
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলার মানুষের জন্য মৃত্যুকে আলিঙ্গন করতে পারেন। তিনি বাংলার মানুষের নেতৃত্ব দিচ্ছেন; তার প্রতি বাংলার মানুষের বিশ্বাস ও আস্থা আছে। আওয়ামী লীগ নির্বাচনী ইশতেহার ‘উন্নয়ন দৃশ্যমান, বাড়বে এবার কর্মসংস্থান’ দিয়েছে। এটার প্রতি বাংলার মানুষের বিশ্বাস ছিল। এটি মানুষের বিশ্বাস ও আস্থা অর্জন করেছে।
প্রতিমন্ত্রী রোববার মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে মন্ত্রণালয় এবং এর অধিনস্থ দপ্তর ও সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে এসব কথা বলেন। প্রতিমন্ত্রী দ্বিতীয়বারের মতো নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পাওয়ায় মন্ত্রণালয় এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। তাঁকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব মোঃ মোস্তফা কামাল এবং সংস্থা প্রধানরা।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধু না হলে আমরা স্বাধীন দেশ পেতাম না। এ জায়গায় বসে আমরা আলোচনা করতে পারতাম না। বঙ্গবন্ধুসহ ১৫ আগস্ট এর শহীদ, মহান মুক্তিযুদ্ধের শহীদ ও আত্মদানকারী মা বোনদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান।
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাঁর জীবনকে বাংলার মানুষের জন্য উৎসর্গ করেছেন। বাংলার মানুষের ভাগ্যের উন্নয়নের জন্য কাজ করছেন। ৪৩ বছরের রাজনৈতিক পথ চলায় তিনি জেনারেলদের শাসন দেখেছেন। গ্রেফতার হয়েছেন। তারপরও তিনি বাংলার মানুষের কথা বলেছেন। ৭৫ পরবর্তী সামরিক শাসকরা তাঁর চরিত্র হননের অপচেষ্টা করেছে। গ্রেফতারের ভয় দেখিয়েছে, হত্যার ভয় দেখিয়েছে, ব্যক্তিগত আক্রমণ করেছে, তারপরও তিনি এগিয়ে গেছেন। বাংলার মানুষের প্রতি ভরসা করে তিনি এই পর্যায়ে এসেছেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি তিনি কৃতজ্ঞতা জানান।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, বাংলার মানুষ জানতেন- প্রধানমন্ত্রী এ ইশতেহার বাস্তবায়ন করতে পারবেন। ৭ই জানুয়ারি ভোটের মাধ্যমে আওয়ামী লীগের ইশতেহার জনগণের ইশতেহারে পরিণত হয়েছে। এটি বাস্তবায়নের দায়িত্ব আমাদের। প্রধানমন্ত্রীর প্রতি আমরা কৃতজ্ঞ। আগামী দিনে একসাথে কাজ করব। নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসেবে যতটুকু প্রশংসা এর সবটুকু কৃতিত্ব আপনাদের। সবাই যদি দেশপ্রেম নিয়ে কাজ করতে পারি, তাহলে লক্ষ্য আরো এগিয়ে নিতে পারব। বঙ্গবন্ধুর ঋণ আমরা শোধ করতে পারব না। যদি কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারি, তাহলে বঙ্গবন্ধুর ঋণ কিছুটা হলে শোধ করতে সক্ষম হব। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতীয়-আন্তর্জাতিক প্রতিকূলতার মুখোমুখি থেকে সাহস ও দেশপ্রেম নিয়ে কাজ করছেন। প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্ব; আন্তর্জাতিকভাবে মাথা ব্যাথার কারণ। তিনি অকুতোভয়। কোনো কিছু পরোয়ানা করেন না। তাকে সাহস জোগানো আমাদের কর্তব্য; যাতে পরবর্তী প্রজন্ম নির্বিঘ্নে দেশ পরিচালনা করতে পারে, নেতৃত্ব দিতে পারে।
নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী মন্ত্রণালয়ের কাজে সহযোগিতার জন্য কর্মকর্তা কর্মচারীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান। ভবিষ্যতে পারিবারিক বন্ধন দিয়ে কাজ করার আহ্বান জানান। তিনি আশা করেন, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় একটি আকর্ষণীয় মন্ত্রণালয়ে পরিণত হবে। কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারবে।

নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলার মানুষের জন্য মৃত্যুকে আলিঙ্গন করতে পারেন। তিনি বাংলার মানুষের নেতৃত্ব দিচ্ছেন; তার প্রতি বাংলার মানুষের বিশ্বাস ও আস্থা আছে। আওয়ামী লীগ নির্বাচনী ইশতেহার ‘উন্নয়ন দৃশ্যমান, বাড়বে এবার কর্মসংস্থান’ দিয়েছে। এটার প্রতি বাংলার মানুষের বিশ্বাস ছিল। এটি মানুষের বিশ্বাস ও আস্থা অর্জন করেছে।
