
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৯২ নারী প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে ১৯ জন জয়ী হয়েছেন। তাদের মধ্যে আওয়ামী লীগের মনোনয়নে জয়ী হয়েছেন ১৫ জন। আর স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে জয়ী হয়েছেন ৪ জন।
নির্বাচনের চূড়ান্ত ফলাফল থেকে এ সব তথ্য জানা যায়। ফলাফলে দেখা যায়, স্বতন্ত্র প্রতীকে জয়ী ৪ নারীই আওয়ামী লীগের রাজনীতি ও আওয়ামী পরিবারের সন্তান।
বরাবরের মতো গোপালগঞ্জ- ৩ আসন থেকে জয়ী হয়েছেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
রংপুর-৬ আসন থেকে জাতীয় সংসদের স্পীকার শিরীন শারমিন চৌধুরী, গাইবান্ধা-৩ আসন থেকে কৃষক লীগের সাধারণ সম্পাদক উম্মে কুলসুম স্মৃতি, বগুড়া-১ আসনে সাহাদারা মান্নান, সিরাজগঞ্জ-২ আসনে জান্নাত আরা হেনরী, বাগেরহাট-৩ আসনে উপমন্ত্রী হাবিবুন নাহার, বরগুনা-২ আসনে সুলতানা নাদিরা, শেরপুর-২ আসনে আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও সংসদ উপনেতা মতিয়া চৌধুরী, কিশোরগঞ্জ-১ আসনে সৈয়দা জাকিয়া নূর, মুন্সীগঞ্জ-২ আসনে সাগুফতা ইয়াসমিন, গাজীপুর-৪ আসনে আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য সিমিন হোসেন রিমি, চাঁদপুর-৩ আসনে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও শিক্ষা মন্ত্রী ডা. দিপু মনী, চট্টগ্রাম-২ আসনে খাদিজাতুল আনোয়ারা ও কক্সবাজার-২ আসনে সাবেক সংসদ সদস্য আবদুর রহমান বদির সহধর্মিণী শাহীন আক্তার।
স্বতন্ত্র প্রার্থীদের মধ্যে গাইবান্ধা-১ আসনে সুন্দরগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের (প্রস্তাবিত) সদস্য ইঞ্জিনিয়ার আব্দুল্লাহ নাহিদ নিগার, মাদারীপুর-৩ আসনে বর্তমান সংসদের সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য ও কালকিনি উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি তাহমিনা বেগম, সুনামগঞ্জ-২ আসনে প্রয়াত আওয়ামী লীগ নেতা সুরঞ্জিত সেন গুপ্তের স্ত্রী জয়া সেন গুপ্তা ও হবিগঞ্জ-১ আসনে আওয়ামী লীগের সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য আমাতুল কিবরিয়া কেয়া চৌধুরী জয়ী হয়েছেন।
একাদশ সংসদে সরাসরি আসনে থেকে ২২ জন নারী সংসদ সদস্য রয়েছেন।
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দল হিসেবে সর্বোচ্চ নারী প্রার্থী দিয়েছিল ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ। দলটি ২০ জন নারী প্রার্থী দিয়েছিল। জাতীয় পার্টি (জেপি), বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আন্দোলন (বিএনএম), কল্যাণ পার্টি, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জাসদ ও বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি এই ৫টি দল মাত্র ১টি আসনে নারী প্রার্থী মনোনয়ন দিয়েছে।
