
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম
হত্যাসহ একাধিক মামলার আসামি সাবেক আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক আদালতে হাজিরার দিনগুলোতে নিজেকে ভিন্ন ভিন্ন চরিত্রে প্রকাশ অব্যাহত রেখেছেন। এবারে উচ্চস্বরে স্লোগান দিয়ে প্রতিবাদী রূপে হাজির হয়েছেন তিনি।
বৃহস্পতিবার (২৭ নভেম্বর) আদালতে হাজিরা ছিল সাবেক প্রতিমন্ত্রী পলকের। প্রিজন ভ্যানে করে তাকে নিয়ে যাওয়া হয় ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতে। আদালত প্রাঙ্গণে প্রিজন ভ্যানটি পৌঁছাতেই ভেতরে থাকা পলক স্লোগান দিয়ে ওঠেন।
পলক উচ্চস্বরে ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ স্লোগান দিতে থাকেন। একপর্যায়ে তাকে চিৎকার করে বলতে শোনা যায়, ‘প্রতিক্রিয়াশীলদের বিরুদ্ধে প্রগতিশীলদের জয় অনিবার্য।’ আরও শোনা যায়, তিনি বারবার জোর দিয়ে বলছিলেন, ‘পরিবর্তন হবে ইনশাআল্লাহ, পরিবর্তন হবে ইনশাআল্লাহ।’
তার এমন বক্তব্য ও স্লোগান আদালতপাড়ায় উপস্থিত আইনজীবী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে তাৎক্ষণিক চাঞ্চল্য তৈরি করে। পলকের জন্য আদালত প্রাঙ্গণে প্রিজন ভ্যান থেকে কিংবা প্রিজন ভ্যান থেকে নামিয়ে আদালতে আনা-নেওয়ার পথে ভিন্ন ভিন্ন মেজাজে হাজির হওয়া নতুন কিছু না। গত কয়েক মাসে আদালতে তাকে দেখা গেছে সম্পূর্ণ ভিন্ন ও বিচিত্র সব মেজাজে।
গত ১৯ ফেব্রুয়ারির পলককে আজকের পলকের সঙ্গে মেলানো কঠিন। সেদিন কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে নিজের চরম ‘আর্থিক অনটনের’ কথা বলেছিলেন তিনি। হাজার কোটি টাকার প্রকল্পের গল্প শোনানো সাবেক এই প্রতিমন্ত্রী দাবি করেছিলেন, তার কাছে ‘চিড়া-মুড়ি খাওয়ার মতো টাকাও নেই’ এবং তিনি কারাগারে ব্যারিস্টার সুমনের সঙ্গে ‘রুটি ও কলা ভাগ করে খাচ্ছেন।’
শুধু তাই নয়, জেলজীবন থেকে পাওয়া ‘কঠিন শিক্ষা’র কথা উল্লেখ করে দেশবাসীকে তিনি এক অভিনব পরামর্শও দিয়েছিলেন পলক— ‘আমি মনে করি, সবার কমপক্ষে সাত দিন জেলে থাকা উচিত।’ সাংবাদিকদের উদ্দেশে তিনি অনুনয়ের সুরে বলেছিলেন, ‘আমাদের নিয়ে লেখার সময় আপনারা একটু সদয় হবেন।’
আজ প্রিজন ভ্যান থেকে ‘পরিবর্তনে’র গর্জন তোলা এই আওয়ামী লীগ নেতাকে গত ৯ জুলাই বৃষ্টির সকালে আদালতে দেখা গিয়েছিল ভেঙে পড়া অবস্থায়। কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে ও হাজতখানায় যাওয়ার সময় তিনি অঝোরে কেঁদেছিলেন।
সে কান্নার রেশ কাটতে না কাটতেই গত ৮ অক্টোবর বনানীর হত্যা মামলার শুনানিতে হঠাৎ দার্শনিক ভঙ্গিতে পলক বলে উঠেছিলেন, ‘সবকিছুরই শেষ আছে।’ এমনকি গত ২৪ মার্চ আদালতের কাঠগড়ায় দাঁড়িয়েও তিনি উপস্থিত সবাইকে ঈদের শুভেচ্ছা জানাতে ভোলেননি।
গত ৬ জানুয়ারি অবশ্য পলককে আদালতে মুখোমুখি হতে হয় ভিন্ন এক পরিস্থিতির। যিনি একসময় আইসিটি প্রতিমন্ত্রী হিসেবে ‘ডিজিটাল বাংলাদেশে’র স্বপ্ন ফেরি করতেন তাকেই সেদিন বিচারক প্রশ্ন করেছিলেন, ‘বিচার ব্যবস্থা অ্যানালগ করে রেখেছেন কেন? ডিজিটাল হলে তো আদালতে আসতে হতো না, কারাগার থেকেই হাজিরা দিতে পারতেন।’
