
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

বিশ্ব ইজতেমা উপলক্ষে ১৩টি বিশেষ ট্রেন চালানোর পরিকল্পনা নিয়েছে বাংলাদেশ রেলওয়ে। এ ছাড়া দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ট্রেনে আসা মুসুল্লিদের যাতায়াত সুবিধার্থে টঙ্গী স্টেশনে সব ট্রেনের যাত্রা বিরতি করানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার দুপুরে রেল ভবনে বিশ্ব ইজতেমায় উপলক্ষে বাংলাদেশ রেলওয়ের প্রস্তুতি বিষয়ক এক সংবাদ সম্মেলনে রেলওয়ের মহাপরিচালক মো. কামরুল আহসান এসব তথ্য জানান।
রেলের কর্মপরিকল্পনার নথি বলছে, ১ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টা ১ মিনিট থেকে ৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত এবং ৮ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টা ১ মিনিট থেকে ১১ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ঢাকা অভিমুখী সকল আন্তঃনগর, মেইল ও কমিউটার ট্রেন টঙ্গী স্টেশনে ৩ মিনিট করে থামবে। আগামী ৪ ও ১১ ফেব্রুয়ারি আখেরি মোনাজাতের দিন (সুবর্ণ, সোনার বাংলা, কক্সবাজার ও পর্যটক এক্সপ্রেস ব্যতিত) সকল আন্তঃনগর, মেইল ও কমিউটার ট্রেনগুলো (আপ ও ভাউন) টঙ্গী স্টেশনে ৩ মিনিট করে থামবে।
৪ ও ১৯ ফেব্রুয়ারি আখেরি মোনাজাতের দিন ৪৯নং বলাকা কমিউটার ট্রেন ৪টা ৪৫ মিনিটের পরিবর্তে ৫টায় ছাড়বে। ৪ ও ১১ ফেব্রুয়ারি ৭৯২/৭৯১ নম্বর বনলতা এক্সপ্রেস ট্রেন বন্ধ থাকবে। তবে ৭৫৪/৭৫৩ নম্বর সিল্কসিটি এক্সপ্রেস ট্রেন ৪ ও ১১ ফেব্রুয়ারি সাপ্তাহিক বন্ধের দিনও চলাচল করবে।
রেলওয়ের মহাপরিচালক মো. কামরুল আহসান বলেন, আখেরি মোনাজাতের পরের দিন অর্থাৎ ৫ ও ১২ ফেব্রুয়ারি ইজতেমা থেকে বর্হিগামী টিকেটধারী যাত্রীদের ফেরত যাওয়া ও টঙ্গী স্টেশনে আরোহণের সুবিধার্থে আন্তঃনগর ট্রেনগুলো টঙ্গী স্টেশনে ৩ মিনিট থামবে।
সংবাদ সম্মেলনে রেলপথ মন্ত্রী মো. জিল্লুল হাকিম, রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. মো. হুমায়ুন কবীর ও বাংলাদেশ রেলওয়ের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (অপারেশন) সরদার সাহাদাত আলী উপস্থিত ছিলেন।

