
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

নিজের দায়িত্ব পালন না করে সরকারের সমালোচনা করা বিএনপির অভ্যাস বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য এবং পাট ও বস্ত্র মন্ত্রী অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর কবির নানক। তিনি বলেছেন, নিজের দায়িত্ব পালন না করে, সরকারের সমালোচনা ও বিরোধিতা করা বিএনপি নেতাদের অভ্যাসে পরিণত হয়েছে।
‘দেশে আইনের শাসন না থাকায় বেইলি রোডে অগ্নিকাণ্ডের মতো ঘটনা ঘটে’- বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের এমন বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে শনিবার রাজধানী লালমাটিয়া মহিলা স্কুল অ্যান্ড কলেজে এক অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি।
বেইলি রোডের অগ্নিকাণ্ড নিয়ে উল্টো বিএনপির সমালোচনা করে মন্ত্রী নানক বলেন, দেখেন এত বড় একটি আগুন হলো। তারা কি তাদের দায়িত্ব পালন করেছে? করেনি। তারা ঘটনাস্থলে ছুটে যায়নি। বিএনপি এখন পর্যন্ত যারা হাসপাতালে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছে, সেখানে বিএনপির কেউ যাননি। যারা নিহত হয়েছে, তাদের প্রতি বিএনপি কোনো সহানুভূতিও জানায়নি। আসলে বিএনপি একটি সূত্র বের করে আর সেই সূত্র উদোর পিন্ডি বুধোর ঘাড়ে চাপিয়ে দিয়ে তারা সমস্ত দায় দায়িত্ব এড়িয়ে যেতে চায়। এরা আসলে দায়িত্বহীন একটি রাজনৈতিক দল। তাই বিএনপি কী বলছে, তাতে মানুষের আর দৃষ্টি নেই।
সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের জন্য বিএনপি থেকে দেশের মানুষ দৃষ্টি সরিয়ে নিয়েছে উল্লেখ করে আওয়ামী লীগের এই নেতা বলেন, তাদের মানুষ হত্যার রাজনীতির জন্য মানুষ আসলে তাদের কাছ থেকে দৃষ্টি সরিয়ে নিয়েছে। কাজেই তাদের নিয়ে খুব বেশি বলার আছে বলে আমি মনে করি না।
বেইলি রোডের আগ্নীকাণ্ড নিয়ে তিনি বলেন, এটি দুর্ঘটনা না নাশকতা বিষয়টি তদন্ত হচ্ছে। তদন্তের পর আসল ঘটনা কী বের হবে। তবে আমি বলব, ওই ঘটনায় সংশ্লিষ্ট রেস্টুরেন্ট মালিক থেকে শুরু করে যারা সেখানে নিয়ম বর্হিভূতভাবে কাজ করছে, এবং যাদের নিয়মনীতি পালনে বাধ্য করার কথা তারাই সকলেই সতর্ক হবেন।
অপর এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, এ আগুনটি লাগার পর থেকে আমার চোখের সামনে ভেসে উঠছে ধানমন্ডি সাত মসজিদ রোডটি। যেখানে ব্যাঙের ছাতার মতো সেভাবে রেস্টুরেন্ট গড়ে উঠেছে। সে রেস্টুরেন্টগুলোতে আগুন প্রতিরোধে কোনো ব্যবস্থা আছে বলে আমার জানা নেই। কাজেই আমি বলেছি, সংশ্লিষ্ট সকলকে নড়েচড়ে বসা দরকার। আর একটি মানুষকেও যাতে আর এভাবে আগুনে পুড়ে মরতে না হয়।
এ সময় রেস্টুরেন্ট ব্যবসায়ীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, শুধু মুনাফাই করবেন, মানুষের জীবনকে এভাবে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দিয়ে, এটা মেনে নেওয়া যেতে পারে না। অগ্নিনির্বাপকের ব্যবস্থা সকল প্রতিষ্ঠানের নিতে হবে। এবং নিতে বাধ্য করতে হবে।
শপথ নেওয়া নতুন প্রতিমন্ত্রীদের বিষয়ে তিনি বলেন, তারা সবাই খুবই যোগ্য। তারা দেশকে অনেক কিছু দিতে পারবে বলে আমি বিশ্বাস করি।