প্রতিমন্ত্রী রোববার মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে মন্ত্রণালয় এবং এর অধিনস্থ দপ্তর ও সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে এসব কথা বলেন। প্রতিমন্ত্রী দ্বিতীয়বারের মতো নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পাওয়ায় মন্ত্রণালয় এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। তাঁকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব মোঃ মোস্তফা কামাল এবং সংস্থা প্রধানরা।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধু না হলে আমরা স্বাধীন দেশ পেতাম না। এ জায়গায় বসে আমরা আলোচনা করতে পারতাম না। বঙ্গবন্ধুসহ ১৫ আগস্ট এর শহীদ, মহান মুক্তিযুদ্ধের শহীদ ও আত্মদানকারী মা বোনদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান।
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাঁর জীবনকে বাংলার মানুষের জন্য উৎসর্গ করেছেন। বাংলার মানুষের ভাগ্যের উন্নয়নের জন্য কাজ করছেন। ৪৩ বছরের রাজনৈতিক পথ চলায় তিনি জেনারেলদের শাসন দেখেছেন। গ্রেফতার হয়েছেন। তারপরও তিনি বাংলার মানুষের কথা বলেছেন। ৭৫ পরবর্তী সামরিক শাসকরা তাঁর চরিত্র হননের অপচেষ্টা করেছে। গ্রেফতারের ভয় দেখিয়েছে, হত্যার ভয় দেখিয়েছে, ব্যক্তিগত আক্রমণ করেছে, তারপরও তিনি এগিয়ে গেছেন। বাংলার মানুষের প্রতি ভরসা করে তিনি এই পর্যায়ে এসেছেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি তিনি কৃতজ্ঞতা জানান।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, বাংলার মানুষ জানতেন- প্রধানমন্ত্রী এ ইশতেহার বাস্তবায়ন করতে পারবেন। ৭ই জানুয়ারি ভোটের মাধ্যমে আওয়ামী লীগের ইশতেহার জনগণের ইশতেহারে পরিণত হয়েছে। এটি বাস্তবায়নের দায়িত্ব আমাদের। প্রধানমন্ত্রীর প্রতি আমরা কৃতজ্ঞ। আগামী দিনে একসাথে কাজ করব। নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসেবে যতটুকু প্রশংসা এর সবটুকু কৃতিত্ব আপনাদের। সবাই যদি দেশপ্রেম নিয়ে কাজ করতে পারি, তাহলে লক্ষ্য আরো এগিয়ে নিতে পারব। বঙ্গবন্ধুর ঋণ আমরা শোধ করতে পারব না। যদি কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারি, তাহলে বঙ্গবন্ধুর ঋণ কিছুটা হলে শোধ করতে সক্ষম হব। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতীয়-আন্তর্জাতিক প্রতিকূলতার মুখোমুখি থেকে সাহস ও দেশপ্রেম নিয়ে কাজ করছেন। প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্ব; আন্তর্জাতিকভাবে মাথা ব্যাথার কারণ। তিনি অকুতোভয়। কোনো কিছু পরোয়ানা করেন না। তাকে সাহস জোগানো আমাদের কর্তব্য; যাতে পরবর্তী প্রজন্ম নির্বিঘ্নে দেশ পরিচালনা করতে পারে, নেতৃত্ব দিতে পারে।
নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী মন্ত্রণালয়ের কাজে সহযোগিতার জন্য কর্মকর্তা কর্মচারীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান। ভবিষ্যতে পারিবারিক বন্ধন দিয়ে কাজ করার আহ্বান জানান। তিনি আশা করেন, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় একটি আকর্ষণীয় মন্ত্রণালয়ে পরিণত হবে। কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারবে।

ইতিহাসে আর কোনো সরকার দুই মাসের ব্যবধানে এতটা অজনপ্রিয় হয়েছিল কি না—এমন প্রশ্ন তুলেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম।
২০ ঘণ্টা আগে
জামায়াতকে উদ্দেশ করে তিনি বলেছেন, ‘দেশকে আবার ভিন্নভাবে তারা স্বৈরাচারের মধ্যে নিতে চায় কি না— আমাদের সেই চিন্তা করতে হবে। তাদের যে অতীত ইতিহাস, আমরা সবাই জানি। দেশবাসী সচেতনভাবে তাদের প্রত্যাখ্যান করেছে। আগামীতে যেন রাজনৈতিকভাবে তাদের পুরোপুরি নির্মূল করা যায়, আমাদের সেভাবে কাজ করতে হবে।’
২১ ঘণ্টা আগে
তিনি বলেন, ‘আমরা কারো ন্যায্য অবদানকে কখনো অস্বীকার করি না। আন্দোলন আমরা সবাই করেছি। কিন্তু আমরা তীরে ফিরতে পারি নাই। আমাদের তরি সমুদ্রে ভাসমান ছিল। জুলাই আন্দোলনের নায়করা এই তরি নিয়ে ঘাটে ভিড়েছে, জাতিকে মুক্তির পথ দেখিয়েছে। তাদের সম্মান করতে, ভালোবাসতে শিখুন। তাদের তুচ্ছতাচ্ছিল্য করবেন না।’
১ দিন আগে
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আমির ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য নুরুল ইসলাম বুলবুল বলেছেন, ‘বর্তমান সরকার জুলাইকে পদদলিত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বিএনপি আগামী দিনে বাংলাদেশের রাজনীতিতে বিশ্বাসঘাতক হিসেবে জনগণের কাছে চিহ্নিত হয়ে থাকবে।’
১ দিন আগে