
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

বিএনপির কর্মসূচি দেশ ও রাষ্ট্রবিরোধী বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা (ডিবি) বিভাগের প্রধান মোহাম্মদ হারুন-অর-রশীদ। তিনি বলেছেন, বিএনপি ভোট বর্জনের কর্মসূচির নামে যা করছে তা দেশ বিরোধী-রাষ্ট্রবিরোধী। তারা যে লিফলেট বিতরণ করছে সেখানে বলা হচ্ছে, সরকারকে সব ধরনের ট্যাক্স খাজনা, ইউটিলিটি বিল স্থগিত করুন।
রোববার দুপুরে রাজধানীর মিন্টু রোডের নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ সব কথা বলেন।
ডিবি প্রধান বলেন, বিএনপির এসব অপপ্রচার রাষ্ট্রদ্রোহী কাজ। তাদের এ অপপ্রচার সংবিধানবিরোধী, রাষ্ট্রবিরোধী, গণতন্ত্র বিরোধী এবং জন বিরোধী। এ প্রচেষ্টা থামানোর জন্য ডিএমপি বদ্ধপরিকর।
তিনি আরও বলেন, তারা একদিকে নির্বাচন বানচালের চেষ্টা করছে, অন্যদিকে নাশকতার কাজ করছে। হরতাল-অবরোধসহ ভোট বর্জনের কর্মসূচির নামে নাশকতার কাজে বিএনপি দিনমজুর-শ্রমিকদের ব্যবহার করছে।
তিনি বলেন, গত ২৮ অক্টোবর রাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সভাপতি খোরশেদ আলম সোহেল এবং কৃষক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক মেহেদি হাসান পলাশসহ ১১ জনকে গ্রেপ্তারের পর ওই ঘটনায় রাজধানীর নিউ মার্কেট থানায় মামলা হয়। ওই মামলার তদন্ত করতে গিয়ে শনিবার রাতে পশ্চিম ধানমন্ডি ও মোহাম্মদপুর এলাকায় ধারাবাহিক অভিযান চালিয়ে আরও চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তাররা হলেন নাজমুল হুদা ওরফে রাকিব (২৬), রাসেল মিয়া (২৭), নাহিদ হোসেন (৩৩) এবং বিকাশ কুমার শীল (২৮)।
এদের মধ্যে নাজমুল হুদা রাকিব ছাত্রদল তেজগাঁও কলেজ শাখার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, রাসেল ও নাহিদ নির্মাণ শ্রমিক এবং যুবদল কর্মী। আর বিকাশ কুমার শীল প্রিন্টিং দোকানের লোক।
এ সময় তাদের কাছ থেকে নির্বাচন বর্জন, সব রকমের ট্যাক্স, সেবা কর পরিশোধ থেকে বিরত থাকার আহ্বান সম্বলিত দুই হাজার পিস লিফলেট উদ্ধার করা হয়।
তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশন (ইসি) একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠিত করার জন্য দায়বদ্ধ। বিএনপির নেতাকর্মীরা একদিকে যানবাহন ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ, বোমা বিস্ফোরণ, রেলের বগিতে আগুন দেওয়া রেলের স্লিপার চুরি করে দুর্ঘটনায় ফেলে দেওয়ার মতো জঘন্য ঘটনা ঘটিয়ে জনমনে আতঙ্ক ছড়ানোর চেষ্টা চালিয়েও সফল হতে পারেনি। এ ব্যর্থতাকে ঢাকতে নানা রকমের প্রোপাগান্ডা ছড়িয়ে জনগণকে নির্বাচনে অংশগ্রহণ না করতে, নির্বাচন কেন্দ্রে না আসতে লিফলেট বিতরণ করছেন।
এ লিফলেটের মাধ্যমে তারা নাগরিকদের সব প্রকারের খাজনা, কর ও বিল পরিশোধ না করে একটি অরাজক পরিস্থিতি সৃষ্টির কুমন্ত্রণা দিচ্ছে। এভাবে তারা রাষ্ট্রদ্রোহিতার কাজ করে যাচ্ছেন। তাদের এই অপপ্রচার, অপচেষ্টা সংবিধান বিরোধী, দেশ বিরোধী, গণতন্ত্র বিরোধী এবং জন বিরোধী। এ প্রচেষ্টা থামানোর জন্য ঢাকা মহানগর পুলিশ বদ্ধপরিকর।

