
সিলেট প্রতিনিধি

ঢাকা-সিলেট রেলপথে ডাবল লাইন চালুর ঘোষণা দিয়েছেন বিএনপি চেয়ারপারসন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শনিবার (২ মে) দুপুরে সিলেট সিটি করপোরেশনের নগর ভবন প্রাঙ্গণে আয়োজিত এক সুধী সমাবেশে তিনি এই আধুনিকায়ন পরিকল্পনার কথা জানান।
সিলেটের সার্বিক উন্নয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ঢাকা-সিলেট মহাসড়কসহ এ অঞ্চলের সড়ক ও অবকাঠামোগত উন্নয়নে ব্যাপক পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে ট্রেন যোগাযোগ ব্যবস্থার আধুনিকায়নে ঢাকা-সিলেট রেলপথে ডাবল লাইন চালু করা হবে। এছাড়া সিলেটের কৃষি ও পরিবেশ রক্ষায় খাল খনন কর্মসূচি এবং সাধারণ মানুষের জন্য চিকিৎসা ব্যবস্থার মানোন্নয়নে সরকার কাজ করছে।
সিলেট নগরীর উন্নয়ন নিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সুরমা নদীর পাড়ে আজ যে প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হলো, এটি বাস্তবায়িত হলে সিলেটে আর জলাবদ্ধতা থাকবে না বলে আমি বিশ্বাস করি। নগরবাসীকে বন্যা ও জলজট থেকে মুক্তি দিতে এই প্রকল্প কার্যকর ভূমিকা রাখবে।
তিনি বলেছেন, বর্তমান সরকারের বয়স আড়াই মাসের মতো। তবে এরই মধ্যে আমরা দেশের মানুষের সামনে যে সকল প্রতিশ্রুতি উপস্থাপন করেছিলাম এবং দেশের মানুষকে যে কথা দিয়েছিলাম, সেই প্রতিশ্রুতিগুলো বাস্তবায়নের কাজ শুরু করেছি।
তারেক রহমান বলেন, আমরা সারাদেশে নারীদের স্বাবলম্বী করার জন্য ফ্যামিলি কার্ড এবং কৃষক ভাইদের সহযোগিতা করার জন্য কৃষক কার্ডের কথা বলেছিলাম। আমরা বলেছিলাম যে, আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের ভেতর থেকে যারা বিভিন্ন খেলাধুলায় দক্ষ বা যাদের মধ্যে বিভিন্ন প্রতিভা রয়েছে, সেগুলোকে আমরা বিকশিত করতে চাই।
সারাদেশ থেকে দক্ষ খেলোয়াড় বের করে আনার বিষয়ে তিনি বলেন, এখানে যারা আমাদের বয়সী আছেন, কমবেশি অনেকেরই ধারণা আছে যে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সময় দেশের ছোট ছোট ছেলেমেয়েদের মধ্য থেকে প্রতিভাবানদের বের করে আনার জন্য নতুন কুঁড়ি নামক একটি অনুষ্ঠান চালু করা হয়েছিল। আপনাদের অনেকেরই সে সম্পর্কে ধারণা আছে যারা সে সময় শহীদ জিয়াকে দেখেছেন। সেটিরই একটি বর্ধিত অংশ হিসেবে আমরা এই ছোট ছোট ছেলেমেয়েদের ভেতর থেকে ভবিষ্যতে ভালো খেলোয়াড় বের করে আনতে চাই। তারই অংশ হিসেবে 'নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস' আমরা আজ সিলেটের মাটি থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু করব ইনশাআল্লাহ।
