
গাজীপুর প্রতিনিধি

গাজীপুরের কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে জামিনে মুক্তি পেয়েছেন নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র সেলিনা হায়াৎ আইভী। গত বছরের ৯ মে তাকে নারায়ণগঞ্জ শহরের নিজ বাসা ‘চুনকা কুটির’ থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। এরপর একে একে ১২টি মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয় তাকে। সব মামলায় জামিন নিয়ে এক বছর কারাবাসের পর মুক্তি পেলেন আওয়ামী লীগের এই নেতা।
বুধবার (৩ জুন) রাত ১০টার দিকে কাশিমপুর মহিলা কারাগার থেকে মুক্তি দেওয়া হয় আইভীকে। এ সময় তার আইনজীবী ও স্বজনরা কারাফটকে উপস্থিত ছিলেন। কারাগার থেকে বেরিয়ে তাদের সঙ্গে নারায়ণগঞ্জের পথে রওয়ানা দেন আইভী।
কাশিমপুর মহিলা কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার শিরিন আক্তার বলেন, বুধবার দুপুরে আসা আইভীর জামিনের কাগজপত্র যাচাই-বাছাই করা হয়। তার বিরুদ্ধে ১২টি মামলা রয়েছে। সব মামলায় হাইকোর্ট তাকে জামিন দিয়েছেন। আপিল বিভাগও তা বহাল রেখেছেন। এ কারণে তাকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে।
গত বছরের ৯ মে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল আইভীকে। এরপর তাকে গাজীপুরের কাশিমপুর কেন্দ্রীয় মহিলা কারাগারে স্থানান্তর করা হয়। জুলাই অভ্যুত্থানে হত্যাসহ মোট ১০টি মামলায় পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়েছিল। সবগুলো মামলায় হাইকোর্ট তাকে জামিন দিলে পুলিশ তাকে আরও দুই মামলায় গ্রেপ্তার দেখায়। পরে ওই দুই মামলাতেও হাইকোর্ট তাকে জামিন দেন।
এদিকে গত ১০ মে আইভীকে ১০ মামলায় জামিন দিয়ে হাইকোর্টের দেওয়া আদেশ বহাল রাখেন প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগ। পরে যে দুটি মামলায় আইভীকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়, সে দুটি মামলায় ১৭ মে জামিন বহাল রাখেন চেম্বার আদালত।
পরের ওই দুই মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর প্রক্রিয়ার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট আবেদন করেন আইভী। রিটের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে গত ২৬ এপ্রিল হাইকোর্ট রুলসহ আদেশ দেন। শুধু হয়রানি বা অপদস্থ করার উদ্দেশ্যে বারবার ও মিথ্যা প্রকৃতির মামলায় আবেদনকারীকে জড়ানোর কার্যক্রম কেন আইনি কর্তৃত্ববহির্ভূত ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চাওয়া হয়েছে রুলে।
সুনির্দিষ্ট মামলা ছাড়া তাকে গ্রেপ্তার না দেখাতে এবং গ্রেপ্তার ও হয়রানি না করতে কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না, রুলে সেটিও জানতে চাওয়া হয়।

গাজীপুরের কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে জামিনে মুক্তি পেয়েছেন নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র সেলিনা হায়াৎ আইভী। গত বছরের ৯ মে তাকে নারায়ণগঞ্জ শহরের নিজ বাসা ‘চুনকা কুটির’ থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। এরপর একে একে ১২টি মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয় তাকে। সব মামলায় জামিন নিয়ে এক বছর কারাবাসের পর মুক্তি পেলেন আওয়ামী লীগের এই নেতা।
বুধবার (৩ জুন) রাত ১০টার দিকে কাশিমপুর মহিলা কারাগার থেকে মুক্তি দেওয়া হয় আইভীকে। এ সময় তার আইনজীবী ও স্বজনরা কারাফটকে উপস্থিত ছিলেন। কারাগার থেকে বেরিয়ে তাদের সঙ্গে নারায়ণগঞ্জের পথে রওয়ানা দেন আইভী।
কাশিমপুর মহিলা কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার শিরিন আক্তার বলেন, বুধবার দুপুরে আসা আইভীর জামিনের কাগজপত্র যাচাই-বাছাই করা হয়। তার বিরুদ্ধে ১২টি মামলা রয়েছে। সব মামলায় হাইকোর্ট তাকে জামিন দিয়েছেন। আপিল বিভাগও তা বহাল রেখেছেন। এ কারণে তাকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে।
গত বছরের ৯ মে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল আইভীকে। এরপর তাকে গাজীপুরের কাশিমপুর কেন্দ্রীয় মহিলা কারাগারে স্থানান্তর করা হয়। জুলাই অভ্যুত্থানে হত্যাসহ মোট ১০টি মামলায় পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়েছিল। সবগুলো মামলায় হাইকোর্ট তাকে জামিন দিলে পুলিশ তাকে আরও দুই মামলায় গ্রেপ্তার দেখায়। পরে ওই দুই মামলাতেও হাইকোর্ট তাকে জামিন দেন।
এদিকে গত ১০ মে আইভীকে ১০ মামলায় জামিন দিয়ে হাইকোর্টের দেওয়া আদেশ বহাল রাখেন প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগ। পরে যে দুটি মামলায় আইভীকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়, সে দুটি মামলায় ১৭ মে জামিন বহাল রাখেন চেম্বার আদালত।
পরের ওই দুই মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর প্রক্রিয়ার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট আবেদন করেন আইভী। রিটের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে গত ২৬ এপ্রিল হাইকোর্ট রুলসহ আদেশ দেন। শুধু হয়রানি বা অপদস্থ করার উদ্দেশ্যে বারবার ও মিথ্যা প্রকৃতির মামলায় আবেদনকারীকে জড়ানোর কার্যক্রম কেন আইনি কর্তৃত্ববহির্ভূত ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চাওয়া হয়েছে রুলে।
সুনির্দিষ্ট মামলা ছাড়া তাকে গ্রেপ্তার না দেখাতে এবং গ্রেপ্তার ও হয়রানি না করতে কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না, রুলে সেটিও জানতে চাওয়া হয়।

বিবৃতিতে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমীর মাওলানা মামুনুল হক ও মহাসচিব মাওলানা জালালুদ্দীন আহমদ বলেন, সাবেক রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন (চুপ্পু)-এর পদত্যাগ অনেক আগেই হওয়া উচিত ছিল।
২ দিন আগে
নাহিদ ইসলাম বলেন, শারীরিক অসুস্থতার অজুহাতে সাহাবুদ্দিনকে সেফ এক্সিট দেওয়া যাবে না। তিনি যাতে বিদেশে পালিয়ে যেতে না পারেন, সে জন্য সরকারকে সজাগ থাকতে হবে এবং অনতিবিলম্বে তাকে গ্রেপ্তার করতে হবে।
২ দিন আগে
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘গণঅভ্যুত্থানের অন্যতম দাবি ছিল, সাহাবুদ্দিন চুপ্পু রাষ্ট্রপতির পদে থাকবেন না। তিনি একসময় স্পষ্টভাবে বলেছিলেন, শেখ হাসিনা তার কাছে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছিলেন। পরে সেই বক্তব্য অস্বীকার করে মিথ্যাচার করেছেন, যা রাষ্ট্রপতি হিসেবে নেয়া শপথের লঙ্ঘন। দেরিতে হলেও জাতির ঘাড় থেকে ফ্যাসি
২ দিন আগে