
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের পর সাড়ে চার মাসে দেশে সাম্প্রদায়িক সহিংসতার জের ধরে ২৩টি হত্যাকাণ্ডের যে দাবি করেছিল বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদ, ওই সব ঘটনার কোনোটিতেই পুলিশ সাম্প্রদায়িক সহিংসতার সংশ্লিষ্টতা পায়নি।
সোমবার (৩ জানুয়ারি) রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে এক ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সেক্রেটারি শফিকুল আলম। ঐক্য পরিষদ আরও ১৭৪টি নির্যাতনের ঘটনার তথ্য দিয়েছে, সেটিও সঠিক নয় বলে জানান তিনি।
গত বৃহস্পতিবার (৩০ জানুয়ারি) হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদ এক সংবাদ সম্মেলনে দাবি করে, গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী সাড়ে চার মাসে দেশে সাম্প্রদায়িক সহিংসতার জের ধরে ২৩ জনকে হত্যা করা হয়েছে।
প্রেস সচিব শফিকুল আলম ব্রিফিংয়ে বলেন, হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের এই দাবিকে সরকার অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে নেয়। ওই ২৩টি হত্যাকাণ্ডের তালিকা সংগ্রহ করে প্রধান উপদেষ্টার দপ্তর থেকে পুলিশের কাছে পাঠানো হয়। প্রতিটি ঘটনার প্রকৃত কারণ ও ঘটনাগুলো নিয়ে গৃহীত আইনি ব্যবস্থা সম্পর্কেও পুলিশের কাছে জানতে চায় প্রধান উপদেষ্টার দপ্তর।
শফিকুল আলম বলেন, একটি ঘটনায় মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে কোনো তথ্য না পেলেও পুলিশ বাকি ২২টি ঘটনার প্রাথমিক সম্পর্কে অবগত হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, এগুলোর কোনোটির সঙ্গেই সাম্প্রদায়িক সহিংসতার কোনো সম্পর্ক নেই। আরেকটি যে ঘটনা প্রকৃত কারণ পুলিশ এখনো জানতে পারেনি, সেটির সঙ্গেও সাম্প্রদায়িক সহিংসতার সম্পর্ক নেই বলে তারা নিশ্চিত হয়েছে।
পুলিশের দেওয়া তথ্য বলছে, হত্যাকাণ্ডের মধ্যে সাতটির সঙ্গে চুরি ও দস্যুতার সম্পর্ক রয়েছে। চারটি ঘটনায় ব্যক্তিগত ও পারিবারিক কলহের ঘটনা জড়িত। তিনটি ঘটনায় প্রধান কারণ সাধারণ অপরাধ। দুর্ঘটনাজনিত মৃত্যু রয়েছে দুটি, দুটি হত্যাকাণ্ড ঘটেছে ব্যবসায়িক শত্রুতার জেরে। এ ছাড়া স্থানীয়দের সংঘাতে একটি, জমিজমার বিরোধ নিয়ে একটি ও আত্মহত্যাজনিত একটি মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে।
শফিকুল আলম বলেন, এই তালিকায় এমন ব্যক্তিও রয়েছেন যিনি গত বছরের জানুয়ারি মাসে একটি ঘটনায় আহত হয়েছিলেন। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত ডিসেম্বর মাসে হাসপাতালে মারা যান তিনি।
ব্রিফিংয়ে প্রেস সচিব বলেন, প্রতিটি ঘটনাকে যথাযথ গুরুত্ব দিয়ে এরই মধ্যে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এই ২৩ ঘটনার যে দুটিতে আত্মহত্যা ও পানিতে ডুবে মৃত্যু হয়েছে, সেই দুটি ঘটনা পুলিশ তদন্ত শেষে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দিয়েছে। বাকি ২১টি তদন্তাধীন মামলায় এরই মধ্যে ৪৭ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তাদের মধ্যে ১৭ জন নিজেদের দায় স্বীকার করে আদালতে ১৬৪ ধারয় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।
অন্তর্বর্তী সরকার সব ধরনের সহিংসতার বিপক্ষে উল্লেখ করে প্রেস সচিব বলেন, অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার কোনো ধরনের সংহিসতাকেই সমর্থন করে না। একই সঙ্গে এ ধরনের ঘটনাকে সাম্প্রদায়িক সহিংসতা বলে প্রচারকেও উদ্বেগজনক বলে মনে।
এ ধরনের বিভ্রান্তিমূলক প্রচারণা দেশের সার্বিক সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টের সূত্রপাত ঘটাতে পারে বিবেচনায় সব পক্ষকে আরও দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান জানিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার।

জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের পর সাড়ে চার মাসে দেশে সাম্প্রদায়িক সহিংসতার জের ধরে ২৩টি হত্যাকাণ্ডের যে দাবি করেছিল বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদ, ওই সব ঘটনার কোনোটিতেই পুলিশ সাম্প্রদায়িক সহিংসতার সংশ্লিষ্টতা পায়নি।
সোমবার (৩ জানুয়ারি) রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে এক ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সেক্রেটারি শফিকুল আলম। ঐক্য পরিষদ আরও ১৭৪টি নির্যাতনের ঘটনার তথ্য দিয়েছে, সেটিও সঠিক নয় বলে জানান তিনি।