৭ জানুয়ারির ভোটে আওয়ামী লীগ ২৬৪ প্রার্থীকে দলীয় মনোনয়ন দিয়েছে, যার মধ্যে ২০ জন নারী প্রার্থী। জাতীয় পার্টি ২৬৫ জন প্রার্থী দিয়েছেন যার মধ্যে ৯ জন নারী। বাংলাদেশ কংগ্রেস ৯৫ আসনে প্রার্থী দিয়েছে, যার মধ্যে ৯ জন নারী। ন্যাশনাল পিপলস পার্টি এনপিপি ১২২ জন্য প্রার্থী মনোনয়ন দিয়েছে, যার ৮ জন নারী। তৃণমূল বিএনপি ১৩৩ আসনে প্রার্থী দিয়েছে, তাদের মধ্যে নারী প্রার্থী ৬ জন। বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তিজোট ৬৩ আসনে প্রার্থী দিলেও নারী প্রার্থী দিয়েছে মাত্র তিনজন। বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট ফ্রন্ট (বিএনএফ) ৪৫ আসনে প্রার্থী দিয়েছে, যার মধ্যে নারী তিনজন। গণফ্রন্ট ২১ আসনে প্রার্থী দিলেও তাদের মধ্যে ২ জন নারী। সুপ্রিম পার্টি ৭৯ আসনে প্রার্থী দিয়েছে, তার মধ্যে নারী প্রার্থী ২ জন। বিএনম ৫৪ আসনে প্রার্থী দিলেও নারী ১ জন। কল্যাণ পার্টি ১৬ আসনের মধ্যে ১ জন প্রার্থী। জাতীয় পার্টি জেপি ১৩ আসনে প্রার্থী দিয়েছেন ১ জন নারী। জাসদ ৬৪ আসনে প্রার্থী দিলেও ১ জন মাত্র নারী। বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি ৫টি আসনে প্রার্থী দিয়েছে, যার মধ্যে ১ জন নারী।

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৯২ নারী প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে ১৯ জন জয়ী হয়েছেন। তাদের মধ্যে আওয়ামী লীগের মনোনয়নে জয়ী হয়েছেন ১৫ জন। আর স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে জয়ী হয়েছেন ৪ জন।
নির্বাচনের চূড়ান্ত ফলাফল থেকে এ সব তথ্য জানা যায়। ফলাফলে দেখা যায়, স্বতন্ত্র প্রতীকে জয়ী ৪ নারীই আওয়ামী লীগের রাজনীতি ও আওয়ামী পরিবারের সন্তান।
বরাবরের মতো গোপালগঞ্জ- ৩ আসন থেকে জয়ী হয়েছেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
রংপুর-৬ আসন থেকে জাতীয় সংসদের স্পীকার শিরীন শারমিন চৌধুরী, গাইবান্ধা-৩ আসন থেকে কৃষক লীগের সাধারণ সম্পাদক উম্মে কুলসুম স্মৃতি, বগুড়া-১ আসনে সাহাদারা মান্নান, সিরাজগঞ্জ-২ আসনে জান্নাত আরা হেনরী, বাগেরহাট-৩ আসনে উপমন্ত্রী হাবিবুন নাহার, বরগুনা-২ আসনে সুলতানা নাদিরা, শেরপুর-২ আসনে আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও সংসদ উপনেতা মতিয়া চৌধুরী, কিশোরগঞ্জ-১ আসনে সৈয়দা জাকিয়া নূর, মুন্সীগঞ্জ-২ আসনে সাগুফতা ইয়াসমিন, গাজীপুর-৪ আসনে আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য সিমিন হোসেন রিমি, চাঁদপুর-৩ আসনে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও শিক্ষা মন্ত্রী ডা. দিপু মনী, চট্টগ্রাম-২ আসনে খাদিজাতুল আনোয়ারা ও কক্সবাজার-২ আসনে সাবেক সংসদ সদস্য আবদুর রহমান বদির সহধর্মিণী শাহীন আক্তার।
স্বতন্ত্র প্রার্থীদের মধ্যে গাইবান্ধা-১ আসনে সুন্দরগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের (প্রস্তাবিত) সদস্য ইঞ্জিনিয়ার আব্দুল্লাহ নাহিদ নিগার, মাদারীপুর-৩ আসনে বর্তমান সংসদের সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য ও কালকিনি উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি তাহমিনা বেগম, সুনামগঞ্জ-২ আসনে প্রয়াত আওয়ামী লীগ নেতা সুরঞ্জিত সেন গুপ্তের স্ত্রী জয়া সেন গুপ্তা ও হবিগঞ্জ-১ আসনে আওয়ামী লীগের সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য আমাতুল কিবরিয়া কেয়া চৌধুরী জয়ী হয়েছেন।
