
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক করতে ভোটকেন্দ্রে কারচুপি, অনিয়ম ও পেশিশক্তি মুক্ত রাখা নির্দেশ দিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল।
শুক্রবার বেলা ১১টার দিকে যশোরে শেখ হাসিনা সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্ক অডিটরিয়ামে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।
খুলনা বিভাগের কমিশনার কার্যালয় ও যশোর জেলা প্রশাসনের ব্যবস্থাপনায় এ বৈঠক হয়।
দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে যশোরে খুলনা বিভাগের ১০ জেলা ও ঢাকা বিভাগের ফরিদপুর, গোপালগঞ্জ ও রাজবাড়ী জেলার ডিসি-এসপি, ইউএনও-ওসিদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী হাবিবুল আউয়াল।
বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী হাবিবুল আওয়াল বলেন, ‘আমরা আমাদের তরফ থেকে বলেছি যেকোনো মূল্যে দ্বাদশ সংসদ নির্বাচন যেন অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণ হয়। কোনো রকমের বিশৃঙ্খলা যাতে না হয়, পরিবেশ যাতে অনুকূল থাকে, ভোটার সাধারণ উদ্বুদ্ধ হয়ে স্বাধীনভবে ভোটকেন্দ্রে এসে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারে। এই বার্তাটা কঠোরভাবে দেওয়া হয়েছে।’
সিইসি বলেন, ‘আমরা কেউ ভোটকেন্দ্রের ভেতর থাকব না। ভেতরে থাকবে প্রিসাইডিং অফিসার, সহকারী প্রিসাইডিং অফিসার, পোলিং অফিসাররা। ভোটকেন্দ্রের ভেতরে যাতে কোনো অনিয়ম, কারচুপি, দখলদারি, কোনো রকমের পেশিশক্তির প্রয়োগ না হয়, সেই বিষয়ে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।’
এ সময় উপস্থিত ছিলেন নির্বাচন কমিশনের সচিব জাহাঙ্গীর আলম, খুলনা বিভাগীয় কমিশনার হেলাল মাহমুদ শরীফ, খুলনা রেঞ্জের ডিআইজি মঈনুল হক ও যশোরের জেলা প্রশাসক আবরাউল হাছান মজুমদার।

আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক করতে ভোটকেন্দ্রে কারচুপি, অনিয়ম ও পেশিশক্তি মুক্ত রাখা নির্দেশ দিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল।
শুক্রবার বেলা ১১টার দিকে যশোরে শেখ হাসিনা সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্ক অডিটরিয়ামে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।
খুলনা বিভাগের কমিশনার কার্যালয় ও যশোর জেলা প্রশাসনের ব্যবস্থাপনায় এ বৈঠক হয়।
দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে যশোরে খুলনা বিভাগের ১০ জেলা ও ঢাকা বিভাগের ফরিদপুর, গোপালগঞ্জ ও রাজবাড়ী জেলার ডিসি-এসপি, ইউএনও-ওসিদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী হাবিবুল আউয়াল।
বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী হাবিবুল আওয়াল বলেন, ‘আমরা আমাদের তরফ থেকে বলেছি যেকোনো মূল্যে দ্বাদশ সংসদ নির্বাচন যেন অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণ হয়। কোনো রকমের বিশৃঙ্খলা যাতে না হয়, পরিবেশ যাতে অনুকূল থাকে, ভোটার সাধারণ উদ্বুদ্ধ হয়ে স্বাধীনভবে ভোটকেন্দ্রে এসে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারে। এই বার্তাটা কঠোরভাবে দেওয়া হয়েছে।’
সিইসি বলেন, ‘আমরা কেউ ভোটকেন্দ্রের ভেতর থাকব না। ভেতরে থাকবে প্রিসাইডিং অফিসার, সহকারী প্রিসাইডিং অফিসার, পোলিং অফিসাররা। ভোটকেন্দ্রের ভেতরে যাতে কোনো অনিয়ম, কারচুপি, দখলদারি, কোনো রকমের পেশিশক্তির প্রয়োগ না হয়, সেই বিষয়ে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।’
এ সময় উপস্থিত ছিলেন নির্বাচন কমিশনের সচিব জাহাঙ্গীর আলম, খুলনা বিভাগীয় কমিশনার হেলাল মাহমুদ শরীফ, খুলনা রেঞ্জের ডিআইজি মঈনুল হক ও যশোরের জেলা প্রশাসক আবরাউল হাছান মজুমদার।

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি ওমর ফারুক বলেছেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও তার পরিবারকে নিয়ে যদি কোনো নোংরামি করা হয়, আমরা হয় মারব, না হয় মরব। হয় ফাঁসিতে ঝুলব, না হয় ওই গুপ্ত শিবির সন্ত্রাসীদেরকে নিজেরা আইন হাতে তুলে নিয়ে হত্যা করব।’
১ দিন আগে
ইতিহাসে আর কোনো সরকার দুই মাসের ব্যবধানে এতটা অজনপ্রিয় হয়েছিল কি না—এমন প্রশ্ন তুলেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম।
১ দিন আগে
জামায়াতকে উদ্দেশ করে তিনি বলেছেন, ‘দেশকে আবার ভিন্নভাবে তারা স্বৈরাচারের মধ্যে নিতে চায় কি না— আমাদের সেই চিন্তা করতে হবে। তাদের যে অতীত ইতিহাস, আমরা সবাই জানি। দেশবাসী সচেতনভাবে তাদের প্রত্যাখ্যান করেছে। আগামীতে যেন রাজনৈতিকভাবে তাদের পুরোপুরি নির্মূল করা যায়, আমাদের সেভাবে কাজ করতে হবে।’
১ দিন আগে
তিনি বলেন, ‘আমরা কারো ন্যায্য অবদানকে কখনো অস্বীকার করি না। আন্দোলন আমরা সবাই করেছি। কিন্তু আমরা তীরে ফিরতে পারি নাই। আমাদের তরি সমুদ্রে ভাসমান ছিল। জুলাই আন্দোলনের নায়করা এই তরি নিয়ে ঘাটে ভিড়েছে, জাতিকে মুক্তির পথ দেখিয়েছে। তাদের সম্মান করতে, ভালোবাসতে শিখুন। তাদের তুচ্ছতাচ্ছিল্য করবেন না।’
১ দিন আগে