
বাসস

সিলেট বিভাগের ৩৯ উপজেলার নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করা হয়েছ। নির্বাচন কমিশন ঘোষিত তপশীল অনুযায়ি ৬ষ্ঠ ধাপের নির্বাচনে ৪ বারে অনুষ্ঠিত হবে সিলেট বিভাগের ৩৯ উপজেলায় ভোটগ্রহণ।
আগামী ৪ মে থেকে ভোটগ্রহণ শুরু হয়ে ২৫ মে চতুর্থবারের ভোটগ্রহণের মধ্য দিয়ে শেষ হবে উপজেলা নির্বাচন।
নির্বাচন কমিশন এসব তথ্য নিশ্চিত করে জানায়, ভোটগ্রহণ হবে সিলেট বিভাগের সুনামগঞ্জ জেলায় ১১, সিলেটের ১৩, মৌলভীবাজারের সাত ও হবিগঞ্জের আটটি উপজেলায়। ৬ষ্ঠ ধাপে ৪ বারে হবে বিভাগের ৩৯ উপজেলায় ভোটগ্রহণ,তবে সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর ও সিলেটের ওসমানীনগর উপজেলায় পরবর্তীতে নির্বাচন হবে বলে জানিয়েছে ইসি। এই দুই উপজেলায় কোনও তারিখ নির্ধারণ করা হয়নি।
ইসির দেওয়া তালিকা অনুযায়ী- ষষ্ঠ ধাপে প্রথমবার ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে ৪ মে। এদিন সিলেট সদর, বিশ্বনাথ, দক্ষিণ সুরমা ও গোলাপগঞ্জ উপজেলায় ভোট হবে। একই তারিখে ভোট হবে সুনামগঞ্জের দিরাই ও শাল্লায়। এছাড়া মৌলভীবাজারের জুড়ি, কুলাউড়া, বড়লেখায় এবং হবিগঞ্জের বানিয়াচং ও আজমেরিগঞ্জ উপজেলায় একইদিনে ভোটগ্রহণ হবে।
দ্বিতীয়বার ভোটগ্রহণ হবে ১১ মে। এদিন কোম্পানীগঞ্জ, জৈন্তাপুর ও গোয়াইনঘাটে নির্বাচন হবে। একই তারিখে ভোট হবে সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা, তাহিরপুর, বিশ্বম্ভরপুর ও জামালগঞ্জে। এছাড়া মৌলভীবাজার সদর ও রাজনগর, হবিগঞ্জের বাহুবল, চুনারুঘাট ও নবীগঞ্জ উপজেলায় একই দিনে ভোট হবে।
তৃতীয়বার ভোট হবে ১৮ মে। এদিন বালাগঞ্জ, ফেঞ্চুগঞ্জ ও বিয়ানীবাজারে নির্বাচন হবে। একই তারিখে ভোটগ্রহণ হবে সুনামগঞ্জের ছাতক ও দোয়ারাবাজারে। এছাড়া মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ, শ্রীমঙ্গল, হবিগঞ্জ সদর, লাখাই, মাধবপুর ও শায়েস্তাগঞ্জে একই দিনে ভোটগ্রহণ হবে।
চতুর্থবার অর্থাৎ শেষবার ভোটগ্রহণ হবে ২৫ মে।
ওই দিন সিলেটের জকিগঞ্জ ও কানাইঘাটে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। একই তারিখে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে সুনামগঞ্জ সদর, শান্তিগঞ্জ ও মধ্যনগর উপজেলায়।

