
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করতে চাই। প্রধানমন্ত্রী বিশ্বাস ও আস্থা নিয়ে আমাকে পুনরায় দায়িত্ব দিয়েছেন। আমি প্রধানমন্ত্রীর বিশ্বাস ও আস্থার জায়গায় পরিষ্কার থাকতে চাই; তিনি যাতে বিব্রত না হন।
বৃহস্পতিবার মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে শিপিং রিপোর্টার্স ফোরাম, বাংলাদেশ এর প্রতিনিধিদলের সঙ্গে মতবিনিময়কালে এসব কথা বলেন তিনি। এ সময় দ্বিতীয় মেয়াদে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পাওয়ায় শিপিং রিপোর্টার্স ফোরাম, বাংলাদেশ এর প্রতিনিধিদল তাঁকে ফুল ও ক্রেস্ট দিয়ে শুভেচ্ছা জানান।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক নৌ সংস্থায় (আইএমও) ‘সি’ ক্যাটাগরির কাউন্সিল নির্বাচিত হয়েছে। এতে বিশ্বে পণ্য পরিবহনে বাংলাদেশের দায়িত্ব আরও বেড়ে গেল। আমরা এ সম্পর্কিত একটি ‘ইন্টারন্যাশনাল কনফারেন্স’ করব। কূটনৈতিক রিলেশনশিপ বাড়াতে হবে। প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনা ‘ইকোনোমিক ডিপ্লোমেসি’র কথা বলেছেন। প্রধানমন্ত্রী বুঝতে পারেন- সামনে কী করতে হবে। বঙ্গবন্ধু ছাড়া অন্য কেউ এ রকম ভাবেননি। দেশে এগিয়ে যাচ্ছে। এটা বড় প্রাপ্তি। আরো ভালো থাকতে চাই। কীভাবে ভাল থাকব সে বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নির্দেশনা দিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী বাংলার মানুষের কাছে গর্বের জায়গায় চলে গেছেন। মানুষের বিশ্বাস তিনি পারবেন। আপাতত তিনি না পারলে আর কেউ পারবেন না।
প্রতিমন্ত্রী শিপিং রিপোর্টার্স ফোরামের নেতৃবৃন্দকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, আপনাদের সঙ্গে কথা বললে মূলচিত্র পাওয়া যায়। আমি সেখান থেকে জেনে জেনে বিভিন্ন সভায় অনেক কিছু উপস্থাপন করতে পারি। গতকালের অনাকাঙ্ক্ষিত ফেরি দুর্ঘটনায় তিনি দুঃখ প্রকাশ করেন।
তিনি বলেন, তদন্ত কমিটির রিপোর্টের পর মূল বিষয়টি জানতে পারব। আমরা যে যার চেয়ারে বসে আছি। পেশাদারিত্বটাকে খুব গুরুত্ব দিতে হবে। প্রধানমন্ত্রী নৈতিকতার বিষয়ে খুবই গুরুত্ব দিয়েছেন। নৈতিকতার একটা ব্যাপার আছে। এক্ষেত্রে কিছু দুর্বলতা আছে। আমরা কথায় কথায় পশ্চিমা দেশের উদাহরণ দেই। আমাদের খুব কাছের মুক্তিযুদ্ধের কথা স্মরণ করতে পারি। বঙ্গবন্ধু দেশ স্বাধীন করেছেন। নৈতিকতার জায়গায় তিনি স্ট্রং ছিলেন। এ রকম স্ট্রং আর কার ছিল? বাঙালি বিজয়ী জাতি। নৈতিকতা স্ট্রং না থাকলে বিজয়ী হতে পারে? মহান নেতা বঙ্গবন্ধুর জীবনে তার যে স্ট্রাগল, ওঠানামা, জোয়ারভাটা- তিনি একটা লক্ষ্য নিয়ে কাজ করেছেন। নীতি ও নৈতিকতা ঠিক থাকলে সবাইকে নিয়ে কিছু পাওয়া যায়। স্বাধীনতা-এটি জলন্ত উদাহরণ।
শিপিং রিপোর্টার্স ফোরাম, বাংলাদেশ এর সভাপতি কাজী এমাদ উদ্দিন জেবেল, সাধারণ সম্পাদক আফরিন জাহান, সদস্য তোফাজ্জল হোসেন, শফিকুল ইসলাম, রাশেদ আলী, ফারুক খান, রাশিম মোল্লা, শামছুল ইসলাম, তাওহীদুল ইসলাম, মাহমুদ আকাশ, তরিকুল ইসলাম সুমন, গাজী শাহনেওয়াজ, আকতার হোসেন, রতন বালো, মেসবাহ উল্লাহ শিমুল, ইসমাইল হোসেন, মাসুদ রানা, শফিকুল ইসলাম সবুজ ও হাবিব রহমান এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করতে চাই। প্রধানমন্ত্রী বিশ্বাস ও আস্থা নিয়ে আমাকে পুনরায় দায়িত্ব দিয়েছেন। আমি প্রধানমন্ত্রীর বিশ্বাস ও আস্থার জায়গায় পরিষ্কার থাকতে চাই; তিনি যাতে বিব্রত না হন।
