
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ সংখ্যক আসন (১১টি) জয়ী দল জাতীয় পার্টি সংসদে বিরোধী দল হতে যাচ্ছে।
সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা জানিয়েছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।
সোমবার আওয়ামী লীগের সভাপতির ধানমন্ডির রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক ব্রিফিংয়ে তিনি বক্তব্য রাখেন।
সংসদে বিরোধী দল কারা হচ্ছে এমন প্রশ্ন করা হলে পাল্টা প্রশ্নে ওবায়দুল কাদের বলেন, “কারা হতে পারে?”
জবাবে প্রশ্নকারী সাংবাদিক বলেন, “দ্বিতীয় বৃহত্তম দল!”
“তাহলে ধরে নিন তারাই হচ্ছে,” বলেন ওবায়দুল কাদের।
তিনি বলেন, "স্বতন্ত্ররা স্বতন্ত্রই আছেন। আর দল যদি বলেন তাহলে বিরোধী দল জাতীয় পার্টি। এটা পরিষ্কার?”
বিরোধী দল হিসেবে বিএনপিকে কি অবস্থায় দেখতে চান-এমন প্রশ্নের জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, তাদের অবস্থান তারা (বিএনপি) নিজেরাই পরিষ্কার করে দিয়েছে। আন্দোলনে বোঝা গেছে, তারা দুর্বল না শক্তিশালী। নির্বাচনে হেরে যাবার ভয়ে অংশ নেয়নি, সেখানে তাদের অবস্থান পরিষ্কার। জনগণকে দিয়ে নির্বাচন করাবে সেখানেও তারা ব্যর্থ। তাদের শক্ত কোন অবস্থান তো দেখতে পাচ্ছি না। তবে দল হিসেবে তারা দুর্বল এ কথা আমি বলতে চাই না।
তিনি বলেন, তারা (বিএনপি) সব কিছু হারিয়ে শোক সাগরে নিমজ্জিত। শোকের মিছিল হারানোর বেদনা থেকে হয়। ইলেকশন হেরে গেছে, আন্দোলন হেরে গেছে। এখন আর কিছু করার নেই। আমি বলবো কালো পতাকার সঙ্গে কালো ব্যাজ ধারন করলে ষোলোকলা পূর্ণ হবে।
ওবায়দুল কাদের বলেন, অগ্নিসন্ত্রাসের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে গুজব সন্ত্রাস। দেশে-বিদেশে গুজব চালাচ্ছে। সারা বিশ্বে দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতি, অথচ বাংলাদেশে তারা এটাকে দুর্ভিক্ষের পদধনি বলে অপপ্রচার করছে। মনে হয় যেনো সরকার কচু পাতার উপর শিশির বিন্দু। একটু টোকা লাগলেই পড়ে যাবে।
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, এই সরকারের শক্তির উৎস বাংলাদেশের জনগণ। কথার বোমা মেরে এই সরকার কে উৎখাত করা যাবে না।
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক বিএম মোজাম্মেল হক, সুজিত রায় নন্দী, দফতর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া, উপ-দফতর সম্পাদক সায়েম খান প্রমুখ।
আগামী ৩০ জানুয়ারি শুরু হচ্ছে দ্বাদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন। ৭ জানুয়ারি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলেও প্রধান বিরোধী দল কে হচ্ছে সে বিষয়টি অস্পষ্ট ছিল, যা রোববার পরিষ্কার করলেন কাদের।

জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ সংখ্যক আসন (১১টি) জয়ী দল জাতীয় পার্টি সংসদে বিরোধী দল হতে যাচ্ছে।
সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা জানিয়েছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।
সোমবার আওয়ামী লীগের সভাপতির ধানমন্ডির রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক ব্রিফিংয়ে তিনি বক্তব্য রাখেন।
সংসদে বিরোধী দল কারা হচ্ছে এমন প্রশ্ন করা হলে পাল্টা প্রশ্নে ওবায়দুল কাদের বলেন, “কারা হতে পারে?”
জবাবে প্রশ্নকারী সাংবাদিক বলেন, “দ্বিতীয় বৃহত্তম দল!”
“তাহলে ধরে নিন তারাই হচ্ছে,” বলেন ওবায়দুল কাদের।
তিনি বলেন, "স্বতন্ত্ররা স্বতন্ত্রই আছেন। আর দল যদি বলেন তাহলে বিরোধী দল জাতীয় পার্টি। এটা পরিষ্কার?”