সিলেট বিভাগের ৩৯ উপজেলার নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করা হয়েছ। নির্বাচন কমিশন ঘোষিত তপশীল অনুযায়ি ৬ষ্ঠ ধাপের নির্বাচনে ৪ বারে অনুষ্ঠিত হবে সিলেট বিভাগের ৩৯ উপজেলায় ভোটগ্রহণ।
আগামী ৪ মে থেকে ভোটগ্রহণ শুরু হয়ে ২৫ মে চতুর্থবারের ভোটগ্রহণের মধ্য দিয়ে শেষ হবে উপজেলা নির্বাচন।
নির্বাচন কমিশন এসব তথ্য নিশ্চিত করে জানায়, ভোটগ্রহণ হবে সিলেট বিভাগের সুনামগঞ্জ জেলায় ১১, সিলেটের ১৩, মৌলভীবাজারের সাত ও হবিগঞ্জের আটটি উপজেলায়। ৬ষ্ঠ ধাপে ৪ বারে হবে বিভাগের ৩৯ উপজেলায় ভোটগ্রহণ,তবে সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর ও সিলেটের ওসমানীনগর উপজেলায় পরবর্তীতে নির্বাচন হবে বলে জানিয়েছে ইসি। এই দুই উপজেলায় কোনও তারিখ নির্ধারণ করা হয়নি।
ইসির দেওয়া তালিকা অনুযায়ী- ষষ্ঠ ধাপে প্রথমবার ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে ৪ মে। এদিন সিলেট সদর, বিশ্বনাথ, দক্ষিণ সুরমা ও গোলাপগঞ্জ উপজেলায় ভোট হবে। একই তারিখে ভোট হবে সুনামগঞ্জের দিরাই ও শাল্লায়। এছাড়া মৌলভীবাজারের জুড়ি, কুলাউড়া, বড়লেখায় এবং হবিগঞ্জের বানিয়াচং ও আজমেরিগঞ্জ উপজেলায় একইদিনে ভোটগ্রহণ হবে।
দ্বিতীয়বার ভোটগ্রহণ হবে ১১ মে। এদিন কোম্পানীগঞ্জ, জৈন্তাপুর ও গোয়াইনঘাটে নির্বাচন হবে। একই তারিখে ভোট হবে সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা, তাহিরপুর, বিশ্বম্ভরপুর ও জামালগঞ্জে। এছাড়া মৌলভীবাজার সদর ও রাজনগর, হবিগঞ্জের বাহুবল, চুনারুঘাট ও নবীগঞ্জ উপজেলায় একই দিনে ভোট হবে।
তৃতীয়বার ভোট হবে ১৮ মে। এদিন বালাগঞ্জ, ফেঞ্চুগঞ্জ ও বিয়ানীবাজারে নির্বাচন হবে। একই তারিখে ভোটগ্রহণ হবে সুনামগঞ্জের ছাতক ও দোয়ারাবাজারে। এছাড়া মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ, শ্রীমঙ্গল, হবিগঞ্জ সদর, লাখাই, মাধবপুর ও শায়েস্তাগঞ্জে একই দিনে ভোটগ্রহণ হবে।
চতুর্থবার অর্থাৎ শেষবার ভোটগ্রহণ হবে ২৫ মে।
ওই দিন সিলেটের জকিগঞ্জ ও কানাইঘাটে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। একই তারিখে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে সুনামগঞ্জ সদর, শান্তিগঞ্জ ও মধ্যনগর উপজেলায়।

তিনি বলেন, ‘আমরা কারো ন্যায্য অবদানকে কখনো অস্বীকার করি না। আন্দোলন আমরা সবাই করেছি। কিন্তু আমরা তীরে ফিরতে পারি নাই। আমাদের তরি সমুদ্রে ভাসমান ছিল। জুলাই আন্দোলনের নায়করা এই তরি নিয়ে ঘাটে ভিড়েছে, জাতিকে মুক্তির পথ দেখিয়েছে। তাদের সম্মান করতে, ভালোবাসতে শিখুন। তাদের তুচ্ছতাচ্ছিল্য করবেন না।’
৭ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আমির ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য নুরুল ইসলাম বুলবুল বলেছেন, ‘বর্তমান সরকার জুলাইকে পদদলিত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বিএনপি আগামী দিনে বাংলাদেশের রাজনীতিতে বিশ্বাসঘাতক হিসেবে জনগণের কাছে চিহ্নিত হয়ে থাকবে।’
৯ ঘণ্টা আগে
এ সময় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক ও কৃষি বিষয়ক উপদেষ্টা নজরুল ইসলাম খান বলেন, ঢাকা শহরের যত শ্রমিক আছেন, তাদের মধ্য থেকে একভাগ শ্রমিককেও আমরা সংগঠিত করতে পারিনি। আমরা যদি দুই ভাগ লোককে সংগঠিত করতে পারি, তাহলে আমাদের শ্রমিক সমাবেশ সফল হবে।
১ দিন আগে
সব রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের জন্য জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দরজা উন্মুক্ত বলে জানিয়েছেন দলটির উত্তরবঙ্গের মুখ্য সমন্বয়ক সারজিস আলম। তিনি বলেছেন, আপনারা আগে যেই রাজনৈতিক দলই করুন না কেন, আপনাদের যদি ফ্যাসিবাদের সঙ্গে- তাদের ওই ফৌজদারি অপরাধের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতা না থাকে, আপনারা যদি জুলাই গণঅভ্যু
১ দিন আগে