বিচারকের এমন তীক্ষ্ণ প্রশ্নে সেদিন থমকে যেতে হয় পলককে। কিছুক্ষণ সময় নিয়ে পলক আমতা আমতা করে করোনার দোহাই দিয়ে বলেন, ‘চেষ্টা করেছিলাম, কিন্তু পরে আর এগোনো যায়নি।’
জুলাই আন্দোলনের মুখে গত বছরের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের ১০ দিন পর ১৫ আগস্ট বিমানবন্দর থেকে আটক হন জুনাইদ আহমেদ পলক। এরপর তাকে হত্যাসহ একাধিক মামলার আসামি হিসেবে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।
আদালতের আদেশে গত এক বছর সাড়ে তিন মাস ধরে পলক রয়েছেন কারাগারে। কেবল আদালতে হাজির হওয়ার দিনগুলোতেই কারাগারের বাইরের আলো-বাতাস কিছুটা হলেও গায়ে লাগাতে পারেন। আর এসব দিনগুলোতেই একেক সময় একেক ধরনের মেজাজে হাজির হয়ে চলেছেন তিনি।
হত্যাসহ একাধিক মামলার আসামি সাবেক আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক আদালতে হাজিরার দিনগুলোতে নিজেকে ভিন্ন ভিন্ন চরিত্রে প্রকাশ অব্যাহত রেখেছেন। এবারে উচ্চস্বরে স্লোগান দিয়ে প্রতিবাদী রূপে হাজির হয়েছেন তিনি।
বৃহস্পতিবার (২৭ নভেম্বর) আদালতে হাজিরা ছিল সাবেক প্রতিমন্ত্রী পলকের। প্রিজন ভ্যানে করে তাকে নিয়ে যাওয়া হয় ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতে। আদালত প্রাঙ্গণে প্রিজন ভ্যানটি পৌঁছাতেই ভেতরে থাকা পলক স্লোগান দিয়ে ওঠেন।
পলক উচ্চস্বরে ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ স্লোগান দিতে থাকেন। একপর্যায়ে তাকে চিৎকার করে বলতে শোনা যায়, ‘প্রতিক্রিয়াশীলদের বিরুদ্ধে প্রগতিশীলদের জয় অনিবার্য।’ আরও শোনা যায়, তিনি বারবার জোর দিয়ে বলছিলেন, ‘পরিবর্তন হবে ইনশাআল্লাহ, পরিবর্তন হবে ইনশাআল্লাহ।’
তার এমন বক্তব্য ও স্লোগান আদালতপাড়ায় উপস্থিত আইনজীবী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে তাৎক্ষণিক চাঞ্চল্য তৈরি করে। পলকের জন্য আদালত প্রাঙ্গণে প্রিজন ভ্যান থেকে কিংবা প্রিজন ভ্যান থেকে নামিয়ে আদালতে আনা-নেওয়ার পথে ভিন্ন ভিন্ন মেজাজে হাজির হওয়া নতুন কিছু না। গত কয়েক মাসে আদালতে তাকে দেখা গেছে সম্পূর্ণ ভিন্ন ও বিচিত্র সব মেজাজে।
গত ১৯ ফেব্রুয়ারির পলককে আজকের পলকের সঙ্গে মেলানো কঠিন। সেদিন কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে নিজের চরম ‘আর্থিক অনটনের’ কথা বলেছিলেন তিনি। হাজার কোটি টাকার প্রকল্পের গল্প শোনানো সাবেক এই প্রতিমন্ত্রী দাবি করেছিলেন, তার কাছে ‘চিড়া-মুড়ি খাওয়ার মতো টাকাও নেই’ এবং তিনি কারাগারে ব্যারিস্টার সুমনের সঙ্গে ‘রুটি ও কলা ভাগ করে খাচ্ছেন।’
শুধু তাই নয়, জেলজীবন থেকে পাওয়া ‘কঠিন শিক্ষা’র কথা উল্লেখ করে দেশবাসীকে তিনি এক অভিনব পরামর্শও দিয়েছিলেন পলক— ‘আমি মনে করি, সবার কমপক্ষে সাত দিন জেলে থাকা উচিত।’ সাংবাদিকদের উদ্দেশে তিনি অনুনয়ের সুরে বলেছিলেন, ‘আমাদের নিয়ে লেখার সময় আপনারা একটু সদয় হবেন।’
আজ প্রিজন ভ্যান থেকে ‘পরিবর্তনে’র গর্জন তোলা এই আওয়ামী লীগ নেতাকে গত ৯ জুলাই বৃষ্টির সকালে আদালতে দেখা গিয়েছিল ভেঙে পড়া অবস্থায়। কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে ও হাজতখানায় যাওয়ার সময় তিনি অঝোরে কেঁদেছিলেন।