বৃহস্পতিবার মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে শিপিং রিপোর্টার্স ফোরাম, বাংলাদেশ এর প্রতিনিধিদলের সঙ্গে মতবিনিময়কালে এসব কথা বলেন তিনি। এ সময় দ্বিতীয় মেয়াদে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পাওয়ায় শিপিং রিপোর্টার্স ফোরাম, বাংলাদেশ এর প্রতিনিধিদল তাঁকে ফুল ও ক্রেস্ট দিয়ে শুভেচ্ছা জানান।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক নৌ সংস্থায় (আইএমও) ‘সি’ ক্যাটাগরির কাউন্সিল নির্বাচিত হয়েছে। এতে বিশ্বে পণ্য পরিবহনে বাংলাদেশের দায়িত্ব আরও বেড়ে গেল। আমরা এ সম্পর্কিত একটি ‘ইন্টারন্যাশনাল কনফারেন্স’ করব। কূটনৈতিক রিলেশনশিপ বাড়াতে হবে। প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনা ‘ইকোনোমিক ডিপ্লোমেসি’র কথা বলেছেন। প্রধানমন্ত্রী বুঝতে পারেন- সামনে কী করতে হবে। বঙ্গবন্ধু ছাড়া অন্য কেউ এ রকম ভাবেননি। দেশে এগিয়ে যাচ্ছে। এটা বড় প্রাপ্তি। আরো ভালো থাকতে চাই। কীভাবে ভাল থাকব সে বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নির্দেশনা দিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী বাংলার মানুষের কাছে গর্বের জায়গায় চলে গেছেন। মানুষের বিশ্বাস তিনি পারবেন। আপাতত তিনি না পারলে আর কেউ পারবেন না।
প্রতিমন্ত্রী শিপিং রিপোর্টার্স ফোরামের নেতৃবৃন্দকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, আপনাদের সঙ্গে কথা বললে মূলচিত্র পাওয়া যায়। আমি সেখান থেকে জেনে জেনে বিভিন্ন সভায় অনেক কিছু উপস্থাপন করতে পারি। গতকালের অনাকাঙ্ক্ষিত ফেরি দুর্ঘটনায় তিনি দুঃখ প্রকাশ করেন।
তিনি বলেন, তদন্ত কমিটির রিপোর্টের পর মূল বিষয়টি জানতে পারব। আমরা যে যার চেয়ারে বসে আছি। পেশাদারিত্বটাকে খুব গুরুত্ব দিতে হবে। প্রধানমন্ত্রী নৈতিকতার বিষয়ে খুবই গুরুত্ব দিয়েছেন। নৈতিকতার একটা ব্যাপার আছে। এক্ষেত্রে কিছু দুর্বলতা আছে। আমরা কথায় কথায় পশ্চিমা দেশের উদাহরণ দেই। আমাদের খুব কাছের মুক্তিযুদ্ধের কথা স্মরণ করতে পারি। বঙ্গবন্ধু দেশ স্বাধীন করেছেন। নৈতিকতার জায়গায় তিনি স্ট্রং ছিলেন। এ রকম স্ট্রং আর কার ছিল? বাঙালি বিজয়ী জাতি। নৈতিকতা স্ট্রং না থাকলে বিজয়ী হতে পারে? মহান নেতা বঙ্গবন্ধুর জীবনে তার যে স্ট্রাগল, ওঠানামা, জোয়ারভাটা- তিনি একটা লক্ষ্য নিয়ে কাজ করেছেন। নীতি ও নৈতিকতা ঠিক থাকলে সবাইকে নিয়ে কিছু পাওয়া যায়। স্বাধীনতা-এটি জলন্ত উদাহরণ।
শিপিং রিপোর্টার্স ফোরাম, বাংলাদেশ এর সভাপতি কাজী এমাদ উদ্দিন জেবেল, সাধারণ সম্পাদক আফরিন জাহান, সদস্য তোফাজ্জল হোসেন, শফিকুল ইসলাম, রাশেদ আলী, ফারুক খান, রাশিম মোল্লা, শামছুল ইসলাম, তাওহীদুল ইসলাম, মাহমুদ আকাশ, তরিকুল ইসলাম সুমন, গাজী শাহনেওয়াজ, আকতার হোসেন, রতন বালো, মেসবাহ উল্লাহ শিমুল, ইসমাইল হোসেন, মাসুদ রানা, শফিকুল ইসলাম সবুজ ও হাবিব রহমান এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

ইতিহাসে আর কোনো সরকার দুই মাসের ব্যবধানে এতটা অজনপ্রিয় হয়েছিল কি না—এমন প্রশ্ন তুলেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম।
১৭ ঘণ্টা আগে
জামায়াতকে উদ্দেশ করে তিনি বলেছেন, ‘দেশকে আবার ভিন্নভাবে তারা স্বৈরাচারের মধ্যে নিতে চায় কি না— আমাদের সেই চিন্তা করতে হবে। তাদের যে অতীত ইতিহাস, আমরা সবাই জানি। দেশবাসী সচেতনভাবে তাদের প্রত্যাখ্যান করেছে। আগামীতে যেন রাজনৈতিকভাবে তাদের পুরোপুরি নির্মূল করা যায়, আমাদের সেভাবে কাজ করতে হবে।’
১৮ ঘণ্টা আগে
তিনি বলেন, ‘আমরা কারো ন্যায্য অবদানকে কখনো অস্বীকার করি না। আন্দোলন আমরা সবাই করেছি। কিন্তু আমরা তীরে ফিরতে পারি নাই। আমাদের তরি সমুদ্রে ভাসমান ছিল। জুলাই আন্দোলনের নায়করা এই তরি নিয়ে ঘাটে ভিড়েছে, জাতিকে মুক্তির পথ দেখিয়েছে। তাদের সম্মান করতে, ভালোবাসতে শিখুন। তাদের তুচ্ছতাচ্ছিল্য করবেন না।’
১৯ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আমির ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য নুরুল ইসলাম বুলবুল বলেছেন, ‘বর্তমান সরকার জুলাইকে পদদলিত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বিএনপি আগামী দিনে বাংলাদেশের রাজনীতিতে বিশ্বাসঘাতক হিসেবে জনগণের কাছে চিহ্নিত হয়ে থাকবে।’
২০ ঘণ্টা আগে