প্রধানমন্ত্রী জানান, গত পরশু পর্যন্ত সারাদেশে প্রায় ১ লাখ ৩০ হাজার শিশু নাম নিবন্ধন করেছে। এর মধ্য থেকে সাত-আটি খেলা নির্ধারণ করা হয়েছে। আমরা বিশ্বাস করি, এর ভেতর থেকে এমন কিছু খেলোয়াড় বের করে নিয়ে আসতে পারব যারা ভবিষ্যতে আন্তর্জাতিক অঙ্গন থেকে দেশের জন্য স্বর্ণপদক ছিনিয়ে আনবে এবং দেশের সুনাম বৃদ্ধি করতে সক্ষম হবে। ক্রিকেট যেভাবে আজ বিশ্ব দরবারে বাংলাদেশকে তুলে ধরেছে এবং সম্মান নিয়ে এসেছে, কিংবা মেয়েদের ফুটবল টিম যেভাবে দেশের জন্য আন্তর্জাতিক সম্মান বয়ে এনেছে, তেমনিভাবে আমাদের ছেলেমেয়েরাও ভবিষ্যতে দেশের জন্য সম্মান বয়ে আনতে পারবে।
এর আগে সকালে তিনি হযরত শাহজালাল (রহ.) এর মাজার জিয়ারত করেন এবং সুরমা নদীর তীরে বন্যা প্রতিরোধী ও সৌন্দর্যবর্ধন প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন।

ঢাকা-সিলেট রেলপথে ডাবল লাইন চালুর ঘোষণা দিয়েছেন বিএনপি চেয়ারপারসন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শনিবার (২ মে) দুপুরে সিলেট সিটি করপোরেশনের নগর ভবন প্রাঙ্গণে আয়োজিত এক সুধী সমাবেশে তিনি এই আধুনিকায়ন পরিকল্পনার কথা জানান।
সিলেটের সার্বিক উন্নয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ঢাকা-সিলেট মহাসড়কসহ এ অঞ্চলের সড়ক ও অবকাঠামোগত উন্নয়নে ব্যাপক পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে ট্রেন যোগাযোগ ব্যবস্থার আধুনিকায়নে ঢাকা-সিলেট রেলপথে ডাবল লাইন চালু করা হবে। এছাড়া সিলেটের কৃষি ও পরিবেশ রক্ষায় খাল খনন কর্মসূচি এবং সাধারণ মানুষের জন্য চিকিৎসা ব্যবস্থার মানোন্নয়নে সরকার কাজ করছে।
সিলেট নগরীর উন্নয়ন নিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সুরমা নদীর পাড়ে আজ যে প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হলো, এটি বাস্তবায়িত হলে সিলেটে আর জলাবদ্ধতা থাকবে না বলে আমি বিশ্বাস করি। নগরবাসীকে বন্যা ও জলজট থেকে মুক্তি দিতে এই প্রকল্প কার্যকর ভূমিকা রাখবে।
তিনি বলেছেন, বর্তমান সরকারের বয়স আড়াই মাসের মতো। তবে এরই মধ্যে আমরা দেশের মানুষের সামনে যে সকল প্রতিশ্রুতি উপস্থাপন করেছিলাম এবং দেশের মানুষকে যে কথা দিয়েছিলাম, সেই প্রতিশ্রুতিগুলো বাস্তবায়নের কাজ শুরু করেছি।
তারেক রহমান বলেন, আমরা সারাদেশে নারীদের স্বাবলম্বী করার জন্য ফ্যামিলি কার্ড এবং কৃষক ভাইদের সহযোগিতা করার জন্য কৃষক কার্ডের কথা বলেছিলাম। আমরা বলেছিলাম যে, আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের ভেতর থেকে যারা বিভিন্ন খেলাধুলায় দক্ষ বা যাদের মধ্যে বিভিন্ন প্রতিভা রয়েছে, সেগুলোকে আমরা বিকশিত করতে চাই।