নিজের দায়িত্ব পালন না করে সরকারের সমালোচনা করা বিএনপির অভ্যাস বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য এবং পাট ও বস্ত্র মন্ত্রী অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর কবির নানক। তিনি বলেছেন, নিজের দায়িত্ব পালন না করে, সরকারের সমালোচনা ও বিরোধিতা করা বিএনপি নেতাদের অভ্যাসে পরিণত হয়েছে।
‘দেশে আইনের শাসন না থাকায় বেইলি রোডে অগ্নিকাণ্ডের মতো ঘটনা ঘটে’- বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের এমন বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে শনিবার রাজধানী লালমাটিয়া মহিলা স্কুল অ্যান্ড কলেজে এক অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি।
বেইলি রোডের অগ্নিকাণ্ড নিয়ে উল্টো বিএনপির সমালোচনা করে মন্ত্রী নানক বলেন, দেখেন এত বড় একটি আগুন হলো। তারা কি তাদের দায়িত্ব পালন করেছে? করেনি। তারা ঘটনাস্থলে ছুটে যায়নি। বিএনপি এখন পর্যন্ত যারা হাসপাতালে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছে, সেখানে বিএনপির কেউ যাননি। যারা নিহত হয়েছে, তাদের প্রতি বিএনপি কোনো সহানুভূতিও জানায়নি। আসলে বিএনপি একটি সূত্র বের করে আর সেই সূত্র উদোর পিন্ডি বুধোর ঘাড়ে চাপিয়ে দিয়ে তারা সমস্ত দায় দায়িত্ব এড়িয়ে যেতে চায়। এরা আসলে দায়িত্বহীন একটি রাজনৈতিক দল। তাই বিএনপি কী বলছে, তাতে মানুষের আর দৃষ্টি নেই।
সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের জন্য বিএনপি থেকে দেশের মানুষ দৃষ্টি সরিয়ে নিয়েছে উল্লেখ করে আওয়ামী লীগের এই নেতা বলেন, তাদের মানুষ হত্যার রাজনীতির জন্য মানুষ আসলে তাদের কাছ থেকে দৃষ্টি সরিয়ে নিয়েছে। কাজেই তাদের নিয়ে খুব বেশি বলার আছে বলে আমি মনে করি না।
বেইলি রোডের আগ্নীকাণ্ড নিয়ে তিনি বলেন, এটি দুর্ঘটনা না নাশকতা বিষয়টি তদন্ত হচ্ছে। তদন্তের পর আসল ঘটনা কী বের হবে। তবে আমি বলব, ওই ঘটনায় সংশ্লিষ্ট রেস্টুরেন্ট মালিক থেকে শুরু করে যারা সেখানে নিয়ম বর্হিভূতভাবে কাজ করছে, এবং যাদের নিয়মনীতি পালনে বাধ্য করার কথা তারাই সকলেই সতর্ক হবেন।
অপর এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, এ আগুনটি লাগার পর থেকে আমার চোখের সামনে ভেসে উঠছে ধানমন্ডি সাত মসজিদ রোডটি। যেখানে ব্যাঙের ছাতার মতো সেভাবে রেস্টুরেন্ট গড়ে উঠেছে। সে রেস্টুরেন্টগুলোতে আগুন প্রতিরোধে কোনো ব্যবস্থা আছে বলে আমার জানা নেই। কাজেই আমি বলেছি, সংশ্লিষ্ট সকলকে নড়েচড়ে বসা দরকার। আর একটি মানুষকেও যাতে আর এভাবে আগুনে পুড়ে মরতে না হয়।
এ সময় রেস্টুরেন্ট ব্যবসায়ীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, শুধু মুনাফাই করবেন, মানুষের জীবনকে এভাবে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দিয়ে, এটা মেনে নেওয়া যেতে পারে না। অগ্নিনির্বাপকের ব্যবস্থা সকল প্রতিষ্ঠানের নিতে হবে। এবং নিতে বাধ্য করতে হবে।
শপথ নেওয়া নতুন প্রতিমন্ত্রীদের বিষয়ে তিনি বলেন, তারা সবাই খুবই যোগ্য। তারা দেশকে অনেক কিছু দিতে পারবে বলে আমি বিশ্বাস করি।

বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করায় মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে অভিনন্দন জানিয়েছেন ভারতের রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। তিনি বলেছেন, ‘আমাদের দুই প্রতিবেশী দেশের অংশীদারত্ব আরও জোরদার করতে আপনার সঙ্গে কাজ করতে উন্মুখ হয়ে আছি।’
২ দিন আগে
নতুন করে মন্ত্রিসভায় যুক্ত হওয়া পাঁচজন হলেন— বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও নরসিংদী-২ আসনের সংসদ সদস্য ড. আবদুল মঈন খান, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) চেয়ারম্যান ও ভোলা-১ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ, বান্দরবানের সংসদ সদস্য সাচিং প্রু জেরী, গাইবান্ধা-৪ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ
২ দিন আগে
প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ করে ছারছীনার পির বলেন, “আপনি এ বিষয়ে সতর্ক থাকবেন। তাওহিদি জনতা আপনাদের ভোট দিয়েছে কেবল ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য নয়; তারা ভোট দিয়েছে তাদের ঈমান, আক্বিদা, দিন ও আদর্শ রক্ষার প্রত্যাশায়। অতএব জনগণের দেওয়া ভোটাধিকার যে উদ্দেশ্যে প্রয়োগ করা হয়েছে, রাষ্ট্র পরিচালনার প্রতিটি ক্ষেত্রে
২ দিন আগে
প্রথম বিজ্ঞপ্তির প্রায় এক ঘণ্টা পর, বেলা ৩টার দিকে ভারতের রাষ্ট্রপতি ভবন নতুন একটি বিবৃতি দেয়। এতে আগের বিজ্ঞপ্তিটি সম্পূর্ণ বাতিল করার কথা জানানো হয়। নতুন বিবৃতিতে বলা হয়, “আজ ২১ আগস্ট ২০২৬ তারিখে ‘শনিবার চেঞ্জ অব গার্ড অনুষ্ঠান হচ্ছে না’ শিরোনামে যে সংবাদ বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছিল, তা প্রত্যাহার ক
২ দিন আগে