
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেছেন, আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গণমাধ্যমের ভূমিকা বস্তুনিষ্ঠ হওয়া প্রয়োজন। অনেক সময় গণমাধ্যম ঠিক প্রয়োজনীয় অংশটুকু রেখে, আগে এবং পিছে যা বক্তৃতায় বলা হয়, তা বাদ দিয়ে মানুষকে বিভ্রান্ত করে। এটাও সকল সময় করে না, মাঝে মাঝে এটা করে মানুষকে বিভ্রান্ত করে।
বৃহস্পতিবার আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান ড. কামাল উদ্দিন আহমেদের নেতৃত্বে কমিশনের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের কাছে এসব কথা বলেন তিনি।
সিইসি বলেন, বৈঠকে উনি (মানবাধিকার চেয়ারম্যান) মন্তব্য করেছেন যে, আমাদের গণমাধ্যমের আরো দায়িত্বশীল হওয়া উচিত এবং বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনের মাধ্যমে, সার্বিক নির্বাচন প্রক্রিয়া বা রাজনৈতিক প্রক্রিয়ায় ইতিবাচক ভূমিকা রাখা প্রয়োজন । আমরা উনার সাথে সহমত পোষণ করি।
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, নির্বাচনী মাঠে আমরা ঘুরে বেড়িয়েছি। প্রার্থীদের সাথে কথা বলেছি। প্রশাসনের সাথে সভা করেছি। তাদের কাছ থেকে খুব বেশি অভিযোগ আমরা পাইনি। কিছু কিছু ক্ষেত্রে সহিংসতা, কিছুকিছু ক্ষেত্রে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া, পোস্টার ছেড়া হয়েছে। কিন্তু মোটা দাগে খুব বেশি ঘটনা ঘটেছে বলে মনে হয় না। তবে সহিংসতা একেবারে হয়নি, সে কথা বলছি না।
হাবিবুল আউয়াল বলেন, আশা করি এটা গ্রাজুয়েলি ঠিক হয়ে যাবে, আর কয়েকটা দিন আছে। আমরা আমাদের আবেদন রাখছি, প্রশাসনের সাথে যোগাযোগ রাখছি। তারা যেন এটাকে কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করেন। একটা সময় এ প্রচারণা বন্ধ হয়ে যাবে। তারপর ভোটের দিন আসবে।
সিইসি বলেন, আমরা ভোটাধিকার প্রয়োগটায় জোর দিচ্ছি। সেখানে পোলিং এজেন্টরা থাকবেন, কেন্দ্রের ভিতরে পোলিং এজেন্টদের ভারসাম্যটা রক্ষা করতে হবে। সেখানে কোনো আনঅথরাইজ পারসন যেন প্রবেশ করতে না পারে এবং বাহির থেকে, ভেতর থেকে গণমাধ্যম যদি কোনো অনিয়মের ছবি ক্যাপচার করে এবং এটা যদি সম্প্রচার করতে পারে, আমরা সেটাকে স্বাগত জানাব। এভাবে একটা দৃশ্যমানতার মধ্য দিয়ে নির্বাচন প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতাটা যদি ফুটে উঠে, তাহলে এর ক্রেডিবিলিটি বেড়ে যাবে এবং রং পারসেপশন তৈরি হওয়ার সুযোগটা কম হবে বলে আমি আশাবাদী।
তিনি বলেন, মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান নির্বাচনকালীন মানবাধিকারের যে বিষয়গুলো আছে, সেগুলোকে হাইলাইট করে বক্তব্য দিয়েছেন। তিনি বিশ্বাস করেন এবং জানেন যে ভোটাধিকার, নির্বাচিত হওয়া এবং নির্বাচিত করা একটি ফান্ডামেন্টাল হিউম্যান রাইট, মৌলিক মানবাধিকার। উনি আমাদেরকে সহযোগিতা করতে চান। আমরাও উনাদের সহযোগিতা করতে চাই এবং করবো।

প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেছেন, আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গণমাধ্যমের ভূমিকা বস্তুনিষ্ঠ হওয়া প্রয়োজন। অনেক সময় গণমাধ্যম ঠিক প্রয়োজনীয় অংশটুকু রেখে, আগে এবং পিছে যা বক্তৃতায় বলা হয়, তা বাদ দিয়ে মানুষকে বিভ্রান্ত করে। এটাও সকল সময় করে না, মাঝে মাঝে এটা করে মানুষকে বিভ্রান্ত করে।
বৃহস্পতিবার আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান ড. কামাল উদ্দিন আহমেদের নেতৃত্বে কমিশনের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের কাছে এসব কথা বলেন তিনি।
