
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ডা . সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের বলেছেন, বিএনপি গণভোটের বিষয়ে জনগণের চাপে রাজি হয়েছে। তবে এখন আবার প্যাঁচ দিয়েছে।আমরা গণভোটের বিষয়ে কোনো প্যাঁচ বুঝি না।
বুধবার (২২ অক্টোবর) সন্ধ্যায় রাজনৈতিক সংলাপের অংশ হিসেবে প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি।
ডা. তাহের বলেন, আমরা এসেছিলাম প্রধান উপদেষ্টাকে কিছু বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করার জন্য। সরকারের করণীয় সম্পর্কে আলোচনা করতে। আমরা দীর্ঘ আলোচনার পর সংস্কারের বিষয়ে ঐকমত্য হয়ে একটি সনদ স্বাক্ষর করতে পেরেছি, এ কারণে জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে তাকে ধন্যবাদ জানিয়েছি।
তিনি বলেন, দীর্ঘ আলোচনার পর ৮০টির উপরে বিষয়ে একমত হয়েছি এবং সেইসব বিষয়কে দ্রুত আইনি ভিত্তি দেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছি। বিশেষ করে আগামী জাতীয় নির্বাচনের জন্য যে বিষয়গুলো প্রয়োজন, সেগুলোকে দ্রুত বাস্তবায়নের ঘোষণা দাবি করেছি।
জামায়াতের নায়েবে আমির আরও বলেন, প্রধান উপদেষ্টা আমাদের সঙ্গে একমত হয়েছেন, এগুলো বাস্তবায়ন না হলে এই আলোচনার কোনো অর্থ থাকে না।
তিনি বলেন, আদেশের মাধ্যমে সাংবিধানিক মর্যাদা দিতে হবে। এটা সংবিধানের অংশ নয়, তবে এরকম পরিস্থিতিতে সরকার প্রধান আদেশ দিতে পারেন। আশা করি উনি এ ব্যাপারে একমত হয়েছেন।
আমরা বলেছি, গণভোট এবং জাতীয় নির্বাচন দুটো ভিন্ন ভিন্ন জিনিস আলাদা সময়ে হতে হবে। গণভোটের মাধ্যমে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন হলে নির্বাচনের অনেক বিষয়ে পরিবর্তন হবে। সে কারণে আগে অবশ্যই গণভোট হতে হবে।
ডা. তাহের বলেন, নোট অব ডিসেন্ট সংস্কারের কোনো আলোচনা হতে পারে না। নির্বাচন কমিশন, সচিবালয়ের কর্মকর্তাবৃন্দ একটি দলের। পুলিশ প্রশাসনেরও একই অবস্থা। আমরা অন্তবর্তীকালীন সরকারকে বলেছি নির্বাচনের আগে যেখানে যেখানে রদবদল করা প্রয়োজন, সেটি করুন। লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড করার জন্য প্রশাসনকে নিরপেক্ষ হতে হবে। সে ক্ষেত্রে প্রয়োজনে লটারির মাধ্যমেও করতে পারেন। জুলাই সনদ বাস্তবায়নের আদেশ কে দেবেন, সে বিষয়ে আমরা বলেছি আইনের যদি কোনো ব্যত্যয় না ঘটে তাহলে প্রধান উপদেষ্টা এই আদেশ দেবেন।
তিনি বলেন, নোয়াখালীতে ছাত্রশিবিরের কুরআন প্রশিক্ষণ প্রোগ্রামে বিএনপির হামলার বিষয়টি আমরা প্রধান উপদেষ্টার দৃষ্টি আকর্ষণ করেছি। আমরা বলেছি, নির্বাচনের আগেই যদি এরকম পরিস্থিতি হয় তাহলে নির্বাচনের সময় কী হবে?
তত্ত্বাবধায়ক সরকারের বিষয়ে কোনো আলোচনা করেনি উল্লেখ করে ডা. তাহের বলেন, কারণ বিষয়টি উচ্চ আদালতে বিচারাধীন রয়েছে। আমরা মনে করি, এই বিষয়ে এখন কথা বলাটা ইম্যাচিউর্ড।
জামায়াতের নায়েবে আমির আরও বলেন, আপনার (প্রধান উপদেষ্টা) পাশে কিছু লোক আপনাকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করবে, কারণ তারা একটি দলের পক্ষে কাজ করছে। এজন্য তাকে সতর্ক থাকার জন্য দৃষ্টি আকর্ষণ করেছি। আমরা প্রথমে দৃষ্টি আকর্ষণ করেছি, সেটাতেও যদি কাজ না হয় পরবর্তীতে যা যা করণীয় তাই করব।

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ডা . সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের বলেছেন, বিএনপি গণভোটের বিষয়ে জনগণের চাপে রাজি হয়েছে। তবে এখন আবার প্যাঁচ দিয়েছে।আমরা গণভোটের বিষয়ে কোনো প্যাঁচ বুঝি না।
বুধবার (২২ অক্টোবর) সন্ধ্যায় রাজনৈতিক সংলাপের অংশ হিসেবে প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি।
ডা. তাহের বলেন, আমরা এসেছিলাম প্রধান উপদেষ্টাকে কিছু বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করার জন্য। সরকারের করণীয় সম্পর্কে আলোচনা করতে। আমরা দীর্ঘ আলোচনার পর সংস্কারের বিষয়ে ঐকমত্য হয়ে একটি সনদ স্বাক্ষর করতে পেরেছি, এ কারণে জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে তাকে ধন্যবাদ জানিয়েছি।