গত বৃহস্পতিবার (৩০ জানুয়ারি) হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদ এক সংবাদ সম্মেলনে দাবি করে, গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী সাড়ে চার মাসে দেশে সাম্প্রদায়িক সহিংসতার জের ধরে ২৩ জনকে হত্যা করা হয়েছে।
প্রেস সচিব শফিকুল আলম ব্রিফিংয়ে বলেন, হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের এই দাবিকে সরকার অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে নেয়। ওই ২৩টি হত্যাকাণ্ডের তালিকা সংগ্রহ করে প্রধান উপদেষ্টার দপ্তর থেকে পুলিশের কাছে পাঠানো হয়। প্রতিটি ঘটনার প্রকৃত কারণ ও ঘটনাগুলো নিয়ে গৃহীত আইনি ব্যবস্থা সম্পর্কেও পুলিশের কাছে জানতে চায় প্রধান উপদেষ্টার দপ্তর।
শফিকুল আলম বলেন, একটি ঘটনায় মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে কোনো তথ্য না পেলেও পুলিশ বাকি ২২টি ঘটনার প্রাথমিক সম্পর্কে অবগত হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, এগুলোর কোনোটির সঙ্গেই সাম্প্রদায়িক সহিংসতার কোনো সম্পর্ক নেই। আরেকটি যে ঘটনা প্রকৃত কারণ পুলিশ এখনো জানতে পারেনি, সেটির সঙ্গেও সাম্প্রদায়িক সহিংসতার সম্পর্ক নেই বলে তারা নিশ্চিত হয়েছে।
পুলিশের দেওয়া তথ্য বলছে, হত্যাকাণ্ডের মধ্যে সাতটির সঙ্গে চুরি ও দস্যুতার সম্পর্ক রয়েছে। চারটি ঘটনায় ব্যক্তিগত ও পারিবারিক কলহের ঘটনা জড়িত। তিনটি ঘটনায় প্রধান কারণ সাধারণ অপরাধ। দুর্ঘটনাজনিত মৃত্যু রয়েছে দুটি, দুটি হত্যাকাণ্ড ঘটেছে ব্যবসায়িক শত্রুতার জেরে। এ ছাড়া স্থানীয়দের সংঘাতে একটি, জমিজমার বিরোধ নিয়ে একটি ও আত্মহত্যাজনিত একটি মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে।
শফিকুল আলম বলেন, এই তালিকায় এমন ব্যক্তিও রয়েছেন যিনি গত বছরের জানুয়ারি মাসে একটি ঘটনায় আহত হয়েছিলেন। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত ডিসেম্বর মাসে হাসপাতালে মারা যান তিনি।
ব্রিফিংয়ে প্রেস সচিব বলেন, প্রতিটি ঘটনাকে যথাযথ গুরুত্ব দিয়ে এরই মধ্যে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এই ২৩ ঘটনার যে দুটিতে আত্মহত্যা ও পানিতে ডুবে মৃত্যু হয়েছে, সেই দুটি ঘটনা পুলিশ তদন্ত শেষে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দিয়েছে। বাকি ২১টি তদন্তাধীন মামলায় এরই মধ্যে ৪৭ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তাদের মধ্যে ১৭ জন নিজেদের দায় স্বীকার করে আদালতে ১৬৪ ধারয় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।
অন্তর্বর্তী সরকার সব ধরনের সহিংসতার বিপক্ষে উল্লেখ করে প্রেস সচিব বলেন, অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার কোনো ধরনের সংহিসতাকেই সমর্থন করে না। একই সঙ্গে এ ধরনের ঘটনাকে সাম্প্রদায়িক সহিংসতা বলে প্রচারকেও উদ্বেগজনক বলে মনে।
এ ধরনের বিভ্রান্তিমূলক প্রচারণা দেশের সার্বিক সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টের সূত্রপাত ঘটাতে পারে বিবেচনায় সব পক্ষকে আরও দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান জানিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার।

বিবৃতিতেন তিনি বলেন, সম্প্রতি ঘোষিত নতুন দরে ডিজেল লিটারে ১৫ টাকা, কেরোসিন ১৮ টাকা, অকটেন ২০ টাকা এবং পেট্রোল ১৯ টাকা পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হয়েছে। এ ধরনের খাতওয়ারি মূল্যবৃদ্ধি দেশের সার্বিক অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে। এতে সাধারণ মানুষের জীবনে নতুন করে দুর্ভোগ ডেকে আনবে। আমি সরকারের এই গণববিরোধী
১৫ ঘণ্টা আগে
দুপুর দেড়টায় রাজধানীর বাংলামোটরে দলটির অস্থায়ী কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। দলটির মিডিয়া সেল থেকে পাঠানো এক বার্তায় এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
১৬ ঘণ্টা আগে
রুহিন হোসেন প্রিন্স বলেন, ‘মালিক সমিতি, মজুতদার, সুযোগসন্ধানী ব্যক্তি-গোষ্ঠী আর ব্যবসায়ীদের জয় হলো। সরকার জনগণের স্বার্থ রক্ষায় শুধু ব্যর্থতার পরিচয় দিলো না, বরং এই মজুতদার-ব্যবসায়ী গোষ্ঠীর স্বার্থই রক্ষা করল। এখন এ সিদ্ধান্তে সাধারণ মানুষের জীবনে নাভিশ্বাস উঠবে।’
১৭ ঘণ্টা আগে
নিজের ফেসবুক আইডিতে পদত্যাগপত্র শেয়ার করে ফারাহা এমদাদ লিখেছেন, ‘এনসিপির সঙ্গে আমার পথচলা এখানেই শেষ। সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত থাকাকালে যদি কারও মনে কষ্ট দিয়ে থাকি, তার জন্য দুঃখিত। সবাই ভালো থাকবেন।’
১ দিন আগে