
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

যুদ্ধাপরাধী রাজাকার, আল-বদর, আল-শামসসহ যারা বাংলাদেশকে মেনে নিতে পারেনি তাদেরকে চিরতরে বাংলার মাটি থেকে নির্মূল করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ঢাদসিক) মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস।
বৃহস্পতিবার (১৪ ডিসেম্বর) শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবসের প্রথম প্রভাতে মিরপুর শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অপর্ণ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস এই মন্তব্য করেন।
ঢাদসিক মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপস বলেন, ‘দীর্ঘ ৪০ বছর পরে ২০১০ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যুদ্ধাপরাধীদের বিচার শুরু করেন এবং সেই কার্যক্রম এখনো চলমান আছে। অনেকের ফাঁসির রায় কার্যকর করা হয়েছে এবং এখনো অনেকের বিচার কার্যক্রম চলমান রয়েছে। আজকের এই দিনে এটাই আমাদের প্রত্যয় থাকবে- বাংলাদেশ থেকে সকল যুদ্ধাপরাধী, রাজাকার, আল-বদর, আল-শামসসহ যারা বাংলাদেশকে মেনে নিতে পারেনি তাদের যেন চিরতরে বাংলার মাটি থেকে নির্মূল করা হয়।’
‘বাংলাদেশকে মেধাশূন্য করতে মুক্তিযুদ্ধের বিজয়লগ্নে বুদ্ধিজীবীদের হত্যা করা হয়’ উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধের শেষ প্রান্তে বিজয় যখন আমাদের হাতের কাছে, তখনই সেই যুদ্ধাপরাধীরা পাকিস্তানের চক্রের সঙ্গে একটি ঘৃণ্য ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়ে বাংলাদেশকে মেধাশূন্য করার জন্য আমাদের বুদ্ধিজীবীদেরকে নিষ্ঠুরভাবে হত্যা করে।’
ঢাদসিক মেয়র ব্যারিস্টার শেখ তাপস এ সময় একাত্তরের ১৪ ডিসেম্বরে সব শহীদ বুদ্ধিজীবীর প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন ও তাঁদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন। এর আগে বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবী পরিষদের সদস্যসচিব হিসেবে ব্যারিস্টার শেখ তাপস পরিষদের কেন্দ্রীয় নেতাদের নিয়ে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।

যুদ্ধাপরাধী রাজাকার, আল-বদর, আল-শামসসহ যারা বাংলাদেশকে মেনে নিতে পারেনি তাদেরকে চিরতরে বাংলার মাটি থেকে নির্মূল করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ঢাদসিক) মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস।
বৃহস্পতিবার (১৪ ডিসেম্বর) শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবসের প্রথম প্রভাতে মিরপুর শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অপর্ণ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস এই মন্তব্য করেন।
ঢাদসিক মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপস বলেন, ‘দীর্ঘ ৪০ বছর পরে ২০১০ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যুদ্ধাপরাধীদের বিচার শুরু করেন এবং সেই কার্যক্রম এখনো চলমান আছে। অনেকের ফাঁসির রায় কার্যকর করা হয়েছে এবং এখনো অনেকের বিচার কার্যক্রম চলমান রয়েছে। আজকের এই দিনে এটাই আমাদের প্রত্যয় থাকবে- বাংলাদেশ থেকে সকল যুদ্ধাপরাধী, রাজাকার, আল-বদর, আল-শামসসহ যারা বাংলাদেশকে মেনে নিতে পারেনি তাদের যেন চিরতরে বাংলার মাটি থেকে নির্মূল করা হয়।’
‘বাংলাদেশকে মেধাশূন্য করতে মুক্তিযুদ্ধের বিজয়লগ্নে বুদ্ধিজীবীদের হত্যা করা হয়’ উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধের শেষ প্রান্তে বিজয় যখন আমাদের হাতের কাছে, তখনই সেই যুদ্ধাপরাধীরা পাকিস্তানের চক্রের সঙ্গে একটি ঘৃণ্য ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়ে বাংলাদেশকে মেধাশূন্য করার জন্য আমাদের বুদ্ধিজীবীদেরকে নিষ্ঠুরভাবে হত্যা করে।’
ঢাদসিক মেয়র ব্যারিস্টার শেখ তাপস এ সময় একাত্তরের ১৪ ডিসেম্বরে সব শহীদ বুদ্ধিজীবীর প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন ও তাঁদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন। এর আগে বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবী পরিষদের সদস্যসচিব হিসেবে ব্যারিস্টার শেখ তাপস পরিষদের কেন্দ্রীয় নেতাদের নিয়ে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি ওমর ফারুক বলেছেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও তার পরিবারকে নিয়ে যদি কোনো নোংরামি করা হয়, আমরা হয় মারব, না হয় মরব। হয় ফাঁসিতে ঝুলব, না হয় ওই গুপ্ত শিবির সন্ত্রাসীদেরকে নিজেরা আইন হাতে তুলে নিয়ে হত্যা করব।’
১ দিন আগে
ইতিহাসে আর কোনো সরকার দুই মাসের ব্যবধানে এতটা অজনপ্রিয় হয়েছিল কি না—এমন প্রশ্ন তুলেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম।
১ দিন আগে
জামায়াতকে উদ্দেশ করে তিনি বলেছেন, ‘দেশকে আবার ভিন্নভাবে তারা স্বৈরাচারের মধ্যে নিতে চায় কি না— আমাদের সেই চিন্তা করতে হবে। তাদের যে অতীত ইতিহাস, আমরা সবাই জানি। দেশবাসী সচেতনভাবে তাদের প্রত্যাখ্যান করেছে। আগামীতে যেন রাজনৈতিকভাবে তাদের পুরোপুরি নির্মূল করা যায়, আমাদের সেভাবে কাজ করতে হবে।’
১ দিন আগে
তিনি বলেন, ‘আমরা কারো ন্যায্য অবদানকে কখনো অস্বীকার করি না। আন্দোলন আমরা সবাই করেছি। কিন্তু আমরা তীরে ফিরতে পারি নাই। আমাদের তরি সমুদ্রে ভাসমান ছিল। জুলাই আন্দোলনের নায়করা এই তরি নিয়ে ঘাটে ভিড়েছে, জাতিকে মুক্তির পথ দেখিয়েছে। তাদের সম্মান করতে, ভালোবাসতে শিখুন। তাদের তুচ্ছতাচ্ছিল্য করবেন না।’
১ দিন আগে