সিইসি বলেন, বৈঠকে উনি (মানবাধিকার চেয়ারম্যান) মন্তব্য করেছেন যে, আমাদের গণমাধ্যমের আরো দায়িত্বশীল হওয়া উচিত এবং বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনের মাধ্যমে, সার্বিক নির্বাচন প্রক্রিয়া বা রাজনৈতিক প্রক্রিয়ায় ইতিবাচক ভূমিকা রাখা প্রয়োজন । আমরা উনার সাথে সহমত পোষণ করি।
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, নির্বাচনী মাঠে আমরা ঘুরে বেড়িয়েছি। প্রার্থীদের সাথে কথা বলেছি। প্রশাসনের সাথে সভা করেছি। তাদের কাছ থেকে খুব বেশি অভিযোগ আমরা পাইনি। কিছু কিছু ক্ষেত্রে সহিংসতা, কিছুকিছু ক্ষেত্রে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া, পোস্টার ছেড়া হয়েছে। কিন্তু মোটা দাগে খুব বেশি ঘটনা ঘটেছে বলে মনে হয় না। তবে সহিংসতা একেবারে হয়নি, সে কথা বলছি না।
হাবিবুল আউয়াল বলেন, আশা করি এটা গ্রাজুয়েলি ঠিক হয়ে যাবে, আর কয়েকটা দিন আছে। আমরা আমাদের আবেদন রাখছি, প্রশাসনের সাথে যোগাযোগ রাখছি। তারা যেন এটাকে কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করেন। একটা সময় এ প্রচারণা বন্ধ হয়ে যাবে। তারপর ভোটের দিন আসবে।
সিইসি বলেন, আমরা ভোটাধিকার প্রয়োগটায় জোর দিচ্ছি। সেখানে পোলিং এজেন্টরা থাকবেন, কেন্দ্রের ভিতরে পোলিং এজেন্টদের ভারসাম্যটা রক্ষা করতে হবে। সেখানে কোনো আনঅথরাইজ পারসন যেন প্রবেশ করতে না পারে এবং বাহির থেকে, ভেতর থেকে গণমাধ্যম যদি কোনো অনিয়মের ছবি ক্যাপচার করে এবং এটা যদি সম্প্রচার করতে পারে, আমরা সেটাকে স্বাগত জানাব। এভাবে একটা দৃশ্যমানতার মধ্য দিয়ে নির্বাচন প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতাটা যদি ফুটে উঠে, তাহলে এর ক্রেডিবিলিটি বেড়ে যাবে এবং রং পারসেপশন তৈরি হওয়ার সুযোগটা কম হবে বলে আমি আশাবাদী।
তিনি বলেন, মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান নির্বাচনকালীন মানবাধিকারের যে বিষয়গুলো আছে, সেগুলোকে হাইলাইট করে বক্তব্য দিয়েছেন। তিনি বিশ্বাস করেন এবং জানেন যে ভোটাধিকার, নির্বাচিত হওয়া এবং নির্বাচিত করা একটি ফান্ডামেন্টাল হিউম্যান রাইট, মৌলিক মানবাধিকার। উনি আমাদেরকে সহযোগিতা করতে চান। আমরাও উনাদের সহযোগিতা করতে চাই এবং করবো।

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি ওমর ফারুক বলেছেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও তার পরিবারকে নিয়ে যদি কোনো নোংরামি করা হয়, আমরা হয় মারব, না হয় মরব। হয় ফাঁসিতে ঝুলব, না হয় ওই গুপ্ত শিবির সন্ত্রাসীদেরকে নিজেরা আইন হাতে তুলে নিয়ে হত্যা করব।’
১ দিন আগে
ইতিহাসে আর কোনো সরকার দুই মাসের ব্যবধানে এতটা অজনপ্রিয় হয়েছিল কি না—এমন প্রশ্ন তুলেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম।
১ দিন আগে
জামায়াতকে উদ্দেশ করে তিনি বলেছেন, ‘দেশকে আবার ভিন্নভাবে তারা স্বৈরাচারের মধ্যে নিতে চায় কি না— আমাদের সেই চিন্তা করতে হবে। তাদের যে অতীত ইতিহাস, আমরা সবাই জানি। দেশবাসী সচেতনভাবে তাদের প্রত্যাখ্যান করেছে। আগামীতে যেন রাজনৈতিকভাবে তাদের পুরোপুরি নির্মূল করা যায়, আমাদের সেভাবে কাজ করতে হবে।’
১ দিন আগে
তিনি বলেন, ‘আমরা কারো ন্যায্য অবদানকে কখনো অস্বীকার করি না। আন্দোলন আমরা সবাই করেছি। কিন্তু আমরা তীরে ফিরতে পারি নাই। আমাদের তরি সমুদ্রে ভাসমান ছিল। জুলাই আন্দোলনের নায়করা এই তরি নিয়ে ঘাটে ভিড়েছে, জাতিকে মুক্তির পথ দেখিয়েছে। তাদের সম্মান করতে, ভালোবাসতে শিখুন। তাদের তুচ্ছতাচ্ছিল্য করবেন না।’
১ দিন আগে