
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

নির্বাচন কমিশনার মো. আনিছুর রহমান বলেছেন, কাউকে কোনো রকম ছাড় দেওয়া হচ্ছে না। বড়-ছোট সবাইকে একইভাবে দেখছি। সেক্ষেত্রে আমরা নিরপেক্ষ অবস্থান নেওয়ার জন্য সিদ্ধান্ত নিয়েছি। মাঠে নিরপেক্ষ অবস্থান আছে। কোনো শঙ্কা, ভয়ভীতি বা আনুকূল্য নেই। আমরা চরম নিরপেক্ষ বলে কেউ রেহাই পাবে না।
শনিবার দুপুরে নির্বাচন ভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন তিনি।
স্বতন্ত্র প্রার্থীরা মাঠে দাঁড়াতে পারছেন না। ক্ষমতাসীন দলের প্রার্থীদের কেন আচরণবিধি মানাতে পারছেন না?- এমন প্রশ্নের জবাবে ইসি আনিছুর রহমান বলেন, ‘আমরা পারছি না, এই বক্তব্যে একমত হতে পারছি না। এরই মধ্যে বিভিন্ন জেলা ঘুরে আসছি। আচরণবিধি বাস্তবায়ন হচ্ছে। আজকেও আমরা কিছু কঠোর সিদ্ধান্তের আলোচনা করেছি। আরও কিছু তথ্য চেয়েছি। আগামীকাল (সেসব তথ্য) পেলে দেখবেন যে কিছু কঠোর সিদ্ধান্তে চলে যাবো। একজন স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থক মারা গিয়েছেন। আমরা কঠোর সিদ্ধান্তে চলে যাবো।’
পুলিশ কেন অবহেলা করছে, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘যেই ঘটনা শুনলাম এটা কিন্তু সকালবেলা তিনি তার বাড়ি থেকে কোনো একটা জায়গায় যাচ্ছিলেন, পথিমধ্যে তাকে আক্রমণ করা হয়েছে। তারা উভয়েই একই বংশের, তাদের মধ্যে আত্মীয়তা রয়েছে। কিছুদিন আগেও তাদের মধ্যে একটা ঘটনা ঘটেছিল, সে কারণেই হয়েছে, নাকি নির্বাচনের কারণে এ বিষয়গুলো আমরা খতিয়ে দেখছি।
তিনি আরও বলেন, নির্বাচনের কারণে অনেকে ব্যক্তিগত শত্রুতার বিষয়টিও সামনে আনছে। আমরা নিরপেক্ষতার সঙ্গেই দেখবো। এখানে যে কারও মৃত্যুই অনাকাঙ্ক্ষিত। এভাবে মৃত্যু, একটা মৃত্যুও আমরা চাই না। এজন্য যথেষ্ট গুরুত্ব দিচ্ছি। একটু সময় দেন। বাকিটা আপনারা দেখবেন।
এ নির্বাচন কমিশনার আরও বলেন, মাঠেও একই কথা বলেছি। কেউ ভোটে নাও আসতে পারেন, ভোট দিতে নাও পারেন। ভোট প্রতিহত করার অধিকার কারও নেই। কিন্তু অন্যকে প্রতিহত করলে আমরা এবার সংশোধনী এনেছি যে সাত বছর পর্যন্ত জেল বা অর্থদণ্ড করার জন্য। পুলিশ, ম্যাজিস্ট্রেট সবাইকে বলেছি যে আপনারা যথাযথ ব্যবস্থা নেবেন। কোনো কার্পণ্য যাতে না হয়। কাজেই কোনো ব্যত্যয় হবে না।
যদি ব্যত্যয় হয় তাহলে কোন ব্যবস্থা নেবেন? এমন প্রশ্নের জবাবে আনিছুর রহমান বলেন, দায়িত্বে অবহেলা হলে ওই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কাউকেই আমরা ছাড় দেব না। প্রার্থিতা বাতিল হবে, কোনো না কোনো জায়গায় কারও না কারও। এইটুকু আভাস আমি দিয়ে রাখলাম।
ভোটকেন্দ্রে না যাওয়ার জন্য লিফলেট বিতরণ হচ্ছে এমনটা চোখে পড়লেই ব্যবস্থা নেওয়া হবে জানিয়ে ইসি আনিছুর বলেন, ‘আমাদের কাছে হেভিওয়েট বা লাইট ওয়েট বলে কেউ নেই। যার বিরুদ্ধ অভিযোগ আসবে তার বিরুদ্ধেই ব্যবস্থা নেওয়া হবে। শোডাউন করতে পারবে না কেউ। উৎসবমুখর ভোট থাকবে ইনশাআল্লাহ।’

