
কূটনৈতিক প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

দিল্লি ও ঢাকার মধ্যে ইতিবাচক কর্মসম্পর্ক গড়ে তুলতে অমীমাংসিত বিষয়গুলো সমাধানে দুপক্ষ সম্মত হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন। তিনি বলেন, ‘আমরা একমত হয়েছি যে আমাদের একটি ভালো কর্মসম্পর্ক থাকা দরকার।’
সম্প্রতি ওমানের রাজধানী মাসকাটে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এস জয়শঙ্করের সঙ্গে বৈঠকে এ আলোচনা হয়েছে বলে জানান উপদেষ্টা। বৃহস্পতিবার (২০ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে তিনি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের ব্রিফ করছিলেন।
পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে বাণিজ্য গতি ফিরে পেয়েছে। দুই দেশের বাণিজ্য অনেকটাই আগের অবস্থায় পৌঁছেছে। তবে ভিসা নিয়ে চ্যালেঞ্জ রয়েছে। এ রকম যেসব চ্যালেঞ্জ রয়েছে, সেগুলো সমাধান করা দরকার।
তৌহিদ হোসেন বলেন, এসব বিষয় নিয়ে জয়শঙ্করের (ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী) সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। তিনি বিষয়গুলো ইতিবাচকভাবে নিয়েছেন। আশা করা যায়, এসব চ্যালেঞ্জ আমরা মোকাবিলা করতে পারব।
এক প্রশ্নের জবাবে উপদেষ্টা বলেন, আলোচনায় সুনির্দিষ্ট কোনো চ্যালেঞ্জ চিহ্নিত করা হয়নি। তবে উভয় পক্ষই দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও জোরদার করতে কিছু বাধা অতিক্রম করার প্রয়োজনীয়তা স্বীকার করেছে।
তৌহিদ হোসেন জানান, বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ের সর্বশেষ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছিল নয়াদিল্লিতে। এবারে এই আলোচনার জন্য তিনি জয়শঙ্করকে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন।
ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ প্রসঙ্গে আলোচনা হয়েছে কি না— জানতে চাইলে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, এ বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো আলোচনা হয়নি। তবে সাধারণ বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা হয়েছে।
উপদেষ্টা তৌহিদ বলেন, এটি একটি স্বতন্ত্র ইস্যু এবং আদালতের আদেশের পর বাংলাদেশ শেখ হাসিনাকে প্রত্যর্পণের অনুরোধ জানিয়েছে।
ইউএসএইড তথা মার্কিন সরকারের অর্থায়ন স্থগিতের বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে উপদেষ্টা বলেন, এটি নির্দিষ্ট করে বাংলাদেশের কোনো বিষয় নয়। এ মুহূর্তে বাংলাদেশের কিছু করার নেই। তবে চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার উপায় খুঁজে বের করতে হবে।
অষ্টম ভারত মহাসাগর সম্মেলনের (আইওসি) ফাঁকে গত রোববার ওমানের মাসকাটে জয়শঙ্করের সঙ্গে ওই বৈঠক করেন উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন। বৈঠকে দুই নেতাই দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের চ্যালেঞ্জগুলো স্বীকার করে নিয়ে সেগুলো এক সঙ্গে মোকাবিলা করার ওপর জোর দেন।