বিশ্ব ইজতেমা উপলক্ষে ১৩টি বিশেষ ট্রেন চালানোর পরিকল্পনা নিয়েছে বাংলাদেশ রেলওয়ে। এ ছাড়া দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ট্রেনে আসা মুসুল্লিদের যাতায়াত সুবিধার্থে টঙ্গী স্টেশনে সব ট্রেনের যাত্রা বিরতি করানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার দুপুরে রেল ভবনে বিশ্ব ইজতেমায় উপলক্ষে বাংলাদেশ রেলওয়ের প্রস্তুতি বিষয়ক এক সংবাদ সম্মেলনে রেলওয়ের মহাপরিচালক মো. কামরুল আহসান এসব তথ্য জানান।
রেলের কর্মপরিকল্পনার নথি বলছে, ১ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টা ১ মিনিট থেকে ৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত এবং ৮ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টা ১ মিনিট থেকে ১১ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ঢাকা অভিমুখী সকল আন্তঃনগর, মেইল ও কমিউটার ট্রেন টঙ্গী স্টেশনে ৩ মিনিট করে থামবে। আগামী ৪ ও ১১ ফেব্রুয়ারি আখেরি মোনাজাতের দিন (সুবর্ণ, সোনার বাংলা, কক্সবাজার ও পর্যটক এক্সপ্রেস ব্যতিত) সকল আন্তঃনগর, মেইল ও কমিউটার ট্রেনগুলো (আপ ও ভাউন) টঙ্গী স্টেশনে ৩ মিনিট করে থামবে।
৪ ও ১৯ ফেব্রুয়ারি আখেরি মোনাজাতের দিন ৪৯নং বলাকা কমিউটার ট্রেন ৪টা ৪৫ মিনিটের পরিবর্তে ৫টায় ছাড়বে। ৪ ও ১১ ফেব্রুয়ারি ৭৯২/৭৯১ নম্বর বনলতা এক্সপ্রেস ট্রেন বন্ধ থাকবে। তবে ৭৫৪/৭৫৩ নম্বর সিল্কসিটি এক্সপ্রেস ট্রেন ৪ ও ১১ ফেব্রুয়ারি সাপ্তাহিক বন্ধের দিনও চলাচল করবে।
রেলওয়ের মহাপরিচালক মো. কামরুল আহসান বলেন, আখেরি মোনাজাতের পরের দিন অর্থাৎ ৫ ও ১২ ফেব্রুয়ারি ইজতেমা থেকে বর্হিগামী টিকেটধারী যাত্রীদের ফেরত যাওয়া ও টঙ্গী স্টেশনে আরোহণের সুবিধার্থে আন্তঃনগর ট্রেনগুলো টঙ্গী স্টেশনে ৩ মিনিট থামবে।
সংবাদ সম্মেলনে রেলপথ মন্ত্রী মো. জিল্লুল হাকিম, রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. মো. হুমায়ুন কবীর ও বাংলাদেশ রেলওয়ের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (অপারেশন) সরদার সাহাদাত আলী উপস্থিত ছিলেন।

ইতিহাসে আর কোনো সরকার দুই মাসের ব্যবধানে এতটা অজনপ্রিয় হয়েছিল কি না—এমন প্রশ্ন তুলেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম।
১৫ ঘণ্টা আগে
জামায়াতকে উদ্দেশ করে তিনি বলেছেন, ‘দেশকে আবার ভিন্নভাবে তারা স্বৈরাচারের মধ্যে নিতে চায় কি না— আমাদের সেই চিন্তা করতে হবে। তাদের যে অতীত ইতিহাস, আমরা সবাই জানি। দেশবাসী সচেতনভাবে তাদের প্রত্যাখ্যান করেছে। আগামীতে যেন রাজনৈতিকভাবে তাদের পুরোপুরি নির্মূল করা যায়, আমাদের সেভাবে কাজ করতে হবে।’
১৬ ঘণ্টা আগে
তিনি বলেন, ‘আমরা কারো ন্যায্য অবদানকে কখনো অস্বীকার করি না। আন্দোলন আমরা সবাই করেছি। কিন্তু আমরা তীরে ফিরতে পারি নাই। আমাদের তরি সমুদ্রে ভাসমান ছিল। জুলাই আন্দোলনের নায়করা এই তরি নিয়ে ঘাটে ভিড়েছে, জাতিকে মুক্তির পথ দেখিয়েছে। তাদের সম্মান করতে, ভালোবাসতে শিখুন। তাদের তুচ্ছতাচ্ছিল্য করবেন না।’
১৭ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আমির ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য নুরুল ইসলাম বুলবুল বলেছেন, ‘বর্তমান সরকার জুলাইকে পদদলিত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বিএনপি আগামী দিনে বাংলাদেশের রাজনীতিতে বিশ্বাসঘাতক হিসেবে জনগণের কাছে চিহ্নিত হয়ে থাকবে।’
১৯ ঘণ্টা আগে