
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটের মাঠে সেনা মোতায়নে সম্মতি দিয়েছে সশস্ত্র বাহিনীর সর্বাধিনায়ক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। তবে ঠিক কতদিন ভোটের মাঠে সেনাবাহিনী নামবে সে বিষয় কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।
রোববার সকাল ১০টা ৫০ মিনিটে ভোটের মাঠে সেনা মোতায়েনের সম্মতি নিতে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল ও ইসি সচিব বঙ্গভবনে প্রবেশ করেন। বেলা ১১টায় শুরু হওয়া বৈঠক চলে আধাঘন্টা। বৈঠক শেষে ইসি সচিব সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন।
এদিকে এর আগে সম্প্রতি সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার লেফটেন্যান্ট জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামানের সঙ্গে বৈঠক করে কাজী হাবিবুল আউয়াল নেতৃত্বাধীন কমিশন।
বৈঠক শেষে লেফটেন্যান্ট জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান সাংবাদিকদের জানান, সেনা মোতায়েন জন্য রাষ্ট্রপতিকে রিকমেন্ডশন (অনুরোধ) করবেন কমিশন। রাষ্ট্রপতি অনুমতি দিলে আগামী ২৯ ডিসেম্বর থেকে ১০ জানুয়ারি পর্যন্ত ১৩ দিনের জন্য তারা ভোটের দায়িত্ব পালন করবেন।
সংবিধানের ১২০ অনুচ্ছেদের প্রসঙ্গ টেনে ইসি সচিব বলেন, প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী হাবিবুল আউয়াল ১২০ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী কমিশন সশস্ত্র বাহিনীর সর্বাধিনায়ক মহামান্য রাষ্ট্রপতির কাছে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ইন এইড টু সিভিল পাওয়ারের আওতায় বেসমারিক প্রশাসনসে সহায়তা করার জন্য সামরিক বাহিনী নিযুক্ত করার জন্য অনুরোধ জানান। মহামান্য রাষ্ট্রপতি আশ্বাস দিয়েছেন সশস্ত্র বাহিনীর সঙ্গে আলাপ করে অতি শিগগিরই সিদ্ধান্ত জানিয়ে দেবেন। তিনি নীতিগতভাবে সামরিক বাহিনী প্রদানে সম্মত হয়েছেন।
ভোটের মাঠে ১৩ দিনই সেনাবাহিনী থাকছে কি না জানয়ে চাইল তিনি বলেন, এটা মূলত সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের সঙ্গে আমরা আলোচনা করে পৃথক পত্র প্রেরণ করবো। তার আলোকে সেখানে সময়, কখন কিভাবে তা নির্ধারণ হবে। সেটা সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের সঙ্গে পত্রালাপের মাধ্যমে চুড়ান্ত করবে নির্বাচন কমিশন।
সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসারের ১৩ দিনের বিষয়টি উল্লেখ করলে জাহাংগীর আলম বলেন, সেটা একটা আলোচনা ছিল। আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী যেভাবে নিয়োজিত থাকবে, তার সঙ্গে সমন্বয় রেখে তারা যাতে দায়িত্ব পালন করতে পারেন, সেইজন্য তিনি কথাটা বলেছেন। এটা চুড়ান্ত নয়।

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটের মাঠে সেনা মোতায়নে সম্মতি দিয়েছে সশস্ত্র বাহিনীর সর্বাধিনায়ক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। তবে ঠিক কতদিন ভোটের মাঠে সেনাবাহিনী নামবে সে বিষয় কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।
রোববার সকাল ১০টা ৫০ মিনিটে ভোটের মাঠে সেনা মোতায়েনের সম্মতি নিতে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল ও ইসি সচিব বঙ্গভবনে প্রবেশ করেন। বেলা ১১টায় শুরু হওয়া বৈঠক চলে আধাঘন্টা। বৈঠক শেষে ইসি সচিব সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন।