বিরোধী দল হিসেবে বিএনপিকে কি অবস্থায় দেখতে চান-এমন প্রশ্নের জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, তাদের অবস্থান তারা (বিএনপি) নিজেরাই পরিষ্কার করে দিয়েছে। আন্দোলনে বোঝা গেছে, তারা দুর্বল না শক্তিশালী। নির্বাচনে হেরে যাবার ভয়ে অংশ নেয়নি, সেখানে তাদের অবস্থান পরিষ্কার। জনগণকে দিয়ে নির্বাচন করাবে সেখানেও তারা ব্যর্থ। তাদের শক্ত কোন অবস্থান তো দেখতে পাচ্ছি না। তবে দল হিসেবে তারা দুর্বল এ কথা আমি বলতে চাই না।
তিনি বলেন, তারা (বিএনপি) সব কিছু হারিয়ে শোক সাগরে নিমজ্জিত। শোকের মিছিল হারানোর বেদনা থেকে হয়। ইলেকশন হেরে গেছে, আন্দোলন হেরে গেছে। এখন আর কিছু করার নেই। আমি বলবো কালো পতাকার সঙ্গে কালো ব্যাজ ধারন করলে ষোলোকলা পূর্ণ হবে।
ওবায়দুল কাদের বলেন, অগ্নিসন্ত্রাসের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে গুজব সন্ত্রাস। দেশে-বিদেশে গুজব চালাচ্ছে। সারা বিশ্বে দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতি, অথচ বাংলাদেশে তারা এটাকে দুর্ভিক্ষের পদধনি বলে অপপ্রচার করছে। মনে হয় যেনো সরকার কচু পাতার উপর শিশির বিন্দু। একটু টোকা লাগলেই পড়ে যাবে।
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, এই সরকারের শক্তির উৎস বাংলাদেশের জনগণ। কথার বোমা মেরে এই সরকার কে উৎখাত করা যাবে না।
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক বিএম মোজাম্মেল হক, সুজিত রায় নন্দী, দফতর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া, উপ-দফতর সম্পাদক সায়েম খান প্রমুখ।
আগামী ৩০ জানুয়ারি শুরু হচ্ছে দ্বাদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন। ৭ জানুয়ারি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলেও প্রধান বিরোধী দল কে হচ্ছে সে বিষয়টি অস্পষ্ট ছিল, যা রোববার পরিষ্কার করলেন কাদের।

ইতিহাসে আর কোনো সরকার দুই মাসের ব্যবধানে এতটা অজনপ্রিয় হয়েছিল কি না—এমন প্রশ্ন তুলেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম।
১৫ ঘণ্টা আগে
জামায়াতকে উদ্দেশ করে তিনি বলেছেন, ‘দেশকে আবার ভিন্নভাবে তারা স্বৈরাচারের মধ্যে নিতে চায় কি না— আমাদের সেই চিন্তা করতে হবে। তাদের যে অতীত ইতিহাস, আমরা সবাই জানি। দেশবাসী সচেতনভাবে তাদের প্রত্যাখ্যান করেছে। আগামীতে যেন রাজনৈতিকভাবে তাদের পুরোপুরি নির্মূল করা যায়, আমাদের সেভাবে কাজ করতে হবে।’
১৬ ঘণ্টা আগে
তিনি বলেন, ‘আমরা কারো ন্যায্য অবদানকে কখনো অস্বীকার করি না। আন্দোলন আমরা সবাই করেছি। কিন্তু আমরা তীরে ফিরতে পারি নাই। আমাদের তরি সমুদ্রে ভাসমান ছিল। জুলাই আন্দোলনের নায়করা এই তরি নিয়ে ঘাটে ভিড়েছে, জাতিকে মুক্তির পথ দেখিয়েছে। তাদের সম্মান করতে, ভালোবাসতে শিখুন। তাদের তুচ্ছতাচ্ছিল্য করবেন না।’
১৭ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আমির ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য নুরুল ইসলাম বুলবুল বলেছেন, ‘বর্তমান সরকার জুলাইকে পদদলিত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বিএনপি আগামী দিনে বাংলাদেশের রাজনীতিতে বিশ্বাসঘাতক হিসেবে জনগণের কাছে চিহ্নিত হয়ে থাকবে।’
১৯ ঘণ্টা আগে