নির্বাচন কমিশনার মো. আনিছুর রহমান বলেছেন, কাউকে কোনো রকম ছাড় দেওয়া হচ্ছে না। বড়-ছোট সবাইকে একইভাবে দেখছি। সেক্ষেত্রে আমরা নিরপেক্ষ অবস্থান নেওয়ার জন্য সিদ্ধান্ত নিয়েছি। মাঠে নিরপেক্ষ অবস্থান আছে। কোনো শঙ্কা, ভয়ভীতি বা আনুকূল্য নেই। আমরা চরম নিরপেক্ষ বলে কেউ রেহাই পাবে না।
শনিবার দুপুরে নির্বাচন ভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন তিনি।
স্বতন্ত্র প্রার্থীরা মাঠে দাঁড়াতে পারছেন না। ক্ষমতাসীন দলের প্রার্থীদের কেন আচরণবিধি মানাতে পারছেন না?- এমন প্রশ্নের জবাবে ইসি আনিছুর রহমান বলেন, ‘আমরা পারছি না, এই বক্তব্যে একমত হতে পারছি না। এরই মধ্যে বিভিন্ন জেলা ঘুরে আসছি। আচরণবিধি বাস্তবায়ন হচ্ছে। আজকেও আমরা কিছু কঠোর সিদ্ধান্তের আলোচনা করেছি। আরও কিছু তথ্য চেয়েছি। আগামীকাল (সেসব তথ্য) পেলে দেখবেন যে কিছু কঠোর সিদ্ধান্তে চলে যাবো। একজন স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থক মারা গিয়েছেন। আমরা কঠোর সিদ্ধান্তে চলে যাবো।’
পুলিশ কেন অবহেলা করছে, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘যেই ঘটনা শুনলাম এটা কিন্তু সকালবেলা তিনি তার বাড়ি থেকে কোনো একটা জায়গায় যাচ্ছিলেন, পথিমধ্যে তাকে আক্রমণ করা হয়েছে। তারা উভয়েই একই বংশের, তাদের মধ্যে আত্মীয়তা রয়েছে। কিছুদিন আগেও তাদের মধ্যে একটা ঘটনা ঘটেছিল, সে কারণেই হয়েছে, নাকি নির্বাচনের কারণে এ বিষয়গুলো আমরা খতিয়ে দেখছি।
তিনি আরও বলেন, নির্বাচনের কারণে অনেকে ব্যক্তিগত শত্রুতার বিষয়টিও সামনে আনছে। আমরা নিরপেক্ষতার সঙ্গেই দেখবো। এখানে যে কারও মৃত্যুই অনাকাঙ্ক্ষিত। এভাবে মৃত্যু, একটা মৃত্যুও আমরা চাই না। এজন্য যথেষ্ট গুরুত্ব দিচ্ছি। একটু সময় দেন। বাকিটা আপনারা দেখবেন।
এ নির্বাচন কমিশনার আরও বলেন, মাঠেও একই কথা বলেছি। কেউ ভোটে নাও আসতে পারেন, ভোট দিতে নাও পারেন। ভোট প্রতিহত করার অধিকার কারও নেই। কিন্তু অন্যকে প্রতিহত করলে আমরা এবার সংশোধনী এনেছি যে সাত বছর পর্যন্ত জেল বা অর্থদণ্ড করার জন্য। পুলিশ, ম্যাজিস্ট্রেট সবাইকে বলেছি যে আপনারা যথাযথ ব্যবস্থা নেবেন। কোনো কার্পণ্য যাতে না হয়। কাজেই কোনো ব্যত্যয় হবে না।
যদি ব্যত্যয় হয় তাহলে কোন ব্যবস্থা নেবেন? এমন প্রশ্নের জবাবে আনিছুর রহমান বলেন, দায়িত্বে অবহেলা হলে ওই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কাউকেই আমরা ছাড় দেব না। প্রার্থিতা বাতিল হবে, কোনো না কোনো জায়গায় কারও না কারও। এইটুকু আভাস আমি দিয়ে রাখলাম।
ভোটকেন্দ্রে না যাওয়ার জন্য লিফলেট বিতরণ হচ্ছে এমনটা চোখে পড়লেই ব্যবস্থা নেওয়া হবে জানিয়ে ইসি আনিছুর বলেন, ‘আমাদের কাছে হেভিওয়েট বা লাইট ওয়েট বলে কেউ নেই। যার বিরুদ্ধ অভিযোগ আসবে তার বিরুদ্ধেই ব্যবস্থা নেওয়া হবে। শোডাউন করতে পারবে না কেউ। উৎসবমুখর ভোট থাকবে ইনশাআল্লাহ।’

বিরোধীদলের সমালোচনা করে রিজভী বলেন, তারা নতুন ফ্যাসিবাদের অভিযোগ তুলছে, অথচ তাদের নিজেদের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডেই ফ্যাসিবাদী মানসিকতার প্রতিফলন দেখা যায়।
৭ দিন আগে
‘‘উনাদের ওই বক্তব্যটা টোটালি পলিটিক্যাল স্ট্যান্টবাজি, রাজনৈতিকভাবে প্রভাবিত। তারা যদি সরকারের বিরুদ্ধে আচরণই করত, তারা যদি সরকারের সুযোগ-সুবিধাই না নিত, তাহলে সরকার গঠন হওয়ার পরদিনই তাদের পদত্যাগ করে চলে যাওয়ার কথা’’
৭ দিন আগে
শফিকুর রহমান বলেন, আওয়ামী লীগের দ্বারা যত গণহত্যা সংঘটিত হয়েছে, তার প্রতিটি হত্যাকাণ্ডের বিচার নিশ্চিত করতে হবে। কারও প্রতি কোনো প্রতিশোধ নয়, ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে হবে। ন্যায়বিচার নিশ্চিত না করা অন্যায়। আমরা পরিষ্কার বলে দিচ্ছি— আপনারা বিচার নিশ্চিত করুন, না হয় আপনারা যাওয়ার রাস্তা খুঁজে বের করুন।
৮ দিন আগে
ঢাকার ধানমন্ডিতে সাংবাদিকদের পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে নেতাকর্মীদের দ্বারা তাদের ওপর যে হামলা-হেনস্তার অভিযোগ উঠেছে, তা পর্যালোচনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। দলটি বলেছে, এ ঘটনায় তাদের কোনো কর্মীর ‘সম্পৃক্ততা’ পেলে তার বিরুদ্ধে ‘সাংগঠনিক ব্যবস্থা’ নেওয়া হবে।
৮ দিন আগে