
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

পূর্ব-পশ্চিম সবার সাথে সম্পর্কের আরও উন্নয়নের প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন নতুন দায়িত্বপ্রাপ্ত পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। শুক্রবার সকালে নবগঠিত মন্ত্রিপরিষদ সদস্যদের সঙ্গে ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণকালে তিনি এ কথা বলেন।
নতুন দায়িত্ব নিয়ে প্রশ্ন করলে মন্ত্রী বলেন, জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমরা সমস্ত চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে দেশকে এগিয়ে নিয়ে গেছি। প্রধানমন্ত্রী আমাকে আস্থায় রেখে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দিয়েছেন। ইনশাল্লাহ এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করেও আমরা দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাবো এবং দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করবো, পূর্ব-পশ্চিম সবার সঙ্গে সম্পর্কের আরও উন্নয়ন ঘটাবো।
আমাদের পররাষ্ট্রনীতির মূল প্রতিপাদ্য হচ্ছে, কারো সাথে বৈরিতা নয়, সবার সাথে সুসম্পর্ক এবং সেই নীতি নিয়েই আমরা সবার সাথে আরও ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে তুলবো, বলেন ড. হাছান।
নতুন দায়িত্বের চ্যালেঞ্জ নিয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করার মধ্যে যে পরিতৃপ্তি আছে, সেটি অন্য কিছুতে নেই। তথ্য মন্ত্রণালয় একটি চ্যালেঞ্জ ছিল। আমি আপনাদের সহযোগিতায় সেই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করেছি। এখন বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে এবং পৃথিবীতে এখন বিভিন্ন জায়গায় যুদ্ধ চলছে, সেই প্রেক্ষাপটে এটি অবশ্যই চ্যালেঞ্জ।
নির্বাচন নিয়ে বিদেশি রাষ্ট্রগুলোর প্রতিক্রিয়া নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নে তিনি বলেন, দেখুন, গতকাল (বৃহস্পতিবার) বঙ্গভবনে নবনির্বাচিত সরকারের মন্ত্রিপরিষদের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে মার্কিন রাষ্ট্রদূত, যুক্তরাজ্যের হাইকমিশনারসহ ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত রাষ্ট্রগুলোসহ প্রায় সকল দেশের রাষ্ট্রদূতরা ছিল। অর্থাৎ বর্তমান সরকারকে সম্ভাষণ জানাতে তারা সবাই গিয়েছিল।
এ সময় রাজনৈতিক প্রসঙ্গে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আজকে কাগজে দেখলাম, বিএনপি তালা ভেঙে তাদের অফিসে ঢুকেছে। অথচ তালাটা কিন্তু তারাই লাগিয়েছিল। তারাই লাগিয়ে তারাই ভাঙছে, অর্থাৎ একটা নাটক দেখাচ্ছে।
হাছান মাহমুদ বলেন, বিএনপি নিজেরাই এই তালা লাগিয়েছিল। ৭৫ দিন ধরে কেউ যায় নাই। চাবি ইচ্ছে করে হারিয়ে ফেলেছে বা চাবি আছে, এরপরেও এভাবে তালা ভাঙার একটা নাটক করে মানুষকে বিভ্রান্ত করার একটা অপচেষ্টা করছে।