সারাদেশ থেকে দক্ষ খেলোয়াড় বের করে আনার বিষয়ে তিনি বলেন, এখানে যারা আমাদের বয়সী আছেন, কমবেশি অনেকেরই ধারণা আছে যে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সময় দেশের ছোট ছোট ছেলেমেয়েদের মধ্য থেকে প্রতিভাবানদের বের করে আনার জন্য নতুন কুঁড়ি নামক একটি অনুষ্ঠান চালু করা হয়েছিল। আপনাদের অনেকেরই সে সম্পর্কে ধারণা আছে যারা সে সময় শহীদ জিয়াকে দেখেছেন। সেটিরই একটি বর্ধিত অংশ হিসেবে আমরা এই ছোট ছোট ছেলেমেয়েদের ভেতর থেকে ভবিষ্যতে ভালো খেলোয়াড় বের করে আনতে চাই। তারই অংশ হিসেবে 'নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস' আমরা আজ সিলেটের মাটি থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু করব ইনশাআল্লাহ।
প্রধানমন্ত্রী জানান, গত পরশু পর্যন্ত সারাদেশে প্রায় ১ লাখ ৩০ হাজার শিশু নাম নিবন্ধন করেছে। এর মধ্য থেকে সাত-আটি খেলা নির্ধারণ করা হয়েছে। আমরা বিশ্বাস করি, এর ভেতর থেকে এমন কিছু খেলোয়াড় বের করে নিয়ে আসতে পারব যারা ভবিষ্যতে আন্তর্জাতিক অঙ্গন থেকে দেশের জন্য স্বর্ণপদক ছিনিয়ে আনবে এবং দেশের সুনাম বৃদ্ধি করতে সক্ষম হবে। ক্রিকেট যেভাবে আজ বিশ্ব দরবারে বাংলাদেশকে তুলে ধরেছে এবং সম্মান নিয়ে এসেছে, কিংবা মেয়েদের ফুটবল টিম যেভাবে দেশের জন্য আন্তর্জাতিক সম্মান বয়ে এনেছে, তেমনিভাবে আমাদের ছেলেমেয়েরাও ভবিষ্যতে দেশের জন্য সম্মান বয়ে আনতে পারবে।
এর আগে সকালে তিনি হযরত শাহজালাল (রহ.) এর মাজার জিয়ারত করেন এবং সুরমা নদীর তীরে বন্যা প্রতিরোধী ও সৌন্দর্যবর্ধন প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন।

বিএনপির মহাসচিব বলেন, দুর্ভিক্ষপীড়িত একটি রাষ্ট্রকে টেনে তুলেছিলেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। দেশে স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং গণতন্ত্রকে নিজস্ব প্রক্রিয়ায় চলতে দেওয়ার লক্ষ্য ছিল তার। তিনি আরও ১০ বছর বেঁচে থাকলে আজকে বাংলাদেশ একটি অনন্য দেশ হিসেবে গড়ে উঠতো এবং সমাজে এতো নেতিবাচকতা তৈরি হতো না
৪ দিন আগে
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার বাজেটের মাধ্যমে জনগণকে স্বস্তি দিতে চাইলেও বিরোধীদল তা মানছে না; তবে ভোটের কালি শুকানোর আগেই সরকার নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন শুরু করেছে।
৫ দিন আগে
প্রস্তাবিত এ বাজেট নিয়ে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় দলটি বলছে, বজেটের আকার বড় দেখানোর জন্য ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকা প্রাক্কলন করা হয়েছে। এই বিশালাকৃতির বাজেট অবাস্তব এবং কোনোভাবেই অর্জনযোগ্য নয়।
৭ দিন আগে
এক বিবৃতিতে সিপিবির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক বলেন, প্রস্তাবিত বাজেট অনেক বড় অঙ্কের, কিন্তু একই সঙ্গে বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে অসার বা ফাঁকা বলে প্রতিভাত হচ্ছে। মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় কমানো ও নতুন কর্মসংস্থান তৈরির কোনো আশাবাদ প্রস্তাবিত বাজেটে দেখা যাচ্ছে না। এই বাজেট বৈষম্য বৃদ্ধি করবে।
৭ দিন আগে