
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

দেশবাসীকে নির্ভয়ে ভোটকেন্দ্রে যেয়ে ভোট প্রদানের আহ্বান জানিয়ে পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল-মামুন বলেছেন, পুলিশ আপনাদের পাশে রয়েছে।
মঙ্গলবার বেলা তিনটার দিকে যশোর পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে খুলনা বিভাগের ১০ জেলার পুলিশ সুপারদের সঙ্গে মতবিনিময় শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ের তিনি এ আহ্বান জানান।
পুলিশ প্রধান বলেন, ‘নির্বাচনে আগে ও পরে নির্বাচন কমিশনের নির্দশনামতে পুলিশ নিরাপত্তা গ্রহণ করে থাকে। সেই অনুযায়ী আমাদের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। আপনারা নির্ভয়ে ভোট কেন্দ্রে যাবেন। পুলিশ আপনাদের পাশে রয়েছে। প্রার্থীদের তালিকা অনুযায়ী ও আমাদের নিজস্ব ব্যবস্থায় ঝুঁকিপূর্ণ তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে। কেন্দ্রগুলোতে অধিক সর্তকতার সঙ্গে পুলিশ দায়িত্ব পালন করবে।’
তিনি বলেন, ‘নির্বাচন নিয়ে এখনো কোন নাশকতার শঙ্কা নেই। তবে নাশকতার বিষয়টি বিবেচনা করে, বাংলাদেশ পুলিশ নিরাপত্তার সকল ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। কারোও কাছে কোন নাশকতার তথ্য থাকলে পুলিশকে জানাতে পারেন। নির্বাচন বানচাল এবং এ ধরণের অপপ্রয়াস চালায়; তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। যদি কেউ আমাদের নাশকতাকারীদের তথ্য দেন; তাদের পরিচয় গোপন করে ২০ হাজার টাকা থেকে লাখ টাকা পুরস্কার দেওয়া হবে।’
সংখ্যালঘুদের ক্ষেত্রে বিশেষ নিরাপত্তা গ্রহণ করা হয়েছে মন্তব্য করে আইজিপি বলেন, ‘নির্বাচনে ধর্মীয় সংখ্যালঘু রয়েছে, তাদের উৎকণ্ঠার কথা মাথায় রেখে নির্বাচনী নিরাপত্তা গ্রহণ করেছি। তারা যেন নিরাপদে ভোট দিতে পারে; সেই লক্ষে সকল পুলিশ সুপারদের নির্দেশনা দিয়েছি। এর পাশাপাশি নারীরা ও বয়স্করা ভোট দিতে পারে পুলিশ তাদেরকে সহযোগিতা করবে। ঝুঁকিপুর্ণ এলাকাগুলোতে টহল জোরদার বাড়ানো হয়েছে। আগামি নির্বাচনে যথাযত ভাবে করতে পুলিশের সকল সদস্য মানসিকভাবে প্রস্তুত রয়েছে।’
এ সময় উপস্থিত ছিলেন পুলিশের খুলনা রেঞ্জ ডিআইজি (উপ-পুলিশ মহাপরিদর্শক) মঈনুল হক, যশোরের পুলিশ সুপার প্রলয় কুমার জোয়ারদ্দারসহ খুলনা বিভাগের পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

দেশবাসীকে নির্ভয়ে ভোটকেন্দ্রে যেয়ে ভোট প্রদানের আহ্বান জানিয়ে পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল-মামুন বলেছেন, পুলিশ আপনাদের পাশে রয়েছে।
মঙ্গলবার বেলা তিনটার দিকে যশোর পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে খুলনা বিভাগের ১০ জেলার পুলিশ সুপারদের সঙ্গে মতবিনিময় শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ের তিনি এ আহ্বান জানান।