পূর্ব-পশ্চিম সবার সাথে সম্পর্কের আরও উন্নয়নের প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন নতুন দায়িত্বপ্রাপ্ত পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। শুক্রবার সকালে নবগঠিত মন্ত্রিপরিষদ সদস্যদের সঙ্গে ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণকালে তিনি এ কথা বলেন।
নতুন দায়িত্ব নিয়ে প্রশ্ন করলে মন্ত্রী বলেন, জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমরা সমস্ত চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে দেশকে এগিয়ে নিয়ে গেছি। প্রধানমন্ত্রী আমাকে আস্থায় রেখে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দিয়েছেন। ইনশাল্লাহ এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করেও আমরা দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাবো এবং দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করবো, পূর্ব-পশ্চিম সবার সঙ্গে সম্পর্কের আরও উন্নয়ন ঘটাবো।
আমাদের পররাষ্ট্রনীতির মূল প্রতিপাদ্য হচ্ছে, কারো সাথে বৈরিতা নয়, সবার সাথে সুসম্পর্ক এবং সেই নীতি নিয়েই আমরা সবার সাথে আরও ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে তুলবো, বলেন ড. হাছান।
নতুন দায়িত্বের চ্যালেঞ্জ নিয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করার মধ্যে যে পরিতৃপ্তি আছে, সেটি অন্য কিছুতে নেই। তথ্য মন্ত্রণালয় একটি চ্যালেঞ্জ ছিল। আমি আপনাদের সহযোগিতায় সেই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করেছি। এখন বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে এবং পৃথিবীতে এখন বিভিন্ন জায়গায় যুদ্ধ চলছে, সেই প্রেক্ষাপটে এটি অবশ্যই চ্যালেঞ্জ।
নির্বাচন নিয়ে বিদেশি রাষ্ট্রগুলোর প্রতিক্রিয়া নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নে তিনি বলেন, দেখুন, গতকাল (বৃহস্পতিবার) বঙ্গভবনে নবনির্বাচিত সরকারের মন্ত্রিপরিষদের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে মার্কিন রাষ্ট্রদূত, যুক্তরাজ্যের হাইকমিশনারসহ ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত রাষ্ট্রগুলোসহ প্রায় সকল দেশের রাষ্ট্রদূতরা ছিল। অর্থাৎ বর্তমান সরকারকে সম্ভাষণ জানাতে তারা সবাই গিয়েছিল।
এ সময় রাজনৈতিক প্রসঙ্গে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আজকে কাগজে দেখলাম, বিএনপি তালা ভেঙে তাদের অফিসে ঢুকেছে। অথচ তালাটা কিন্তু তারাই লাগিয়েছিল। তারাই লাগিয়ে তারাই ভাঙছে, অর্থাৎ একটা নাটক দেখাচ্ছে।
হাছান মাহমুদ বলেন, বিএনপি নিজেরাই এই তালা লাগিয়েছিল। ৭৫ দিন ধরে কেউ যায় নাই। চাবি ইচ্ছে করে হারিয়ে ফেলেছে বা চাবি আছে, এরপরেও এভাবে তালা ভাঙার একটা নাটক করে মানুষকে বিভ্রান্ত করার একটা অপচেষ্টা করছে।

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি ওমর ফারুক বলেছেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও তার পরিবারকে নিয়ে যদি কোনো নোংরামি করা হয়, আমরা হয় মারব, না হয় মরব। হয় ফাঁসিতে ঝুলব, না হয় ওই গুপ্ত শিবির সন্ত্রাসীদেরকে নিজেরা আইন হাতে তুলে নিয়ে হত্যা করব।’
২০ ঘণ্টা আগে
ইতিহাসে আর কোনো সরকার দুই মাসের ব্যবধানে এতটা অজনপ্রিয় হয়েছিল কি না—এমন প্রশ্ন তুলেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম।
১ দিন আগে
জামায়াতকে উদ্দেশ করে তিনি বলেছেন, ‘দেশকে আবার ভিন্নভাবে তারা স্বৈরাচারের মধ্যে নিতে চায় কি না— আমাদের সেই চিন্তা করতে হবে। তাদের যে অতীত ইতিহাস, আমরা সবাই জানি। দেশবাসী সচেতনভাবে তাদের প্রত্যাখ্যান করেছে। আগামীতে যেন রাজনৈতিকভাবে তাদের পুরোপুরি নির্মূল করা যায়, আমাদের সেভাবে কাজ করতে হবে।’
১ দিন আগে
তিনি বলেন, ‘আমরা কারো ন্যায্য অবদানকে কখনো অস্বীকার করি না। আন্দোলন আমরা সবাই করেছি। কিন্তু আমরা তীরে ফিরতে পারি নাই। আমাদের তরি সমুদ্রে ভাসমান ছিল। জুলাই আন্দোলনের নায়করা এই তরি নিয়ে ঘাটে ভিড়েছে, জাতিকে মুক্তির পথ দেখিয়েছে। তাদের সম্মান করতে, ভালোবাসতে শিখুন। তাদের তুচ্ছতাচ্ছিল্য করবেন না।’
১ দিন আগে