দিল্লি ও ঢাকার মধ্যে ইতিবাচক কর্মসম্পর্ক গড়ে তুলতে অমীমাংসিত বিষয়গুলো সমাধানে দুপক্ষ সম্মত হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন। তিনি বলেন, ‘আমরা একমত হয়েছি যে আমাদের একটি ভালো কর্মসম্পর্ক থাকা দরকার।’
সম্প্রতি ওমানের রাজধানী মাসকাটে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এস জয়শঙ্করের সঙ্গে বৈঠকে এ আলোচনা হয়েছে বলে জানান উপদেষ্টা। বৃহস্পতিবার (২০ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে তিনি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের ব্রিফ করছিলেন।
পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে বাণিজ্য গতি ফিরে পেয়েছে। দুই দেশের বাণিজ্য অনেকটাই আগের অবস্থায় পৌঁছেছে। তবে ভিসা নিয়ে চ্যালেঞ্জ রয়েছে। এ রকম যেসব চ্যালেঞ্জ রয়েছে, সেগুলো সমাধান করা দরকার।
তৌহিদ হোসেন বলেন, এসব বিষয় নিয়ে জয়শঙ্করের (ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী) সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। তিনি বিষয়গুলো ইতিবাচকভাবে নিয়েছেন। আশা করা যায়, এসব চ্যালেঞ্জ আমরা মোকাবিলা করতে পারব।
এক প্রশ্নের জবাবে উপদেষ্টা বলেন, আলোচনায় সুনির্দিষ্ট কোনো চ্যালেঞ্জ চিহ্নিত করা হয়নি। তবে উভয় পক্ষই দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও জোরদার করতে কিছু বাধা অতিক্রম করার প্রয়োজনীয়তা স্বীকার করেছে।
তৌহিদ হোসেন জানান, বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ের সর্বশেষ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছিল নয়াদিল্লিতে। এবারে এই আলোচনার জন্য তিনি জয়শঙ্করকে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন।
ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ প্রসঙ্গে আলোচনা হয়েছে কি না— জানতে চাইলে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, এ বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো আলোচনা হয়নি। তবে সাধারণ বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা হয়েছে।
উপদেষ্টা তৌহিদ বলেন, এটি একটি স্বতন্ত্র ইস্যু এবং আদালতের আদেশের পর বাংলাদেশ শেখ হাসিনাকে প্রত্যর্পণের অনুরোধ জানিয়েছে।
ইউএসএইড তথা মার্কিন সরকারের অর্থায়ন স্থগিতের বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে উপদেষ্টা বলেন, এটি নির্দিষ্ট করে বাংলাদেশের কোনো বিষয় নয়। এ মুহূর্তে বাংলাদেশের কিছু করার নেই। তবে চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার উপায় খুঁজে বের করতে হবে।
অষ্টম ভারত মহাসাগর সম্মেলনের (আইওসি) ফাঁকে গত রোববার ওমানের মাসকাটে জয়শঙ্করের সঙ্গে ওই বৈঠক করেন উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন। বৈঠকে দুই নেতাই দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের চ্যালেঞ্জগুলো স্বীকার করে নিয়ে সেগুলো এক সঙ্গে মোকাবিলা করার ওপর জোর দেন।

বিবৃতিতেন তিনি বলেন, সম্প্রতি ঘোষিত নতুন দরে ডিজেল লিটারে ১৫ টাকা, কেরোসিন ১৮ টাকা, অকটেন ২০ টাকা এবং পেট্রোল ১৯ টাকা পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হয়েছে। এ ধরনের খাতওয়ারি মূল্যবৃদ্ধি দেশের সার্বিক অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে। এতে সাধারণ মানুষের জীবনে নতুন করে দুর্ভোগ ডেকে আনবে। আমি সরকারের এই গণববিরোধী
৯ ঘণ্টা আগে
দুপুর দেড়টায় রাজধানীর বাংলামোটরে দলটির অস্থায়ী কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। দলটির মিডিয়া সেল থেকে পাঠানো এক বার্তায় এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
৯ ঘণ্টা আগে
রুহিন হোসেন প্রিন্স বলেন, ‘মালিক সমিতি, মজুতদার, সুযোগসন্ধানী ব্যক্তি-গোষ্ঠী আর ব্যবসায়ীদের জয় হলো। সরকার জনগণের স্বার্থ রক্ষায় শুধু ব্যর্থতার পরিচয় দিলো না, বরং এই মজুতদার-ব্যবসায়ী গোষ্ঠীর স্বার্থই রক্ষা করল। এখন এ সিদ্ধান্তে সাধারণ মানুষের জীবনে নাভিশ্বাস উঠবে।’
১০ ঘণ্টা আগে
নিজের ফেসবুক আইডিতে পদত্যাগপত্র শেয়ার করে ফারাহা এমদাদ লিখেছেন, ‘এনসিপির সঙ্গে আমার পথচলা এখানেই শেষ। সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত থাকাকালে যদি কারও মনে কষ্ট দিয়ে থাকি, তার জন্য দুঃখিত। সবাই ভালো থাকবেন।’
১ দিন আগে