পুলিশ প্রধান বলেন, ‘নির্বাচনে আগে ও পরে নির্বাচন কমিশনের নির্দশনামতে পুলিশ নিরাপত্তা গ্রহণ করে থাকে। সেই অনুযায়ী আমাদের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। আপনারা নির্ভয়ে ভোট কেন্দ্রে যাবেন। পুলিশ আপনাদের পাশে রয়েছে। প্রার্থীদের তালিকা অনুযায়ী ও আমাদের নিজস্ব ব্যবস্থায় ঝুঁকিপূর্ণ তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে। কেন্দ্রগুলোতে অধিক সর্তকতার সঙ্গে পুলিশ দায়িত্ব পালন করবে।’
তিনি বলেন, ‘নির্বাচন নিয়ে এখনো কোন নাশকতার শঙ্কা নেই। তবে নাশকতার বিষয়টি বিবেচনা করে, বাংলাদেশ পুলিশ নিরাপত্তার সকল ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। কারোও কাছে কোন নাশকতার তথ্য থাকলে পুলিশকে জানাতে পারেন। নির্বাচন বানচাল এবং এ ধরণের অপপ্রয়াস চালায়; তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। যদি কেউ আমাদের নাশকতাকারীদের তথ্য দেন; তাদের পরিচয় গোপন করে ২০ হাজার টাকা থেকে লাখ টাকা পুরস্কার দেওয়া হবে।’
সংখ্যালঘুদের ক্ষেত্রে বিশেষ নিরাপত্তা গ্রহণ করা হয়েছে মন্তব্য করে আইজিপি বলেন, ‘নির্বাচনে ধর্মীয় সংখ্যালঘু রয়েছে, তাদের উৎকণ্ঠার কথা মাথায় রেখে নির্বাচনী নিরাপত্তা গ্রহণ করেছি। তারা যেন নিরাপদে ভোট দিতে পারে; সেই লক্ষে সকল পুলিশ সুপারদের নির্দেশনা দিয়েছি। এর পাশাপাশি নারীরা ও বয়স্করা ভোট দিতে পারে পুলিশ তাদেরকে সহযোগিতা করবে। ঝুঁকিপুর্ণ এলাকাগুলোতে টহল জোরদার বাড়ানো হয়েছে। আগামি নির্বাচনে যথাযত ভাবে করতে পুলিশের সকল সদস্য মানসিকভাবে প্রস্তুত রয়েছে।’
এ সময় উপস্থিত ছিলেন পুলিশের খুলনা রেঞ্জ ডিআইজি (উপ-পুলিশ মহাপরিদর্শক) মঈনুল হক, যশোরের পুলিশ সুপার প্রলয় কুমার জোয়ারদ্দারসহ খুলনা বিভাগের পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি ওমর ফারুক বলেছেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও তার পরিবারকে নিয়ে যদি কোনো নোংরামি করা হয়, আমরা হয় মারব, না হয় মরব। হয় ফাঁসিতে ঝুলব, না হয় ওই গুপ্ত শিবির সন্ত্রাসীদেরকে নিজেরা আইন হাতে তুলে নিয়ে হত্যা করব।’
১ দিন আগে
ইতিহাসে আর কোনো সরকার দুই মাসের ব্যবধানে এতটা অজনপ্রিয় হয়েছিল কি না—এমন প্রশ্ন তুলেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম।
১ দিন আগে
জামায়াতকে উদ্দেশ করে তিনি বলেছেন, ‘দেশকে আবার ভিন্নভাবে তারা স্বৈরাচারের মধ্যে নিতে চায় কি না— আমাদের সেই চিন্তা করতে হবে। তাদের যে অতীত ইতিহাস, আমরা সবাই জানি। দেশবাসী সচেতনভাবে তাদের প্রত্যাখ্যান করেছে। আগামীতে যেন রাজনৈতিকভাবে তাদের পুরোপুরি নির্মূল করা যায়, আমাদের সেভাবে কাজ করতে হবে।’
১ দিন আগে
তিনি বলেন, ‘আমরা কারো ন্যায্য অবদানকে কখনো অস্বীকার করি না। আন্দোলন আমরা সবাই করেছি। কিন্তু আমরা তীরে ফিরতে পারি নাই। আমাদের তরি সমুদ্রে ভাসমান ছিল। জুলাই আন্দোলনের নায়করা এই তরি নিয়ে ঘাটে ভিড়েছে, জাতিকে মুক্তির পথ দেখিয়েছে। তাদের সম্মান করতে, ভালোবাসতে শিখুন। তাদের তুচ্ছতাচ্ছিল্য করবেন না।’
১ দিন আগে