তিনি বলেন, দীর্ঘ আলোচনার পর ৮০টির উপরে বিষয়ে একমত হয়েছি এবং সেইসব বিষয়কে দ্রুত আইনি ভিত্তি দেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছি। বিশেষ করে আগামী জাতীয় নির্বাচনের জন্য যে বিষয়গুলো প্রয়োজন, সেগুলোকে দ্রুত বাস্তবায়নের ঘোষণা দাবি করেছি।
জামায়াতের নায়েবে আমির আরও বলেন, প্রধান উপদেষ্টা আমাদের সঙ্গে একমত হয়েছেন, এগুলো বাস্তবায়ন না হলে এই আলোচনার কোনো অর্থ থাকে না।
তিনি বলেন, আদেশের মাধ্যমে সাংবিধানিক মর্যাদা দিতে হবে। এটা সংবিধানের অংশ নয়, তবে এরকম পরিস্থিতিতে সরকার প্রধান আদেশ দিতে পারেন। আশা করি উনি এ ব্যাপারে একমত হয়েছেন।
আমরা বলেছি, গণভোট এবং জাতীয় নির্বাচন দুটো ভিন্ন ভিন্ন জিনিস আলাদা সময়ে হতে হবে। গণভোটের মাধ্যমে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন হলে নির্বাচনের অনেক বিষয়ে পরিবর্তন হবে। সে কারণে আগে অবশ্যই গণভোট হতে হবে।
ডা. তাহের বলেন, নোট অব ডিসেন্ট সংস্কারের কোনো আলোচনা হতে পারে না। নির্বাচন কমিশন, সচিবালয়ের কর্মকর্তাবৃন্দ একটি দলের। পুলিশ প্রশাসনেরও একই অবস্থা। আমরা অন্তবর্তীকালীন সরকারকে বলেছি নির্বাচনের আগে যেখানে যেখানে রদবদল করা প্রয়োজন, সেটি করুন। লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড করার জন্য প্রশাসনকে নিরপেক্ষ হতে হবে। সে ক্ষেত্রে প্রয়োজনে লটারির মাধ্যমেও করতে পারেন। জুলাই সনদ বাস্তবায়নের আদেশ কে দেবেন, সে বিষয়ে আমরা বলেছি আইনের যদি কোনো ব্যত্যয় না ঘটে তাহলে প্রধান উপদেষ্টা এই আদেশ দেবেন।
তিনি বলেন, নোয়াখালীতে ছাত্রশিবিরের কুরআন প্রশিক্ষণ প্রোগ্রামে বিএনপির হামলার বিষয়টি আমরা প্রধান উপদেষ্টার দৃষ্টি আকর্ষণ করেছি। আমরা বলেছি, নির্বাচনের আগেই যদি এরকম পরিস্থিতি হয় তাহলে নির্বাচনের সময় কী হবে?
তত্ত্বাবধায়ক সরকারের বিষয়ে কোনো আলোচনা করেনি উল্লেখ করে ডা. তাহের বলেন, কারণ বিষয়টি উচ্চ আদালতে বিচারাধীন রয়েছে। আমরা মনে করি, এই বিষয়ে এখন কথা বলাটা ইম্যাচিউর্ড।
জামায়াতের নায়েবে আমির আরও বলেন, আপনার (প্রধান উপদেষ্টা) পাশে কিছু লোক আপনাকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করবে, কারণ তারা একটি দলের পক্ষে কাজ করছে। এজন্য তাকে সতর্ক থাকার জন্য দৃষ্টি আকর্ষণ করেছি। আমরা প্রথমে দৃষ্টি আকর্ষণ করেছি, সেটাতেও যদি কাজ না হয় পরবর্তীতে যা যা করণীয় তাই করব।

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘একটি দল বিভাজন আনার চেষ্টা করছে। এ বিভাজনগুলো আমাদের সমাজকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। হিংসা বিদ্বেষ তৈরি করে। একটি শব্দ যেটিকে আমরা ঘৃণা করি। এ শব্দটাকে আমাদের সকলের ঘৃণা করা উচিত। মানুষের প্রতি আমাদের ভালোবাসা, ভ্রাতৃত্ব আরও বেশি করে সৃষ্টি করা উচিত।’
১ দিন আগে
মির্জা ফখরুল বলেন, ‘খুব দ্রুত কীভাবে আমরা দলকে কাউন্সিলের দিকে নিয়ে যেতে পারি, সে বিষয়ে বৈঠকে আলোচনা হয়েছে। এটাই ছিল মূল আলোচনা। খুব দ্রুত আমরা দলকে কাউন্সিলের দিকে যেতে চেষ্টা করব।’
১ দিন আগে
আজহারুল ইসলাম বলেন, আজকে আমি সংসদে গিয়েছি জুলাই বিপ্লবের কারণে। আজ আমি এখানে বক্তব্য দিচ্ছি জুলাই বিপ্লবের কারণে। জুলাই বিপ্লব আমাদের নতুন জীবন দান করেছে। সেই জুলাই বিপ্লবকে অস্বীকার করা মানে নতুন জীবনকে অস্বীকার করা। জুলাই বিপ্লব একদলকে ক্ষমতা থেকে সরিয়ে আরেক দলকে ক্ষমতায় বসানোর জন্য ছিল না।
২ দিন আগে
আখতার হোসেন বলেন, জনগণের ভোটে সরকার গঠন করা বৈধ, আর জনগণের ভোটে সংস্কার হবে সেটাকে বলে অবৈধ। এমন দ্বিচারিতা বাংলাদেশের মানুষ সহ্য করবে না। আমরা সংস্কার পরিষদের কথা বলছি। এটা নতুন কোনো কথা নয়। ঐকমত্য কমিশনে ৩০টির মতো রাজনৈতিক দল সংবিধানের টেকসই পরিবর্তনের জন্য সংস্কার সাধনের জন্য সংস্কারকে টেকসই করার
২ দিন আগে