সে কান্নার রেশ কাটতে না কাটতেই গত ৮ অক্টোবর বনানীর হত্যা মামলার শুনানিতে হঠাৎ দার্শনিক ভঙ্গিতে পলক বলে উঠেছিলেন, ‘সবকিছুরই শেষ আছে।’ এমনকি গত ২৪ মার্চ আদালতের কাঠগড়ায় দাঁড়িয়েও তিনি উপস্থিত সবাইকে ঈদের শুভেচ্ছা জানাতে ভোলেননি।
গত ৬ জানুয়ারি অবশ্য পলককে আদালতে মুখোমুখি হতে হয় ভিন্ন এক পরিস্থিতির। যিনি একসময় আইসিটি প্রতিমন্ত্রী হিসেবে ‘ডিজিটাল বাংলাদেশে’র স্বপ্ন ফেরি করতেন তাকেই সেদিন বিচারক প্রশ্ন করেছিলেন, ‘বিচার ব্যবস্থা অ্যানালগ করে রেখেছেন কেন? ডিজিটাল হলে তো আদালতে আসতে হতো না, কারাগার থেকেই হাজিরা দিতে পারতেন।’
বিচারকের এমন তীক্ষ্ণ প্রশ্নে সেদিন থমকে যেতে হয় পলককে। কিছুক্ষণ সময় নিয়ে পলক আমতা আমতা করে করোনার দোহাই দিয়ে বলেন, ‘চেষ্টা করেছিলাম, কিন্তু পরে আর এগোনো যায়নি।’
জুলাই আন্দোলনের মুখে গত বছরের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের ১০ দিন পর ১৫ আগস্ট বিমানবন্দর থেকে আটক হন জুনাইদ আহমেদ পলক। এরপর তাকে হত্যাসহ একাধিক মামলার আসামি হিসেবে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।
আদালতের আদেশে গত এক বছর সাড়ে তিন মাস ধরে পলক রয়েছেন কারাগারে। কেবল আদালতে হাজির হওয়ার দিনগুলোতেই কারাগারের বাইরের আলো-বাতাস কিছুটা হলেও গায়ে লাগাতে পারেন। আর এসব দিনগুলোতেই একেক সময় একেক ধরনের মেজাজে হাজির হয়ে চলেছেন তিনি।

বিভিন্ন গোষ্ঠী ‘আবার মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে’ উল্লেখ করে তাদের প্রতিহত করার আহ্বান জানিয়ছেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, ‘বাংলাদেশে আমরা সবসময় সবকিছু সোজা পথে পাই না। আজকে আবার বিভিন্নভাবে বিভিন্ন গোষ্ঠী মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে। তারা বিভিন্নভাবে সমস্যা তৈরি করছেন, আইনশৃঙ্খলা পর
৪ দিন আগে
সাংবাদিকদের সঙ্গে এ মতবিনিময় সভায় দেশের সমসাময়িক রাজনৈতিক পরিস্থিতি, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা এবং সরকারের ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনাসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। তবে অনুষ্ঠান শেষে বিশ্বকাপ ফুটবল নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সংক্ষিপ্ত মন্তব্য সাংবাদিকদের মধ্যে বেশ আগ্রহ ও হাস্যরসের জন্ম দেয়।
৪ দিন আগে
বিএনপির মহাসচিব বলেন, দুর্ভিক্ষপীড়িত একটি রাষ্ট্রকে টেনে তুলেছিলেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। দেশে স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং গণতন্ত্রকে নিজস্ব প্রক্রিয়ায় চলতে দেওয়ার লক্ষ্য ছিল তার। তিনি আরও ১০ বছর বেঁচে থাকলে আজকে বাংলাদেশ একটি অনন্য দেশ হিসেবে গড়ে উঠতো এবং সমাজে এতো নেতিবাচকতা তৈরি হতো না
৬ দিন আগে
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার বাজেটের মাধ্যমে জনগণকে স্বস্তি দিতে চাইলেও বিরোধীদল তা মানছে না; তবে ভোটের কালি শুকানোর আগেই সরকার নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন শুরু করেছে।
৭ দিন আগে