
কূটনৈতিক প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককে এপ্রিলের শুরুতেই অনুষ্ঠেয় বিমসটেক শীর্ষ সম্মেলনের সাইড লাইনে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বৈঠকের জন্য দিল্লির ইতিবাচক উত্তরের অপেক্ষা করছে ঢাকা।
মঙ্গলবার (২৫ মার্চ) প্রধান উপদেষ্টার আসন্ন চীন ও থাইল্যান্ড সফর নিয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে পররাষ্ট্রসচিব মো. জসীম উদ্দিন এ কথা জানান।
এক প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্রসচিব বলেন, যেকোনো দেশের সঙ্গে শীর্ষ পর্যায়ের বৈঠক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে ভারতের সঙ্গে আমাদের সম্পর্কের বর্তমান প্রেক্ষাপটে এই বৈঠককে আরও বেশি গুরুত্ব দিয়ে দেখছি। দুই দেশের সরকারপ্রধানের মধ্যে এই বৈঠক হলে আমাদের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে যতটুকু স্থবিরতা রয়েছে, আশা করছি সেটি কেটে যাবে।
সচিব আরও বলেন, আমাদের দিক থেকে আমরা এই বৈঠকের জন্য সম্পূর্ণ প্রস্তুত। এখন ভারত রাজি হলে বৈঠকটি হবে। আমরা একটি ইতিবাচক উত্তরের অপেক্ষায় আছি। আমরা এই বৈঠকের অপেক্ষায় থাকব।
কয়েকদিন আগে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর নয়াদিল্লিতে সংসদীয় প্যানেলের এক বৈঠকে জানান, বাংলাদেশের পক্ষ থেকে দুই সরকারপ্রধানের বৈঠকের জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে। তারা এই অনুরোধ বিবেচনা করে দেখছেন।
এস জয়শঙ্কর ইউনূস-মোদি বৈঠক নিয়ে স্পষ্ট কোনো মন্তব্য না করলেও তার বক্তব্যকে ইতিবাচক হিসেবেই দেখছেন কূটনৈতিক অঙ্গন সংশ্লিষ্টরা। তারাও আশাবাদী, বৈঠকটি হলে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে সম্পর্কের শীতলতা অনেকটাই প্রশমিত হবে।
থাইল্যান্ডের ব্যাংককে বিমসটেকের ওই শীর্ষ সম্মেলন হবে আগামী ২ থেকে ৪ এপ্রিল। ষষ্ঠ এই শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিতে ৩ এপ্রিল ব্যাংককে যাবেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস।

থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককে এপ্রিলের শুরুতেই অনুষ্ঠেয় বিমসটেক শীর্ষ সম্মেলনের সাইড লাইনে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বৈঠকের জন্য দিল্লির ইতিবাচক উত্তরের অপেক্ষা করছে ঢাকা।
মঙ্গলবার (২৫ মার্চ) প্রধান উপদেষ্টার আসন্ন চীন ও থাইল্যান্ড সফর নিয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে পররাষ্ট্রসচিব মো. জসীম উদ্দিন এ কথা জানান।
এক প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্রসচিব বলেন, যেকোনো দেশের সঙ্গে শীর্ষ পর্যায়ের বৈঠক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে ভারতের সঙ্গে আমাদের সম্পর্কের বর্তমান প্রেক্ষাপটে এই বৈঠককে আরও বেশি গুরুত্ব দিয়ে দেখছি। দুই দেশের সরকারপ্রধানের মধ্যে এই বৈঠক হলে আমাদের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে যতটুকু স্থবিরতা রয়েছে, আশা করছি সেটি কেটে যাবে।
সচিব আরও বলেন, আমাদের দিক থেকে আমরা এই বৈঠকের জন্য সম্পূর্ণ প্রস্তুত। এখন ভারত রাজি হলে বৈঠকটি হবে। আমরা একটি ইতিবাচক উত্তরের অপেক্ষায় আছি। আমরা এই বৈঠকের অপেক্ষায় থাকব।
কয়েকদিন আগে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর নয়াদিল্লিতে সংসদীয় প্যানেলের এক বৈঠকে জানান, বাংলাদেশের পক্ষ থেকে দুই সরকারপ্রধানের বৈঠকের জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে। তারা এই অনুরোধ বিবেচনা করে দেখছেন।
এস জয়শঙ্কর ইউনূস-মোদি বৈঠক নিয়ে স্পষ্ট কোনো মন্তব্য না করলেও তার বক্তব্যকে ইতিবাচক হিসেবেই দেখছেন কূটনৈতিক অঙ্গন সংশ্লিষ্টরা। তারাও আশাবাদী, বৈঠকটি হলে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে সম্পর্কের শীতলতা অনেকটাই প্রশমিত হবে।
থাইল্যান্ডের ব্যাংককে বিমসটেকের ওই শীর্ষ সম্মেলন হবে আগামী ২ থেকে ৪ এপ্রিল। ষষ্ঠ এই শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিতে ৩ এপ্রিল ব্যাংককে যাবেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস।

বিপুল সংখ্যক প্রার্থীর উপস্থিতিতে মনোনয়ন বাছাই যেমন জটিল হয়ে উঠেছে, তেমনি দীর্ঘদিনের ত্যাগ ও সাংগঠনিক ভূমিকার স্বীকৃতি নিয়ে ভেতরে ভেতরে আলোচনা-প্রত্যাশাও বাড়ছে। ফলে আসন্ন নির্বাচন শুধু আসন বণ্টনের বিষয় নয়, বরং দলগুলোর অভ্যন্তরীণ ভারসাম্য ও রাজনৈতিক মূল্যায়নের একটি গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষায় পরিণত হয়েছে।
২ দিন আগে
বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ বলেন, ‘বিগত সময়ে পহেলা বৈশাখসহ অনেকগুলো উৎসবকে দলীয়করণ করা হয়েছিল। এখন সেই উৎসবগুলোকেও নাগরিক উৎসব হিসেবে উদ্যাপনের চেষ্টা করছি আমরা। একইসঙ্গে আমাদের সংস্কার এবং সাংস্কৃতিক মুক্তির লড়াই চলমান থাকবে।’
২ দিন আগে
পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর স্মরণ করেছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও দলের চেয়ারপারসন প্রয়াত খালেদা জিয়াকে।
৩ দিন আগে
তিনি আরো বলেন, ‘ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ প্রয়াসের মাধ্যমে প্রিয় দেশ ও জাতিকে ফ্যাসিবাদমুক্ত করার আপসহীন লড়াই চালিয়ে যাওয়ার মধ্য দিয়ে জনগণের কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তিত বাংলাদেশ গড়ে তোলাই হোক আমাদের অঙ্গীকার। আসুন সবার জন্য ন্যায়বিচার, অর্থনৈতিক মুক্তি ও মানবিক সমাজ গড়ার লক্ষ্যে একধাপ এগিয়ে যাই।’
৩ দিন আগে