একাদশ সংসদে সরাসরি আসনে থেকে ২২ জন নারী সংসদ সদস্য রয়েছেন।
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দল হিসেবে সর্বোচ্চ নারী প্রার্থী দিয়েছিল ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ। দলটি ২০ জন নারী প্রার্থী দিয়েছিল। জাতীয় পার্টি (জেপি), বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আন্দোলন (বিএনএম), কল্যাণ পার্টি, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জাসদ ও বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি এই ৫টি দল মাত্র ১টি আসনে নারী প্রার্থী মনোনয়ন দিয়েছে।
৭ জানুয়ারির ভোটে আওয়ামী লীগ ২৬৪ প্রার্থীকে দলীয় মনোনয়ন দিয়েছে, যার মধ্যে ২০ জন নারী প্রার্থী। জাতীয় পার্টি ২৬৫ জন প্রার্থী দিয়েছেন যার মধ্যে ৯ জন নারী। বাংলাদেশ কংগ্রেস ৯৫ আসনে প্রার্থী দিয়েছে, যার মধ্যে ৯ জন নারী। ন্যাশনাল পিপলস পার্টি এনপিপি ১২২ জন্য প্রার্থী মনোনয়ন দিয়েছে, যার ৮ জন নারী। তৃণমূল বিএনপি ১৩৩ আসনে প্রার্থী দিয়েছে, তাদের মধ্যে নারী প্রার্থী ৬ জন। বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তিজোট ৬৩ আসনে প্রার্থী দিলেও নারী প্রার্থী দিয়েছে মাত্র তিনজন। বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট ফ্রন্ট (বিএনএফ) ৪৫ আসনে প্রার্থী দিয়েছে, যার মধ্যে নারী তিনজন। গণফ্রন্ট ২১ আসনে প্রার্থী দিলেও তাদের মধ্যে ২ জন নারী। সুপ্রিম পার্টি ৭৯ আসনে প্রার্থী দিয়েছে, তার মধ্যে নারী প্রার্থী ২ জন। বিএনম ৫৪ আসনে প্রার্থী দিলেও নারী ১ জন। কল্যাণ পার্টি ১৬ আসনের মধ্যে ১ জন প্রার্থী। জাতীয় পার্টি জেপি ১৩ আসনে প্রার্থী দিয়েছেন ১ জন নারী। জাসদ ৬৪ আসনে প্রার্থী দিলেও ১ জন মাত্র নারী। বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি ৫টি আসনে প্রার্থী দিয়েছে, যার মধ্যে ১ জন নারী।

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি ওমর ফারুক বলেছেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও তার পরিবারকে নিয়ে যদি কোনো নোংরামি করা হয়, আমরা হয় মারব, না হয় মরব। হয় ফাঁসিতে ঝুলব, না হয় ওই গুপ্ত শিবির সন্ত্রাসীদেরকে নিজেরা আইন হাতে তুলে নিয়ে হত্যা করব।’
১ দিন আগে
ইতিহাসে আর কোনো সরকার দুই মাসের ব্যবধানে এতটা অজনপ্রিয় হয়েছিল কি না—এমন প্রশ্ন তুলেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম।
১ দিন আগে
জামায়াতকে উদ্দেশ করে তিনি বলেছেন, ‘দেশকে আবার ভিন্নভাবে তারা স্বৈরাচারের মধ্যে নিতে চায় কি না— আমাদের সেই চিন্তা করতে হবে। তাদের যে অতীত ইতিহাস, আমরা সবাই জানি। দেশবাসী সচেতনভাবে তাদের প্রত্যাখ্যান করেছে। আগামীতে যেন রাজনৈতিকভাবে তাদের পুরোপুরি নির্মূল করা যায়, আমাদের সেভাবে কাজ করতে হবে।’
১ দিন আগে
তিনি বলেন, ‘আমরা কারো ন্যায্য অবদানকে কখনো অস্বীকার করি না। আন্দোলন আমরা সবাই করেছি। কিন্তু আমরা তীরে ফিরতে পারি নাই। আমাদের তরি সমুদ্রে ভাসমান ছিল। জুলাই আন্দোলনের নায়করা এই তরি নিয়ে ঘাটে ভিড়েছে, জাতিকে মুক্তির পথ দেখিয়েছে। তাদের সম্মান করতে, ভালোবাসতে শিখুন। তাদের তুচ্ছতাচ্ছিল্য করবেন না।’
১ দিন আগে