
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী সাবের হোসেন চৌধুরী বলেছেন, বোটানিক্যাল গার্ডেনের উন্নয়নে ব্রিটিশ সরকারের সঙ্গে কাজ করতে ইচ্ছুক সরকার। এটাকে শিশুবান্ধব করে গড়ে তোলা হবে। এখানকার বৃক্ষরাজি, জলাশয় ইত্যাদি সংরক্ষণে ব্রিটিশ সরকারের সঙ্গে অংশীদারত্বের মাধ্যমে কাজ করা হবে।
মন্ত্রী সোমবার বাংলাদেশ সচিবালয়ে তাঁর অফিস কক্ষে ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুকের নেতৃত্বে এক প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠকে এ আহ্বান জানান।
পরিবেশমন্ত্রী বলেন, পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় জাতীয় অভিযোজন পরিকল্পনা, মুজিব জলবায়ু সমৃদ্ধি পরিকল্পনা ইত্যাদি বাস্তবায়নেও ব্রিটিশ সরকারের সাথে পারস্পরিক সহযোগিতা জোরদার করতে আমরা আগ্রহী।
হাইকমিশনার বলেন, ব্রিটিশ সরকার বাংলাদেশে পরিবেশ সংরক্ষণ, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলা এবং টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে একযোগে কাজ করবে।
বৈঠকে পরিবেশ দূষণ নিয়ন্ত্রণ, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলা, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ, উদ্ভাবন ও গবেষণা, নবায়নযোগ্য শক্তি, প্রযুক্তি স্থানান্তর, জলবায়ু অংশীদারিত্ব, সক্ষমতা বৃদ্ধি, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, টেকসই উন্নয়ন, পরিবেশ ও স্বাস্থ্য, জলবায়ু অভিবাসীদের পুনর্বাসন ইত্যাদি বিষয়ে দু'পক্ষের মধ্যে সহযোগিতা জোরদারের বিষয়ে আলোচনা হয়।

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী সাবের হোসেন চৌধুরী বলেছেন, বোটানিক্যাল গার্ডেনের উন্নয়নে ব্রিটিশ সরকারের সঙ্গে কাজ করতে ইচ্ছুক সরকার। এটাকে শিশুবান্ধব করে গড়ে তোলা হবে। এখানকার বৃক্ষরাজি, জলাশয় ইত্যাদি সংরক্ষণে ব্রিটিশ সরকারের সঙ্গে অংশীদারত্বের মাধ্যমে কাজ করা হবে।
মন্ত্রী সোমবার বাংলাদেশ সচিবালয়ে তাঁর অফিস কক্ষে ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুকের নেতৃত্বে এক প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠকে এ আহ্বান জানান।
পরিবেশমন্ত্রী বলেন, পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় জাতীয় অভিযোজন পরিকল্পনা, মুজিব জলবায়ু সমৃদ্ধি পরিকল্পনা ইত্যাদি বাস্তবায়নেও ব্রিটিশ সরকারের সাথে পারস্পরিক সহযোগিতা জোরদার করতে আমরা আগ্রহী।
হাইকমিশনার বলেন, ব্রিটিশ সরকার বাংলাদেশে পরিবেশ সংরক্ষণ, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলা এবং টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে একযোগে কাজ করবে।
বৈঠকে পরিবেশ দূষণ নিয়ন্ত্রণ, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলা, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ, উদ্ভাবন ও গবেষণা, নবায়নযোগ্য শক্তি, প্রযুক্তি স্থানান্তর, জলবায়ু অংশীদারিত্ব, সক্ষমতা বৃদ্ধি, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, টেকসই উন্নয়ন, পরিবেশ ও স্বাস্থ্য, জলবায়ু অভিবাসীদের পুনর্বাসন ইত্যাদি বিষয়ে দু'পক্ষের মধ্যে সহযোগিতা জোরদারের বিষয়ে আলোচনা হয়।

ইতিহাসে আর কোনো সরকার দুই মাসের ব্যবধানে এতটা অজনপ্রিয় হয়েছিল কি না—এমন প্রশ্ন তুলেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম।
১৫ ঘণ্টা আগে
জামায়াতকে উদ্দেশ করে তিনি বলেছেন, ‘দেশকে আবার ভিন্নভাবে তারা স্বৈরাচারের মধ্যে নিতে চায় কি না— আমাদের সেই চিন্তা করতে হবে। তাদের যে অতীত ইতিহাস, আমরা সবাই জানি। দেশবাসী সচেতনভাবে তাদের প্রত্যাখ্যান করেছে। আগামীতে যেন রাজনৈতিকভাবে তাদের পুরোপুরি নির্মূল করা যায়, আমাদের সেভাবে কাজ করতে হবে।’
১৬ ঘণ্টা আগে
তিনি বলেন, ‘আমরা কারো ন্যায্য অবদানকে কখনো অস্বীকার করি না। আন্দোলন আমরা সবাই করেছি। কিন্তু আমরা তীরে ফিরতে পারি নাই। আমাদের তরি সমুদ্রে ভাসমান ছিল। জুলাই আন্দোলনের নায়করা এই তরি নিয়ে ঘাটে ভিড়েছে, জাতিকে মুক্তির পথ দেখিয়েছে। তাদের সম্মান করতে, ভালোবাসতে শিখুন। তাদের তুচ্ছতাচ্ছিল্য করবেন না।’
১৭ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আমির ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য নুরুল ইসলাম বুলবুল বলেছেন, ‘বর্তমান সরকার জুলাইকে পদদলিত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বিএনপি আগামী দিনে বাংলাদেশের রাজনীতিতে বিশ্বাসঘাতক হিসেবে জনগণের কাছে চিহ্নিত হয়ে থাকবে।’
১৯ ঘণ্টা আগে