক্রিয়ায় চলতে দেওয়ার লক্ষ্য ছিল তার। তিনি আরও ১০ বছর বেঁচে থাকলে আজকে বাংলাদেশ একটি অনন্য দেশ হিসেবে গড়ে উঠতো এবং সমাজে এতো নেতিবাচকতা তৈরি হতো না
৭ দিন আগে
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার বাজেটের মাধ্যমে জনগণকে স্বস্তি দিতে চাইলেও বিরোধীদল তা মানছে না; তবে ভোটের কালি শুকানোর আগেই সরকার নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন শুরু করেছে।
৮ দিন আগে