এদিকে এর আগে সম্প্রতি সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার লেফটেন্যান্ট জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামানের সঙ্গে বৈঠক করে কাজী হাবিবুল আউয়াল নেতৃত্বাধীন কমিশন।
বৈঠক শেষে লেফটেন্যান্ট জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান সাংবাদিকদের জানান, সেনা মোতায়েন জন্য রাষ্ট্রপতিকে রিকমেন্ডশন (অনুরোধ) করবেন কমিশন। রাষ্ট্রপতি অনুমতি দিলে আগামী ২৯ ডিসেম্বর থেকে ১০ জানুয়ারি পর্যন্ত ১৩ দিনের জন্য তারা ভোটের দায়িত্ব পালন করবেন।
সংবিধানের ১২০ অনুচ্ছেদের প্রসঙ্গ টেনে ইসি সচিব বলেন, প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী হাবিবুল আউয়াল ১২০ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী কমিশন সশস্ত্র বাহিনীর সর্বাধিনায়ক মহামান্য রাষ্ট্রপতির কাছে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ইন এইড টু সিভিল পাওয়ারের আওতায় বেসমারিক প্রশাসনসে সহায়তা করার জন্য সামরিক বাহিনী নিযুক্ত করার জন্য অনুরোধ জানান। মহামান্য রাষ্ট্রপতি আশ্বাস দিয়েছেন সশস্ত্র বাহিনীর সঙ্গে আলাপ করে অতি শিগগিরই সিদ্ধান্ত জানিয়ে দেবেন। তিনি নীতিগতভাবে সামরিক বাহিনী প্রদানে সম্মত হয়েছেন।
ভোটের মাঠে ১৩ দিনই সেনাবাহিনী থাকছে কি না জানয়ে চাইল তিনি বলেন, এটা মূলত সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের সঙ্গে আমরা আলোচনা করে পৃথক পত্র প্রেরণ করবো। তার আলোকে সেখানে সময়, কখন কিভাবে তা নির্ধারণ হবে। সেটা সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের সঙ্গে পত্রালাপের মাধ্যমে চুড়ান্ত করবে নির্বাচন কমিশন।
সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসারের ১৩ দিনের বিষয়টি উল্লেখ করলে জাহাংগীর আলম বলেন, সেটা একটা আলোচনা ছিল। আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী যেভাবে নিয়োজিত থাকবে, তার সঙ্গে সমন্বয় রেখে তারা যাতে দায়িত্ব পালন করতে পারেন, সেইজন্য তিনি কথাটা বলেছেন। এটা চুড়ান্ত নয়।

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি ওমর ফারুক বলেছেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও তার পরিবারকে নিয়ে যদি কোনো নোংরামি করা হয়, আমরা হয় মারব, না হয় মরব। হয় ফাঁসিতে ঝুলব, না হয় ওই গুপ্ত শিবির সন্ত্রাসীদেরকে নিজেরা আইন হাতে তুলে নিয়ে হত্যা করব।’
১ দিন আগে
ইতিহাসে আর কোনো সরকার দুই মাসের ব্যবধানে এতটা অজনপ্রিয় হয়েছিল কি না—এমন প্রশ্ন তুলেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম।
১ দিন আগে
জামায়াতকে উদ্দেশ করে তিনি বলেছেন, ‘দেশকে আবার ভিন্নভাবে তারা স্বৈরাচারের মধ্যে নিতে চায় কি না— আমাদের সেই চিন্তা করতে হবে। তাদের যে অতীত ইতিহাস, আমরা সবাই জানি। দেশবাসী সচেতনভাবে তাদের প্রত্যাখ্যান করেছে। আগামীতে যেন রাজনৈতিকভাবে তাদের পুরোপুরি নির্মূল করা যায়, আমাদের সেভাবে কাজ করতে হবে।’
১ দিন আগে
তিনি বলেন, ‘আমরা কারো ন্যায্য অবদানকে কখনো অস্বীকার করি না। আন্দোলন আমরা সবাই করেছি। কিন্তু আমরা তীরে ফিরতে পারি নাই। আমাদের তরি সমুদ্রে ভাসমান ছিল। জুলাই আন্দোলনের নায়করা এই তরি নিয়ে ঘাটে ভিড়েছে, জাতিকে মুক্তির পথ দেখিয়েছে। তাদের সম্মান করতে, ভালোবাসতে শিখুন। তাদের তুচ্ছতাচ্ছিল্য করবেন না।’
১ দিন আগে