বিএনপির কর্মসূচি দেশ ও রাষ্ট্রবিরোধী বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা (ডিবি) বিভাগের প্রধান মোহাম্মদ হারুন-অর-রশীদ। তিনি বলেছেন, বিএনপি ভোট বর্জনের কর্মসূচির নামে যা করছে তা দেশ বিরোধী-রাষ্ট্রবিরোধী। তারা যে লিফলেট বিতরণ করছে সেখানে বলা হচ্ছে, সরকারকে সব ধরনের ট্যাক্স খাজনা, ইউটিলিটি বিল স্থগিত করুন।
রোববার দুপুরে রাজধানীর মিন্টু রোডের নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ সব কথা বলেন।
ডিবি প্রধান বলেন, বিএনপির এসব অপপ্রচার রাষ্ট্রদ্রোহী কাজ। তাদের এ অপপ্রচার সংবিধানবিরোধী, রাষ্ট্রবিরোধী, গণতন্ত্র বিরোধী এবং জন বিরোধী। এ প্রচেষ্টা থামানোর জন্য ডিএমপি বদ্ধপরিকর।
তিনি আরও বলেন, তারা একদিকে নির্বাচন বানচালের চেষ্টা করছে, অন্যদিকে নাশকতার কাজ করছে। হরতাল-অবরোধসহ ভোট বর্জনের কর্মসূচির নামে নাশকতার কাজে বিএনপি দিনমজুর-শ্রমিকদের ব্যবহার করছে।
তিনি বলেন, গত ২৮ অক্টোবর রাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সভাপতি খোরশেদ আলম সোহেল এবং কৃষক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক মেহেদি হাসান পলাশসহ ১১ জনকে গ্রেপ্তারের পর ওই ঘটনায় রাজধানীর নিউ মার্কেট থানায় মামলা হয়। ওই মামলার তদন্ত করতে গিয়ে শনিবার রাতে পশ্চিম ধানমন্ডি ও মোহাম্মদপুর এলাকায় ধারাবাহিক অভিযান চালিয়ে আরও চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তাররা হলেন নাজমুল হুদা ওরফে রাকিব (২৬), রাসেল মিয়া (২৭), নাহিদ হোসেন (৩৩) এবং বিকাশ কুমার শীল (২৮)।
এদের মধ্যে নাজমুল হুদা রাকিব ছাত্রদল তেজগাঁও কলেজ শাখার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, রাসেল ও নাহিদ নির্মাণ শ্রমিক এবং যুবদল কর্মী। আর বিকাশ কুমার শীল প্রিন্টিং দোকানের লোক।
এ সময় তাদের কাছ থেকে নির্বাচন বর্জন, সব রকমের ট্যাক্স, সেবা কর পরিশোধ থেকে বিরত থাকার আহ্বান সম্বলিত দুই হাজার পিস লিফলেট উদ্ধার করা হয়।
তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশন (ইসি) একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠিত করার জন্য দায়বদ্ধ। বিএনপির নেতাকর্মীরা একদিকে যানবাহন ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ, বোমা বিস্ফোরণ, রেলের বগিতে আগুন দেওয়া রেলের স্লিপার চুরি করে দুর্ঘটনায় ফেলে দেওয়ার মতো জঘন্য ঘটনা ঘটিয়ে জনমনে আতঙ্ক ছড়ানোর চেষ্টা চালিয়েও সফল হতে পারেনি। এ ব্যর্থতাকে ঢাকতে নানা রকমের প্রোপাগান্ডা ছড়িয়ে জনগণকে নির্বাচনে অংশগ্রহণ না করতে, নির্বাচন কেন্দ্রে না আসতে লিফলেট বিতরণ করছেন।
এ লিফলেটের মাধ্যমে তারা নাগরিকদের সব প্রকারের খাজনা, কর ও বিল পরিশোধ না করে একটি অরাজক পরিস্থিতি সৃষ্টির কুমন্ত্রণা দিচ্ছে। এভাবে তারা রাষ্ট্রদ্রোহিতার কাজ করে যাচ্ছেন। তাদের এই অপপ্রচার, অপচেষ্টা সংবিধান বিরোধী, দেশ বিরোধী, গণতন্ত্র বিরোধী এবং জন বিরোধী। এ প্রচেষ্টা থামানোর জন্য ঢাকা মহানগর পুলিশ বদ্ধপরিকর।

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি ওমর ফারুক বলেছেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও তার পরিবারকে নিয়ে যদি কোনো নোংরামি করা হয়, আমরা হয় মারব, না হয় মরব। হয় ফাঁসিতে ঝুলব, না হয় ওই গুপ্ত শিবির সন্ত্রাসীদেরকে নিজেরা আইন হাতে তুলে নিয়ে হত্যা করব।’
১ দিন আগে
ইতিহাসে আর কোনো সরকার দুই মাসের ব্যবধানে এতটা অজনপ্রিয় হয়েছিল কি না—এমন প্রশ্ন তুলেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম।
১ দিন আগে
জামায়াতকে উদ্দেশ করে তিনি বলেছেন, ‘দেশকে আবার ভিন্নভাবে তারা স্বৈরাচারের মধ্যে নিতে চায় কি না— আমাদের সেই চিন্তা করতে হবে। তাদের যে অতীত ইতিহাস, আমরা সবাই জানি। দেশবাসী সচেতনভাবে তাদের প্রত্যাখ্যান করেছে। আগামীতে যেন রাজনৈতিকভাবে তাদের পুরোপুরি নির্মূল করা যায়, আমাদের সেভাবে কাজ করতে হবে।’
১ দিন আগে
তিনি বলেন, ‘আমরা কারো ন্যায্য অবদানকে কখনো অস্বীকার করি না। আন্দোলন আমরা সবাই করেছি। কিন্তু আমরা তীরে ফিরতে পারি নাই। আমাদের তরি সমুদ্রে ভাসমান ছিল। জুলাই আন্দোলনের নায়করা এই তরি নিয়ে ঘাটে ভিড়েছে, জাতিকে মুক্তির পথ দেখিয়েছে। তাদের সম্মান করতে, ভালোবাসতে শিখুন। তাদের তুচ্ছতাচ্ছিল্য করবেন না।’
১ দিন আগে